আদালতে
জজ সাহেব বলেছেন স্বাক্ষর করে যেতে, স্বাক্ষর দিতে গিয়ে টাকা লাগে
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জজ সাহেব বলেছেন স্বাক্ষর করে যেতে, স্বাক্ষর দিতে গিয়ে টাকা লাগে
সম্প্রতি ভ্যাট বিডি (vat.gov.bd) ওয়েবসাইট থেকে BIN (Business Identification Number) সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করি। ভেবেছিলাম অটোমেটেড সার্ভিস, ঝামেলা ছাড়াই হয়ে যাবে। কিন্তু আবেদন করার পরপরই আমার ফোন নম্বরে একটি কল আসে। সরাসরি জানানো হয়, কোনো ঝামেলা ছাড়া দ্রুত এপ্রুভাল পেতে চাইলে ১,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। টাকা না দিলে নাকি ফাইল ঝুলে থাকবে এবং সার্টিফিকেট অনুমোদন করা হবে না! অনলাইন সার্ভিসের সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল সাধারণ উদ্যোক্তাদের, কিন্তু এখানেও মধ্যস্বত্বভোগী আর অসাধু কর্মকর্তাদের চাঁদাবাজি শুরু হয়ে গেছে। ১,০০০ টাকা হয়তো অঙ্কের হিসেবে বড় কিছু নয়, কিন্তু এই সংস্কৃতি একটা নতুন ব্যবসার শুরুতেই বাধা তৈরি করে। আমরা যদি প্রতি পদক্ষেপে এভাবে নীরব থাকি, তবে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার কোনো অর্থই থ
ঘুষ চেয়েছিল প্ল্যান পাস করার জন্য
উপজেলা সমাজসেবা অফিসে আমার আব্বার চিকিৎসার জন্য একটা আর্থিক আবেদন করতে গিয়েছিলাম। তিনি ব্রেইন স্টোক করে প্যারালাইসড হয়ে গিয়েছিলেন। ত আমাদের আবেদনের ফাইল সমাজসেবা অফিসারের কাছে জমা দেয়না অফিস সহায়ক। সে বেশ কয়েকবার ডেট দিয়েও অফিসারের কাছে ফাইল জমা করেনা। শেষে ৫০০ টাকা চা খাওয়ায় বিল চেয়ে বসল। কিন্তু খারাপ লাগাটা ছিলো ওই অফিস সহায়কের টেবিলে লিখা ছিলো হযরত আলী রাঃ এর ঘুষ লেনদন করা কতটা জঘন্য কাজ এ সম্পর্কিত একটা বাণী। অনেকটা নিরুপায় হয়ে দিতেই হলো টাকাটা।
সেবাটি ছিল হচ্ছে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন সেবা। এটা হচ্ছে ৫০ টাকা দিলেই হয়ে যায় কিন্তু আমার কাছে ১০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল আমি না দেওয়ার কারণে আমারটা ও রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করবে না বলেছেন পরবর্তীতে আমি কোন উপায় না পেয়ে আমি এই টাকাটা পরিশোধ করি
আপনি টাকা দিবেন একমাস সময়ের মধ্যে আপনার বাড়িতে মিটার লাগিয়ে দেওয়া হবে কোন কিছু আপনাকে করতে হবে না।
নতুন একাউন্ট খোলার সময় আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা দাবি করে আমি না দেওয়াই আমার ফাইল এই টেবিল ওই টেবিল করতে করতে দুপুর একটা বাজে এবং পরে বলে আজকে হবে না তিনদিন পরে আসেন আমি ঢাকাতে চাকরি করি ঐদিন ছিল বৃহস্পতিবার আমার ঢাকা তো অফিস ছিল শনিবার নতুন প্রাইভেট জব করি পরের দিন শুক্রবার তাই আমার পক্ষে তিন দিন অপেক্ষা করা সম্ভব ছিল না পরে বিষয়টি আমি ওখানকার ম্যানেজারকে বলি পরে তিনি ওদের সাথে কথা বলে পরে আমি একাউন্টটা খুলে এবং আমার টাকা ওই একাউন্টে রাখতে পারি এর জন্য আমার প্রায় আড়াইটা বেজে গিয়েছিল
ঘুষ দাবির রিপোর্ট ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানায় দায়েরকৃত ৪টি ফৌজদারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য আদালত থেকে আদেশ প্রদান করা হলেও প্রায় ১ বছর অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু এখনো তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, উক্ত ৪টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা/তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাদীপক্ষের নিকট মোট ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করেছেন। দাবি করা টাকা প্রদান না করায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বিলম্বিত করা হচ্ছে। এদিকে মামলার আসামিরা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং এর সুযোগ নিয়ে মামলার কার্যক্রমকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। আদালতের আদেশ থাকা সত্ত্বেও এক বছর ধরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখি
খুনের মামলায় খুনি আসামিকে গ্রেফতার না করিয়া তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করার মিথ্যা বাহানা করতিছে।
আমি ফেনী পৌরসভাতে নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে যাই। 1 মাস এর মতো ফাইল পড়ে ছিল। ফাইল হচ্ছে না দেখে গেলে দেখি আমার ফাইল পড়ে রয়েছে। বের করে দেয়ার পর বলে এতোদিন তো লাগেনা। আগামীকাল সন্ধ্যায় আপনার দোকান ভিজিট এ যাবো। সব রেডি থাকলে লাইসেন্স পেয়ে যাবেন। 2 দিন পর সন্ধ্যায় 2 জন লোক এসে ভিজিট করে সব ওকে করল। যাওয়ার সময় রিক্সা ভাড়া বাবদ 500 টাকা দাবি করল। আমি 200 টাকা দিতে চাইলাম । রাগ করল। লাইসেন্স আবার আটকে রাখে কিনা তাই 500 টাকা দিলাম।
আর বড় বোন পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ভিজিটর হিসেবে চাকরিতে নিয়োজিত অবস্থায় মারা গেছিলেন কিডনি বিকল হয়ে উনার পেনশনে টাকা তুলতে বিভিন্ন অফিস মিলিয়ে ১২ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার পরে ওনার পেনশনের টাকা পাওয়া গেছে
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ঘুড়কা ইউনিয়নে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য গেলে, এক গাদা কাগজ চায়, একপর্যায়ে ১০০০ টাকা হলে কাজ হবে বলে জানায়। আমি করাই নাই।
ঢাকার আগারগাঁও অবস্থিত জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে থেকে ঘুষ গ্রহণ করে তাদের মনোনীত নিজস্ব অ্যাসেসর ধারা এসেসমেন্ট পরিচালনা করে এবং ১০০% Competent দিয়ে আসে।তাদের মনোনীত অ্যাসেসগণ সপ্তাহে দুটি অ্যাসেসমেন্ট পরিচালনা করে থাকে এবং অন্যান্য অ্যাসেসর 2থেকে তিন মাসও একটাই অ্যাসেসমেন্ট পায় না।এর কারণের দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
আমাকে বলেছিলো এলজিডি প্রজেক্ট অফিসে কম্পিউটার অফিসে একজন ইলজিডি মন্ত্রণালয়ের বিএনপির সভাপতি,তিনি আমাকে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে ১০০০০ হাজার টাকার চাকরি দিতে চাইলেন,পরে আমি ১০ হাজার দিলাম কিন্তু উনি তা নিয়ে আমাকে বলতেছেন ৩ লক্ষ টাকা ছাড়া হবে না,,,পরে এক পযার্য়ের রাজি হই এবং ২লক্ষ ১০ হাজার দিয়ে দেই,,টাকা দেয়ার ঠিক পরেরদিন আমাকে বলতেছেন,তিনি আমাকে বেসরকারি প্রজেক্টে চাকরি দিবেন,তাই আমি টাকা দেয়ার ঠিক পরেরদিন এই কথা শোনার পর টাকা ফেরত চাই,,আর তিনি তা আমাকে দিবেন বলে পরের দিন মানে টাকা দেয়ার ৩য় দিন আসতে বললেন,কিন্তু দেননি,উল্টো বললেন যদি ২লক্ষ ১০হাজার ফেরত পেতে হই তাহলে কিছু টাকা মানে ৩০হাজার ডেমারেজ দিতে হবে,তাই মেনে নিলাম কিন্তু ১০দিন পর ১লক্ষ ২০হাজার দিলেও আজ ২মাস হইছে বাকি ৯০হাজার দিচ্ছেনা।
সেচ লাইসেন্স পাওয়ার জন্য কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে ,প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সরকারী নির্ধারিত ফিত জমা দেওয়ার পরেও ,সেখানকার ৪র্থ কর্মচারী বিভিন্ন চাপ প্রয়োগ করে ১০০০/ টাকা নিয়ে তার পর, কুষ্টিয়া বিএডিসি অফিসে পাঠাই। সেখানে সবকিছু ঠিক থাকার পরেও বিভিন্ন ভুল ভ্রান্তি আছে বলে, এক কথায় ঝামেলা সৃষ্টি করে শেষ পর্যন্ত ১২০০ টাকা দেওয়ার পর সব ভুল ভ্রান্তি ঠিক হয়ে যায়।
আমি একজন মেয়ে মানুষ। বাবা বেচে নেই। জমি নিয়ে বিরোধ এজন্য লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ করতে গেলে তারা অনেক ব্যস্ততা দেখানোর পর আমার কথা শুনে একটা আবেদন ফরম নিয়ে আমার ঠিকানা এবং বিবাদীদের ঠিকানা লিখে। এরপর অফিস সহায়ক'কে জারিকারক এবং কম্পিউটার অপারেটর বলে চা নাস্তার টাকা নিতে৷ আমি জিজ্ঞেস করি কত টাকা? অফিস সহায়ক বলে, কেউ ৫০০-১০০০টাকাও দেয়। আপনার ইচ্ছা যা দেন৷ আমি কেবল ২০০টাকা দেই। তারপর জারিকারক বিবাদীদের কাছে নোটিশ পৌছে দিতে গেলে আমার থেকে ৫০০টাকা নেয় ১ম বৈঠকের দিন। হাজিরায় নাম লেখার সময় আরেকজন অফিস সহায়ক ২০০টাকা হাজিরার জন্য চায়। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই। সিভিল জজ স্যার ১ম বৈঠকের পর তদন্ত করতে দেয় জারিকারক'কে., উনি তদন্ত করতে এসে ১০০০৳ দাবি করে। আমি দেয় নি। আজ ৪মাস প্রতিবেদন জমা দেয়নি উনি😭
তাদের এক্সট্রা টাকা দেয়ার অনেক ঘটনায় আছে কিন্তু বর্তমানে ঘটা ঘটনাটি , হচ্ছে অনেক আগে জন্ম নিবন্ধন করা ছিল সেটা এখন বাংলায় ও ইংরেজি করার জন্য ডিজিটাল করতে গেছিলাম বা অনলাইন করতে গেছিলাম তখন এই ঘটনা ঘটেছিল ।
আমি বিদ্যুৎ এর খুঁটির জন্য আবেদন করি । এবং এটি মঞ্জুর হওয়ার পর আমাকে খুঁটি দেওয়া হয় না। তাদের কল দিলে শুধু তারা আজকে না কালকে আসব এটা বলে। পরে একদিন বলে ১৫০০ টাকা রেডি রাখেন আমরা আসতেছি। অবশেষে আমর ১৫০০ টাকা দিয়েই কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে।
আমার বিদেশ যাওয়ার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট দরকার ছিল। পাথরঘাটার থানা পুলিশ এর কাছে গেলে সেখান থেকে বলে ৪০০০ টাকা দরকার। দিয়ে চলে আসলাম ১৫ দিন পরে যেতে বলল। তারপর ১৫দিন পরে গেলে বলে কাগজ আসে নাই আপনার জরুরি দরকার হলে বরগুনা জেলা প্রশাসক থেকে নিয়া আসেন। গেলাম সেখানে আমার নাম ঠিকানা বলার পর বললো হে আসছে আপনার কাগজ। চা ওানি খাওয়ার টাকা দেন। জিজ্ঞেস করলাম কত বললো ১০০০। তো কি আর করার টাকা টেবিলের নিচ দিয়া দেও উপর কাগজ নিয়া যায়। যেমন বললো ঠিক তেমন করে ১০০০ দিয়া কাগজ নিয়া চলে আসলাম । এইরকম কত যে গুশ দিয়ে হিসাব রাখি নাই। লিস্ট করলে অনেক বড় লম্বা লিস্ট হবে ধন্যবাদ সাইটটি খোলার জন্য
SSC পরিক্ষার সাটিফিকেট নিতে ৫ হাজার টাকা দাবি করেন নোয়াখালী কবির হাট উপজেলার হাজিরহাট হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়