মাতৃকালীন ভাতা
আমি স্থানীয় মহিলা মেম্বারের মাধ্যমে মাতৃকালীন ভাতার দুটি আবেদন ফরম জমা দিয়েছিলাম, উনি আমার কাছ থেকে ১০০০০(দশ হাজার) টাকা দাবি করছিল, দর কষাকষির মধ্যমে ৪৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। ১ বছর ৬ মাস হয়ে গেছে কিন্তু ফলাফল শূন্য।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি স্থানীয় মহিলা মেম্বারের মাধ্যমে মাতৃকালীন ভাতার দুটি আবেদন ফরম জমা দিয়েছিলাম, উনি আমার কাছ থেকে ১০০০০(দশ হাজার) টাকা দাবি করছিল, দর কষাকষির মধ্যমে ৪৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। ১ বছর ৬ মাস হয়ে গেছে কিন্তু ফলাফল শূন্য।
ইউনিয়ন পরিষদে জন্মনিবন্ধন করতে দিয়েছিলাম। প্রথমে হবেনা পরে একপর্যায়ে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটা করেদেউয়ার কথা হয়
এসবি অফিস, মালিবাগের একজন এসআই কাগজপত্র নিয়ে দেখা করতে বলেছিলেন। বিসিএসের জন্য ক্যাম্পাস ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত ব্যাপারে। কাগজে কোনো সমস্যাই ছিল না এবং এই চেকিং whatsapp এই করা যেত (অনেকেই করেন)। তবুও উনি কেন যেতে বললেন সেটাই ভাবছিলাম। যাওয়ার পর কিছু বেসিক ইনফো আস্ক করে বললেন যে কিছু দিয়ে যান, অফিসে যাওয়ার পর সবাই মিষ্টি খেতে চাইবে। এ ধরনের লেনদেন না করার ব্যাপারে আমাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, এ কথা বলে মানা করে দিয়েছিলাম। যেখানে একজন এসআই ক্যাডারের কাছে এমন টাকা চাইতে পারেন, ঐখানে বাকী মানুষের সাথে কী অবস্থা কে জানে! আর আমরা ক্যাডার হয়েও ঝামেলায় পড়ি কারণ উনারা ভেরিফিকেশন রিপোর্ট দেন। অহেতুক নেগেটিভ রিপোর্ট দিয়ে দিলে গেজেট আটকে যাবে এবং আমরা জানতেও পারবো না যে কেন আটকে গেল!
Amk tk dila 1000 tk dita hoba
আমাদের রাস্তার সাথে ঘর থাকায়, সরকারি ভাবে রাস্তা তৈরি করার জন্য ঘর সহ জমি রাস্তার মধ্যে পড়ে যায়। আমরা সরকারি সে ক্ষতি পূরনের টাকা তুলতে সরকারির অফিসের দালালালের মাধ্যমে সেই টাকা উওোলন করতে হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য একটা প্রজেক্ট ছিল অসহায় গরীবদের জন্য ল্যট্রিন সে প্রজেক্টের কাজ পেয়েছিলাম কাজ করার পর বিল তুলতে গিয়ে পরি মহা বিপদে জেলা অপিসার থানা অপিসার এমনকি ডিজও পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়েছিল পরে আমি কোনো রকম প্রথম পর্যায়ে কাজের পর আর কাজ করি নাই এই অসহনীয় দুর্নীতির কারনে
সময় আনোমানিক মে বা জুন হবে ২০২৫ সাল প্রধান নির্বাচন অফিসে নাম ও বয়স সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম, কিন্তু আমাকে জানানো হয়েছিল যে তা সম্ভব নয়। অথচ, পরবর্তীতে ঘুষ দেওয়ার মাধ্যমে সেই একই কাজ খুব সহজে সম্পন্ন করা হয়েছে। আমার প্রশ্ন, যে সেবা পাওয়ার অধিকার আমার রয়েছে এবং যা নিয়মানুযায়ী হওয়ার কথা, তা কেন টাকা ছাড়া করা সম্ভব হয় না? এই ধরনের দুর্নীতি ও হয়রানি সাধারণ নাগরিকদের চরম ভোগান্তিতে ফেলছে।
চট্টগ্রাম শহরে একটা জায়গায় পাঁচতলা বিল্ডিং এর প্ল্যান অনুমোদনের জন্য সিডিএ তে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এক লক্ষ টাকা ঘোষ দাবি করেন।
রেলের ভূমি লেজ নেওয়ার জন্য খুলনা কানুনগো অফিসে যায়। তখন তারা এই ঘুষ দাবি করে।
গত ১২-০৮-২৬ এ আমার মোবাইল হারানো যাই!, সেটির জিডি করতে তারা ১০০০ টাকা দাবি করে এবং পরবর্তীতে ৫০০ টাকা ঠিক হয় এবং তা পরিশোধের পরি আমাকে জিডি করতে দেওয়া হয়েছিল.
জন্ম নিবন্ধন এর জন্য আবেদন ছিল। সেখানে শুধু নাম ও বয়স সংশোধন করতে বলায় সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার ৮নং কেরালকাতা ইউনিয়ন পরিষদ সচিব দাবি করেন ৫০০০ টাকা না হলে সংশোধন হবে না। টাকাটা নাকি কলারোয়া উপজেলা পরিষদের ইন এখন ও কে দিতে হবে অথবা উপজেলা জন্ম নিবন্ধন সংশোধন কর্মকর্তাকে দিতে হবে। দেশের অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভায় সরকারী এসব সেবা গুলো পেতে এসব হয়রানির স্বীকার হতে হয় সাধারণ মানুষ কে।এসব দেখার মতো কী কেউ নেই।
আমার পাসপোর্টে নামের সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের নামের মিল ছিলোনা তাই আমি এটা সংশোধন করতে দিয়েছিলাম .তখন স্থানীয় নির্বাচন কমিশন অফিস আমার কাছে ১০,০০০ টাকা দাবি করে আমি যেহেতো দেশের বাহিরে থাকি তাই আমার হাতে সময় কম এবং করাটা জরুরি তাই আমি টাকা দিয়ে কাজটি করাই
আমার মা সঞ্চয়পত্রের টাকা জমা দেওয়ার জন্য পোস্ট অফিসে যায়। এখন ব্যাংক নিলেও প্রথম দিকে সঞ্চয়পত্রের টাকা পোস্ট অফিসেই নেওয়া হতো৷ যথারীতি জমা দেওয়ার সময় পোস্ট অফিসের কেউ জমা নিচ্ছিলনা। এক বাবার বয়সী কর্মকর্তা আমার থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ চায় সঞ্চয়পত্রের টাকা জমা নেওয়ার জন্য। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই৷ তখন উপায় না দেখে নিচে পোস্ট অফিসের সাথে ব্যাংক এশিয়ার অফিস ইন্টেগ্রেট থাকায় সেখানে নিয়োজিত এক নারী কর্মকর্তার কাছে টাকাটা জমা দিলে দিনি ঘুষ ছাড়াই আমার টাকাটা জমা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।
আমি ৩টি নতুন মিটার এর আবেদন করেছিলাম অনলাইনে। ১২/১৩ দিন অতিবাহিত হবার পর আমার সাথ কোন প্রকার যোগাযোগ না করে আমার বাড়ি পরিদর্শনে যান। মিটার বোর্ড, আর্থিন সংযোগ ও প্রয়োজনীয় ওয়ারিং সংযোগ দেওয়া থাকলেও তারা আমার মিটার এর আবেদন খারিজ করে দেন। আবেদন বাতিল করার কারন হিসাবে তারা মিটার বোর্ড, আর্থিন সংযোগ ও প্রয়োজনীয় ওয়ারিং অসম্পূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে আমি ছবি ও ভিডিও ধারণ করে অফিসে যোগাযোগ করলে তারা জানান আবেদন যেহেতু খারিজ হয়ে গিয়েছে তাদের করার কিছু নেই আবার নতুন করে আবদন করতে বলেন এবং অফিস এর বাইরে একদন লোক এর সাথে যোগাযোগ রাখতে বলেন। উক্ত ব্যক্তি প্রতি সংযোগ বাবদ ৫০০০/- টাকা করে দিলে এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন সংযোগ দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। আমি কোন নেগোসিয়েশনে না করে ফিরে আসি ।
আমি একজন প্রবাসী বাংলাদেশি। প্রায় ১৮ বছর ধরে বিদেশে বসবাস করছি। আমি বিদেশে পড়াশোনা করেছি, তাই আমার গ্র্যাজুয়েশন সার্টিফিকেটের সঙ্গে জন্মনিবন্ধন সনদও প্রদান করেছি।প্রথমে তারা আমাকে জিজ্ঞেস করল, আমি কেন এখনো NID করিনি। আমি তাদের বললাম, যেহেতু আমি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে বসবাস করছি, তাই দেশে থেকে NID করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি।এরপর তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন সার্টিফিকেট ও আরও অনেক ধরনের কাগজপত্র চাইতে শুরু করল। কিন্তু আমি যেহেতু দেশে মাত্র ২-৩ সপ্তাহের জন্য আসি, তাই এত কম সময়ে এসব ঝামেলা ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা আমার পক্ষে খুবই কঠিন।এসময় আমি একজন দালালের সঙ্গে পরিচিত হই। সে আমাকে বলল, “ভাই, আমাকে ১২ হাজার টাকা দেন, আমি একদিনের মধ্যে আপনার কাজ করে দেব। কোনো সমস্যা হবে না।”আমি শেষ পর্যন্ত তার কথায় রাজি হয়ে যাই
মায়ের NID কার্ডের নাম সংশোধন করতে হবে। এজন্য তারা ৭০,০০০–৮০,০০০ টাকা দাবি করছে। তবে এখনো টাকা দেওয়া হয়নি।
৪টি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করাতে গেলে কর্মরত পুলিশ প্রতিটি ১০০০ ধরে দাবী করে এবং ঘুস দিতে বাধ্য করে।
আমার বাবা সরকারি চাকুরী করতেন কয়দিন পর অবসরে যাবেন তার জাতীয় পরিচয় পত্রে মায়ের নাম পাশের পাড়ার আর একজন হিন্দু ধর্মের মায়ের নাম দিয়ে রাখছে, সেটা পরিবর্তন করতে সাভার নির্বাচন কমিশনে বাবা কয়দিন ঘুরলো, তাকে পরের দিন দেখা করতে বললো, সাথে আমি গেলাম সকাল সকাল, ১০ টায় অফিস আমারা ৯ টার দিকে গেলাম, সকল কাগজ পত্র নিয়ে সেখানে বড় কর্মকর্তার নামটা ঠিক মনে নেই তাদের বোর্ডে লেখা আছে।আছরের পর আসেন, আমরা বললাম ঠিক থাকলে করে দেন, কিন্তু সে রেগে গিয়ে বললো যা বলছি তাই করুন, লোকটা মুখে দাঁড়ি মাথায় টুপি পরহেজগার বান্দা, আমরা ৬/৭ ঘন্টা অপেক্ষা করে আছরের সময় গেলাম সে বলল অপেক্ষা করেন নামাজটা পড়ে নেই, এর মধ্যে পাশের ভুমি অফিসের অফিসার আসলো তারা দুজন বললো মুরগী ভাজা খাওয়াতে ৫০০ টাকা দিয়ে বের হলাম কিন্তু কাজ হয় নাই।
Indian visa slot nite normally 1500 tk lage kintu system theke dalal der sujog kore dewar jonno 6000 tk kore nicche. Manush nirupay hoye tai nicche.
আমার দুই ভাই বোন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী! তাদের শিক্ষা বৃত্তির জন্য আবেদন করি তাদের সরকার কতৃক শিক্ষা বৃত্তির আংশিক অংশ প্রদানকারীর জন্য নির্ধারিত না হলে তাকে বৃত্তি প্রধান করা হয়না। এরুপ আমার পরিচিত সকলে দিয়েছে। আশা করছি অপরিচিত রা ও এর আওতায় আসতে হয়েছে।