পুলিশি সহায়তা
মিথ্যা মামলায় আমার মা-বাবাকে ফাঁসানো হয়। এবং এটাত সুষ্ঠু তদন্ত চাইতে পুলিশের কাছে গিয়েছিলাম। তখন পুলিশ কর্মকর্তা এই ঘুষ দাবী করেন এবং হেল্প করার নামে টাকা খেয়েছে ঠিকই কিন্তু আমাদের হেল্প করেন নি।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
মিথ্যা মামলায় আমার মা-বাবাকে ফাঁসানো হয়। এবং এটাত সুষ্ঠু তদন্ত চাইতে পুলিশের কাছে গিয়েছিলাম। তখন পুলিশ কর্মকর্তা এই ঘুষ দাবী করেন এবং হেল্প করার নামে টাকা খেয়েছে ঠিকই কিন্তু আমাদের হেল্প করেন নি।
খুরশিদ মহল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এখানের গভর্নিং কমিটি ফ্যাসিস্ট আমলের দূর্নীতির আখড়া। শিক্ষক, কর্মচারী নিয়োগে মোটা অঙ্কের ঘোষ নিয়ে থাকে। আমি অন্যত্র চাকরি হওয়ায় ১২০০০ পরিশোধ করেছি। দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি
ভোটার আইডি সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম, সব ডুকুমেন্ট ঠিক ছিল,৫০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল,দিতে রাজি না হওয়ায় ভুল তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে আবেদন ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়,সেখানে যাওয়ার পর ঘুষের দাবি করে ১০০০০০ টাকা। নিরুপায় হয়ে আল্লাহর দরবারে বিচার দিয়ে মনকে স্বান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু পরিবারে ৩ সন্তানের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের পথে এই ভোটার আইডি সংশোধন করতে না পেরে।
ওই পুলিশ এসআই আমাকে ফোন দিয়ে বলে আপনি আজকের মধ্যে কাগজপত্র আমাদের এই অফিসে পাঠায় দেন না হলে আমি ১৫ দিনের জন্য ছুটিতে চলে যাব আর আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন দেরি হয়ে যাবে পরে আমি কাগজপত্র পাঠানোর সাই এবং তিনি আমার কাছে খরচ দাবি করে সে দাবি অনুযায়ী আমার এই টাকা প্রেরণ করতে হয় পনেরশো টাকা
রেলের টিকিট ক্রয়ের সময় সিট সংকট দেখিয়ে টিকিট মূল্যের থেকে বাড়তি মূল্য নেয় । মির্জাপুর থেকে ট্রেনে ঢাকা যাওয়ার টিকিট কেনার সময় সেই স্টেশনে দায়িত্বরত বাড়তি ভাড়া দাবী করে।
টিসিবির ডিলারশিপ এর কাগজ ১৫ হাজার টাকা নগদ দেওয়ার পর কুড়িগ্রাম ডিসি অফিস থেকে ঢাকা টিসিবি ভবনে আসে আমি আমার কাগজের বিস্তারিত জানতে গেলে তারা ৩ লাখ টাকা দাবি করে, বলে তিন লাখ টাকা দিলে ডিলারশিপ ওয়েবসাইটে উঠায় দিবে। আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে আসি।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, করতে গিয়ে পুলিশ আমাকে বলে খুশি হয়ে কিছু দিয়ে যান, পরে আমি বললাম আমার কাছে তেমন টাকা নাই,বলে যা আছে দিয়ে যান 😄 সিসি ক্যামেরার সামনে গিয়ে বললাম বিকাশে দেবো কিনা, উনি ভয় পেয়ে রুমে ডেকে বলল পকেটে যা আছে দেন, পরে ২০০ টাকা ছিল দিয়ে আসলাম। 😄😄
বিদ্যুৎ অফিসে ঘুষ বাণিজ্য একটি পুরনো ঘটনা। তার মধ্যে এসেছে ডিজিটাল মিটার। নতুন মিটার, মিটারের ব্যাটারি চেঞ্জ, মিটার লক খুলা সমস্যাগুলো সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সমাধান করা একজন সাধারন মানুষের পক্ষে সম্ভবই না। আর এখানেই গড়ে উঠেছে ঘুষ বাণিজ্যের একটি রমরমা ব্যবসা। একটা নতুন মিটার সংযোগের জন্য কিছু ধাপ অতিক্রম করা লাগে। বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন ধাপগুলো এত কঠিন করে রেখেছে যে একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে ঘুষ ছাড়া একটি নতুন মিটার পাওয়া সম্ভব নয়।
নোয়াখালী জেলা প্রসাশকের কার্যালয়ে চৌমুহনী পৌর সভার একটি জন্ম নিবন্ধণ সংশোধন করতে যাই। অতঃপর সব কিছু ঠিক থাকার পরও সেখানে কর্মরত সাদা শার্ট পরা মাঝখানে বসা কম্পিউটার ম্যান বিভিন্ন অজুহাতে কাজটি করে দেয় নাই। পরবর্তীতে কক্ষের বাহিরে এসে নিরাপত্তা কমীর নিকট জানতে চাহিলে, তিনি আমাকে জানায় 5,000/- টাকা কোন ঝামেলায় ছাড়ায় নাকি কাজটি ওকে করে দিত।
Babar namer matured sonchoi potrer taka tulte gechilam. Uni mrito, ami nominee. Death certificate and family relationship certificate dichi...tarporeo taka chaiche. Badho hoye diyei kajta sesh korechilam.
রাতের বেলা জুয়া চালানোর জন্য পাতি নেতাদের টাকা দিতে হয় আর সেই টাকা নিয়ে নেতারা জুয়া চালাতে সাহায্য করে
আমার ছোট ভাইয়ের ভোটার আইডি কার্ড এর জন্ম তারিখ ভুল। পাসপোর্ট এর সাথে মিল নাই এটা ঠিক করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি তিন বছর ধরে চেষ্টা করছি বলছি এটা ঠিক করাই সম্ভব না যদিও করা যায় তাহলে দেশ থেকে দুই লক্ষ টাকা লাগবে এখন ইটালির ডকুমেন্ট এর সাথে পাসপোর্ট মিল আছে কিন্তু ভোটার আইডি কার্ডের কারণে অনেক সমস্যা হচ্ছে কোনভাবে করতে পারছি না।
আমার একটি দামি ফোন হারিয়ে যাই ২০২৬ সাল এর জানুয়ারি মাসে। আমি পুলিশ এ একটি সাধারণ জিডি করি। ৩ মাস পরে পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে বলে আপনার ফোন পাওয়া গেছে। থানায় এসে নিয়ে যান। আমি থানায় গেলে বলে আমাদের চা নাস্তা খাওয়াবেন না ফোন পাইলেন। পরে ৮ হাজার টাকা নিয়ে আমার হারানো ফোন ফিরিয়ে দেয়
আমার এলাকায় বালু ফেলবো আমাদের জমিতে সেখানে বি এনপির সভাপতি কে প্রতি ফুট এ এক থেকে দেড় টাকা দিতে হবে না হলে বালু ফেলা যাবে না
আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য থানায় গেলে তারা ২০০০ টাকা দাবি করে
আমার আপুর ভোটার আইডি কার্ডে মায়ের নামে ভুল হয়ে গেছে, সেটা পরিবর্তন করার জন্য গেছি, ওখান থেকে ৬৫ হাজার টাকা চেয়েছে।
কিছুদিন আগে আমার মোবাইল ঘর থেকে চুরি হয় সেই মোবাইল পাওয়ার জন্য থানায় জিডি করি দুই মাস পর থানার অফিসার আমার ফোন দিয়া বলে মোবাইল পাওয়া গেছে তার সাথে দেখা করার জন্য আর কিছু খরচ লাগবে আমি যখন দেখা করতে চাই তখন বলে সাথে কত টাকা আছে আমি বললাম ৫০০ থেকে ৭০০ উনি বলেন ৫০০ আর ৭০০ টাকায় কেউ মোবাইল দিবেন না। যাই হোক পরে এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা দিয়া মোবাইল নিয়ে আসি
২০২০ এর ঘটনা। আমার চাকুরী স্থায়ী হচ্ছে বলে তারা অনেক খুশি, আনন্দিত।এই খুশিতে তারা মিষ্টি খেতে চায়।মিষ্টি খাওয়ার টাকা।দিতে চেয়েছিলাম না।তাও ১ হাজার দিতে চাচ্ছিলাম কিন্তু তাতে নাকি মিষ্টি খাওয়া হবে না।তার বড় স্যারকেই নাকি দেয়া লাগবে ২ হাজার।৫ হাজার চাইছিল। ৩ হাজারে সন্তুষ্ট হয়েছে।
পুলিশ verification করতে গিয়ে ৪০০০ টাকা দিতে হয়েছে । চট্টগ্রাম জেলা অফিস। আমাকে ভয় দেখিয়েছিল যে রিপোর্ট খারাপ দিবে।
Amamr 2 lac taka toltay giya 6500 gosh niyachay post master 3 bochorayr poro lobbanhsho