পেনশন
19 লাখ টাকা পেনশনের জন্য 19হাজার টাকা দাবি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
19 লাখ টাকা পেনশনের জন্য 19হাজার টাকা দাবি
TNO অফিসে আমার আব্বুর একটি বিচার কার্য চলমান ছিল।উক্ত বিচারের নথিপত্রের অনুলিপি চাইলে, বিভিন্ন টাল বাহানা যেমন হারিয়ে গেছ,খুঁজে পাচ্ছি না ইত্যাদি বাহনা মাধ্যমে আমার আব্বুর কাছ থেকে ১০০০ টাকা ষঘু নেয়।
জনপ্রতি এক লক্ষ টাকা করে দেন, তবেই পাইপ লাইনের কাজ হবে......
তাদের কিছু আনুসাঙ্গিক খ্রচ আছে, এজন্য টাকা দিতে হবে, না দিলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে।
একটা নরমাল নাগরিকত্ব সনদ এটার জন্য আসলে কোন টাকা পয়সাই লাগে না। কিন্তু তারা প্রতি মানুষ থেকেই ১০০ টাকা করে নিয়ে রেখে দেয়। এটার আসলে কোন রিসিটও নাই, কোন কারণও নাই।
HSC প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা জন্য 1000 টাকা চাওয়া হয়, এই টাকা দিতে চাই নি বলে আমাকে অন্য একটা রুমে নিয়ে বসানো হয়, প্রিন্সিপাল আমার admit card কেড়ে নেয়। রুমে একাই আমি । পরিত্যক্ত রুম ছিল । সব কিছু ময়লা । বিভিন্ন হুমকি ও দেওয়া হয় । চাপে পড়ে বাধ্য হই দিতে
হাস্যকর হলেও সত্য, এই টাকা প্রতিবার বিল এর চেক নেয়ার আগে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একাউন্টস ও অন্যান্য বিভাগ কে দিতে হয়েছে, আওয়ামীলীগ আমলে । এই ঘুষের এমাউন্ট আরো বেশি হিসাব করতে ইচ্ছা হচ্ছে না আর ।
কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার নির্বাচন অফিস থেকে স্মার্ট কার্ড উত্তোলনের সময় অফিস সহকারি একশো টাকা দাবি করে । অন্যথায় সে স্মার্ট কার্ড দিবে না । তাকে একশো টাকা দেওয়ার পর দেখলাম যে আরো কয়েকজন আসলো তাদের কাছ থেকেও সে একশো টাকা করে নিচ্ছে আরকি । এটা হচ্ছে ওনাদের ব্যক্তিগত আয় ।
আমি একজন প্রবাসী দেশে গিয়েছিলাম ছুটিতে অল্প কিছু সময়ের জন্য তার ভিতরে হঠাৎ আমার একটা কাজ লাগে আমার নিবন্ধনের জন্য তখন আমি নিবন্ধনটা অনলাইন করার জন্য আমি উপজেলা চেয়ারম্যান অফিসে যাই তখন তাদের সাথে কথা বলে বুঝতে পারলাম যে আমার নিবন্ধনটা অনলাইন করা হবে না কারণ তারা আমার থেকে ৩৫০০ টাকা দাবি করেছে অনলাইন করার জন্য তখন এতে আমি সমৃদ্ধ দেইনি আমাদের মতন প্রবাসেরা যদি এই ছোট্ট কাজে হয়রানি হতে হয় তাহলে আমরা কার কাছে যাব
কারখানার মালিকানা পরিবর্তন হবার কারনে পল্লিবিদ্যুৎ অফিসে মালিকানা পরিবর্তন এর আবেদন জমাকালে মৌলভীবাজার পল্লিবিদ্যুত অফিস, শ্রীমঙ্গল এর সদস্য সচিব 2দিনে কাজ সম্পাদন করার আশ্বাস দিয়ে এই দুই লাখ টাকা দাবি করেন।
বিষয়: পুলিশ কর্তৃক টাকা দাবি ও চাবি আটকে রাখার বিষয়ে অভিযোগ মাননীয় কর্তৃপক্ষ, আমি অভিযোগ করছি যে, কাশিমপুর থানার পুলিশের সদস্যরা আমার বাড়ির সামনে এসে তল্লাশি করেন। তল্লাশির সময় তারা আমার কাছে হেলমেটের বিষয়ে জানতে চান। এরপর তারা আমার কাছে ২,০০০ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে আমি ১,০০০ টাকা প্রদান করি। টাকা দেওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা আমার চাবি ফেরত দেন। টাকা দেওয়ার আগে আমার চাবি তাদের কাছে ছিল/আটকে রাখা হয়েছিল। ঘটনাটি আন্ধার মানিক, কাশিমপুর এলাকায় ঘটে। আমি বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের শনাক্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। ঘটনার স্থান: আন্ধার মানিক, কাশিমপুর থানা: কাশিমপুর থানা দাবি করা টাকা: ২,০০০ টাকা প্রদান করা টাকা: ১,০০০ টাকা অভিযোগ: টাকা দাবি এবং টাকা দেওয়া
বার্ষিক পরীক্ষায় যারা পরীক্ষায় ফেল করেছিল তাদেরকে ২০০ টাকা দিয়ে আবার পরীক্ষার দাবি জানানো হয়েছে। কিন্তু সরকারি কলেজে এমন কোনো নিয়ম নাই
ইউনিয়ন পরিষদে বিভিন্ন সনদের জন অনেক টাকা দাবি করে । অনেক হয়রানি করে তারা
বয়লারের বাৎসরিক নিবন্ধন এর জন্য এই টাকা দেয়া হয়েছে। আমাদের ফ্যাক্টরি টি কমপ্লায়েন্স ফ্যাক্টরি। নিয়ম অনুযায়ী আবেদনের সাথে সাথে বাৎসরিক নিবন্ধন অনলাইনে আপডেট করা হত তাহলে কোম্পানি এই টাকা দিতে বাধ্য হতনা। বয়লার অফিসের নিয়ম অনুযায়ী সকল কার্যক্রম যথাযথভাবে মেনে চলা হয়। আমার ১৮ বছর চাকরি জীবনে এই প্রথম ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। আল্লাহ বয়লার অফিসের লোকদেরকে হেফাজত করুক। আমিন
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইনে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ২য় তে আমার একটি মামলা চলমান। সেখানে পেশকারকে বকশিষ দিলে পরবর্তী তারিখটি ১ মাসের মধ্যেই পাওয়া যায়। নয়তো ৩ মাস পরে ডেট বসায়।
পুলিশে ইচ্চা অনুযায়ী পোস্টিং বানিজ্যের জন্য আমার কাছে উক্ত টাকা চাওয়া হয়েছিল। আমি যেহেতু একজন পুলিশ কনস্টেবল সেই হিসাবে আমার কাছে এই টাকার পরিমান অনেক বেশী হয়েছিল বিধায় আমি টাকা দেয়নি এবং যোগাযোগ করিনি।
Post office theke licence received korte hole kichu dite hobe bolecilo, ami ak takau dei ni bole licence kere niye chole esechi.
জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন এর জন্য আবেদন করেছি অনলাইনে ৯ মাসেও কেনো কাজ হচ্ছিলো না বিধায় যোগাযোগ করি তখন দালাল মারফত ঘোষের টাকা চাওয়া হলো
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করেছিলাম। থাবা থেকে একটি নাম্বার থেকে কল দিয়ে আমার কাছে ডিরেক্ট উনি বলেন যে "Police clearance করতে তো আমাদের কিছু কস্ট আছে আপনি তো জানেনই, দিয়ে দিয়েন ভাই।" কিন্তু আমি দেই নাই যার কারণে আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাই নাই।
আমার নতুন মিটার নামানোর জন্য বারো হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে