১৬২
১৬ সালে আদালত রায় দিয়েছে, কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা পুলিশ আসামি ধরেনা, আমাদের থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। আসামি আমাদের ভয় বিতী দেখায়
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
১৬ সালে আদালত রায় দিয়েছে, কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা পুলিশ আসামি ধরেনা, আমাদের থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। আসামি আমাদের ভয় বিতী দেখায়
একটা জিডি করতে গেছিলাম মুক্তাগাছা থানায়,যে জিডি লিখলো সেও ঘুষ চাইলো,পরে পুলিশ এর oc যে এস আই কে দায়িত্ব দিলো সেপ্রথমে আমাকে ঝাড়ি মেরে বুঝালো আমার ই দোষ,কারণ সে নাকি পারসোনালি ওই লোককে চেনে যার বরুদ্ধে জিডি করেছিলাম,কিছুক্ষন পর আমার কাছে এসে টাকা চাইলো গোপনে,কিছু দিয়েছি আর কিছু দিতে পারিনি
আমি সৌদী প্রবাসী দেশে এসে দেখি আমার স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়ে গেছে, ইসি আফিসে আছে অনলাইলে চেক করে জানতে পারি। আমার স্মার্ট কার্ড যখনি নিতে যাই তখনি বলতো এখন হবে না পরে আসেন, অবশেষে২৫০ টাকা ঘুষ নিয়ে আমাকে স্মার্ডকার্ড দেওয়া হয়।
আমি একটা ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করি। চাকরি করতে গিয়ে আমার প্রোডাক্ট ইনফরমেশন কাজ করতে হয় তাদের সাথে। বিনিময়ে টাকা দাবি করে, এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে যত কোম্পানি কোম্পানী যারা আছে সবার কাছ থেকে সাদা দাবি করে, শুধু তাই নয় নিজের চেম্বার তৈরি করার জন্য ৫০ টা কোম্পানির কাছ থেকে দুই হাজার টাকা করে দাবী করেন চাপের মুখে পড়ে যা অনেকে দিতে বাধ্য হয়, কোম্পানির হায়ার ম্যানেজমেন্ট কে ফোন করে দিতে বাধ্য করা হয়, যারা দিতে ব্যর্থ হয় তাদের ঔষধ প্রেসক্রিপশন না করার হুমকি দেওয়া হয় এবং বাইরের যত ব্যবসায়ী আছে তাদেরকে এই বিষয়ে ভয় দেখানো হয়।
ঘটনিাটি ছিল ২০২৩ সালের ফেব্রু/23 মাসের মাঝামঝি সময় এক আইনজীবির মাধ্যমে জমির রের্কড ও অনলাইন করার জন্য চুক্তি অনুযায়ী ১৫০০০/= টাকা ও সময় নিয়েছিল ৩মাস কিন্তু নিধারিত সময়ের আগে সব টাকা নেওয়া হলে ও পুনরায় আরও ১০০০০/টাকা নিয়েছে, তারপরও কাজ হয় নাই। তারপর ভাগ্য ক্রমে আমার শ্বশুড় ২০২৪ এপ্রিলে মারা যান। তার মৃত্যুর পর আইনজীবির কাছে জমির কাগজ পত্র আনতে গেলে ৩০০০ টাকা চায়। আমোদের সাথে ওৗ পরিমান টাকা না থাকায় আনতে পারি নাই। এখন সেই আইনজীবির গেলে আমার মহুরী আসে নাই। ওমক তারিখ আসবে সেই তারিখের পর গেলে মহুরী অসুস্হ আসে নাই। এভাবে করতে করতে এখন পর্যন্ত পায়নি। ধন্যবাদ
আমার বউ ধর্মান্তিরিত হয়েছিল সেহেতু তার সব জুডিসিয়াল মেজিস্ট্রেটের সব কাগজ নোটারি ডকুমেন্ট সব আছে কিন্তু এন আইডি সংশোদন কোনভাভেই করতে পারছিনা দপায় দপায় ১৬০০০০ টাকা খেয়ে নিলো ভিভিন্ন টেবিলে নিন্তু আজ পর্যন্ত এন আইডি কার্ড সংশোদন করতে পারলাম না। ।আরো কত টাকা যে লাগবে তা একনো নিশ্চিত বলতে পারছিনা।।
বাজারে জুয়া খেলা দিয়ে তাকে বাজারে কমিটির আর থানায় দিয়ে তাকে ঘুম
আমি আমার বাবার এনআইডি কার্ড সংশোধন করার জন্য, গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন অফিসের একজন অফিস সহকারীর, আমার কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা চায় সংশোধন করার জন্য, অনেক কথাবার্তা বলার পর তিনি ৩৫ হাজার টাকা রাজি হয়।
সাধারণত একটি ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার প্রত্যয়নের মূল্য ওয়েবসাইটে দেখায় ২০-৩০ টাকা সেই জায়গায় চেয়ারম্যানের অনুরোধে ডিজিটাল সেন্টারে সেই প্রত্যয়নের মূল্য হয়ে যায় ৩০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত। আমি নিজে যখন প্রত্যয়নের ওয়েবসাইট থেকে প্রত্যয়নের জন্য আবেদন বা ডাউনলোড করতে যাই তখন সেই সার্ভিসটি বন্ধ করে রাখে ওয়েবসাইটের নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ। কারণ তারা জানে আমরা যদি ওয়েবসাইট থেকে প্রত্যয়নের জন্য আবেদন বা ডাউনলোড করি তাহলে চেয়ারম্যান কর্তৃক পরিচালিত ডিজিটাল সেন্টার বা কসাইখানা ৩০০-৫০০ টাকা নিতে পারবেনা। এখন আমার প্রশ্ন হলো ২০-৩০ টাকার কাজ কেন ২০০-৫০০ টাকা?
আমি যখন বিদেশে আসার জন্য সকল কাগজপত্র রেডি করি তখন এজেন্সি জানায় বিদেশ আসার জন্য পাইজার টিকার সার্টিফিকেট লাগবে। এই সার্টিফিকেট এর জন্য সরকারি ভাবে টিকার আবেদন করি কয়েক বার কিন্তু কোনো কাজে আসে নাই। তার পর এজেন্সিতে থাকা এক জন লোক বল্লো ১০ হাজার টাকা দিলে আমাকে টিকার সাটিফিকেট মেনেজ করে দিবে। আর যেহেতু কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করেছি বিদেশ এর জন্য টিকার জন্য ত আর বিদেশ দিতে পারি না।তাই ওনার সাথে দামদামি করে ৭ হাজার টাকায় পাইজার টিকার সাটিফিকেট বের করে বিদেশ আসছি
Vai food office gula bad disen kno. Food office hosse main ghuser jayga. Oms tcb kavikha lsd etc sob ghuse cole
বিদ্যুৎ সেবা নিতে গিয়ে,অফিসের একজম এর সাথে কথা বলি,সেই ভাই আমাকে বিদ্যুৎ এর কাজ করে দিবে বলে ২ লাখ টাকা দাবি করে,পরে আমাকে ১,৮০,০০০/ টাকা দিয়ে কাজটা করে দেয়।
নির্বাচন অফিসে টাকার জন্য আইডি কার্ডে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি শিকার হচ্ছে মানুষ যেমন আমি । এক বছর হয়ে যায় আইডি কার্ডের কোন খবর নাই । গেলে বলে অনলাইনে সাবমিট হতে সময় লাগে । এবং এবং পিয়নের সাথে এ ব্যাপারে কথা বললে বলে টাকা ছাড়া স্যার কাজ করবে না
একটা মৃত্যু নিবন্ধন বের করতে ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কাউন্সিল থেকে একটা ওয়ারিশ ক্যাম সার্টিফিকেট বের করতে ১৫০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে,;প্রতিটা নিবন্ধন করতে ৫০০ টাকা নেয়, জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে আবার ১০০০ টাকা নেয়, পুরো আমার পরিবারের ছয়জনের জন্ম নিবন্ধন করতে এবং সংশোধন করতে ৫০০০ টাকার উপরে নিয়েছে, কাউন্সিল থেকে প্রত্যয়ন পত্র নিতে গেলে ৩০০ করে দিতে হয়, যায়া ৩ জনের জন্য -৯০০ প্রতিবন্ধী কার্ড করার জন্য 5000 টাকা দিতে হয়েছে, মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে, চাউল এর কার্ড করতে 2000 টাকা দিয়েছে, আমার মনে হয় বেশিরভাগ কাউন্সিলে এমন টাকা নেওয়া হয়। আমার এই সেবা গুলো নিতে গেলেই টাকাগুলো পরিশোধ করতে হয়েছে তারপরে সেবাগুলো পেয়েছি
অঙ্গীভূত সাধারণ আনসার সদস্যদের ছুটিতে যাওয়ার সময় পিসি বা কাম্প কমান্ডারকে ঘুস না দিলে কাঙ্খিত ছুটি হয় না।সাধারণ আনসররা মাত্র ১৬২০০ টাকা বেতন পান এর মধ্যে নিজের খাওয়া-দাওয়া এবং পরিবারের খরচ চালাতে হয়। তারপর বাড়িতে যখন ছুটিতে যাওয়া হয় তখন পিসি এবং রাইটারদের টাকা দিতে হয়।
বি.এল. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সন্তানকে ভর্তি করতে চাই ।তখন আমার কাছে এক লক্ষ টাকা চায়। আমি ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই কারণ স্কুলটি আমার বাড়ির কাছে কিন্তু আমার ছেলে মেধাবী হওয়ার সত্ত্বেও লটারিতে নাম উঠেছিল না । কিন্তু নিয়ম বহির্ভূত ভাবে মানুষ টাকা দিয়ে সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করছিল ডিসি অফিসে যারা চাকরি করে এবং সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে টিচাররা তাদের সন্তানদের খুব সহজেই স্কুলে ভর্তি করছিল তখন আমিও তদবির করে বাচ্চাটাকে ভর্তি করতে সক্ষম হই। আমার কাছে ১ লক্ষ টাকা চায় আমি ৭০ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি করেছি। এটি ২০২৩ সালের ঘটনা তাই লটারি সিস্টেম তুলে দিয়ে মেধার ভিত্তিতে সন্তানদের স্কুলে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রনাধীন একজন কর্মচারী। একটি বিভাগ থেকে আরেকটি বিভাগের বদলীর জন্য ১৩০০০০ টাকা চাওয়া হয়।। বদলিজনিত কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রায় ৩ মাস পার হয়ে গেলেও বদলি হয় নাই। যখন টাকা পরিশোধ করা হলো তখন ১৫ দিনের মধ্যে বদলীর অর্ডার হয়ে গেছে।
কারারক্ষী পদে আমি চাকুরী পরিক্ষা দিয়েছি, লিখিত শেষ হবার পরে দায়িত্বরত কর্মকর্তা গন ডাইরেক্ট বলছেন যারা ৭,০০,০০০/- টাকা দিতে পারবে তার চাকরি হবে আর না দিতে পারলে শুধু শুধু কষ্ট করার প্রয়োজন নাই চলে যাও
It was pcc for foreign visa. He tried to create mental pressure for money.
সনদ নিতে হলে 200 টাকা দিতে হবে, পিয়ন এর গাড়ি ভাড়া দিতে হবে বলে জানাই । আমার অতি প্রয়োজনের কারণে দিতে বাধ্য হয়েছি। আর এভাইবেই সবাইকে হয়রানি করেছে মৌলভিবাজার জেলা অফিসের কিছু লোক।