জন্ম নিবন্ধন, উঠানো সংশোধন, বিধবা ভাতা
সরকারি ফি ৫০৳, সচিবকে দিতে হয় ৩০০ থেকে ৪০০টাকা, সরকারি ফি ১০০ টাকা সচিবকে দিতে হয় ৭০০/৮০০ টাকা, এটা ভাগ হয়, UNO অফিস সহ সকলে ভাগ পায়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি ফি ৫০৳, সচিবকে দিতে হয় ৩০০ থেকে ৪০০টাকা, সরকারি ফি ১০০ টাকা সচিবকে দিতে হয় ৭০০/৮০০ টাকা, এটা ভাগ হয়, UNO অফিস সহ সকলে ভাগ পায়
আমার জাতীয় পরিচয় পত্র NID কার্ডে আমাকে মৃত উল্লেখ করে দিয়ে দিয়েছিল যার কারণে আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট তৈরি করতে পারছিলাম না সিম তুলতে পারছিলাম না এক কথায় সরকারের সকল কাগজপত্রে আমাকে মৃত বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল তারপর ঘুষ দিয়ে আমি আমার NID ঠিক করেছি
নতুন ভোটার হইতে গেলাম কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত এক হাজার টাকা দিতে হলো।
পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে খরচের টাকা দিতে হবে, না দিলে ভেরিফিকেশন এখন করতে পারবেন না।
They wanted 70k to expand the amount of pension and give it faster. They were people from Sena Kollan Sangstha.
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ফাইল জমা দিলে চাহিদা মত 500-1500/- টাকা দিলে সার্টিফিকেট 7 দিনে দেয় আর টাকা না দিলে সার্টিফিকেট পেতে 20 দিন-30 দিন এর বেশি লাগে
এম এমডি অফিসে গিয়েছিলাম চক্ষু পরীক্ষা করতে সেখানে প্রথম অফিসের সামনে অফিস সহায়ক বসে থাকে সে টাকা দাবি করেছিল তখন দেইনি, পরে পরীক্ষা হওয়ার পরে সার্টিফিকেটের সময় যে সার্টিফিকেট দেয় উনি টাকা চেয়েছিল জন প্রতি 500 করে, ইন্টারেস্টিং বিষয় হচ্ছে সে বলেছিল রোজা আছি ইফতারের টাইম হয়ে যাচ্ছে টাকা টা দেন,
পুলিশ ক্লিয়ারন্স সার্টিফিকেট জন্য সরকারি আবেদন ফী দেওয়ার পর ও, তদন্ত কারি পুলিশ কর্মকর্তা ১০০০ টাকা নিছে
গুলশান থানায় বিগত ৩১.০৮.২০২৬ ইং তারিখে দুপুর ২ : ০০ ঘটিকায় ডিউটি অফিসারকে ১০০০ টাকা ঘুস না দিলে জিডি হবে না মর্মে জানালে ঘুস বাবদ ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
Akta Sompurno Mittha mamla, Police report a Jara Sotti Nirdosh cilo, amn ki ghotonar jaygay cilo na, Amn kicu Asamir nam Badir Ajahar theke Bad dibe tar jonno 3 dofay ai tk porishodh korte hoyece. Ata cilo one kind of Blackmail. Jeta Lalmonirhat, Kaliganj Thana Police Er akjon SI amr poribarer sathe 2yers dhore kore astce. Ami kaw k bolte o parci na, tahole Mittha vabe amake & amr poribar k aro hoyrani korbe.
অফিস আমাকে বলেছিলেন জরুরী ভিত্তিতে অনুমতি পত্র নিতে হলে বিশ হাজার টাকা দিতে হবে অফিস খরচ
আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা এই দেশে জন্মগ্রহণ করেছি। কোটি কোটি টাকা দিয়ে রাইস মিল গড়ে তুলেছি যেখানে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে শত শত লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে আমরা তথা দেশের অর্থনীতিতে একটা বিশাল অবদান রাখছি। আমরা রাইস মিল পরিচালনা করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা পালন করছি প্রতি বছর আমরা সরকারের বরাদ্দিকৃত চাল সরবরাহ করে থাকি সেই চাল সরবরাহ করতে নানান নানান অজুহাতে খাদ্য অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন রকম ঘুষ লেনদেন করে সরকারকে চাল সরবরাহ করছি। এই চাল সরবরাহ কালে নানান দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য চলছে সারা দেশ ব্যাপী। এর একটি উদাহরণ, যেমন ডিসি ফুড ২০০ টাকা টন ও সি লেস ডি ৫৫০ টাকা টন টি সি এএফ ১৫০ টাকা টন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ৫০ থেকে ১০০ টাকা টন এছাড়াও নানান ঘস লেনদেন ছাড়া আমরা চাল সরব
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে পড়া শোনা করি।আমরা ২ বন্ধু মিলে ঢাকা থেকে গাইবান্ধা আসছিলাম।আমাদের স্টেশনে বলছিলো স্টুডেন্টদের জন্য হাফ ভাড়া।সেই হিসাবে আমরা ২ জন বন্ধু মিলে ১ টা টিকেট কাটি।মাঝ পথে ১ জন টিটি আসলে আমরা কার্ড দেখাই সে তখন মেনে নিলেও সে আর একজন টিটি কে ডেকে আনে এবং অতিরিক্ত টাকা দাবি করে। তাকে প্রমান দেওয়ার পর ও সে আমাদের সাথে ঝামেলা করে।এবং আমাদের কাছে ২০০ টাকা ছিলো সে সেটাও নিয়ে নেয়।এরকম ট্রেনে অনেক ছাত্রদের সাথে হয়রানি মুলক আচরণ করে।ট্রেনের নাম রংপুর এক্সপ্রেস।
তুমি যদি আমাদের নাস্তার টাকা না দাও তাহলে তোমার নতুন পাসপোর্ট হবে না,আমি বললাম কেন সে বলল আমরা যদি এখান থেকে রিপোর্ট করি তাহলে তোমার পাসপোর্ট হবে না, আমি বললাম এটা কেমন কথা সে বলল পাসপোর্ট না করতে চাইলে টাকা দিতে হবে না আর যদি করতে চাও তাহলে টাকা দাও ওই লাইনে দাঁড়াও বাকিরা তোমার জন্য সামনে আসতে পারছে না তাদের সুযোগ দাও।
মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্ম নেওয়া আমি, চাকুরী পাওয়ার পর আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি। কিন্তু কিছুদিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশনে আসে, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা। দাবি করে ৫০০০ হাজার টাকা। নয়লে শিবিরে নাম ঢুকিয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে, এবং স্থানীয় মেম্বারের কথায় বাধ্য হয়েছিলাম ৩০০০টাকা দিতে।
এক পুলিশের এ স আই কে আমি ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। আমি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম আমাকে ডেকেছিল। কিন্তু পুলিশের এই সদস্য অফিস থেকে বের করে আমাকে অন্য এক দোকানের পিছনে নিয়ে যায়। বলতেছে তাকে কিছু খরচ পাতি দেওয়ার জন্য না দিলে সে রিপোর্ট দিবে না। আবার আমাকে সতর্ক করেছে অফিস থেকে ফোন দিলে যেন আমি না বলি টাকা দিয়েছি। প্রথমে আমি অস্বীকৃতি জানিয়েছিলাম যে আমি টাকা দিব না। পরে আমাকে বলা হয়েছিল রিপোর্ট দিবেন না সেজন্য আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।
গত মার্চে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদনের পর নির্ধারিত সময়ে কাজ না হওয়ায় বাজিতপুর থানায় যাই। সেখানে থানার মুন্সী আমাকে অযথা হয়রানি করেন এবং নতুন করে আবেদনের চাপ দেন। একই সাথে এক কম্পিউটার অপারেটর রাতে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের অনৈতিক প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে দ্রুত কাজ শেষ করার উদ্দেশ্যে মুন্সীকে ১,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার পরও সনদ পেতে ২০ দিন বিলম্ব হয় এবং শেষ পর্যন্ত বাজিতপুর থেকে কিশোরগঞ্জ এসবি অফিসে গিয়ে সেটি সংগ্রহ করতে হয়।
পেনশনের টাকা উঠাতে এ জি অফিস এবং সড়ক বিভাগ নোয়াখালীর একাউন্ট হেড ক্লার্ক কে দেড় লক্ষ থেকে 2 লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়।
আমার এসএসসি এর মার্কশিট টা হারায় সেজন্য বোর্ড থেকে সে মার্কশিটটা পুনরায় তোলার জন্য জিডির কাগজ লাগে সেটার জন্য আমি টঙ্গী পশ্চিম থানায় গিয়েছিলাম সেখানে সকল প্রসেস করার পরে আমাকে বলা হয়েছে লেখালেখি বাবদ টাকা দিতে ২০০ টাকা দাবি করেছিল পরে বললাম যে আমি স্টুডেন্ট আর টাকা তো কিসের জন্য দিতে হবে? জিডি করতে তো টাকা লাগে না। বলল লেখালেখি বাবদ যা পারো দাও। আমার কাছে টাকা ছিলনা তেমন তাও ১০০ টাকা দিয়ে আসছি প্রথমে বুঝতে পারিনি কারণ প্রথম থানায় গেছিলাম।
কিছুদিন আগে চাকরী স্থায়ীকরণের জন্য আমাদের নিয়ন্ত্রণকারী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চট্টগ্রাম এর রাজস্ব শাখায় কাগজপত্র জমা দিতে গেলে আমাদেরই সহকর্মীকে এই অর্থ দিতে হয়েছে।