সঞ্চয় অধিদপ্তর আগ্রাবাদ চট্টগ্রাম
সঞ্চয় পত্র কিনতে গেলে Cheaque Clearing Charge হিসাবে ১২০ - ২০০ টাকা নেয়
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সঞ্চয় পত্র কিনতে গেলে Cheaque Clearing Charge হিসাবে ১২০ - ২০০ টাকা নেয়
ইউনিয়ন পর্যায়ে জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে প্রতি জন্ম নিবন্ধনে ২৫০ টাকা করে দাবি করে,,না দিলে মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করে নানা কথা বলে,,তাদের নাকি অফিসের বিল দিতে হয় এই টাকা দিয়া আর অনেক ইত্যাদি,, তারা ২৫০ টাকার নিচে তারা নিবন্ধন করে না,,ঘটনা টি হল ঈশ্বরগঞ্জ থানা সরিষা ইউনিয়নে
ব্যাংক লোন রিকোবারির কথা বলে টাকা দাবি
এখানে ৬০০ টাকা করে ঘুষ নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন খাতে বিভিন্ন রকম ঘুষ নেয়া হচ্ছে ৫০-১০০।৫০০ যার কাছ থেকে যেমন করে
কাজ না করে ঝুলিয়ে রেখে ছিল। টাকার বিনিময়ে হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে জনবল নিয়োগ করা হবে সেখানে প্রিলি, রিটেন পাশ করে, তারপর তারা সেখানে প্রেক্টিকেল পরিক্ষা নেয় প্রেক্টিকেলে যারা পাশ করবে তাদের ভাইভাতে ডাকা হবে। আমি সেখানে রিটেন টিকে প্রেক্টিকেলে ফেল দেখানো হয়!! ( বর্তমানে আমি নির্বাচন কমিশনেই আউটসোর্সিং হিসেবে কর্মরত) আমি এখানে ৬ বছর যাবত কাজ করে আসছি।। তো আমি যদি তাদের প্রেক্টিকেলে ফেল ই করি তাহলে এখানে অফিসের কাজগুলো করছি কিভাবে?? তাদের পাশ করানো ব্যক্তিগণ কোন অফিসে কাজ করবেন।। নিশ্চয়ই আমি বর্তমানে যেখানে আছি।। তাহলে আমিই এখানে কাজ করছি সমস্যা কোথায়।।
বিল্ডিংয়ের অনুমোদন পাওয়ার জন্য আমাদের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। তখন বলা হয়েছিল, আপনারা বিল্ডিং নির্মাণ করেন, আমরা পরে বিল্ডিংয়ের অনুমোদন/প্ল্যান পাশ করিয়ে দেব। কিন্তু ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার পরেও এখন আবার নতুন করে টাকা দাবি করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি এখন বলা হচ্ছে, রাস্তা নির্ধারিত পরিমাণে প্রশস্ত না হলে এত বড় বিল্ডিংয়ের অনুমোদন দেওয়া যাবে না। অথচ আমার বিল্ডিংয়ের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে। এখন তারা বলছে, বিল্ডিং অনুমোদনের জন্য কমপক্ষে ৮ ফুট রাস্তা থাকতে হবে। কিন্তু আমার জমির সামনে বর্তমানে প্রায় ৫ থেকে সাড়ে ৫ ফুট রাস্তা রয়েছে। প্রশ্ন হলো, শুরুতেই যদি ৮ ফুট রাস্তার বিষয়টি জানানো হতো এবং এই শর্ত পূরণ না হলে অনুমোদন দেওয়া সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট করা হতো, তাহলে আমি এ
টাকা নিয়ে কাজ করে নাই
জন্ম নিবন্ধন বানাতে ইউনিয়ন অফিসে গেছি তিন হাজার টাকা নিছে নিবন্ধন বানাইতে
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেছি বলে ব্যংক জমা যা আসবে তার সাথে স্পীড মানি ৩০০০ টাকা দিতে হবে। বললাম স্পীড মানি কী? বলল দ্রুত কাজ হবে?
তিনটি বিএস খতিয়ান তোলার জন্য অনলাইনে আবেদন করে টোটাল ফি (৩৬০+৯০) = ৪৫০ টাকা পরিশোধ করে আবেদন কপি নিয়ে রেকর্ডরুমে জমা দেওয়ার পর রেকর্ড রুমে যিনি আমাদের ইউনিয়নের মৌজার দায়িত্বে আছেন উনি প্রত্যেকটা খতিয়ানের জন্য ৫০০ টাকা করে মোট ১৫০০ টাকা চেয়েছেন । তিনি বলেছেন এক একটা খতিয়ান তুলতে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগে তিনি আমার কাছে কম চেয়েছেন।
আমি প্রায়ই কোর্টে যাই, এমন নির্লজ্জভাবে ঘুষের লেনদেন আরও কোনো বিভাগে আছে কিনা জানা নাই। প্রতিটি আদালতে প্রকাশ্যে ঘুষের লেনদেন চলে এমনকি জজের সামনেই। পরে শুনলাম জজও এখান থেকে ভাগ নেয়
পানির মিটার নষ্ট হলো কিনা তাদের আসাদগেটে ল্যাব আছে তারা বলবে কি করতে হবে। কিন্তু গ্রাহককে সেখানে যেতে দেয়না। তারা নিয়ম করেছে অলিখিত পুরতন মিটার তাদের দিলে নুতন মিটার তাদের থেকে ২১০০০টাকা দিয়ে নিতে হবে পিরাতন ফেরত দিবে না।
দ্বৈত জন্ম নিবন্ধন হওয়ায় একটা বাতিল করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ এর সচিব ৩০০০ টাকা দাবি করেছিল।
ময়মনসিংহে ম্যাজিস্ট্রেট কৌর্টে আসামি কে যখন গারতে আনা হয় শুধু মাত্র দেখা এবং একবেলা খাবার দেওয়ার অনুরোধ করছিলাম পুলিশ ওরা আমার কাছে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। না হলে খাবার খেতে দিবে না দেখা ও করতে দিবে না। তারপর ২ হাজার টাকা দিতে আমি বাদ্য হয়।আমার প্রশ্ন সরকার কি ওদের বেতন দেয় না.???
আমার এক কাজিন তার বয়স কম তাও সে ঘুষ দিয়ে এক দিনে জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি করে নিয়ে আসে উপজেলা সরকারি এক অফিসে গিয়ে
আমি আমার বর্তমান বউকে ভালোবেসে বিয়ে করি। আমার শ্বশুরপক্ষ এটা না মেনে আমার নামে নারী ও শিশু অপহরণ মামলা করে। যদিও আমার বউ প্রাপ্তবয়স্ক ছিল। পরে আমাদের সন্তান সন্তানাদি হলে আমার শ্বশুরপক্ষ কোর্ট থেকে কেসটি উঠিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সকল সাক্ষ্য প্রমাণসহ আমরা কোর্টে উপস্থিত হই কেসটি উইথড্র করার জন্য, কিন্তু সরকার পক্ষের উকিল কেসটি উঠিয়ে নিতে বাধা দেয়। এবং অনেক হয়রানির শিকার করে।পরে উকিলদার পার্সোনাল সহকারীকে দিয়ে আমাদের কাছে পাঠায় এবং বলে ৩০ হাজার টাকা হলে আমাদের উকিলের সাথে বসে কাজটি করে দিবে। আমরা ৩০ হাজার টাকা দিতে অশিক্ষিত জানালে পরে 2০ হাজার টাকা নিয়ে আমাদের কাজটি করে দেয়। আমি মনে করি প্রত্যেকটা কোর্টের সরকারি উকিল এ ব্যবসার সাথে জড়িত।
নোয়াখালী জেলা চাটখিল উপজেলায় নির্বাচন কমিশন অফিসে NID কাড করতে গিয়ে ছিলাম সব কাগজ জমা দেওয়া হয়।কিন্তু আমার ছবি এবং ফিঙ্গার এর মেসেজ আসেনা প্রতি ৩ মাস হয়ে গেছে তার পরেও আসেনা এর মধ্যেই কয়েক বার বলছি। তার পরে তারা বলে টাকা লাগবে শুধু আমি এক জন না প্রতিটা মানুষের একি অবস্থা পরে ৩হাজার টাকা নিয়ে ওই দিনে ফিঙ্গার এবং ছবি তুলে NID কাডের কাজ সম্পুর্ন করা হয়।
আমি জেলা লিগ্যাল এইডে গেছি যাওয়ার পর ফার্স্টে আবেদন করছি আবেদন করার সময় ওইখানকার কর্মকর্তা লুকায়িতভাবে টাকা দাবী করে ৫০০,তারপর আমি কাজটা করব দেইখা ৩০০ টাকা পর্যন্ত দেই তারা নিতে চায় না ওরে দুইটা নোটিশ যাওয়ার পর যে নোটিশ পাঠাবে সেই আবার টাকা চায় তাদের কাজ তারা ঠিকভাবে করে না এবং অফিসে গেলে তাদের কাছে পরামর্শ চাইলে ওইখানকার কর্মকর্তারা বাজে বিহেভ করে বলতে তারা সাধারণ মানুষদের, ইগনোর করে টাকা দিলে কথা বলে না হয় বলে না
অনলাইন বেসিস পত্রিকা । যার প্রতিদিন কোন হার্ডকপি প্রিন্ট হয়না। ঢাকায় বসে । এ আই দিয়ে একটি চটকদার রিপোর্ট সাজিয়ে। চাঁদা দাবি করে ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত ব্যকহোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারে পাঠায় এবং এজেন্ট এর মাধ্যমে খবর পাঠায় ।ঐ পত্রিকার সম্পাদক এর সাথে যোগাযোগ না করলে । সোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে সম্মান হানি করবে। ফলে বাধ্য হয়ে তার দাবিকৃত সেই টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ সব পত্রিকার চাঁদাবাজি সম্পাদক এর বিরুদ্ধে কি কোন প্রতিকার পাওয়া যাবে না।