মোবাইল ফোন উদ্ধারের পর পুলিশ টাকা নিয়েছে।
আমার ফোন হারিয়ে যাওয়ায় আমি একটি জিডি করি। তারপর ফোন পাওয়া গেলে, একটা নাম্বার থেকে কল দিয়ে টাকা চাওয়া হয়। থানায় ফোন আনতে গিয়ে দেখি, ফোন করা ব্যক্তি টি একজন পুলিশ ওই থানার। টাকা নেয়,তারপর ফোন হস্তান্তর করে।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার ফোন হারিয়ে যাওয়ায় আমি একটি জিডি করি। তারপর ফোন পাওয়া গেলে, একটা নাম্বার থেকে কল দিয়ে টাকা চাওয়া হয়। থানায় ফোন আনতে গিয়ে দেখি, ফোন করা ব্যক্তি টি একজন পুলিশ ওই থানার। টাকা নেয়,তারপর ফোন হস্তান্তর করে।
আমার থেকে ১০০০০ টাকা নিছে একটা প্রিপেইড মিটার নামানোর জন্য একটা মিটার নামাযে কি ১০ হাজার টাকা লাগে
আমি গত ১৭ ই জুন আবার ২৮ জুন জন্য টিকেট এর তারিখ পরিবর্তন করি, অনেক বছর আগে টিকিট চেঞ্জ করছিলাম, কিন্তু কাউন্টারে কখনো টাকা নিতো না। সব সময় নগদ ক্যাশ কাউন্টারে টাকা নিতো। এবং রিসিট দিত। এইবার ১৫ এবং ১০ জুন আমি দুইবার টিকেট চেঞ্জ করছি দু বার ই ক্যাশ কাউন্টারে নয় যে টিকিট চেঞ্জ করছে তাই সেই টাকা গ্রহণ করছে, এবং আমাকে কোন রিসিট পেপার দেয় নাই। টাকার পরিমান ৩০০০+৩০০০ টাকা
লালমনিরহাট জেলার আদিমারী উপজেলায় অবস্থিত একটি সরকারি ডিগ্রী কলেজে কর্মরত ৬৩ জন প্রভাষক /সহকারি অধ্যাপক -এর নিকট থেকে তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য জন প্রতি ১১০০০ টাকা করে মোট ৬৯৩০০০ টাকা নেয়া হয়। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল, সদ্য সাবেক একজন ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল এবং একজন সিনিয়র প্রভাষকের যোগসাজশেএই অপকর্ম গুলি সংঘটিত হয়। শিক্ষক মহোদয়দের চাকরি দ্রুত স্থায়ীকরণ না হলে তারা কোন প্রকার সুযোগ-সুবিধা পাবেন না এবং নানা রকম প্রশাসনিক জটিলতার ভয় ভীতি দেখিয়ে তারা এই অর্থ হাতিয়ে নেয় । ইহা ছাড়াও এই চক্রটি ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষক কর্মচারীর স্বার্থের কোনরূপ-রুক্ষেপ না করে তারা সব সময় শুধু তাদের অর্থ ইনকামের চিন্তায় মগ্ন থাকে।
আমিও শেষ পর্যন্ত ঘুষ দিতে বাধ্য হলাম—মিটার নেওয়ার মতো একটি নাগরিক সেবা পেতেও যদি ঘুষ দিতে হয়, তাহলে বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সকল স্টেশনে ১১০০ টাকা হতে শুরু করে ৩০০০০ টাকা পর্যন্ত,, কেরোসিন তেলের ভাউচার দিয়ে টাকা নেয় অথচ কেরোসিন তেল বাবদ কোন খরচ নাই,, রেলের লস হয় এসব কারনে। দেখার কেউ নেই,, কেন একজন স্টেশন মাস্টার ২০ বা ৩০ হাজার টাকা প্রতি মাসে নিজের পকেটে নিবে।??
ঢাকা ওয়াসার পানির মিটার ডিসপ্লে ঘোলাটে হয়ে যাওয়ায় মিটারের ডিসপ্লে পরিষ্কার করে রিডিং না নিয়ে ওয়াসার মিটার রিডার মিটার প্রতিস্থাপন করতে বলে এবং ১৫০০০.০০ টাকা দাবী করে যার মধ্যে ৯০০০ টাকা নতুন মিটারের দাম বাকি ৬০০০.০০ ঘুষ হিসাবে নেয়।
আমার জন্ম নিবন্ধন ভুল লিপিবদ্ধ হয়েছিল সেটি কারেকশন করার জন্য চেয়ারম্যান অফিসে যাই কিন্তু অফিসের সচিব মহোদয় বলেন এটা কারেকশন হবে না ১৫ হাজার টাকা দিলে কারেকশন হবে এটা অনলাইন খরচ আমি তা প্রত্যাখ্যান করি এভাবে প্রতিদিন হাজারো মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সচিব এর সাথে চেয়ারম্যান ও তথ্য সেবা কেন্দ্র জড়িত এবং এলাকার যারা রাজনীতিবিদ তারাও জড়িত তাদেরকে এর থেকে ভাগ দেওয়া হয়।
মাদকদ্রব্য অফিসে একটি ক্লিনিক এর জন্য লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম সেখানে লাইসেন্স করার জন্য এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল।
আমি মালয়েশিয়ায় যাচ্ছিলাম, আমার ক্যাটাগরি থ্রি ভিসা এমপ্লয়মেন্ট পাস। তো ইমিগ্রেশন অফিসার আমাকে যেতে দিচ্ছিল না, বলল যে বিএমইটি কার্ড লাগবে। আমাকে ইমিগ্রেশন অফিসার বলে যে আমার ভিসা হচ্ছে ভুয়া। অথচ অরিজিনাল ভিসা। তো এইভাবে তারা মানুষকে হয়রানি করে। হয়রানি করে টাকা খাওয়ার চিন্তা ভাবনা করে। তো যারা ক্যাটাগরি থ্রি এমপ্লয়মেন্ট পাস যাদের থাকে, তাদের bmet card প্রয়োজন হয় না। তো এটা আমার সাথে অনেক ঝামেলা করতেছিল, আরকি। ইমিগ্রেশন অফিসারের ইচ্ছা যে সে ঘুষ নেবে। আমি ঘুষ দেইনি। আমি তাকে বলেছি যে bmet লাগে না। অনেকক্ষণ সে আমাকে হয়রানি করেছে। প্রায় ঘণ্টা ধরে আমাকে হয়রানি করেছে। তো আমি এটা অবসান চাই।
আসসালামু আলাইকুম আমি একজন সেবা গ্রহীতা হিসাবে ডিসি অফিসের রাজস্ব শাখায় দুইটি পাওয়ার অফ এটুনি সার্টিফাইয়ের জন্য আবেদন করেছিলাম যেটাকে বাংলায় জাবেদা নকল বলে সেই নকলের কপি তুলতে গিয়ে আজকে তিন মাস এখন পর্যন্ত তাদের দাবি কৃত ঘুষের টাকা না দেওয়াতে আমার নতি পাওয়া যাচ্ছে না বলে বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছে যখন আমি টাকা দিতে রাজি হলাম এবং দিলাম এরপরের দিনই নতি পাওয়া যায় এখন জবেদা নকল তৈরি হচ্ছে এই হল ডিসি অফিসের রেকর্ড রুমের বর্তমান অবস্থা।
🚨 শাহজাদপুর থানার রাতের টহলে সিএনজি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন শাহজাদপুর থানায় দীর্ঘদিন ধরে রাতের নাইট ডিউটি, নাইট পেট্রোলিং এবং আসামি ধরাসহ বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রায় ৪টি সিএনজি/অটোরিকশা ব্যবহার করা হয়—এমন অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সিএনজি চালকদের দাবি, এসব গাড়ি রাতের বেলায় থানার সরকারি কাজে ব্যবহার করা হলেও গাড়ি ভাড়া, জ্বালানি খরচ কিংবা চালকদের জন্য কোনো পৃথক অর্থ প্রদান করা হয় না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকরা থানায় একাধিকবার কথা বললেও তারা সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী কোনো সমাধান বা পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করছেন। প্রশ্ন— 👉 সরকারি দায়িত্ব
ক্ষতি পুরোনর অর্থ ছাড় করার জন্য টাকা দাবি করে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অনলাইন মিটার আবেদন করতে সরকারি জামানত ফি প্রতি কিলোওয়াট ৪৪৮ + আনুসাঙ্গিক খরচ সহ ১২০০ টাকা হলেও একটা মিটারের জন্য প্রদান করতে হয় ৪৫০০/৫০০০ টাকা এই টাকা প্রথমে ইলেকট্রিশিয়ান হয়ে ওয়্যারিং ইনস্পেক্টর বা পিইউসি তারপর ডিজিএম এর পকেটে যায় । ডিজিএম অনলাইন মিটার প্রতি ২০০ টাকা করে নেন
প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানের অন্যায় ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন কাজের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর কারণে পল্লীবিদ্যুৎ নামক প্রতিষ্ঠান থানায় 50,000/- টাকা দিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে আটকে রেখে কোর্টে চালান করে দেয়।
আমি ত্রিশাল থানার বইলর এলাকার কাঠাল ভুমি অফিস সংলগ্ন একজনের কাছে কিছু টাকা পাইতাম,সেই বেক্তি তাল বাহানা করলে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে তাদের সাহায্য চাই, থানা থেকে দায়িত্বরত এস আই আমার উক্ত টাকা আদায় করে দিবেন বলে আমার কাছে ৫০,০০০/- টাকা চাদা দাবি করেন,আমি ৫০,০০০ টাকা মা দেয়ার কারনে তারা আমার সাধারণ ডাইরি করা সিল মারা অভিযোগ পত্র টি আমার সামানে ছিরে ফেলেন।
বাংলাদেশের ঠিকাদারি ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগগুলোতে (যেমন: গণপূর্ত অধিদপ্তর (PWD), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (RHD), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) প্রভৃতি) দুর্নীতি এবং অনিয়ম একটি দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। ঠিকাদার, রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং অসাধু প্রকৌশলীদের ত্রিপক্ষীয় আঁতাতের কারণে সরকারের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও সময় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং কাজের গুণগত মান নিম্নমুখী হয়। অনেক সময় প্রকল্পের শুরুতেই কাজের আসল পরিমাণের চেয়ে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রাক্কলন বা এস্টিমেট তৈরি করা হয়, যাতে পছন্দের ঠিকাদারকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া যায়। ঠিকাদারি খাতে বিল পাস, বরাদ্দ বাড়ানো বা নতুন কাজ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে (যেমন ২% থেকে ১০% ) ঘুস দিতে হয়
ডকুমেন্টস জমা দিতে গিয়ে অফিসের পিয়ন ১০০ টাকা চায়, এবং এডমিট কার্ড গ্রহণ করতে যাওয়ার পর জনপ্রতি ২০-৫০ টাকা করে চেয়েছেন। সবাই দিচ্ছিলো আমি প্রতিবাদ করতে চেয়েছিলাম, পরে আমার ফ্রেন্ড বললো কিছু না বলে দিয়ে দেয় নয়তো ইনকোর্স পরীক্ষায় মার্ক না দিলে বা হয়রানি করলে কি করবি।
নিয়ম অনুযায়ী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ফিল্ম সোসাইটি/ ফিল্ম ক্লাব নিবন্ধন করার জন্য বাংলাদেশ সার্টিফিকেশন বোর্ডে আবেদন করতে হয়, আবেদন করার পরে, বোর্ড তদ্বন্ত করে সনদ প্রদান করে। ফিল্ম সোসাইটি একটি অলাভজনক সেচ্চাসেবী সংগঠন। এই ধরণের কোন সংগঠনের কোন আয় থাকেনা। তবুও বোর্ডের ভাইচ চেয়ারম্যান টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়ে না। বহু সোসাইটির ফাইল তার টেবিলে পড়ে আছে, ২ মাসের কাজ ৬ মাসেও তিনি শেষ করেন না।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য থানায় গেলে বলে যে সরকারি ফি ১৫৫০ টাকা তবে বাড়তি খরচসহক্লিয়ারেন্স দিবে ২৮০০ টাকা লাগবে।যখন বলছি ১৫৫০ টাকায় হবে না? তখন বললো বাইরে কম্পিউটার এর দোকানে গিয়ে আবেদন করতাম আর তাদের সাথে কথা বলতাম।তারা ২৮০০ টাকা ই লাগবে বললো নাইলে এটা অনেকদিন যাবত ঘুরাবে তাই বাধ্য হয়েই করতে হল।(অবশ্য কোন মামলা নাই)