Land dispute
I had a land dispute with neighbor who wrongfully claimed parts of my property. The local chairman, politicians and their gang demanded money in order to provide a fair judgement
18,994 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
I had a land dispute with neighbor who wrongfully claimed parts of my property. The local chairman, politicians and their gang demanded money in order to provide a fair judgement
ডিসি অফিসের এল এ শাখা হতে ভূমি অধিগ্রহণের অর্থ উত্তোলনের জন্য ৮-১৫% ঘুষ দাবি করা হয়। ঘুষের অর্থ আগে পরিশোধ না করলে ক্ষতিপূরণে নানা ধরণের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বিল স্থগিত করে রাখে।
টিকিটের মূল্য ১৫টাকা কিন্তু উনি প্রতি টিকিটের মূল্য নিচ্ছে ২০টাকা । কথা বলার কোন সুযোগ দেইনি (পুকুরিয়া হতে ভাঙ্গা স্টেশন) টিকিট কাউন্টারে আমাকে বলেছেন যে, টিকিটের দাম বেড়েছে। আমার কাছে টিকেট আছে।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ৫০০০ টাকা চেয়েছিলো। আমি নিত্যান্ত গরিব পরিবারের সন্তান। জবটা খুবই দরকার। তাই অনেক রিকুয়েষ্ট করে পুলিশের SI কে ২৫০০ টাকা দিয়েছি।
২০১৭ সালে ঢাকা সাভার এ ভুমি জরিপ বিআরএস হয়। তখন যারা এই জরিপ কর্মকর্তারা ছিল তারা পত্তেক জমি থেকে ২,০০০-২০,০০০ টাকা পর্যন্ত নিছে। আমি প্রথমে টাকা দেইনাই বলে আমাকে ১ মাস বেশি গুড়ানো হইছে শেষ মেষ ২,০০০ টাকা দেয়ার পর আমাদের জমির জরিপ কাগজ দিছে।
চাকরির জন্য পুলিশ প্রতিবেদন। তেল খরচে চাওয়া হয়েছিল।
থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সকল কাগজ জমা দেয়ার পর ১৫০০ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু আগের সকল কাজ শেষ। ভেরিফাইয়ের জন্য থানায় কাগজ আসে। টাকা না দিলে ওকে করে না। এসপি অফিসে কাগজ জমা দেয় না।
ডিপিডিসিতে মানিক নগর শাখায় এক সাব স্টেশন ইঞ্জিনিয়ার ৩ফেজ লাইন মিটার সহ পাইয়ে দিবেন বলে উক্ত টাকা ধাপে ধাপে নিয়ে থাকেন।সর্বশেষ ডিমান্ডনোট হলেও গ্রাহকের লাইনে ত্রুটি আছে বলে মিটার টি দিচ্ছে না।গ্রাহক মিটার চাইতে গেলে চুরির অপবাদ দিয়ে ফিরিয়ে দেয়। টাকা লেনদেনের কোনো প্রমান রাখা সম্ভব হয় নি।
ঢাকা ফায়ার সার্ভিস অফিসে নিয়ে দাবি করে।
NTRCA মাধ্যমে একটি মাদ্রাসা জব পাই। পরবর্তী পুলিশ ভেরিফিকেশন জন্য ২৫০০ টাকা ঘুস নেই।
কোর্টে জায়গা জমি মামলা কাজের জন্য ঘুষ।
বর্তমানে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী রাশিয়া আসার জন্য বেশি ইন্টারেস্টেড। তাদের বৈধ ভিসা এবং সবকিছু ডকুমেন্টস থাকা সত্ত্বে ইমিগ্রেশন এবং বডিং পাস দেয়নি।আমাদের প্রতিজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে 500 ডলার দাবি করা হয়।বর্তমানে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন প্রতিনিয়ত এই চাদাবাজি করে আসছে।
একটি জন্ম নিবন্ধন করার জন্য আমি গ্রামের মেম্বারের সাথে দেখা করি সে আমাকে বলে আপনার কাগজপত্র এবং ১০০০ টাকা দিতে হবে। আমি সরাসরি তাকে না বলিনি, আমি বলছি পরে আপনার সাথে দেখা করব। কিন্তু আমি আমার কাজ অন্য কোনভাবে করে নিয়েছি কিন্তু ঘুষ দিয়ে করিনি। এটাই ছিল আমার মূল অভিযোগ। একটি জন্ম নিবন্ধন করার জন্য ১০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিলেন গ্রামের রানিং মেম্বার।
আমি বিদ্যুতের মিটার আনার জন্য, বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে কাগজপত্র গ্রহণ করি। কাগজপত্র পূরণ করে জমা দিলে ডিপিডিসি প্রকৌশলী আমাকে জানায় আমার বাড়ির উপরে সৌরভ প্যানেল লাগাতে হবে যা লাগাতে আমার অনেক খরচ লাগবে,আমি অপারগ জানালে উনি বলে 85 হাজার টাকা দিলে কিছুই লাগাতে হবে না উনি সব করে দিবে, এখন আমি কি করবো ঠিকানা :টিটিপাড়া আন্ডার পাশের সাথে বিদ্যুৎ অফিস
কল দিয়ে টাকা চেয়েছে! দিতে আপত্তি করায় বলেছে নেগেটিভ রিপোর্ট জমা দিবে। নিরুপায় হয়ে দিতে হয়েছে।
২ লক্ষ টাকায় করানো হয়েছে তিন মাস ঘুরতে হয়েছে পতি টেবিলে টেবিলে টাকা দিতে হয়েছে
আমি পোস্ট অফিসের বিমাটি ভাঙতে গিয়েছিলাম আমার প্রয়োজনে তারপর তারা আমাকে এক মাস ঘুরায়ে আমার জরুরী প্রয়োজন তাই তাদেরকে ঘুষ দিয়ে আমার বীমা ভাঙতে হয় তারপর তারা আমাকে টাকা দে, এটি ময়মনসিংহ জেলায় গৌরীপুরে অবস্থিত ময়লা কান্দা ইউনিয়নের
ভূমি ব্যবহারের জন্য ইজারা ফি দেওয়ার আগে ফাইল গুছিয়ে চট্টগ্রাম সার্কেল থেকে পাঠানো হয় মন্ত্রণালয়ে, মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর আগে পর্যন্ত চট্টগ্রামের অফিস গুলোতে মোট ৩৫০০০০ টাকা দেওয়া হয়,যেটা সরকার পাই না (ঘুষ) - সড়ক ও জনপদ
ইউনিয়ন পরিষদে আমি একটি মাতৃকালীন বাতার জন্য আবেদন করি পরিষদে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা আমাকে বলল এটা করে দেয়া যাবে তবে 2000 টাকা লাগবে আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন সে বলল একটা খরচ আছে আমি টাকা দিতে রাজি হলাম না
ডিসি অফিস- সরকার কর্তৃক অধিকৃত টাকার ক্ষতিপুরণ বাবদ আমার তিন লক্ষ টাকা পাওনা নিতে ৩০ হাজার টাকা ঘুস দিয়েছি। আমি দুই দিন অফিসে যাওয়ার পর এই স্যার ঐ স্যার করে ঘুরানো হয়। তারপর অফিসের একজনের মাধ্যমে ৩০ হাজার দিলে ব্যাংকে আমার পাওনা তিন লক্ষ আসে। আমি দুই সপ্তাহের জন্য লন্ডন থেকে দেশে গিয়েছিলাম। আমার এছাড়া কোন উপায় ছিলনা।