ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য এই ডকুমেন্ট দাও, সেই ডকুমেন্ট দাও। বললো 2000 টাকা দাও দেখতেছি আমি কি করা যায়। ২০০০ টাকা দেওয়ায় কাজ হয়ে গেল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য এই ডকুমেন্ট দাও, সেই ডকুমেন্ট দাও। বললো 2000 টাকা দাও দেখতেছি আমি কি করা যায়। ২০০০ টাকা দেওয়ায় কাজ হয়ে গেল।
জ্বালানি তেল বিক্রির পরিমাপ অনুমোদনের জন্য সরাসরি ফি ছিলো ২৪০০ টাকা কিন্তু আমার কাছে নিয়েছে ৩৪০০ পরিমাপ ঠিক আছে কিনা দেখার জন্য নাকি লাগে ১০০০ টাকা আমাকে ভাউচার দিয়েছে ২৪০০ টাকার বাকি ১০০০ টাকার ভাউচার দেইনি
A lady officer demanded this amount for the bond license of a foreign company.
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য আবেদন ফি সহ আরও চা নাস্তা খেতেও সামান্য কিছু টাকা প্রদান করি।বাট কয়েকদিন পর স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্ট বন্ধ হয়ে যায়। আমি ঢাকা থেকে খুলনা শিফট হবো, এই কারনে প্রিন্টেড লাইসেন্স পাওয়া যায় কিনা এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নেই। আমাকে বলা হয় কিছু ভিআইপির লাইসেন্স প্রিন্ট করা হবে ১০০০০ টাকা দিলে তাদেরগুলির সাথে আপনারটা প্রিন্ট করে দিব। আমি রাজি হইনি এবং এখনো প্রিন্টেড লাইসেন্স পাইনি।
আমার আইডি কার্ডে নাম এবং বয়স পরিবর্তন করার জন্য আবেদন করেছিলাম, আমার কাছে শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদ, জন্মনিবন্ধন থাকার পরও আবেদন গ্রহণ হয়নি। তারা ১,০০,০০০ /=( এক লক্ষ টাকা ) দাবি করে।
Demanded 12K for a new connection. Threatened to never give the connection. Then settled at 7k
ডিসি অফিস কর্তৃক ঘুষ এবং না দেওয়ার প্রেক্ষিতে ইসিবি অফিসের দিদিকে ওভার ফোনে কমপ্লেন প্রদান যার পরিপ্রেক্ষিতে টিসিবি রংপুর জোনাল অফিস থেকে ডিলার কে শোকজ প্রদান। এবং টাকা না দিলে লাইসেন্স স্থগিত করবে এবং বাজেয়াপ্ত করবে প্রতি রমজান এবং কোরবানির ঈদের সময় ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেল হতে ১০০০ করে টাকা প্রতি গাড়ি প্রতি ডিলারের কাছ থেকে পৃথিবীর রংপুর বর্তমান নিয়ে থাকে টাকা না দিলে নানাবিধ সৌকজ লেটার প্রদান করে এবং লাইসেন্স ক্যান্সেলের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে তিনি তার অফিসে ডেকে বিভিন্ন ডিলারকে নানাভাবে হয়রানি এবং ব্যবহার খারাপ করে এর তীব্র প্রতিবাদ এবং বিচার আশা করছি।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশ এ ইজিপি টেন্ডাত এর মাধ্যমে একটি কাজ পেয়েছি, কিন্তু তারা কোনো মাল না নিয়ে আমাকে খরচের যৎসামান্য টাকা দিয়ে পুরোটা নিয়ে নিয়েছে।
প্রতিটি টি স্বাভাবিক জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে 200/- টাকা হারে ফি নিচ্ছে, গণহারে , এই ফি এর অতিরিক্ত টাকা প্রতিদিন কার পকেটে যাচ্ছে। প্রতিদিন চলমান এভাবে, এছাড়াও বিদেশে যাওয়ার জন্য ছেলেদের বয়স বাড়িতে জন্ম নিবন্ধন করে দিচ্ছে 4000- 5000 টাকার বিনিময়ে , মেয়েদের বিবাহের জন্য 5000- 10000 টাকার বিনিময়ে। অরহর হচ্ছে এই বানিজ্য।
ব্যাংকের হাউজ লোন পাওয়ার জন্য আবেদন করি। কিন্তু নির্দিষ্ট অংকের টাকা ছাড়া হাউজ লোন করে দেয়া সম্ভব না বলে জানায়।হাউস লোনটি আমার খুবই প্রয়োজন, এজন্য আমি শেষমেষ বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।
রংপুর জেলার উপজেলা আনসার অফিস থেকে যোগাযোগ করে বলা হয়েছিলো হাসপাতালের ফ্যামিলি প্লানিং গুদামে গুদামরক্ষী হিসেবে ডিউটি হবে ১ বছর টাকা পাবা ২ লাখের উপরে এখন তোমাকে ওখানে পরীক্ষায় কারসাজি করে পাশ করাবো টাকা দিতে হবে ৫০০০০ হাজার শেষে ৩০০০০ টাকায় ডিউটি দেয় কিন্তু এখানে ডিউটি হয়েছে মাত্র ৬ মাস। আমি নিজে প্রতারিত
আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আমার পিতা ১৬ আগে মারা গিয়েছেন, আমার মাতাও ৭বছর আগে Cancer এ মারা গিয়েছেন। আমি আমার অনেক কিছু উনাদের চিকিৎসার কাজে ব্যয় করেছি। আম্মু মারা যাবার পর আমি ২০২০ সালে মুক্তিযোদ্ধা আবাসন প্রকল্পের আওতায় আবেদন করি , আবেদন করার সময় ১৫হাজার টাকা খরচ নেয় তারা এর পর সেটা সরকার পরিবর্তন এ বাতিল হয় । আমি আবার ১৩০০০ টাকা খরচ করে পূনরায় আবেদন করি , আবার ও আমার আবেদনটি গ্রহীত হয় কিন্তু পর মুহুর্তে বেগমগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা অফিস থেকে আমার কাছে ৪০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে কিন্তু আমি এখনো সেটা দেই নি। এই হচ্ছে আমাদের দেশের অবস্থা ।
মামলা নেবার জন্য চেয়েছিলো। নতুবা কাজ হবে নাহ।
ব্যাংক কে লোন করতে গেলে ঘুষ না দিলে পাস হইনা, ম্যানেজার 4 কোটি টাকার সম্পদ করছে।
ওয়ারিশ সনদ, আমার কাছে চা-নাস্তার খরচ বাবদ দাবি করছে এবং ফরমে স্বাক্ষর করছেনা বিধায় আমি দিতে বাধ্য হই।
আমার wife প্রেগন্যান্ট থাকাকালীন। সরকারি মাতৃকালীন ভাতায় নাম দেয়ার কথা বলে ৫০০০ হাজার টাকা নিয়েছিলো মেম্বার। কিন্তু আমার বাচ্চার বয়স ১১ মাস হয়ে গেছে সে নামও দেইনি আর চমার টাকাও ফেরত দেইনি। এরকম অনেকের কাছ থেকে নিয়েছে।
টাকা খরচের জন্য দিতে হবে।
আমার আব্বুর নাম আমার সার্টিফিকেটে ১ রকম আর আব্বুর এনআইডিতে আরেক রকম সেজন্য আমি ৩নং মাহমুদপুর ইউনিয়নে যাই ১টা প্রত্যায়ন পত্র নিতে। প্রত্যায়ন পত্র দিয়ে আমার কাছে ৫০ টাকা দাবি করে প্রিন্ট করে দেওয়া বাবদ আমি তখন তাকে বলি আমাকে মানি রিসিট দেন আমি ৫০ টাকা দিচ্ছি। সে দিতে পারে নি এবং আমি তাকে কিছু কথা শুনিয়ে টাকা না দিয়ে চলে আসি। আমার অভিযোগ টি হয় তো বা খুব ছোট ১টা এমাউন্ট এই অভিযোগ টি করার ১ মাত্র কারণ আপনারা যারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন তাদের সাপোর্ট করা, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা আর দোয়ার ১টি বহিঃপ্রকাশ। ভালো থাকুক আমার সোনার বাংলা, ভালো হোক এই বাংলার সব মানুষ গুলোর মনমানসিকতা। দোয়া ও শ্রদ্ধা থাকবে আপনাদের সৎ উদ্দেশ্যের প্রতি
অদ্য 04 মাস হয়েছে সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। সোনালী ব্যাংক লি. কতৃৃক পারিবারিক সঞ্চয়পত্রের ক্রেতার বৈধ নমিনি পরবতী অনলাইনকৃত মৃত্যুসনদ দিয়ে সঞ্চয় পত্র চলমান রাখার আবেদন করেছেন। 20/04/2026 ইং তারিখে। পরবর্তীতে ব্যাংকে যোগাযোগ করলে এখনো পরিবর্তন হয়নি। PENDING (পেন্ডিং) দেখায়। অনেক পরিবার আছে সঞ্চয় পত্রের লাভের টাকায সংসার চালায়। ব্যাংকে যোগাযোগ করলে তাহারা জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো কর্পোরেট অফিস টাঙ্গাইল (মান্না টাওয়ার) যোগাযোগ করার জন্য বলে। জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো কর্পোরেট অফিস টাঙ্গাইল (মান্না টাওয়ার) আসলে সময়ক্ষেপন করে কি বুঝাতে চায় অথবা কি চায়?
“কুমিল্লা-দাউদকান্দি-গোয়ালমারী-শ্রীরায়েরচর-চাঁদপুর” মহাসড়ক প্রশস্তকরণের জন্য কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কর্তৃক অধিগ্রহণকৃত জমির টাকা পাওয়ার জন্য এল.এ শাখায় ৯৬০০০/- ঘুষ দিতে হয়েছে। প্রতিটি মঞ্জুরিকৃত অর্থের জন্য এল.এ শাখা অধিগ্রহণকৃত জমির মালিক হতে প্রাপ্য টাকা অনুসারে কমিশন ভিত্তিক এই ঘুষ দিতে হয়।