17,324 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
এখানে প্রতিটি সেনা সদস্যকে পেনশন আসার সময় চা মিস্টি খাবার জন্য ৬০০০০ থেকে ১৫০০০০ টাকা পর্যন্ত টাকা দাবি করে।যা বিভিন্ন র্যাংকের উপর নির্ধারণ করে থাকে।,না হলে পেনশন জড়িত অনেক হেনস্তার শিকার হতে হয়।এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মত সৎ সাহস কাররই হয় না।
প্রবাসীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে নিচ্ছে কিছু দালাল চক্র। তাঁরা ফিঙ্গার প্রিন্ট অফিসের নিছেই মানুষের সাথে এই জালিয়াতি করছে। দেখার মতো কেও নেই। মোটামটি সব প্রবাসী এটার ভুক্তভুগী । তাঁরা প্রবাসীদের থেকে ৬০০ টাকা থেকে ১৫০০+ টাকা হাতিয়ে নেয়
বহুতল ভবনের অনুমতি নেওয়ার জন্য অফিস খরচ বাবদ নিচ্ছে। আমাদের দ্রুত অনুমোদন দরকার। টাকা না দিলে ফাইল পরে থাকবে। অনেক দিন লেগে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা টা দিলাম। আগে এক লাখের উপর দাবি করতো এখন ষাট হাজারে রাজি। এ মুহূর্তে ৩০ হাজার অগ্রীম দিয়েছি।
০৩ / ০৯ /২০২৬ পার্বতীপুর থানার বর্তমান ওসি ও কয়েকজন এ এস আই থানার মধ্যে সালিশের নামে নতুন ব্যবসা খুলে বসছে। কোনো কিছুর প্রমান ছাড়াই, মানুষের নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিয়ে সেই অভিযোগের ভয় ভীতি দেখিয়ে থানায় বিচার সালিসের নামে টাকা পয়সা আদায় করছে। যে বিষয় গুলোতে কোর্ট সিদ্ধান্ত নিবে সেই বিষয় গুলোতে থানা কিভাবে সিদ্ধান্ত দেয় তা আমার বোধগম্য নয়। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো সত্যতা না থাকলেও তারা আমাকে বিভিন্ন ভাবে চাপ দিচ্ছে যেনো তাদের সাথে আমি একটা সেটেল ডাউন করি টাকা দিয়ে। নতুবা আমাকে অমুক তমুক করবে বলে হুমকি দিচ্ছে। অথচ মাদক নিয়ে এদের ফোন করলেও এরা কোনো পদক্ষেপ নেয় না কিন্তু মানুষকে হয়রানি করতে এরা সিদ্ধহস্ত।
গর্ভবতী ভাতার জন্য কালিয়াকৈর পৌরসভায় গিয়েছিলাম। গর্ভবতী ভাতার দায়ীত্বে থাকা কম্পিউটারে সামনে বসা দায়ীত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বললেন ফি লাগবে ৫০০ টাকা। কিসের ফি, কেন ফি দিতে হবে এটার কোন জবাব নেই। যাই হোক ভাতাটি খুবই প্রয়োজন বিধায় উক্ত অর্থ পরিশোধ করে আবেদন করতে হয়েছে।
ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটি ঠিকাদারের নিকট থেকে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহন করে
অগ্রণী ব্যাংক নতুন একাউন্ট খোলার সময় চেক বই বলে এক দেড় মাস লাগবে কিন্তু যখন ৫০০ ৬০০ টাকা দিয়ে দি তখন একদিনের মধ্যে চেক বই রেডি হয় কিভাবে
babar pension er tk uthabe seikha tk chay
হাসপাতালে ভর্তি গরিব রোগির ওষুধ কিনে দেয়ার জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অবস্থিত সমাজসেবা কার্যালয়ে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ১০০০ টাকা চা খাওয়ার জন্য দাবি করেন।ওখানে আসা আরও অনেকের সাথে কথা বলে জানলাম যে রি কর্মকর্তা এরকম ভর্তি গরিব রোগিদের ওষুধ না দিয়েই ভুয়া বিল ভাউচার দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে।
রাউজান থানায় সেন্ডব্যাক এ না মারার শর্তে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল এক এসআই কে ২০২৩ সালে।
পেনশন হিসাবের জন্যে, যদি টাকা না দেই তাহলে আমাকে ৩থেকে ৪ লক্ষ টাকা কম দেবে।পরে ঠিক ই কম দিয়েছে।
একটা জিডি করতে থানায় যাই প্রথমে জিডি লিখতে ৫০০ টাকা তা জমা নেয়ার সময় ৫০০ টাকা। এলাকায় পুলিশ গিয়েছিলো কল করে ৩৫০০ টাকা গাড়ির তেল খরচ হয়েছে তার জন্য। মোট ৫০০০ টাকা নিয়েও কোন সমাধান হয় নি। পুলিশ সব সময় এই কাজ টা করছে৷ প্রতিরোধ চাই
মেম্বার বাসায় এসে আমার বাবাকে দেখে,, চিকিৎসক এর রিপোর্ট চায় দেওয়ার পর পরে ফোন করে বলে স্যার ৩৫০০ টাকা চাইছে না দিলে কাজ করে দিবে না,,, অনলাইনের খরচ লাগে পরে আমার কাছে দেওয়ার মত টাকা ছিল ২৫০০ তারপরে বলছে ওইটা দেন আমি করে দিবো
আমি প্রথমমত একটি চেয়াম্যান সার্টিফিকেট আবেদন করি অনলাইন থেকে। পরবর্তীতে তা ইউপি অফিস থেকে তুলতে গিয়ে আমাকে চেয়ারম্যান কার্যালয়ে প্রায় একঘন্টা অপেক্ষা করানো হয় এবং আমার কাছে একশত টাকা দাবি করে। আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি এই কারণে যে, আমরা সরকারকে প্রতিনিয়তই প্রতিটি ক্ষেত্রেই ট্যাক্স দিচ্ছি যাতে সরকার আমাদের সেবা প্রদান করে। কিন্তু ট্যাক্স দেওয়ার পরও যখন সেবা পেতে ঘুষ দিতে হচ্ছে, তাহলে আমি কেন রাষ্ট্রকে ট্যাক্স প্রদান করবো?
খুলনা খালিশপুর পাউয়ার হাউজে মৃত পিতার পেনশন ভাতা উঠাতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার। সেখানে ইনডিরেক্টলি টাকা চাওয়া হয়।এবং তাত্ক্ষণিকভাবে যদি টাকা না দেন তাহলে আপনার ফাইলটা দিনের পর দিন ঘুরতে থাকবে। এবং ব্যাবহার ও খারাপ করবে। টিনের চাল, মেইন গেইট থেকে সোজা গিয়ে ডান পাশের শেষ রুমটা। ওযুখানার আগের রুমটা।
এইখান থেকে লোন নিতে হলে অবশ্যই অফিসের ম্যানেজার থেকে শুরু করে পিয়ন পর্যন্ত সবাই ঘুষ চাই ।ঘুষ না দিলে তারা লোন পাশ করবেনা তাই তাদের কে প্রায় ২০০০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করা হয়েছে
স্কুলে শিক্ষকের বেতন ভাতা ও বিল ভাউচার জমা দিলে টাকা ছাড়া স্বাক্ষর দেয় না।
২০২২ সালের ইউপি নির্বাচনের আগের কথা, আমি বিদেশে যাবো কিন্তু তখন আমার আইডি কার্ড ছিলো না ,আমি পোষ্ট অফিস থেকে সব কাগজ রেডি করে ৩ মাস ধরে সারাসরি অফিসে কাগজ নিয়ে যাচ্ছি ,কিন্তু আমার কাগজ জমা নেয় না ,বলতেছে সামনে নির্বাচন তাই ,,আমি কয়েকদিন পর পর গিয়েছি ,,তারপর একদিন ওখানে একটা লোককে আমি বলেছি ,বলার পর আমাকে ঘুষের কথা বলেছে ,তারপর ওখানকার মেডামকে বলেছি ওনি আমাকে ৮ হাজার টাকার কথা বলেছিলো ,আমি ওই দিনেই টাকা দিয়েছি ,১ দিনের ভিতর কাগজ নেয়া ,ফিঙ্গার ও ছবি তোলা হয়েছে ,১ সপ্তাহের ভিতর আইডি কার্ড পেয়েছিলাম,,,।অথচ গত ৩ মাসেও আমার আইডি বানিয়ে দেয়নি নির্বাচনের অজুহাতে
আমার ভাইয়ের দেশের বাহিরে যাবার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারিং লাগতো থানা থেকে বলছে টাকা না দিলে আটকে দিবে। আমি বাধ্য হয়ে শেষে এই টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।টাকা ছাড়া কোন কাগজ সাইন হয় না এ দেশে
আমাদের জায়গা ছিল। তো আমার বাবা সেই জায়গার নামজারির জন্য গিয়েছিলেন সেখানে গিয়ে উকিল কে টাকা দিয়ে হয় 50k এর বেশি , তার পর কোর্ট এ নামজারির কাগজপত্র তৈরি করতে কোর্ট কে 1 লাখ টাকার বেশি অর্থ ঘোষ দিতে হয় । আমাদের জায়গা যেসময় নাম জারি গিয়ে যায় তখন কোর্ট এর সেই মহান জর্জকে 1 লক্ষ 20 হাজার টাকা দিতে হয় মিষ্টি খাবার জন্য। মানে ভাই আইন যেখানে আশ্রয় নেয়, যে ব্যক্তির নিকট আমরা ন্যায়বিচার আশা করি সেই মহান জর্জ (মহিলা) কে মিষ্টি খাবার জন্য 1 লক্ষ 20 হাজার টাকা দিতে হয়। ছি: Shame on this system and this type of people of our country.