জম্মনিবন্ধ ভুল ঠিক করা, অনলাইন করা
জন্মনিবন্ধন ভুল ঠিক করতে ও অনলাইন করতে ১০০০ টাকা বাড়তি নিয়েছে ।
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জন্মনিবন্ধন ভুল ঠিক করতে ও অনলাইন করতে ১০০০ টাকা বাড়তি নিয়েছে ।
গাইবান্ধা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে ৩ দিনের পিডিও ট্রেনিং করতেছি ২ দিন হলো। এবং আমরা সর্বমোট ১০০ জন ছাত্র আছি। সরকারের পক্ষ থেকে যারা পিডিও ট্রেনিং করবে তাদের প্রত্যেক কে দিন ১৫০×১০০ টাকা দেওয়ার কঘা ছিলো সেটা দেয়নি এবং সবার থেকে Extra হুূদাই ১০০ টাকা করে নিছে।
২০১৮ সালে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আমার জব হয়।কিন্ত একাডেমিক সার্টিফিকেটে নামের সামনে মোঃ ছিলোনা।কিন্তু ভোটার আইডিতে মোঃ ছিলো।প্রতিষ্ঠানটির HRD থেকে আমাকে বলা হয় যতদিন ভোটার আইডিটা সংশোধন করতে পারবেন না, ততদিন বেতন পাবেন না। এরপর নির্বাচন অফিস ও অনলাইনে আাবেদন করি।একে একে চার মাস চলে গেলো কোন কাজ আর হচ্ছে না।চাকরি করতাম রংপুরের পীরগাছা, ভোটার বোদা,পঞ্চগড়ে।এই দুই জায়গার নির্বাচন অফিসে অনেকে কান্নাকাটি করলাম কোন কাজ হচ্ছে না।শেষে গেলাম প্রধান নির্বাচন কমিশনের কার্যলয়,আগারগাঁও, ঢাকায়।একে একে তিনদিন চলে যায়।পুরুষ মহিলা লাইনের পর লাইন।কারো নামের বানান ভুল। কেউবা বয়স কমাতে আসছে।লাইন আর শে্য হয়না। লাইন শেষ হলে পরে তখন বলছে সার্ভার বিজি।এদিকে পরপর তিনদিন হোটেলে থাকা খাওয়াতো আছে।শেষে টাকা ফুরিয়ে আসে
যার নামে বাড়ি তিনি মারা গিয়েছেন তার ওয়ারিশদের মধ্যে নিয়ম অনুযায়ী নাম জারি করার দাবীকৃত সকল ডকুমেন্টসহ ফাইল করা হয়েছে। এখন তারা কিছু হাস্যকর করে দিয়েছেন যেগুলো সত্যিই হাস্যকর। খালিশপুরের অবস্থিত অফিস ১০ হাজার টাকা নিয়ে তাদের উপরের অফিসারের (অন্য অফিস) কাছে ফাইল ফরওয়ার্ড করেন। উপরের অফিসার আবার এই হাস্যকর অসঙ্গতি খুঁজে বের করে। ফাইল ফেরত দেন। (এনআইডিতে থাকা ঠিকানায় খালিশপুর এর বানানৎখলিশপুর আছে কেন?) অথচ এই একই বানানে পূর্বের সমস্ত ফাইল সে কাজ করে দিয়েছে। কেননা এই বানানটি যখন এনআইডি করা হয় তখন শহরের নামের স্থানের ড্রপ ডাউন বক্সে ভুলটা করা ছিল। এখন খালিশপুরের অবস্থিত অফিসের অফিসার অভিমত জানিয়েছেন- "বোঝেন ই তো। এবার ফাইল ফরওয়ার্ড করার পরে একটু যোগাযোগ করেন"।
NID (জাতীয় পরিচয়পত্র) করার জন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে গিয়ে ফরমে স্বাক্ষর করানোর সময় আমাকে অতিরিক্ত ১০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। অফিসের বাইরে বসে যারা আবেদনকারীদের ফরম পূরণ, লিখালিখি ও বিভিন্ন কাগজপত্রের কাজ করে দেন, তাদের মধ্য থেকে একজন ব্যক্তি এই ১০০ টাকা অতিরিক্ত হিসেবে দাবি করেন এবং গ্রহণ করেন।
আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইপিআই ভারপ্রাপ্ত আছি প্রায় ৮ মাস থেকে । কিন্তু জানতে পারলাম নিয়োগ হচ্ছে । আমি যোগাযোগ করলাম । সেখান থেকে বলা হল ০৪ লক্ষ দিলে আমাকে নিজ বেতনে ইপিআই পোষ্টে দিবে । টাকা না দেবার কারনে আমাকে বাদ দিয়ে একজন অনঅভিজ্ঞ লোকের কাছ থেকে ০৪ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইপিআই পোষ্টে নিয়োগ দিয়েছে। বিষয়টি খুব কষ্টদায়ক। ৫বছর পরিশ্রম করে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে নিয়োগ পাই । ৮মাস সৎ ও নিষ্ঠার কাজ করতে থাকি। এখন টাকার কাছে হেরে গেলাম। এতদিনে বুঝতে পারলাম সৎ ও নিষ্ঠার কাজ করা টা এ দেশের জন্য অভিশাপ। আমার সন্তান রা আমাকে খোটা দেয় এতদিন সৎ থেকে পরিশ্রম করে কি পেলাম। তবে আমি আশা বাদি সত্যর জয় হবেই।
আমি ফাদারের সাথে অধিদপ্তরে যায়। সেখান থেকে সরকারি কাগজ নিতে গেলে , তারা প্রথমে বিভিন্ন বাহানা দেখিয়ে কাগজ দিতে অস্বীকার করে। পরে ৩০০ টাকার বিনিময়ে কাগজ দেয়। ফাদার সরকারি মানুষ হয়েও, সংশ্লিষ্ট অফিসে ঘুষ দিয়ে ফরম কালেকশন করতে হয়েছে। অথচ ফরম নিতেবকোন টাকা লাগেনা। ফাদার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছে। কারণ ফাদারের কর্মস্থান গ্রামে। সেখান থেকে দ্বিতীয়বার আসাযাওয়া অনেক ব্যয়বহুল। ফলশ্রুতিতে, ৩০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছ।
আমি শুধু সুনামগঞ্জের কথা বলতেছি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর এলজিআরই সুনামগঞ্জ। এখানে আপনি এক্সেন হতে শুরু করে সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, ল্যাপ টেকনিশিয়ান সবাইকে বিশাল পরিমাণ টাকা পিসি টাকা দিতে হয়। এটা একটা লিখিত আমলনামার মত হয়ে গেছে। আমার কথা হচ্ছে ঠিকাদার কেন এদেরকে পিসি দিবে। এটাতো জেলা অফিসের কথা বললাম এখন উপজেলা অফিসে কথা বলি, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার, সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, একাউন্ট ঠিকাদার যখন বিল করে, প্রতিটি বিলে প্রচুর পরিমাণ পিসির টাকা ওনারা নেয়। সরকার কোন ইনকারই করো না কেন। সামান্য বেতনে চাকরি করে কিন্তু একেকজনে চলাফেরা রাজা বাদশার মত। এদের আয়েরস্য খতিয়ে দেখা উচিত। এরা বিশাল পরিমাণ করাপটেড
অভিযোগের বিবরণ: আমি বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় যাই। পুলিশ ভেরিফিকেশনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা/পুলিশ সদস্য আমার কাছে ১,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমার সঙ্গে রাগারাগি করেন এবং আমাকে ভয় দেখিয়ে বলেন যে, টাকা না দিলে আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে না এবং আমি বিদেশে যেতে পারব না। পরবর্তীতে বিদেশ যাওয়ার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় এবং বাধ্য হয়ে আমি থানায় গিয়ে তাকে ৭০০ টাকা প্রদান করি। আমি কোনো অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্য টাকা দিইনি; বরং পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য চাপের মুখে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। রাজবাড়ী সদর থানা
আমি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী কোটা দেই। পরবর্তীতে প্রতিবন্ধী সনদ আনতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসে গেলে ১ মাস আমাকে শুধু তারিখ দিয়ে ঘোরাই। তারপর একদিন আমাকে কিছু খরচ দিতে বলে কাজটা করে দেই, তখন আমি বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দেই এবং পরের দিনই সনদ পেয়ে যাই।
আমার স্ত্রী প্রাইমারী সহকারী শিক্ষক এর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় ৩০০০ টাকা দাবী করে। আমি টাকা না দিলে ফাইলে কোন সমস্যা হলে ওনি দায়ভার নিবে না বলে দিয়েছে।এবং ফ্যাসিস্ট এর সাথে সম্পৃক্ত থাকলে চাকরি চলে যাওয়ার হুমকি দেয়।
জেলা: কুমিল্লা | থানা/উপজেলা: মনোহরগঞ্জ | ৪ নং উত্তর ঝলোম ইউনিয়ন, লালচাঁদপুর। আমার বয়স্ক মায়ের জন্মতারিখের ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করতে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছি। অভিযোগ রয়েছে, ভোট অফিসের সামনে “তাকওয়া” নামের একটি কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে আবেদন করতে বাধ্য করা হয় এবং দোকানটির সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ ও নির্বাচন অফিসের কিছু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্ভাব্য যোগসাজশে অতিরিক্ত বা অবৈধ অর্থ দাবি করা হয়। সরাসরি অফিসে গেলে নানা অজুহাতে হয়রানি করে মাসের পর মাস ঘুরানো হয়। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং আমার পরিচয় গোপন রাখার অনুরোধ করছি।
আমি একটি ফুড ফ্যাক্টরী ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে যেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্ম কর্তাকে ঘুস দিতে হয়েছে না দিলে বিভিন্ন বাহানায় কাজ করে দিতে চায় না মজার ব্যাপার এগুলোর সাথে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত থাকে।
আমি জমি সংক্রান্ত কাজে গিয়েছিলাম সে ৫০০ টাকা দাবি করেছিল পরে দেয়নি বলে কাজটি করে দেয়নি
আমার মা এবং বাবার বয়স্ক ভাতা কার্ড করার জন্য আমি ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে অনলাইন আবেদন করি পরবর্তী আমি খোঁজখবর নিতে গেলাম আমার মা-বাবার বয়স্ক ভাতা কার্ড হয়েছে কিনা পরবর্তী একজন ওয়ার্ড মেম্বার ওয়ার্ড মহিলা বললো দুইজনের ১২ হাজার টাকা দিলে বয়স্ক ভাতা কার্ড হবে টাকা না দিলে কার্ড হবে না এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমি একজন কৃষকের ছেলে খুবই দরিদ্র ১২ হাজার টাকা আমি কিভাবে জোগাড় করে দিবো সরকার তো বয়স্ক ভাতা কার্ড ফ্রি করে দেয় তাহলে কেন এই দুর্নীতি করতেছে আমি এর বিচার চাই
অভিযোগের বিবরণ সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য আমি সিলেটের JBI Medical, উপশহর-এ মেডিকেল পরীক্ষা করাই এবং এর জন্য ৮,৫০০ টাকা প্রদান করি। মেডিকেল পরীক্ষার পর আমাকে বলা হয় যে, আমার বুকের এক্স-রে/রিপোর্টে দাগ দেখা গেছে এবং আমাকে Unfit করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমাকে ৩ দিনের সময় দিয়ে আবার সেখানে এসে পরীক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমি সিলেটের Ibn Sina Hospital-এ পরীক্ষা করাই। সেখানে পরীক্ষা করে জানতে পারি যে আমার রিপোর্ট ভালো আছে এবং কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। এরপর Travel-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকজন ব্যক্তি আমাকে জানান যে, এভাবে ৩ দিনের সময় দেওয়া হলে অতিরিক্ত প্রায় ১৮,০০০ টাকা দিতে হয়—এমন অভিযোগ তারা আগে থেকেও শুনেছেন। তিন দিন পর আমি Travel-এর মাধ্যমে ওই অতিরিক্ত টাকা প্রদান কর
২০২৫ সালে আমি এপিডেবিট নিয়ে চট্টগ্রাম নির্বাচন অফিসে যায় NID তে জন্মতারিখ সংশোধন করতে। ১ সপ্তাহ ঘুরাইছে। ৩ দিন শুনানি তে গেছি।। কাজ হয় নাই। পরে ঘুরাঘুরির পর কম্পিউটার অফারেটর অফিসের বাইরে ডেকে নিয়ে ৩০০০ টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে বলেছে।। আমি আর করি নাই
৮ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট, ৬ বছর পরে টাকা গুলা ওঠানোর সময় ২ হাজার দাবি করে,১০০০টাকা দিয়ে বাধ্য চলে আসি
মামলার সমন নোটিস বিবাদী বরাবর পৌঁছে দেওয়া। টাকা না দেওয়ায় ২১ দিন আমাকে ঘুরিয়েছে। পরে টাকা দিতে হইছে।
আমি একজন সরকারি চাকুরীজীবি। আমি বাংলাদেশ রেলওয়ে এর একজন কর্মচারি। ২০২৪ এর জানুয়ারি মাসে আমার আমার সহ কর্মি সহ মোট ১০-১২ এর পদোন্নতি হয়। আমাদের পদোন্নতি হলে অন লাইনে ফিক্সেশন করে ফাইল নথিভুক্ত করতে হয়। এই কাজ করেন আমাদের ডি,পি,ও ( সংস্থাপন) শাখা, আর এই কাজ এর জন্য আমার ও সবার কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে নিয়েছে। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত তারা কাজ করেনাই আর এর জন্য আমার বেতন ৩ মাস বন্ধ ছিলো ২০০০ টাকা দেওয়ার পর আমার নতুন স্কেলে বেতন পাই। আর এই কাজ করে ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে প্রশাসন ভবন এর ডি,পি,ও অফিস। এখনো কোন কাজ টাকা না দিলে হয়না মাস ও বছর পার হয়ে যায় কাজ হয়না।