ইউপি সদস্য সরকারীর ভাতা
সরকারিভাবে অসহায় মানুষের ঘর তৈরি নির্মাণকৃত টাকা পুরোটাই খেয়ে ফেলেন নেত্রকোনা কেন্দুয়া গন্ডা ইউনিয়নে ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য । তার বিরুদ্ধে সরকারি সকল কাজেই অনিয়ম এবং দুর্নীতির অনেক অভিযোগ রয়েছে।
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সরকারিভাবে অসহায় মানুষের ঘর তৈরি নির্মাণকৃত টাকা পুরোটাই খেয়ে ফেলেন নেত্রকোনা কেন্দুয়া গন্ডা ইউনিয়নে ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য । তার বিরুদ্ধে সরকারি সকল কাজেই অনিয়ম এবং দুর্নীতির অনেক অভিযোগ রয়েছে।
Dhaka University teacher recruitment system is a complete sham. I was asked to give the money, but I refused. Hence, I didn't get the job despite having enough qualifications. It's not public service-related, I know, but I really wanted to say it somewhere where people can see this.
থানার মধ্যে আমি একটি জিডি করেছিলাম পারিবারিক বিষয়ে। তারপর পুলিশ আমার বাসায় আসে তথ্য সংগ্রহ করা এবং কি পুরো বিষয় বিস্তারিত জানার জন্য। তারপরে সবকিছু জানার পর, আমার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করে। তারপরে আমি ২৫ শত টাকা দিয়েছি। ওনারা আমাকে বললেন এই ২৫০০ টাকা তাদের গাড়ি ভাড়া। তারপর এই টাকা দেওয়ার পরেও আমি সঠিক বিচার পাই নাই। কারণ আমার কাছে আরো টাকা দাবি করা হয়েছে। আমি অত্যন্ত দুঃখিত কারণ আমি বাংলাদেশী।
খুলনায় কর্মরত পরিবেশের ম্যাজিস্ট্রেট এসেছিলেন আমাদের জমিতে যেখানে কিছু আগাছা ছিল। আগাছার কারণে মশা বৃদ্ধি পায়। সেজন্য তিনি আমাদেরকে জরিমানা করেছিলেন ১৫০০০ টাকা কথিত। তিনি আমাদের হুমকি দিলেন যদি ১৫০০০ টাকা পরিষদ না করি তাহলে জেল হবে তিন মাসের। আমরা বললাম আচ্ছা তাহলে টাকা পরিশোধ করার ব্যবস্থা করছি। ভুল যেহেতু আমাদের তো জরিমানা মেনে নিতেই হবে। আমি যখন টাকা তোলার জন্য আমার লোক পাঠালাম ব্যাংকের বুথে। তখন তারই একজন সহযোগী আমার কাছে সাত হাজার টাকা দাবি করলেন। তখনই আমার কাছে খটকা লাগলো। কারণ সরকারি কোষাগারে যদি আমি ১৫০০০ টাকা খেসারত দিয়ে থাকি তাহলে সেটা জনগণের কাজে আসবে আমাদের কাজে আসবে। কিন্তু এই টাকা যদি আমি তাদেরকে দিই সাত হাজার তাহলে এই টাকা তাদের পকেটে যাবে। তারপরে আরো কিছু ব্যাপার হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ এর পরিত্যক্ত জমি আমার ব্যাবসায়ীক প্রয়োজনে ১০ বছরের জন্য লিচের জন্য সড়ক ভবন ঢাকা অফিসে গিয়েছিলাম। আমার ফাইলটি পুঙ্খানু পুঙ্খানু ভাবে চেক করে পরেও আমার ফাইলে বিভিন্ন ভুল আছে বলে বিলম্ব করছিল এবং আমাকে কল দিয়ে টাকা দাবি করে। উপায়ান্তর না দেখে ৫ টি টেবিলে মোট ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে ফাইল মোভ করিয়েছি।
সরকারিভাবে দেওয়া হেক্সিং প্রিপেইড মিটার যেটা জনগণকে সরকার প্রতি মাসে ৪০ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে দিয়েছিল সেই মিটার নতুন সংযোগ বা পরিবর্তন এর সময় নির্বাহি প্রপ্রকৌশলী থেকে শুরু করে সহকারী উপসহকারী প্রকৌশলী প্রজেক্ট এর প্রকৌশলী গন সকলে প্রতি মিটার ৪০০০ টাকা থেকে কেউ কেউ ৫০০ টাকা ১০০০ টাকা করে ভাগ নেয়।অর্থাৎ সরকারি সম্পদ তারা জনগণের কাছে বিক্রি করছে। এছাড়া প্রতিটি নতুন সংযোগের ফাইলে এপ্লিকেশন ফি ও ইস্টিমেট ফি এর কাগজে সাক্ষরের সময় প্রতি স্বাক্ষরে নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে সহকারী, উপসহকারী প্রকৌশলীগণ উচ্চমান সহকারী অফিসের পিয়ন ছা সকলে ২০০ টাকা করে ঘুষ নেয়। পিয়ন নেয় ৫০ টাকা। নতুন খুঁটি লাগাতে গেলে ১৫ হাজার টাকা করে ঘুষ নেয় লেবার খরচকষ্টের নামে। মিটারের লোড কমানো বাড়ানোতেও ঘুষ দিতে হয়।
আমার শাশুড়ির কাছে স্থানীয় লোক যারা বয়স্ক ভাতা নিয়ে কাজ করে, বিকাশ খোলা বাবদ ১০০ টাকা চেয়েছে । অথচ আগের থেকে তার বিকাশ খোলা আছে । আমার শাশুড়ি তাকে জাগিয়েছে যে আমার বিকাশ তো আমার মেয়ের জামাই আমাকে খুলে দিয়েছে, বিকাশ অ্যাক্টিভ আছে । তারপরও ১০০ টাকা নিয়েছে বলে যে লাগবে ।
এক কনস্টেবল আমার চাকুরির ভেরিফিকেশন এর জন্যে ১৫০০ টাকা নিয়েছিলো
প্রতি লাইসেন্স এ টাকা দেওয়া লাগতো
আমি ওমান যাওয়ার সময় চট্টগ্রাম এয়ারপোর্টে আমার জিনিসপত্র চেকিং করার সময় আনসার সদস্য আমার থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে পরে ৫০০টাকা নিয়ে যায়।
সরকারি ফ্রি পরিশোধ করার পরেও উনি অনৈতিকভাবে ১০০০ টাকা দাবি করেন এবং আমি বাধ্য হয়ে 500 টাকা দিতে সম্মত হই।
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক হতে ঋন নিতে খরচ হয়, ষ্টাপ বাবদ ৩৬০/- আর রেভিনিউ বাবদ ১২০ অথবা ৪০/- আর কোনো খরচ হয় না কিন্তুু ঋন গ্রহীতার কাছ হতে ৩০০/- অথবা ৫০০/- অথবা ১০০০/- বেশি রাখা হচ্ছে |
ট্রেন ভ্রমন করার সময় পুলিশ কক্ষে থাকার সময় এ টাকা দাবি করা হয়
প্রতিটি টেন্ডারের উন্নয়ন মূলক কাজের কমিশন
Straight he want 20k money
অফিসে সবাই মিলে সিন্ডিকেট করে টাকা খাচ্ছে। অফিস গেলে সহজেই কোন উপদেশ দেইনা।এমন পরিস্থিতি তৈরি করে টাকা না দিলে প্রুচর ঘুরতে হয়।
বাংলাদেশের ইটভাটা আইন শতভাগ মেনে এদেশে একটি ইটভাটাও টিকে না। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এদেশের প্রতিটি জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর অফিস সকল ভাটা মালিকদের অফিসে ডেকে তাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হতে বাধ্য করে! প্রতিটি ভাটা মালিকের কাছ থেকে এক মৌসুমে নুন্যতম ৫ লাখ টাকা আদায় করে। কেউ তাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ না হলে তার ভাটায় অভিযান করে, ভাটা গুড়িয়ে দিয়ে পথে বসিয়ে দেয়। তাই বোবা প্রানীর মতো তাদের অফিসে গিয়ে টাকা দিয়ে আসতে হয়! সারা বাংলাদেশে প্রতিটি উপজেলায় গড়ে দেড় থেকে দুই কোটি টাকা লেনদেন হয় একটা মৌসুমে!
ছবি তাং ১ মাস পরে দিয়ে ছিল ১০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর সাথে সাথে ছবি তুলে NID কার্ড সম্পন্ন করে দিয়েছিল
আমি একজন স্টুডেন্ট অনেকদিন ধরে আমি দেশের বাহিরে পড়াশোনার জন্য আবেদন করার কড়ায় আমার যে ডকুমেন্টটি দরকার ছিল সেটি হল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কিন্তু আমি যখন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করি সরকারি ফি 700 টাকা দেই তারপর আমি থানায় গিয়ে আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য যখন ভেরিফিকেশন দিতে যাই তখন তারা আমার কাছে ২৫০০ টাকা দাবি করে এবং তারা আমাকে ফোর্স করতেছে যে এই টাকা না দিলে ব্ল্যাক লিস্টেড হয়ে যাবেন এবং আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাতিল হয়ে যাবে এটি গাজীপুরে অবস্থিত একটি থানা
প্রতি নলকূপ ও সেনিটারি টয়লেট/ বাথরুম বাবদ ৫০০০ টাকা করে ঘুষ নেই উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা বানিয়াচং হবিগঞ্জ। অথচ সবকিছু সরকারি বরাদ্দ ছিল। সব উপজেলায় প্রায় জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা গন ঘুষ বানিজ্য করে। ওদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। আমার অনুরোধ দপ্তর এর জায়গায় জনস্বাস্থ্য যোগ করুন।