বাংলাদেশ জেল রাঙ্গামাটি
রাঙ্গামাটি জেলা কারাগারে জামিন কৃত কয়েদীদের বের করতে তারা এই টাকা দাবি করে এবং ভয় ভূতি দেখায় যা ঘটেছে ১০/০৮/২০২৬ ইং তারিখে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রাঙ্গামাটি জেলা কারাগারে জামিন কৃত কয়েদীদের বের করতে তারা এই টাকা দাবি করে এবং ভয় ভূতি দেখায় যা ঘটেছে ১০/০৮/২০২৬ ইং তারিখে
সম্প্রতি মন্ত্রণালয় এটাস্ট এর কাজ গুলো অনলাইন করা হয়েছে, সেই সুবাদে বিবাহ নামা, বিবাহ সনদ ই-এপোষ্টাল এর আবেদন করলে, বিষয়টি জেলা রেজিস্টার বরাবর আবেদন হয়, জেলা রেজিস্টার যে কাজী নিবন্ধন করেছেন তাকে নক করেন, যারা যারা কাজী সাহেবকে ১০ হাজার টাকার মতো দিয়ে মেনেজ করেন তাদের টা ই এপোষ্টাল হয়, নতুবা আবেদন বাতিল হয়ে যায়। যেখানে সরকার সহজ করেছিল বিষয়টি সেখান এ টাকা নেওয়ার নতুন ফাদ তৈরী হয়েছে বলে আমি মনে করছি।
২০২২ সাল, তখন পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন হতো। আমার থেকে টাকা দাবী করে। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছিল। তাদের নাকি কি খরচ আছে।
টিসিবি আঞ্চলিক কার্যালয় ময়মনসিংহের গুদাম কর্মকর্তা, একই দিনে(২০-৮-২৬) ইচ্ছাকৃত ভাবে অধিকসংখ্যক ডিলারদের মাল উত্তোলনের জন্য ডেইট দেন। অথচ সারা মাস তিনি বসে থাকেন। কিন্তু তিনি তার অন্যায় সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে গুদামে একই দিনে অধিকসংখ্যক ডিলারদের ডেইট দিয়ে ভিড় ও জটলা সৃষ্টি করান। এখন তো ডিলাররা ট্রাক ভাড়া করে নিয়ে আসেন বিভিন্ন উপজেলা থেকে,এসে দেখেন প্রচন্ড ভীড়।তখনই শুরু হয় আসল খেলা।মাল ঐ দিনই নিতে হলে ২০০০ টাকা থেকে ১০০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ তিনি দাবি করেন। যারা ঘুষ দিচ্ছেন তাদের ডিওতে তিনি স্বাক্ষর করছেন, যারা ঘুষ দিতে রাজি নয় তাদের ৪৮ ঘন্টা থেকে ৭২ ঘন্টা (৩ দিন) সিরিয়াল লাগে, এই বাড়তি সময়ের জন্য ভাড়াকৃত ট্রাককে ৪-৫ হাজার টাকা ডেমারেজ দেওয়া লাগে। তাই ঘুষ দিতে বাধ্য হন ডিলাররা।
আদালতের জায়গা জমি নিয়ে মামলা আজকে ১৫ বছর যাবত মামলার চলতাছে তাও কোন রায়ের নাম গন্ধ নাই
নবজাতকের জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করলে কোনো ফি বা টাকা লাগে না, এটি সম্পূর্ণ ফ্রি। তবে, ৭ নং হোগলাপাশা ইউনিয়ন পরিষদে আমি এই কাজটি করাই আমার কাছ থেকে ১০০ টাকা দাবি করে এবং আমি দিতে বাধ্য হই, ইউনিয়ন পরিষদে কর্তব্যরত কম্পিউটার অপারেটর বলে এটা তার টাইপিং খরচ. আমার বাচ্চা জন্মের এক মাস দুই দিনের মধ্যে আবেদন করি ।
আমার সব পেপারস ঠিক থাকার পরেও পাসপোর্ট অফিসের অফিসার বিভিন্ন অজুহাতে জমা নিচ্ছিলো না, অনেক রিকুয়েষ্ট করার পরে বলে ২ তলার (১**) কক্ষ নাম্বারে যান যেয়ে কথা বলেন, ঐ কক্ষের সামনে যাওয়ার পরে এক আনসার সাহেব ৩০০০/- টাকা দাবি করলো, একপ্রকার বাধ্য হয়ে দামাদামি করে ২৫০০/- টাকা দেওয়ার পরে, সেম পেপারস দিয়ে পাসপোর্ট করে দিলো।
বিদেশ যাওয়ার সময় মেডিক্যাল চেক-আপ এ রিপোর্ট ফিট আসার জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। আমার সব রিপোর্ট ঠিকঠাক থাকলেও তারা হঠাৎ করে আমার জন্ডিস হয়েছে বলে আমার রিপোর্টটি আটকিয়ে দেয়। পরে বাধ্য হয়ে আমি ঘুষ দিয়েছি।
এমসিটিএসসি, ছদু চৌধুরী রোড,চট্টগ্রামের আইটি সাপোর্ট সার্ভিস বিভাগের এসেট প্রজেক্ট এর আওতায় প্রশিক্ষণের নিয়মিত প্রশিক্ষণার্থী।কিন্তু আমাদেরকে এসেসমেন্টের আগে ও সর্বশেষ আগের দিন ৬ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে প্রতিষ্টানটির আইটি সাপোর্ট সার্ভিস এর প্রশিক্ষক যিনি অত্র প্রতিষ্টানে ২২আগষ্ট এনএসডিএর এসেসর হিসেবেও মনোনয়ন পান।যেহেতু আমরা এসেট প্রজেক্ট থেকে ১২ হাজার টাকা বৃত্তি পাব তাই বারবার ৬ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।এসেসমেন্টের আগেও পর্যায়ক্রমে আমাদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি করে।কিন্তু আমরা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এসেসমেন্টে বসতে দিবে না বলে হুমকি প্রদান করে এবং বসতে দেননি।সেই জায়গায় এনএসডিএ ওয়েব জালিয়াতি করে অত্র প্রতিষ্টানে জব প্লেসমেন্ট দুর্নীতিবাজকে বসানো হয়।প্রিন্সিপাল সহমত পোষন করেন যা জালিয়াতির অংশ।
We have very small issues in the working design. So, the Rajuk inspector makes it a bigger problem. He first contracted for 150,000 and now asked for 200,000.
পানিউমদা, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ সব জন্মনিবন্ধন ২০০ টাকা নেয়া হয়, সংশোধন ৫০০ টাকা
বিয়ের দিন বাড়ির উঠানে ল্যান্টা হইয়া নাচ শুরু করসে আর অকথ্য ভাষায় গালাগালি। আগত মেহমান থেকে শুরু করে ছোট বাচ্চাকাচ্চা বয়স্ক মহিলা যুবতি মেয়েরা সবাই বিব্রত ও লজ্জিত। ২০ হাজার টাকা দাবি পরিশোধের পরেও মৃত বাবা মা কে বিশ্রী গালাগালি করতে করতে যায়।
আমি জন্ম নিবন্ধন ইংলিশ করার জন্য আবেদন করছিল সে অবদানের জন্য আমাকে ২০০ টাকা টাকা দিতে হয়েছে কিন্তু সরকারের সর্বোচ্চ 100 টাকা নিয়ে যায় তার মানে আমি আরো ১০০ টাকা অতিরিক্ত দিয়েছে ইউনিয়ন অফিস দুর্নীতি শ্রেষ্ঠ আমার থেকে ১০০ টাকায় করে কত মানুষ টাকা নিছি
জমি সংক্রান্ত বিচার করবে বলে, মগনামা উইনিয়ন চ্যায়ার আমার থেক ৫০০০০হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে।বিচার এখনো শেষ করে নাই,উল্টা আরো কিছু টাকা দাবি করে আসতেছে।।।।
অভিযোগ রয়েছে যে, বিদেশগামী যাত্রীদের মেডিকেল পরীক্ষার সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা বা অসঙ্গতি দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে ওই অর্থ পরিশোধের পর সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে মেডিকেল ফিট ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে।
ভূমি অফিস থেকে ২০০০ টাকা খরচ করে রিপোর্ট আনানোর পর এডি ল্যান্ড অফিসে মামলার নাম্বার এন্ট্রি করার জন্য ৫০০০ টাকা চায়। এরপর ৩৫০০ টাকা দিয়ে নাম্বার এন্ট্রি করানো এবং নোটিশ নেওয়া হয়।
এখানে জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে সরকারি ফি ২৫ টাকার পরিবর্তে 1০০ টাকা নেয়। আর যদি কোন কিছু সংশোধন করতে হয় তাহলে এক্সট্রা চার্জ নেই অনেক টাকা চাই। জন্ম নিবন্ধন হয়ে গেলে সচিবের স্বাক্ষরের জন্য দেড়শ টাকা, চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের জন্য দেড়শ টাকা, এবং উপজেলা থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে আসার জন্য নেয় ১০০ টাকা। এভাবে জন্ম নিবন্ধন থেকে শুরু করে ডিজিটাল করা পর্যন্ত ৫০০ টাকা ব্যয় হয়, একটি জন্ম নিবন্ধন করতে হলে। তারা টাকা ছাড়া কিছু করতে চাই না।
যশোর পলিটেকনিক সিভিল এর ভর্তি বাতিল করে মার্কসিট উত্তোলন করতে গেলে বিভাগীয় প্রধান জানায়,আমাকে অফিস থেকে দায় দেনার অনাপত্তিপত্র নিতে হবে। আর অফিস জানায়,পাওনা আছে কিনা জানিনা, অফিস দিতে পারবে না।বিভাগে যাও।বিভাগ ও দেয় না।২ ঘন্টা অসহায ভাবে ঘোরার পর অফিস সহকারি ১০০০ টাকা দাবি করে।যা পরিশোধ করে,ট্রান্সক্রিপ্ট তুলি।
মিটার এবং এর ভেতরের ব্যাটারি ডিপিডিসি (DPDC)-এর নিজস্ব সম্পত্তি। তাই ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেলে তা বিনামূল্যে পরিবর্তন করে দেওয়ার দায়িত্ব তাদেরই। তবে গত ২৯ আগস্ট আমার বাসার মিটারের ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে যোগাযোগ করা হলে তারা ৫০০ টাকা দাবি করে। দিতে রাজি হলে তারপর একজন টেকনিশিয়ান এসে মিটারের ব্যাটারি সংযোজন করে দেয়।
আমার বাবা একজন বাংলাদেশ রেলওয়ের তৃতীয় কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সালে অবসরে গেলে পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য ততকালীন লালমনিরহাট ডিভিশনের এক কর্মকর্তা (নামটা আমার বর্তমানে মনে নেই) পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য 42000/- টাকা ঘুষ দাবি করে। টাকা না দিলে পেনশনের টাকা পেতে বিলম্ব হবে। বাধ্য হয়ে আমার বাবা টাকা দিতে রাজি হয় এবং টাকা দিয়ে দেয়। আমার বাবা ছিলেন লালমনিরহাট ডিভিশনের অধীন। অর্থাৎ বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল এ।