বিদ্যুৎ এর লোড বাড়ানো
আমি আমার বাসার মিটারের লোড বাড়ানোর জন্য আবেদন করতে চাইলে ২০০০০ টাকার বিনিময়ে লোড বাড়িয়ে দিবে বলে প্রস্তাব করে।আমি প্রত্যাক্ষান করি।এখনো লোড বাড়ায়ে পারি নাই।
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি আমার বাসার মিটারের লোড বাড়ানোর জন্য আবেদন করতে চাইলে ২০০০০ টাকার বিনিময়ে লোড বাড়িয়ে দিবে বলে প্রস্তাব করে।আমি প্রত্যাক্ষান করি।এখনো লোড বাড়ায়ে পারি নাই।
আমি সেনাবাহিনীর সৈনিক। সরকারি কাজে নিজের টাকা খরচ করে এক ক্যান্টনমেন্ট থেকে অন্য ক্যান্টনমেন্ট এ গিয়েছি দায়িত্ব পালন করে আবার ফিরেছি নিজের খরচে। নিয়ম অনুযায়ী আমি আমার খরচ করা টাকা আমি দাবি করতে পারি আমি নিয়ম অনুযায়ী যা পাবো তাই দাবি করেছি। কিন্তু পে অফিস থেকে আমার কাছে বিভিন্ন মাধ্যমে জানানো হয় দাবিকৃত টাকার ১৫% টাকা আগে তাকে দিতে হবে তারপর অনুমোদন করে দিবে। আমি দেয়নি। আমার প্রতিবেদন প্রতিটি সৈনিক এর উপর করা জুলুম এর প্রতিচ্ছবি। তাই সরকারের কাছে বিশেষ অনুরোধ এই সেক্টরে নজর দেওয়ার জন্য।
আমার টিকিট আমার এক ভাই সংগ্রহ করে দিয়েছিল তার বন্ধুর কাছ থেকে। সেটা চেক করে বলেছে ব্লাক এ টিকেট কাটছেন। আমাকে জরিমানা করা হয় টিকেটের দ্বিগুণ মূল্য(360), যা আমার কাছে ছিলনা বলে আটকে রাখে বিমানবন্দর স্টেশনে,আমার ব্যাগ চেক করে ২০০ টাকা পায় ও সেটা রেখে দেয়,কোনো রিসিপ্ট ছাড়া আমাকে ছেড়ে দেয়।এটা ঘুষ ছিলনা ছিল ডাকাতি
আমি আমার জন্ম নিবন্ধন সংশোধন এর জন্য নিজেই আবেদন করি। কিন্তু দুঃখের বিষয় সব কিছু ঠিক দেয়ার পরেও ইউনিয়নে যখন জাই আবেদন ফিস এবং আবেদন প্রিন্ট করার জন্য তারা বলে এটা ভুল আবেদন হয়েছে। কিন্তু আমি১০০% সিওর ছিলাম। তখন তিনি(কর্মকর্তা) বলেন ৩০০ টাকা দিলে তিনি করে দিবেন।
নতুন ঠিকাদার তালিকাভুক্তির জন্য। অফিস খরচের কথা বলে নগদ গ্রহন করেছে। সরকারি ফি আলেদা সে অর্ডারের মাধ্যমে দিয়েছি। অফিস খরচ (ঘুষ) বাবদ অতিরিক্ত দশ হাজার টাকা নগদে পরিশোধ করেছি।
কুমিল্লা সড়ক জোনের কর্মকর্তারা ঐ অঞ্চলের কিছু ঠিকাদারকে ছাড়া অন্য কাউকে কাজ দেয়না। স্বৈরাচারী শাসন আমল থেকে একটি কুখ্যাত সিন্ডিকেট ঐ জোনের সকল জেলার কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। কেউ তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে গেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অচল করে দেয়। পরিকল্পিতভাবে মহাসড়কের ক্ষতি করে দীর্ঘদিন জ্যামের সৃষ্টি করে মন্ত্রণালয় ও হেডঅফিসকে জিম্মি করে ফেলে।
বিদেশে আসতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য থানায় গিয়েছিলাম , তারা ক্লিয়ারেন্স দিবে না ৪০০০ টাকা ছাড়া। যাই হোক সে টাকা দিলাম তারপর সে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেপার আনতে আবার ও ৫০০ টাকা নিয়েছে । ২০১৪ সালে ।
Police clearance certificate. Sp office gele bivinno document dimand kore. Dalaler maddhome korle sudhu taka lage, onno kisu lage na.
ফেনী সড়ক বিভাগের executive engineer স্থানীয় একটি কোম্পানির অঘোষিত ম্যানাজার হিসেবে অত্র দপ্তরে বসে অগ্রিম কাজ করিয়ে তারপর টেন্ডার আহবান করে। ফেনী সওজে আউটসোর্সিং-এ লোক নিয়ে সমগ্র দপ্তর নিয়ন্ত্রিত করছে স্বৈরাচারী সরকারের সময় থেকে। দপ্তরের সকল তথ্য ঐ নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জানিয়ে দিয়ে সকল ক্রয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। ঐসকল স্টাফদের মাসিক বেতন/ভাতা দেয় উক্ত কোম্পানি। বর্তমান executive engineer কে কুমিল্লা থেকে বদলি করে এনে গত দুই বছরে প্রায় ১হাজার কোটি টাকার কাজ ১টি কোম্পানি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। স্থানীয় জেলা বিএনপির অথর্ব নেতারা এসব অপকর্মে ঐ কোম্পানি ও exen কে কিছু বলার সাহস রাখে না। ২/৪জন নেতা এসবের সুবিধাভোগী। কেন্দ্রের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ওরা এসব করে আসছে।
আমি BIWTC তে কর্মরত আছি। আমি biwtc তে জাহাজে মাস্টার হিসাবে আছি। আমার প্রতি ২ বছর পর পর পোস্টিং নিতে হয়। প্রতিটা পোস্টিং এ ১লাখ থেকে ৩. ৫ লাখ টাকা ঢাকা হেড অফিস আমার আমাদের কাছে দাবি করে। কেউ যদি এই টাকা দেয় তাকেই ভালো জাহাজে বা ফেরিতে পোস্টিং দেয়, আর টাকা না দিলেই নিজেত্তন নেমে আসে। আমি টাকা দেয়নি দেখেই আমাকে কয়েক দিন পর পর একটা টার পর একটা জাহাজ পরিবর্তন করতে হয়। আর যে জব জাহাজ বন্দ ডক এ এই সব জাহাজে দিয়ে রাখেই পোস্টিং
মেম্বার ঘুষ চেয়েছে ।৷।
Kaj Pete hole 2% dite hobe Tar por approved er jono 1% Bill theke 2%
i applied for my police clearance certificate and paid the govt's fee of 500bdt. The officer in charge literally took weeks before he issued it. i usually never pay bribes, but this was for my visa application, so i paid and voila! i received the pcc the next day.
আমি একটি মামলা জামিন সংক্রান্ত কারনে আমার জেলার দায়রা ও জজ আহালতে যাই, সেখানে পেশকার জামিনের দরখাস্ত জমা দেওয়ার সময় আমার কাছে ওনার জন্য ১০০০/- এবং পিওনের জন্য ২০০/- টাকা দাবি করে না দিলে কাজ হবে না আমি নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করতে বাধ্য হই। তখন আমি ভিবিন্ন এজলাসে গিয়ে এমন টাকা দাবি করার বিষয় দেখতে পাই। জি আর ও অফিস থেকে শুরু করে জুডিসিয়াল কোটেও। তখন একজন আইনজীবী সহকারীকে ঘুসের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে ওনি যানায়। জামিনের দরখাস্ত জমা, নকল উত্তলন, হাজিরা জমা, মামলা পাইলিং, মামলার আদেশ, জামিন নামা জমা, নথি তল্লাশি সহ যেই কাজই করে না কেন কোটের পেশকার,পিওন, লিপিকারক, জারি কারক, অফিস সহায়ক সহ সবাই টাকা দাবি করে আর ওনাদের দাবীকৃত টাকা না দিলে নানা ভোগান্তিতে পরতে হয় এবং নিরুপায় হয়ে ওই টাকা পরিশোধ করা লাগে।
ট্রেড লাইসেন্স এর মধ্যে দেওয়া আছে ৫০০ টাকা ও ৭৫ টাকা ভ্যাট কিন্তু আমার কাছ থেকে অন্য আরেকটি রশিদে ১১০০ টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে এবং ওই রশিদ অনুযায়ী আমার ১১০০ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়েছে। এই কাজটি হয়েছে হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদ, গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ।
ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আনতে যাওয়ায় ৫০০০ পাঁচ হাজার টাকা দাবি করে পরবর্তিতে কথা বলে কমিয়ে ৪০০০ চার হাজার টাকায় ফিক্স করা হয়
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করে দিবে তাই ৫০০০০টাকা দিতে হবে
স্থান: নৌ এবং সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর চট্টগ্রাম আমি একজন মেরিনার । আমি সেদিন আমার CDC তৈরি করতে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানকার এক কর্মচারী আমার কাছে 1000 টাকা দাবি করে এবং নৌ পরিবহন অধিদপ্তরে আমার চোখের পরীক্ষার জন্য সেখানকার কর্মচারী 500 টাকা অর্থ দাবি করে আমি আমার EYE TEST এবং CDC খুব দরকার ছিল সেজন্য আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হই ।
লটারিতে কাজ পাবার পর RHD/PWD executive engineer এর জন্য ৫%+ division এ ২%+ circle এ ৩.৫%+ Sde ও SAE ১০% ছাড়াও প্রতিটি স্টাফ টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা। টাকা না দিলে ব্যবহারও খারাপ করে। মূলত ঠিকাদারদেরকে জিম্মি করে ঘুষ আদায় করে। যারা ঘুষের টাকার অংকের কিছু ডিসকাউন্ট চায় বা কম দিয়ে ম্যানেজ করতে চায় তাদেরকে executive engineer-রা গোপনে তালিকাভুক্ত করে পরবর্তীতে আর কোন কাজ দেয় না। এমন খারাপ ব্যবহার করে যেন তাদের কাছে ভিক্ষা চাইতে গেছি! জঘন্য অবস্থা এই দেশের। এই দেশে কোন সুস্থ বা সৎ মানুষের বসবাস করার কোন সুযোগ নাই সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারণে। খুবই হতাশাজনক। মাঝেমধ্যে মনে হয় এমন দেশে কেন জন্মগ্রহণ করালো মহান আল্লাহ..??!
আমার মামা একজন প্রবাসী উনি দেশে আসার পরে উনাকে এলাকার একজন মহিলা প্রতারক যিনি মানুষকে জিম্মি করে টাকা দাবি করে। আমার মামাকে জমি দেখানোর কথা বলে নিয়ে যে একটি ঘরে নিয়ে নির্যাতন করে এবং টাকা দাবি করে পরবর্তীতে আমরা পুলিশের শরণাপন্ন হলে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে জিডি নেয় কিন্তু তাদের ঘটনাস্থলে অর্থাৎ মামাকে যেই ঘরে নির্যাতন করা হয় ওই স্থান পরিদর্শন করার জন্য কিছু খরচ এর দাবি করে যা ১০০০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় তা না হলে তারা আসামিদের ধরতে যাবে না। বাংলাদেশের অনেক ঘটনা এমন হয় যদি পুলিশ সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থা নেয় তদন্ত এবং কোন ঘুষ লেনদেন না হয় তাহলে দেশের অনেক দুর্ঘটনা বা হত্যা কমে যাবে এবং অন্যায়কারীরা সঠিক শাস্তি পাবে বর্তমান সময়ে রক্ষকই ভক্ষক হয়ে দাঁড়িয়েছে।