ক্যান্সার রোগার জন্য সাহায্য আবেদন। সমাজসেবা অধিদপ্তর পাবনা
ক্যান্সার রোগীর আবেদন জমা দিতে হবে। এমনতবস্থায় তাকে এন্ট্রি খরচ হিসাবে। সম্মানী দিতে হবে।১০০ টাকা। দিয়ে দিলাম।
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ক্যান্সার রোগীর আবেদন জমা দিতে হবে। এমনতবস্থায় তাকে এন্ট্রি খরচ হিসাবে। সম্মানী দিতে হবে।১০০ টাকা। দিয়ে দিলাম।
শ্রীমঙ্গল কলেজ থেকে জামালপুরে টিসি নিবো তাই আবেদন করি,অনলাইনে ডকুমেন্টস সাবমিট করি,কিন্তু আমাকে টিসি দিচ্ছিলো না।পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ করি,আমার কাছে ৮০০০ হাজার টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে ৪০০০টাকা দিলে,আমাকে টিসি দেয়,
চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য কাগজপত্র থানায় জমা দিতে গেলে,পুলিশ আমাকে বলে আপনার নামে ভালো রিপোর্ট পাঠানো হবে। কথার মধ্যেই বলে একটু চা- পানি খাওয়ান।আমিও এটা রীতি ভেবে ৫০০ টাকা দিলাম।
নিজেদের কৃষি জমিতে সেচ কাজের জন্য বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়, প্রথম আমাদের বিদ্যুৎ অফিস থেকে জানাই না হয়. আবেদন করে ত্রিশ হাজার টাকা দিলে আপনারা বিদ্যুৎ পেয়ে যাবেন. আবেদন করার পর বিভিন্ন অজুহাত নিয়ে তারা এক লাখ টাকা দাবি করে.কাজ অর্ধেক সম্পন্ন করে পরবর্তীতে তারা এক লাখ 50 দাবি করে, আমরা না দেওয়ায় আগে টাকা ফেরত দিবে না পেরে জানিয়ে দেয়, কোন উপায় না পেয়ে আমরা দেড় লাখ টাকা পরিশোধ করি, কাজটি ৮০% সম্পন্ন করে, আমারে জানাই যে বিভিন্ন লোকে অভিযোগ করছে, আপনাদেরকে অফিসে যেতে হবে, আমরা অফিসে যাওয়ার পর আরো ৫০ হাজার টাকা দাবি করে, আমরা মোট দুই লাখ টাকা প্রতিশোধ করি, ত্রিশ হাজার টাকার বিদ্যুৎ আনতে আমাদের মোট দুই লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে , এছাড়াও আমাদের অন্যান্য খরচ মিলিয়ে মোট আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছে।
আমি ড্রাগ লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করি ৬ মাস হয়ে যায় তাদের কাছে জিজ্ঞেসা করলে বলে জানাবো কবে হবে এর মধো এক জন পিয়ন দিয়া টাকার জন্য বিভিন্ন ভাবে তারা বলে টাকা না দিলে কিন্তু আপনার লাইসেন্স হবে না এর পরে ওখান থেকে সব লোক পরিবর্তন হয় নতুন লোক আসে সে খানে আমার একজন কলিগ এর বউ জয়েন্ট করে তার কাছে জিগাসা করলে বলে তাদের নাকি আইডি পাসওয়ার্ড হতে ছয়মাস লাগে।
আমার বাবার অফিশিয়াল ভাবে ট্রান্সফার নোটিশ আশে, চাকরি জীবনের শেষ জেলা পরিশদ থেকে এল জি ইডি তে যেতে হবে। শেষ বয়সে নিজের এলাকাতেই সবার ট্রান্সফার হয়। বাবা একটু অসুস্থ ছিলেন তাই আমি সহ ঢায়া এজ জি ই ডি অফিসে যাই। অফিসের ফাইল ট্রান্সফার করার জন্য সেখানকার এক লোক ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। তা না হলে দূরে কোথাও ট্রান্সফার করার ও ফাইল আটকে রাখার ভয় দেখান। পরে ৫০ হাজার টাকায় মানেন।
বাংলাদেশ একটি আমদানি নির্ভর দেশ এবং আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা সবসময়ই সকল পন্য সামগ্রী আমদানি করে থাকে। কিছুদিন আগে একটি পন্য হটমেল্ট গ্লু আমদানি করার সময় পোট শিপিং সেকশন এইটা হোল্ড করে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন এইগুলা নাকি ডেঞ্জারাস গুডস! কিন্তু ইন্টারন্যাশনালি এইটা কোনো ডেঞ্জারাস গুডস নয়। যার কারণে আমদানিকারকের থেকে ১০ হাজার টাকা বাড়তি ঘুষ হিসেবে ওরা নিয়ে নে। এবং আমদানিকারক নিরুপায় হয়ে দিতে বাধ্য। উল্লেখ্য এইধরনের ঘটনা চট্টগ্রাম পোট শিপিং সেকশনে রেগুলার এক্টিবিটিতে পরিনত হয়েছে। যা এখন স্বাভাবিক মনে হয়।
মাতৃকালিন ভাতা কাঠ করে দিবে ৫০০০০ টাকা লাগবে আসলেই কি এই কাঠ করতে টাকা দরকার হয়
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে কর্মচারী কল্যান তহবিলের ক্লার্ক ফাইল মেইটেইনেন্সের জন্য টাকা লাগবে দাবি করে এক মাস কাজ পেন্ডিং রেখে সরাসরি টাকা চায়। পরে ৫০০০/- নেয়ার পরও কাজটি করে নি। দ্বিতীয় পর্বে টাকা চাওয়ায় আর এ বিষয়ে সেখানে যাই নি। কাজও হয় নি।
চট্টগ্রামের একজন আওয়ামী লীগের নেতা দাবি করে চাকরি দেওয়ার নামে আমার কাছ থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা নেই, এমন কোনো মাধ্যম রাখিনি যে টাকা উদ্ধারের কিন্তু কোনো ভাবে টাকা গুলো পেলাম না
আমি একজন কৃষক কিন্তু পার্বত্য অঞ্চলে প্রতিনিয়ত এই চাঁদাবাজি করা হচ্ছে প্রতিটি বছর আমাদের এ টাকা দিতে হয় না দিলে কৃষি ক্ষেত্র চাষ করা বন্ধ করতে হয় আমার সামান্য একটা পানের ক্ষেত বা বরঞ্চ থেকে এই 5000 টাকা চাঁদা দিতে হয় পার্বত্য অঞ্চলে বসবাস করা একটা লোক জানে কত কষ্ট এই চাঁদাবাজদের হাত কিন্তু অনেক বড় যেমন কিছু করতে চাইলেও করা যায় না সবাই জড়িত সরকার বলেন সন্ত্রাসী বলেন কোন না কোন ভাবে জড়িত
২০২৪ সালে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোতে আমার চাকুরি হয়। চাকুরির ভেরিফিকেইশন আসে রামগতি থানায়। তৎকালীন এই থানার এস.আই আমাকে ফোন দেয় থানায় যাওয়ার জন্য। আমি গেলে আমাকে ২০০০ টাকা দিতে বলে। এটা ২০২৪ সালের ৮ ২০ আগষ্টের ঘটনা। আমি ১০০০ টাকা দিতে বললে ওনি বলে এত কম টাকায় হবে না। পরে আমি ২০০০ টাকা দেই।
চাকরি দিবে বলে পনের লক্ষ টাকা চেয়ে ছিলো চট্টগ্রাম সেনানিবাসে এক জন অফিসার আমি রাজি হইনাই পরে আমার চাকরি হয় নাই
পেনশন এর টাকা তুলতে গেলে সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিস মোট টাকার ২% হারে দাবি করে। পরে ২০০০০ টাকায় কাজটি করে দেয়।
মায়ের হত্যা মামলার তদন্ত আদালত দিয়েছে ১ বছর আগে। আসামি দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোনও তদন্ত হচ্ছে না। বাদী বরং বার কারণ জানতে চাইলে এখন আর ফোন ধরে না। কারণ বাদী একজন দুর্বল মহিলা।
সামাজিক নিরাপত্তা অডিট অধিদপ্তর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে প্রকল্পের ব্যয় সংক্রান্ত অডিট কার্যক্রমে এসে প্রকল্প পরিচালকের কাছে প্রথমে ৫৩ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করে। তাতে প্রকল্প পরিচালক কোনভাবে সায় দেয়নি। পরে অডিট টিম দাখিলকৃত বিল ভাওচার ও প্রকল্প সরেজমিনে অত্যন্ত সূক্ষভাবে যাচাইবাছাই করে। পরবর্তীতে নিয়মতান্ত্রিক নানাবিধ ব্যতয় দেখিয়ে আইন-ধারা অজুহাত দিয়ে ৫০ টির বেশি আপত্তি উত্থাপন করে। নিরুপায় হয়ে ডিপিএস ভেংগে ও ঠিকাদারের সহযোগিতা নিয়ে শেষ পর্যন্ত ৩০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে মানসিক যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পাই।
জনতা ব্যাংকে নিয়োগের সময় দূরবর্তী স্থানে পোস্টিং দেওয়া হয় এবং আপনি নিকটবর্তী স্থানে আসতে চাইলে কর্মচারীদের কাছে ৫০০০০-১৫০০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ চাওয়া হয় হেড অফিস থেকে। তাছাড়া বেশিরভাগ ব্যবস্থাপক নিয়োগ যোগ্যতার ভিত্তিতে না হয়ে টাকার লেনদেনের মাধ্যমে হয়। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় কর্মচারীরা তাদের নিজেদের জন্য মটরসাইকেল ও হাউজবিল্ডিং লোন নিতে চাইলে লোন পাশের জন্য হেড অফিস থেকে ঘুষ চাওয়া হয়।
কটন ফ্যাক্টরি তে ৪০০০kva বিদ্যুৎ সংযুক প্রয়োজন। কিন্তু স্বাবাভিক নিয়মে বিদ্যুৎ লাইন দিচ্ছে না। ঘুষ চায়।
দেশের সকল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে গরিবের বরাদ্দ এর টাকা সরকার কে তালবাহানা বুঝিয়ে লুটপাট করে খাচ্ছে অফিসার রা।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য একজন এএসআই আসছিলেন। সব ইনফরমেশন নেওয়ার পরে ৫০০০ টাকা দাবি করে। অনেক রিকোয়েস্ট করার পরে শেষ পর্যন্ত ৩০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। হিজলা উপজেলা থেকে এবার নিয়োগপ্রাপ্তের সংখ্যা ৩০+.... সবার থেকেই এমন টাকা নেওয়া হয়েছে। যার থেকে যা পারে।