জেলা জজ আদালত
মামলা জিতিয়ে দিবে এক পেশকার দাবি করেছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মামলা জিতিয়ে দিবে এক পেশকার দাবি করেছে
ট্রান্সফরমার আসতে দেরি হবে। দ্রুত চাইলে ম্যানেজ করে দেয়া লাগবে। তাই........
আমার নামে একটি মিথ্যা মামলা হয় কোটে তো সেখানে বাদি বুঝতে পারে মামলাটি তে অনেক মিথ্যা তথ্য ঢুকানো হয়েছে আমাদের কাছে কিছু টাকা দাবি করে তো যাই হোক একটা সালিশের মাধ্যমে যেটা কোনু কোনু জেলার ভাষায় দরবার বলা হয় যাহোক আমরা টাকা দিয়ে মিট করে ফেলেছি তারা মামলাটা উঠিয়ে নিল এখন মামলার তদন্ত তো থানায় গেছে এখন আমরা তদন্ত কর্ম এসআইকে বিষয়টি অবগত করলাম কিন্তু আমাদেরকে কানাই ডাকলো আমরা বললাম মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে সে বললো ভালো হয়েছে গ্রাম্য ভাবে সুন্দর সমাধান পরে সে এসআই অন্য কিছু চা নাস্তার জন্য কিছু টাকা দিতে হবে ঠিক আছে কত টাকা দিব চা নাস্তার জন্য সে এসআই বলল ২০ হাজার টাকা দেন আ বেহুশ হয়ে যাওয়ার মত অবস্থা সুবহানাল্লাহ আমি বললাম কি জন্য ভাই বিশ হাজার টাকা কি কাজের জন্য সে বলল এটা লাগে
১০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে তারপরে তদন্ত রিপোর্ট এপ্রুভ করে।
আমার চেক বই হারিয়ে গেছে তাই থানায় জিডি করতে গিয়েছিলাম।থানায় যাওয়ার পর বলে থানায় জিডি করতে গেলে লেইট হবে,বাহিরে কম্পিউটার দোকানে যান ওরা করে দিবে।আমার কাছে ২০০ টাকা চেয়েছে কিন্তু আমি প্রতিবাদ করি পরবর্তীতে ১০০ টাকা দিয়ে কাজ করতে বাদ্য হই।
আমার দুই ভাই বোন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী! তাদের শিক্ষা বৃত্তির জন্য আবেদন করি তাদের সরকার কতৃক শিক্ষা বৃত্তির আংশিক অংশ প্রদানকারীর জন্য নির্ধারিত না হলে তাকে বৃত্তি প্রধান করা হয়না। এরুপ আমার পরিচিত সকলে দিয়েছে। আশা করছি অপরিচিত রা ও এর আওতায় আসতে হয়েছে।
সরকারি চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন এর নামে আমার থেকে 10,000 টাকা দাবি করেছিলো। নওগাঁ DSB অফিস থেকে ।পরে জরুরী হওআই উপায়ন্তর না দেখে পরিশোধ করেছি।
পুলিশের ক্লিয়ারেন্স করতে ২০০০ টাকা ঘুস চাওয়া হয়েছে
২০১২ সালে আমার একটা চাকরির ভেরিফিকেশন এর জন্য গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানা থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন এস আই আমাকে ভেরিফিকেশন এর জন্য থানায় যেতে বলে। উনার কথামতো আমি থানায় গেলে আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে। অনেক কথা কাটাকাটির পর ১৭০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ভেরিফিকেশন ওকে হলো।
আমাদের পারিবারিক সমস্যার জন্য আামার ভাবি আমি আমার ভাই, আমার মা এবং আমার ২ চাচা চাচীর নামে কোর্টে মামলা করে। আমরা যথারীতি কোর্টে হাজিরা দিয়ে জাবিন নেই এবং পরের কোর্টে ভাবি মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আবেদন করে। কিন্তু এর মধ্যে মামলা তদন্তের জন্য ডুমুরিয়া থানায় চলে আসে। মামলা তদন্ত কর্মকর্তা যথারীতি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং বলে আমাকে ২০০০০ টাকা দিতে অস্বীকার করি।তখন তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে ২ বছরের বেশি সময়।তারপর আমি না পেরে দুদকে অভিযোগ দেয় তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তদন্ত কর্মকর্তা বিষয়টি বুঝতে পেরে আমাকে এবং আমার ভাইকে দায়ী প্রতিবেদন জমা দেয়।
জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে ১০০০০০ (এক লক্ষ) টাকায় ৬০০০ টাকা দিতে হবে না দিলে কোন যে পাশ হয় না
একজন জুনিয়র কর্মকর্তা তার অনেক সিনিয়র কর্মকর্তাকে বদলী করেন গুলশান মেট্রো কৃষি অফিস, ঢাকায় যা ঢাকা খামারবাড়ী থেকে করা হয়।
10 তলা বাড়ী নির্মানের জন্য প্রথমে প্লান পাসের জন্য রাজউকের কতিপয় ব্যক্তি 1500000 টাকা চাওয়া হয় । পরবর্তীতে 4000000 টাকা চাওয়া হয়। না হলে প্লান পাস হবে না। পরে 4000000 টাকা দেওয়ার বিনিময়ে প্লান পাস করা হয়।
আমি আমার একটি অনলাইন ডকুমেন্টস হারানোর জিডি করেছিলাম থানার পাশের একটি দোকান থেকে। দোকানদার বললেন আপনি থানায় গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থেকে সাইন নিয়ে আসেন।আমিও থানায় গেলাম। গিয়ে দেখি কাউন্টারে একজন বসে আছে তিনি আমার পেপারস টা নিয়ে বললেন আপনি বসুন আমি করে দিতেছি তার পর উনি সব করলেন। আমার হাতে পেপারস টা দিয়ে বললেন ৫০০ টাকা দেন।আমি দিতে বাধ্য হইলাম।পরে তারা হুরো ছিলো তাই দিয়েই চলে আসছি।
কাশিনাথপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ।। নতুন সংযোগ গ্রহণের জন্য আমাদের একটা বিদ্যুতের খুঁটি ও ট্রান্সফরমার প্রয়োজন ছিল। সে ক্ষেত্রে দেখা যায়, যে ইঞ্জিনিয়ার ডিজাইন করতে আসে তাকে দিতে হয় ২০০০ টাকা । **এখানে বলে রাখা ভালো পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরাসরি কারো কাছে টাকা চায় না তারা অফিসে বিভিন্ন ধরনের দালাল সেট করে রেখেছে যেমন ইলেকট্রিশিয়ান **। তারপর ডিজাইন অনুমোদন হয় অনুমোদন হওয়ার পর আমরা কয়েকজন মিলে অফিসে যাই তখন তারা বলে মালামাল নেই মালামাল আসলে কাজ করা হবে। আবার অফিসে গেলে বিভিন্ন দালাল বলে আপনার কাজটা করে দিব আপনি কত টাকা দিবেন তখন আমরা ৫০০০ টাকা দেয়ার জন্য সম্মত হয় কিন্তু সে বলে কাজ হওয়ার জন্য আরো পাঁচটা ফাইলে স্বাক্ষর হবে সেখানেই প্রায় আট নয় হাজার টাকা খরচ হবে আর......
নাম পরিবর্তন করতে টাকা চেয়েছিলেন
আমার বাবার নামে ভুল ছিল।সেটা পরিবর্তন করতে চেয়েছিলাম।বলে টাকা দিলে তারাতাড়ি হবে আর না দীলে লেট হবে।
সেবাটি ছিল আমদানি সনদ পাওয়ার অনলাইন আবেদন। আমি আমার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করেছিলাম এবং আমার এলাকার চেম্বার অফ কমার্সের সদস্য হয়েছিলাম। যেটা আমদানি সনদ পাওয়ার পূর্ব শর্ত। কিন্তু যেহেতু আমি ব্যবসায়িক স্বার্থে আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা ঢাকায় দিয়েছিলাম সে কারণে আমার আবেদন বারবার প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছিল। যেহেতু সনদটি আমার খুবই প্রয়োজন ছিল। সেজন্য পরবর্তীতে নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে সনদপত্র নিতে আমাকে বাধ্য করা হয়। যা আমি দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পর টাকার বিনিময়ে একদিনের মধ্যেই সনদ প্রাপ্ত হই। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমি অভিযোগ করতে পারতাম। কিন্তু সেটা করলে আমার সনদ প্রাপ্তি দীর্ঘায়িত হতো এবং আমি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতাম।
ঘুষ না দিলে ফাইলই উপরে উঠায় না। এটা অলিখিত নিয়ম। আমার ফাইল রেডি করে কল দিয়ে বলেছিলো এই নাম্বারে বিকাশ আছে পাঁচ হাজার পাঠাইয়েন।
আমাদের একটা স'মিল' আছে। প্রতি বছর আমাদের ৫ টা লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়।এদের মধ্যে একটি হলো বিভাগীয় এটি প্রক্রিয়াদিন হয়ে আমাদের উপজেলা আসে। উপজেলা থেকে শীল,সাক্ষর হয়ে আবার সিলেট যায়। সরকারি একটা অফিস চলে সরকারের টাকা দিয়ে। তাদের মাসে মাসে সরকার থেকে বেতন দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণে সরকার থেকে অফিস খরচ কত দেওয়া হয়। আমাদের কাছ থেকে অফিস খরচ বলে প্রতি বছর ৪০০০ টাকা নেওয়া হয়। টাকা না দিলে তারা শীল, সাক্ষর দিয়ে সিলেট পাঠায় না। যার ফলে টাকা দেওয়া লাগে। আমরা কি করব? তাদের বিপক্ষে গেলে হয়ত আমাদের মিল টা বন্ধ করে দিবে না হয় অবৈধ বলে মামলা দিবে! আমরা কি তাদের কাছে জিম্মি হয়ে আছি? এটার কি কোনোদিন প্রতিরোধ করা যাবে না।নাকি বছরের পর বছর এই ভাবে টাকা দিয়ে আসতে হবে? আরও অনেক অভিযোগ আছে এই স'মিল' এর লাইসেন্স