সরকারি চাকরি
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এর বর্তমান নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে শতকরা ৯০% চাকরি প্রত্যাশি টাকার বিনিময়ে চাকরি নিচ্ছে।বিষয় টি ক্ষতিয়ে দেখার বিনিত অনুরোধ রইলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এর বর্তমান নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে শতকরা ৯০% চাকরি প্রত্যাশি টাকার বিনিময়ে চাকরি নিচ্ছে।বিষয় টি ক্ষতিয়ে দেখার বিনিত অনুরোধ রইলো।
আমি একটা মামলা খেয়ে গ্রেফতার হই। পরে হাইকোর্ট থেকে জামিন করাতে গেলে কোর্টে চার্জশিট বা জবানবন্দির মূলকপি চায়। কিন্তু আমাকে গ্রেফতার করা এসআই চার্জশিট আটকে দেয়। এবং আমার জামিন হতে দুই মাস দেরি হয়। তারপর টাকা দিয়ে চার্জশিট ছাড়িয়ে জাবিনে বের হই।
আমরা ভূমিহীন হওয়ায় বন বিভাগের জায়গাতে বসতি তৈরি করি,বন বিভাগের তারা ১০০০০ টাকায় মৌখিক সম্মতি দেয়, পরবতীতে আমি জানতে পারি এটা বৈধ নয়। ১বছর পরে বন বিভাগের লোক এসে আবার ৫০০০টাকা দাবি করে আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি,এবং তাদের কে বলি আপনারা যা করছেন তা আইনের বিরুদ্ধে, আমি টাকা না দেওয়ায় রেঞ্জ অফিসার বাদি হয়ে আমার জন্য বন থেকে গাছ কাটার মামলা করে মামলাটি এখনো চলমান
টিসিবির ডিলারশিপ নিতে বাধ্য করা হয় নতুবা ডিলারশিপ দিবেনা।আমি একজনের পক্ষ হয়ে রিপোর্ট করতে বাধ্য হলাম।আমি নিজে ওই প্রতিষ্ঠানে একসময় কর্মরত ছিলাম।
আমি সৌদি আরবে আসার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য সরকারি ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, তারপর থানা থেকে একজন ফোন দিয়ে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে প্রথমে আমারে টাকা দিতে আপত্তি জানাই তার পর তারা বলে যে টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন খারাপ রিপোর্ট দিবে, যদিও আমাদের নামে থানায় অথবা অন্য কোথাও কোন প্রকারের অভিযোগ ছিল না, তারপর নেগোসিয়েশনে করে পনেরশো টাকা দিয়ে ভেরিফিকেশনটি নিয়ে আসতে হয়
বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার প্রতিষ্ঠান এনলিস্টমেন্ট সংক্রান্ত অভিযোগ ও ঘটনা প্রতিবেদন বিষয়: বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার প্রতিষ্ঠানের এনলিস্টমেন্ট প্রক্রিয়ায় সরকারি নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ দাবি করার অভিযোগ। ১. পটভূমি আমি একটি বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার প্রতিষ্ঠানের মালিক। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের প্রতিষ্ঠান শিল্পকারখানায় বয়লার সার্ভিসিং, মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কারিগরি সেবা প্রদান করে আসছে। গত প্রায় দুই বছর ধরে বয়লার সংক্রান্ত কাজের ক্ষেত্রে একটি নতুন নিয়ম/প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে, যার আওতায় বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট বয়লার অফিসে Supplier/Service Provider হিসেবে Enlisted হতে হয়। বয়লার অফিসের ওয়েবসাইট boiler.gov.bd-এ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনুমোদিত/এন
২০১৮ সালে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছিল midwife সে পরীক্ষা ২০২১ সালে হয় এবং ২১ সালের নিয়োগ হয় সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগের জায়গায় ১৪০্১ একজন নিয়োগ হয় সরাসরি সেখানে শুধু পরীক্ষা হয় কোনটাই হয় না করোনা মহামারী কারণে তখন মোটামুটি ২২৪৬ জন সেখানে তারা পিলি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়, সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগ হবে হবে মোটামুটি সবাই শিওর ছিল তাদের সরকার চাকরিটা হয়ে যাবে কিন্তু দুর্নীতি কারণে ঘুষ লেনদেনের কারণে , তারা জরুরী ভিত্তিতে বিপিএস ৫ পেপার সহ সকল সার্টিফিকেট এবং জরির কাগজপত্র সনদ ফার্স্ট ক্লাস অফিস জমা দিতে বলেন তখন করোনা কারণে কোন গাড়ি-ঘোড়া চলতেছিল না সবাই প্রাইভেটকার সিএনজির হিসাব নিয়ে ঢাকায় এসে কাগজপত্র জমা দেয় কিন্তু তারা কাগজপত্র জমা দেওয়ার তিন দিনে মাথায় ফাইনাল শিট রেজাল্ট দিয়ে
প্রবাসীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে নিচ্ছে কিছু দালাল চক্র। তাঁরা ফিঙ্গার প্রিন্ট অফিসের নিছেই মানুষের সাথে এই জালিয়াতি করছে। দেখার মতো কেও নেই। মোটামটি সব প্রবাসী এটার ভুক্তভুগী । তাঁরা প্রবাসীদের থেকে ৬০০ টাকা থেকে ১৫০০+ টাকা হাতিয়ে নেয়
গর্ভবতী ভাতার জন্য কালিয়াকৈর পৌরসভায় গিয়েছিলাম। গর্ভবতী ভাতার দায়ীত্বে থাকা কম্পিউটারে সামনে বসা দায়ীত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বললেন ফি লাগবে ৫০০ টাকা। কিসের ফি, কেন ফি দিতে হবে এটার কোন জবাব নেই। যাই হোক ভাতাটি খুবই প্রয়োজন বিধায় উক্ত অর্থ পরিশোধ করে আবেদন করতে হয়েছে।
ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটি ঠিকাদারের নিকট থেকে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহন করে
অগ্রণী ব্যাংক নতুন একাউন্ট খোলার সময় চেক বই বলে এক দেড় মাস লাগবে কিন্তু যখন ৫০০ ৬০০ টাকা দিয়ে দি তখন একদিনের মধ্যে চেক বই রেডি হয় কিভাবে
babar pension er tk uthabe seikha tk chay
রাউজান থানায় সেন্ডব্যাক এ না মারার শর্তে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল এক এসআই কে ২০২৩ সালে।
পেনশন হিসাবের জন্যে, যদি টাকা না দেই তাহলে আমাকে ৩থেকে ৪ লক্ষ টাকা কম দেবে।পরে ঠিক ই কম দিয়েছে।
আমি প্রথমমত একটি চেয়াম্যান সার্টিফিকেট আবেদন করি অনলাইন থেকে। পরবর্তীতে তা ইউপি অফিস থেকে তুলতে গিয়ে আমাকে চেয়ারম্যান কার্যালয়ে প্রায় একঘন্টা অপেক্ষা করানো হয় এবং আমার কাছে একশত টাকা দাবি করে। আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি এই কারণে যে, আমরা সরকারকে প্রতিনিয়তই প্রতিটি ক্ষেত্রেই ট্যাক্স দিচ্ছি যাতে সরকার আমাদের সেবা প্রদান করে। কিন্তু ট্যাক্স দেওয়ার পরও যখন সেবা পেতে ঘুষ দিতে হচ্ছে, তাহলে আমি কেন রাষ্ট্রকে ট্যাক্স প্রদান করবো?
একটা জিডি করতে থানায় যাই প্রথমে জিডি লিখতে ৫০০ টাকা তা জমা নেয়ার সময় ৫০০ টাকা। এলাকায় পুলিশ গিয়েছিলো কল করে ৩৫০০ টাকা গাড়ির তেল খরচ হয়েছে তার জন্য। মোট ৫০০০ টাকা নিয়েও কোন সমাধান হয় নি। পুলিশ সব সময় এই কাজ টা করছে৷ প্রতিরোধ চাই
বহুতল ভবনের অনুমতি নেওয়ার জন্য অফিস খরচ বাবদ নিচ্ছে। আমাদের দ্রুত অনুমোদন দরকার। টাকা না দিলে ফাইল পরে থাকবে। অনেক দিন লেগে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা টা দিলাম। আগে এক লাখের উপর দাবি করতো এখন ষাট হাজারে রাজি। এ মুহূর্তে ৩০ হাজার অগ্রীম দিয়েছি।
মেম্বার বাসায় এসে আমার বাবাকে দেখে,, চিকিৎসক এর রিপোর্ট চায় দেওয়ার পর পরে ফোন করে বলে স্যার ৩৫০০ টাকা চাইছে না দিলে কাজ করে দিবে না,,, অনলাইনের খরচ লাগে পরে আমার কাছে দেওয়ার মত টাকা ছিল ২৫০০ তারপরে বলছে ওইটা দেন আমি করে দিবো
০৩ / ০৯ /২০২৬ পার্বতীপুর থানার বর্তমান ওসি ও কয়েকজন এ এস আই থানার মধ্যে সালিশের নামে নতুন ব্যবসা খুলে বসছে। কোনো কিছুর প্রমান ছাড়াই, মানুষের নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিয়ে সেই অভিযোগের ভয় ভীতি দেখিয়ে থানায় বিচার সালিসের নামে টাকা পয়সা আদায় করছে। যে বিষয় গুলোতে কোর্ট সিদ্ধান্ত নিবে সেই বিষয় গুলোতে থানা কিভাবে সিদ্ধান্ত দেয় তা আমার বোধগম্য নয়। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো সত্যতা না থাকলেও তারা আমাকে বিভিন্ন ভাবে চাপ দিচ্ছে যেনো তাদের সাথে আমি একটা সেটেল ডাউন করি টাকা দিয়ে। নতুবা আমাকে অমুক তমুক করবে বলে হুমকি দিচ্ছে। অথচ মাদক নিয়ে এদের ফোন করলেও এরা কোনো পদক্ষেপ নেয় না কিন্তু মানুষকে হয়রানি করতে এরা সিদ্ধহস্ত।
হাসপাতালে ভর্তি গরিব রোগির ওষুধ কিনে দেয়ার জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অবস্থিত সমাজসেবা কার্যালয়ে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ১০০০ টাকা চা খাওয়ার জন্য দাবি করেন।ওখানে আসা আরও অনেকের সাথে কথা বলে জানলাম যে রি কর্মকর্তা এরকম ভর্তি গরিব রোগিদের ওষুধ না দিয়েই ভুয়া বিল ভাউচার দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে।