পরিবেশ অধিদপ্তর
ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রথম NID শুরু হয় তখন NID করি , as usual আরো অন্য মানুষের মতো হাজার ভুলে ভরা NID মতো আমার NID নাম জন্ম তারিক ২ টাই ভুল , এখন সংশোধনের জইন্য ২ বার অনলাইন আবেদন করছি পে করছি , আবেদন কয়েক মাস পেন্ডিং থাকে এর পর বাতিল করে দেয় , সল্যুশন কি জনাতে নীরবাচন অফিস গেল কোনো সহযুগিতা পাইনা , কিন্তু নির্বাচন অফিস সামনে ফটোকপি দোকানের দালাল রা ৩০ হাজার টাকা চায় , তাই সংশোধণ শেষ পর্যন্ত করা হয় নাই , দালাল গ্যারান্টি দিয়ে বলে ৩০ হাজার টাকা দিলে সংশোধণ করে দেবে , কেন এতো টাকা জানতে চাইলে বলে জন্ম তারিক এন্ড নাম ২ টা ভুল এজইন্ন , কিন্তু ভুল গুলা তো আমরা করি নাই করছে নির্বাচন অফিস প্রথম NID করার সময় , এত বেশি হয়রানী এখনো ভুলে ভরা NID নিয়ে ঘুরি , টিক করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি
অভিযোগ ভিত্তিতে আসামির বাড়ি যাওয়ায় পুলিশ আসা যাওয়ার খরচ বাবদ টাকা দাবি করে কমপক্ষে ২০০০। অথচ সরকারি পুলিশের গাড়ি দিয়ে ১ কিমি এর ভেতর গিয়েছে।
জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার সময় আমার হাতে লেখা জন্ম সনদ ও সারটিফিকেটে জন্ম তারিখের মিল না থাকার কারনে ঘুষ দিতে হয়েছে। ঘুষ দিলে কাজ হবে, না হলে কাজ হবে না।
আদালতের সকল কার্যক্রম। যেমন : মামলা দিন দেওয়ার জন্য বা হাজিরা বা সময়ের দরখাস্ত জমা দিতে গেলে ১০০-২০০ টাকা। আদালতে স্বাক্ষী জবানবন্দী প্রদান করলে সেরেস্তাদার, কর্মচারীদের ৫০-১০০ টাকা। কব্জা মামলার টাকা জমা দিতে গেলে সরকার নির্ধারিত চালান নিজেরা করলে হবে না। আদালতের কর্মচারীদেরকে ২০০-৩০০ টাকা দিয়ে করতে হবে। আর উচ্চ মহলের দূর্নীতির কথা নাই বা বললাম।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পুলিশ ভেরিফিকেশন্স এর জন্য আমি যখন কুষ্টিয়া ডিএসবি অফিসের থেকে একজন তদন্ত কর্মকর্তা আমার কাছে 2000 হাজার টাকা অফিস খরচ হিসাবে দাবি করে।
সিলেট সদর উপজেলার ৮নং কান্দিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদে জন্মনিবন্ধন সংক্রান্ত কাজের জন্য গেলে ৫০০০ টাকা দাবি করে ইউনিয়ন পরিষদের লোকেরা। পরবর্তীতে প্রতিবাদ জানালেও টাকা না দেওয়ায় কাজটি করা হয়নি। ৮নং কান্দিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সামান্য কাজ যেগুলোর অধিকাংশই ফ্রিতে করে দেওয়ার কথা, তারা সেগুলোতে অধিকহারে ফি নিয়ে থাকে,,ঘুষ ছাড়া কোনো কাজই করেনা তারা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘুষ বাণিজ্যে লিপ্ত, যার ফলে জনগন কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেনা।
নাগরিক সনদের জন্য গেছিলাম তারা দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করেন ১/ সরাসরি কাজ করেন ২/ নির্দিষ্ট দোকানে পাঠানো। সরাসরি মহিলা কাজ করলো ১২০/- টাকা চাইলো কিন্তু কোন রসিদ দিলো না। আরেক কাজে পুরুষ একজন পাঠালো নির্ধারিত দোকানে সেখানে দোকানদার তার মতো রাখলো।
আমি একজন খুচরা ওষুধ ব্যবসায়ী, ড্রাগ লাইসেন্স এর জন্য যাবতীয় কাগজ জমা দিয়েছি জেলা ড্রাগ অফিসে কিন্তু ওখান থেকে ফোন করে আমাকে বলে আপনার লাইসেন্স নিতে ১২০০০৳ দিতে হবে কারণ আপনি নিজে একজন ফার্মাসিস্ট,আর যদি নিজে না হতেন তাহলে ২৫০০০৳ লাগত। আমি বললাম সরকারি ফি তো জমা দিয়েছি বলল এটা বিভিন্ন জনকে দিতে হবে। আমি বললাম এত টাকা আমার কাছে নাই, পরে কথা বলার এক পর্যায়ে বললাম আমার পক্ষে সম্ভব না।
Bangladesh Registrar of Joint Stock Companies And Firms (RJSC) ei Department a Ghus Cara ekti file o Table Change Hoi Na. Ai Department Somporke Onakai Tamon kicu Jane na. Karon Bangladesh a Akta company run korta gelai sudu ai department ar theka registation neta hoi. Tai sadoron manus ai department ar kono information tamo jane na. Ar ai sujog a Sorkari officer gon ai Jaiga teka besal poriman akta gush banijjo kora. ai department ar officer sonkha o kub kom. adar bank account cheak korta jai poriman taka pawa somvob ta amader cintar o baire. Adar sobar beruddha action nawa kub e dorkar.
মিটার এর আবেদন করলেও কাজ হয় না,পাশের একজন টাকা দিছে ১ মাসের মধ্য মিটার দিয়ে দিছে,
তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের ১০ বছর পূর্তিতে সরকার উচ্চতর গ্রেডের ব্যবস্থা রাখছে যেটা কর্মচারীর প্রাপ্য। সেই উচ্চতর গ্রেট চালু করাইতে জনপ্রতি লোকাল অফিস জেলা অফিস একাউন্টস অফিস, তিনটে অফিসেই অগ্রিম টাকা দিতে হয়।
আমার নামে খোলা ব্যাংক একাউন্ট হ্যাক করে নিয়ে বেট আইডি সাইডে চালানো হয়।কিন্তু আমি সেটা টের পাইনি, এতে করে ৩ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকার একটা লেনদেন প্রতরণা হয় এবং বাদী পক্ষ মাললা করে এবং আমি বাসা থেকে গ্রেপ্তার হই।পরবর্তী আমি সব জানতে পারি আমার কাছ থেকে মামলার ১৮ লক্ষ টাকা দাবী করে এবং পরবর্তীতে এক এস আই খিলগাঁও থানা কর্মকর্তা ১ লাখ টাকা চায় মাললা থেকে নাম বাদ দিবে বলে কিন্তু মামলা শেষ করেনি বরং আরোও বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে দেয়। টাকাটা সে এমন জায়গায় নেয় যেখানে কোন ক্যামেরা বা কোন লোক ছিলো না।
Yearly Environment Certificate renewal purpose. Authority asking for renewal this amount . We have nothing to do as its a very important certificate for our 100% export oriented business. We have handover the amount today and they have agreed to issue the certificate.
কোন কারণ বশত আমার ফোন হারিয়ে যায় আট মাস পর পুলিশ ফোনটি উদ্ধার করে বলে যে ফোনটি কক্সবাজার আছে নিয়ে আসতে হবে টাকা লাগবে পরে আমি রংপুর কোতোয়ালি থানার কম্পিউটার ওপারেটর আমাকে বলে টাকা দাও ৪০০০হাজার পরে ২৭০০ টাকা নেয় বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে। টাকা নেওয়া সাথে সাথে ফোন দিয়েছে
ঠিকানা : ভূমি অধিগ্রহণ শাখা, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক। ঘুষ দাবি ও গ্রহণকারী: নাম বললাম না ( পদবি: সার্ভেয়ার), ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতি পূরণ পাওনা হয় আমার মা। মোট টাকা: ৮১ লক্ষ টাকা। সরকার ট্যাক্স কাটে ২+ লক্ষ টাকা। বাকি ৭৯ লক্ষ টাকা কেশ করতে ৬৩২০০০/-( ছয় লক্ষ বত্রিশ হাজার টাকা) দাবি করেন। । দেলোয়ার কোনো ভাবে টাকা দেওয়ার প্রসেস করছে না ঘুষ ছাড়া। তাদের দুয়ারে আকুতি করতে-করতে ৩ মাস গেলো। তাদের মন গললো না। পরে বাধ্য হয়ে ঘুস দিতে হলো। ৬৩২০০০ টাকা ঘুস দিতে হলো।
আমার আম্মা মারা গিয়েছেন ২০০৬ সালে। একটা গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। আজ পর্যন্ত উনার কল্যাণ তহবিলের টাকা তুলতে পারিনি। কিছুদিন দৌড়ঝাঁপ করে আর পারিনি।
আইডির কপি তুলতে গিয়ে হুদাই টাকা নিস। ২০-৩০ টাকা নিলেই যা হয়ে যায়।
১টা জন্মনিবন্ধন আপডেট করতে টাকা দিতে বাধ্য করেছিলো এক মহিলা মেম্বার
সরকারী চাকুরির আবেদন করার জন্য ব্যাংক ড্রাফট সম্পর্ণ করার জন্য এবং আবেদন করার পেপার্স গুলো সত্যায়িত করার জন্য উপজেলা কার্যালয়ে যায় তখন বিকাল ৩ টা দায়িত্ব রত কর্মকর্তা বসে ফোন টিপিতেছে আমি গিয়ে ওনাকে সব খুলে বললাম তখন তিনি একটি ফাইল খুলে মনোযোগ দিয়ে কি দেখিতেছেন এবং আমাকে বললেন এখন ব্যাস্ত আছি পরে এসো আমি বললাম স্যার ৫ টায় তো অফিস বন্ধ হয়ে যাবে তখন কি করবো তখন তিনি বললেন পরের দিন আসবে এই বলে তিনে আমাকে বিদায় করে দিলেন আমার কাজটি করতে ওনার সময় লাগতো সর্বোচ্চ ২ মিনিট রুম থেকে বের হয়ে দরজায় আসলাম তখন ওনার পাশে বসা ব্যাক্তিও আসলে এবং আমাকে বললেন ৫০০ টাকা দাও আমি ওনাকে রিকোয়েস্ট করে দেখি ৫০০ টাকা দিলে হয়তো কাজটি করে দিবেন তখন আমি একরকম বাধ্য হয়ে ৫০০ টিকা দিলাম এবং তিনি হাসি মুখে পেপার্সে সই করলেন