কিটনাসক লাইসেন্স
অফিস আমাকে বলেছিলেন জরুরী ভিত্তিতে অনুমতি পত্র নিতে হলে বিশ হাজার টাকা দিতে হবে অফিস খরচ
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অফিস আমাকে বলেছিলেন জরুরী ভিত্তিতে অনুমতি পত্র নিতে হলে বিশ হাজার টাকা দিতে হবে অফিস খরচ
আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা এই দেশে জন্মগ্রহণ করেছি। কোটি কোটি টাকা দিয়ে রাইস মিল গড়ে তুলেছি যেখানে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে শত শত লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে আমরা তথা দেশের অর্থনীতিতে একটা বিশাল অবদান রাখছি। আমরা রাইস মিল পরিচালনা করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা পালন করছি প্রতি বছর আমরা সরকারের বরাদ্দিকৃত চাল সরবরাহ করে থাকি সেই চাল সরবরাহ করতে নানান নানান অজুহাতে খাদ্য অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন রকম ঘুষ লেনদেন করে সরকারকে চাল সরবরাহ করছি। এই চাল সরবরাহ কালে নানান দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য চলছে সারা দেশ ব্যাপী। এর একটি উদাহরণ, যেমন ডিসি ফুড ২০০ টাকা টন ও সি লেস ডি ৫৫০ টাকা টন টি সি এএফ ১৫০ টাকা টন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ৫০ থেকে ১০০ টাকা টন এছাড়াও নানান ঘস লেনদেন ছাড়া আমরা চাল সরব
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে পড়া শোনা করি।আমরা ২ বন্ধু মিলে ঢাকা থেকে গাইবান্ধা আসছিলাম।আমাদের স্টেশনে বলছিলো স্টুডেন্টদের জন্য হাফ ভাড়া।সেই হিসাবে আমরা ২ জন বন্ধু মিলে ১ টা টিকেট কাটি।মাঝ পথে ১ জন টিটি আসলে আমরা কার্ড দেখাই সে তখন মেনে নিলেও সে আর একজন টিটি কে ডেকে আনে এবং অতিরিক্ত টাকা দাবি করে। তাকে প্রমান দেওয়ার পর ও সে আমাদের সাথে ঝামেলা করে।এবং আমাদের কাছে ২০০ টাকা ছিলো সে সেটাও নিয়ে নেয়।এরকম ট্রেনে অনেক ছাত্রদের সাথে হয়রানি মুলক আচরণ করে।ট্রেনের নাম রংপুর এক্সপ্রেস।
তুমি যদি আমাদের নাস্তার টাকা না দাও তাহলে তোমার নতুন পাসপোর্ট হবে না,আমি বললাম কেন সে বলল আমরা যদি এখান থেকে রিপোর্ট করি তাহলে তোমার পাসপোর্ট হবে না, আমি বললাম এটা কেমন কথা সে বলল পাসপোর্ট না করতে চাইলে টাকা দিতে হবে না আর যদি করতে চাও তাহলে টাকা দাও ওই লাইনে দাঁড়াও বাকিরা তোমার জন্য সামনে আসতে পারছে না তাদের সুযোগ দাও।
মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্ম নেওয়া আমি, চাকুরী পাওয়ার পর আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি। কিন্তু কিছুদিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশনে আসে, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা। দাবি করে ৫০০০ হাজার টাকা। নয়লে শিবিরে নাম ঢুকিয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে, এবং স্থানীয় মেম্বারের কথায় বাধ্য হয়েছিলাম ৩০০০টাকা দিতে।
এক পুলিশের এ স আই কে আমি ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। আমি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম আমাকে ডেকেছিল। কিন্তু পুলিশের এই সদস্য অফিস থেকে বের করে আমাকে অন্য এক দোকানের পিছনে নিয়ে যায়। বলতেছে তাকে কিছু খরচ পাতি দেওয়ার জন্য না দিলে সে রিপোর্ট দিবে না। আবার আমাকে সতর্ক করেছে অফিস থেকে ফোন দিলে যেন আমি না বলি টাকা দিয়েছি। প্রথমে আমি অস্বীকৃতি জানিয়েছিলাম যে আমি টাকা দিব না। পরে আমাকে বলা হয়েছিল রিপোর্ট দিবেন না সেজন্য আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।
গত মার্চে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদনের পর নির্ধারিত সময়ে কাজ না হওয়ায় বাজিতপুর থানায় যাই। সেখানে থানার মুন্সী আমাকে অযথা হয়রানি করেন এবং নতুন করে আবেদনের চাপ দেন। একই সাথে এক কম্পিউটার অপারেটর রাতে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের অনৈতিক প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে দ্রুত কাজ শেষ করার উদ্দেশ্যে মুন্সীকে ১,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার পরও সনদ পেতে ২০ দিন বিলম্ব হয় এবং শেষ পর্যন্ত বাজিতপুর থেকে কিশোরগঞ্জ এসবি অফিসে গিয়ে সেটি সংগ্রহ করতে হয়।
পেনশনের টাকা উঠাতে এ জি অফিস এবং সড়ক বিভাগ নোয়াখালীর একাউন্ট হেড ক্লার্ক কে দেড় লক্ষ থেকে 2 লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়।
আমার এসএসসি এর মার্কশিট টা হারায় সেজন্য বোর্ড থেকে সে মার্কশিটটা পুনরায় তোলার জন্য জিডির কাগজ লাগে সেটার জন্য আমি টঙ্গী পশ্চিম থানায় গিয়েছিলাম সেখানে সকল প্রসেস করার পরে আমাকে বলা হয়েছে লেখালেখি বাবদ টাকা দিতে ২০০ টাকা দাবি করেছিল পরে বললাম যে আমি স্টুডেন্ট আর টাকা তো কিসের জন্য দিতে হবে? জিডি করতে তো টাকা লাগে না। বলল লেখালেখি বাবদ যা পারো দাও। আমার কাছে টাকা ছিলনা তেমন তাও ১০০ টাকা দিয়ে আসছি প্রথমে বুঝতে পারিনি কারণ প্রথম থানায় গেছিলাম।
কিছুদিন আগে চাকরী স্থায়ীকরণের জন্য আমাদের নিয়ন্ত্রণকারী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চট্টগ্রাম এর রাজস্ব শাখায় কাগজপত্র জমা দিতে গেলে আমাদেরই সহকর্মীকে এই অর্থ দিতে হয়েছে।
আমি আমার চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল কুড়িগ্রাম সদর থানা থেকে আমার মালিকানাধীন কাগজ পত্র দেখানোর পর আদালতের মাধ্যমে নিতে বলে আদালতে জি আর ও অফিসের মাধ্যমে আবেদন করি। আবেদন প্রকৃয়া শুরু করতেই দশ হাজার টাকা চায়। অন্য উপায় না পেয়ে পাচঁ হাজার দরকষাকষি করি একদিনে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতিতে টাকা নিয়ে চার মাস পর যেতে বলেন এবং কাল ক্ষেপন করে আবার তিন হাজার দাবি করে টাকা দেওয়ার পর আমাকে আদালতের নির্দেশ করিয়ে দেন। নির্দেশ নামা রেকর্ড বাবদ দু'শ টাকা দিয়ে কাগজ নিয়ে থানায় গেলে পুলিশ আন্তরিকতার সাথে কাজ সম্পন্ন করে খরচ বাবদ আবার নগদ পনের শত টাকা এস আই কে নাস্তা বাবদ সাত শত খরচ করার পর। মোটরসাইকেল হাতে পাই। মোটরসাইকেলের বর্তমান বাজার মূল্য ত্রিশ হাজার টাকা ফিরিয়ে আনার খরচ পঁচিশ হাজার টাকা
সহকারী পোস্টমাস্টার পদের জন্য ১২০০০ টাকা দাবি করেন উর্দথনও কর্মকর্তা । এই পোস্টের বেতন মাত্র ৪৫০০৳ ।
সোনালী ব্যাংকে জয়েন করার জন্য মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট দরকার হয়। যার জন্য সোনালী ব্যাংক ৩ টা টেষ্ট করতে বলে। সিভিল সার্জন কার্যালয়, সিরাজগঞ্জ থেকে সার্টিফিকেট নিতে গেলে তারা অতিরিক্ত আরও অনেক টেস্ট ধরিয়ে দেয়, যেগুলোর প্রয়োজন নাই, সোনালী ব্যাংক চায়নি এগুলো। এগুলো না আনতে চাইলে কৌশলে ৫০/১০০ টাকা দাবি করে( ব্যাংকে চালানে টাকা জমা দেয়ার বাইরে)
আমার জায়গার উপরে বিদ্যুতের লাইন আছে আমি বাড়ি নির্মাণ করতে পারছি না এই বিদ্যুতের লাইনের জন্য। এই বিদ্যুতের লাইন সরাতে হলে বিদ্যুৎ অফিসে ১৭২৫ টাকা দিয়ে আবেদন করি তারপর একজন ইঞ্জিনিয়ার এসে সেটা দেখে গেলে তাকে ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে তারপর এই ইঞ্জিনিয়ার অফিসে সাবমিট করলে ওইখানে একটা বিল তৈরি হয় প্রায় ৮০ হাজার ২৫৬ টাকা তারপর এই টাকা অফিসে জমা দিতে হইছে জরুরী তা সরানোর জন্য আবার বিদ্যুতের এক লোকে আমার কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করছে যা উনি এক সপ্তাহের ভিতর সরায় দিবে আমার মনে হচ্ছে আমার ব্যক্তিগত জায়গার রূপ দিয়ে বিদ্যুতের কারণে লাইন নিয়েছে যারা তারা নিজের দেখে আমার সমস্যার কারণে শরীফ বলা উচিত কিন্তু এসব কাজ করতে গেলে প্রতিটা জায়গায় জায়গায় টাকা দিতে হয় হয়রানি হতে হয় অনেক
একটু নাম সংশোধন করবে,সেটা নাকি ইলেকশন কমিশন থেকে ঠিক করে দিবে। পরে বিশ্বাস করে দিলাম 7 দিনের মধ্যে করে দিল।কিন্তু আমাকে বোকা বানায় টাকা মেরে দিছে
প্রথমে আমি আবেদন করি বিপিডিবি তে।আমি জানি আবেদন ফি ৪০০+ টাকা। কিন্তু আমাকে বলা হয় এটা কাজ করতে ৫০০০ টাকা লাগবে। আমি প্রথম দিন টাকা না দিয়ে আবেদন করে আসি। কিন্তু বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে আমার কাজ করতে ছিলোনা কিন্তু যারা টাকা দিচ্ছিলো তাদের কাজ সাথে সাথে হয়ে যাচ্ছিলো।আমার খুব প্রয়োজন ছিলো আমার বাসায় কারেন্ট লোড নিতে পারতেছিলোনা তাই আমি পরে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে কাজ করি। গ্রাহক সেবার নামে এরা গ্রাহককে হয়রানি করতেছে।
আমি একটা ছোট সরকারি চাকরী করি। আমার বাড়ী নাটোরে। আমার পোষ্টিং ছিলো আরিচা নদী বন্দর। আমার বাড়ী থেকে সব থেকে কাছে হয়। হটাত করে আমাকে বদলী করে দেয় বরিশাল নদীবন্দর। বর্তমানে আমার পোষ্টিং ভোলা,মনপুরা,ঢালচর এলাকাতে। যেখানে আমার বাড়ী থেকে যেতে ৩০ ঘন্টা লাগে যেতে। মূলত আমার বদলী হয়েছে ঘুষ বানিজ্য থেকে। একজনকে সুবিধা দিতে গিয়ে আমাকে সাগড়ে ফেলে দিছে। এসব বানিজ্য কবে বন্ধ হবে?
২০২৪ সালের ঘটনা, আমার বোনের মোহরের মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ছুটাছুটি করা লেগেছিল। এখানে মামলার বিভিন্ন নথি,সাক্ষ্যির নকল,রায়ের কফি ইত্যাদি উঠাতে প্রতিটা ডিপার্টমেন্টে ঘুস দেয়া লেগেছিল।অন্যথায় মামলা বছরের পর বছর পরে থাকে এখানে।দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই অবস্থা।
কাজ টা এখনো হয় নি,টাকা দি নাই তাই
অভিযোগের বিষয়ে তদন্তে আসা, ও রিপোর্ট প্রধান করা বাবদ