nid এর নাম পরিবর্তন করতে টাকা চেয়েছিল
নাম পরিবর্তন করতে টাকা চেয়েছিলেন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নাম পরিবর্তন করতে টাকা চেয়েছিলেন
আমার বাবার নামে ভুল ছিল।সেটা পরিবর্তন করতে চেয়েছিলাম।বলে টাকা দিলে তারাতাড়ি হবে আর না দীলে লেট হবে।
সেবাটি ছিল আমদানি সনদ পাওয়ার অনলাইন আবেদন। আমি আমার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করেছিলাম এবং আমার এলাকার চেম্বার অফ কমার্সের সদস্য হয়েছিলাম। যেটা আমদানি সনদ পাওয়ার পূর্ব শর্ত। কিন্তু যেহেতু আমি ব্যবসায়িক স্বার্থে আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা ঢাকায় দিয়েছিলাম সে কারণে আমার আবেদন বারবার প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছিল। যেহেতু সনদটি আমার খুবই প্রয়োজন ছিল। সেজন্য পরবর্তীতে নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে সনদপত্র নিতে আমাকে বাধ্য করা হয়। যা আমি দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পর টাকার বিনিময়ে একদিনের মধ্যেই সনদ প্রাপ্ত হই। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমি অভিযোগ করতে পারতাম। কিন্তু সেটা করলে আমার সনদ প্রাপ্তি দীর্ঘায়িত হতো এবং আমি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতাম।
(৩ বছর আগের অভিজ্ঞতা) ২০২৩ সালে আমার স্ত্রীর নতুন এনআইডির জন্য আবেদন করি আমার সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্ত্বেও কোন ফিডব্যাক পাইনি, এমত অবস্থায় চাটখিল নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করি এবং আমার স্ত্রী এবং শাশুড়িকে নির্বাচন অফিসে পাঠায় তখন নির্বাচন অফিসের কম্পিউটার অপারেটর তাদের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে।বাধ্য হয়ে আমার স্ত্রী ৩০০০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়, টাকা পাওয়া পর তারা এনআইডির কার্যক্রম করে মোবাইল নাম্বারে মেসেজ পাঠায় এবং তাও এনআইডিতে মুল নামই ভুল দেয়। পরে আমি যখন ফোন দিয়ে তাদের সাথে রাগারাগি করি এবং কি ডিসি অফিসে অভিযোগ জানানোর কথা বলি। তখন তারা পাঁচ মিনিটের মধ্যে এনআইডির মূল নাম সংশোধন করে আবার মেসেজ পাঠায়।
ঘুষ না দিলে ফাইলই উপরে উঠায় না। এটা অলিখিত নিয়ম। আমার ফাইল রেডি করে কল দিয়ে বলেছিলো এই নাম্বারে বিকাশ আছে পাঁচ হাজার পাঠাইয়েন।
আমাদের একটা স'মিল' আছে। প্রতি বছর আমাদের ৫ টা লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়।এদের মধ্যে একটি হলো বিভাগীয় এটি প্রক্রিয়াদিন হয়ে আমাদের উপজেলা আসে। উপজেলা থেকে শীল,সাক্ষর হয়ে আবার সিলেট যায়। সরকারি একটা অফিস চলে সরকারের টাকা দিয়ে। তাদের মাসে মাসে সরকার থেকে বেতন দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণে সরকার থেকে অফিস খরচ কত দেওয়া হয়। আমাদের কাছ থেকে অফিস খরচ বলে প্রতি বছর ৪০০০ টাকা নেওয়া হয়। টাকা না দিলে তারা শীল, সাক্ষর দিয়ে সিলেট পাঠায় না। যার ফলে টাকা দেওয়া লাগে। আমরা কি করব? তাদের বিপক্ষে গেলে হয়ত আমাদের মিল টা বন্ধ করে দিবে না হয় অবৈধ বলে মামলা দিবে! আমরা কি তাদের কাছে জিম্মি হয়ে আছি? এটার কি কোনোদিন প্রতিরোধ করা যাবে না।নাকি বছরের পর বছর এই ভাবে টাকা দিয়ে আসতে হবে? আরও অনেক অভিযোগ আছে এই স'মিল' এর লাইসেন্স
গর্ভবতী কাট করার জন্য পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন কপি জমা/রাখার সময় প্রথমে ১,৫০০ টাকা দাবি করা হয়। পরে আপনার সঙ্গে কিছু কথা কাটাকাটি হওয়ার পর আপনার কাছ থেকে ১,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড,ডিসি আর কাটা বাবদ আড়াই লক্ষ দাবি, এখানে ঘুষ ছাড়া কিছু নেই।সব সরকারি দপ্তর বসে আছেই টাকা নেওয়ার জন্য পবলিক আথবা সরকার থেকে!
২০১৫ সালেরর শেষ দিকের কথা, সেবার বিজ্ঞান বিভাগের থেকে বাগেরহাট জেলায় ৭ জন রিকুট করার সার্কুলারে যোগদান করতে যাই। এবং খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে রিকুট পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক মেডিকেল, লিখিত পরিক্ষা, চুড়ান্ত মেডিকেল সবকিছুতেই ভালো ফলাফল করে টিকে ছিলাম। কিন্তু ভাইবা বোর্ডে রেফারেন্স না থাকার জন্য আমাকে আনফিট করে দেওয়া হয়। আমি তাদের জিগ্যেস করলাম আমার আনফিট হওয়ার কারন কি কোন প্রশ্নইত করলেন না। শুধু নাম আর রোল নাম্বার শুনেই আনফিট সিল মারলেন কেনো। তখন আমাকে বলা হলো বাবা পরের বার আবার চেষ্টা করো। একসাথে ১০ জন করে ভাইবা রুমে ঢুকানো হয়েছিলো। আবার একসাথে ১০ জন করেই বাহির করা হয়েছিলো। যাদের কাগজে ফিট সিল মারা হয়েছিলো। কার মামার রেফারেন্স আছে আবার কারো দলের রেফারেন্স আছে।
পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন দরকার ছিল। টাকা ছাড়া কোনোভাবেই দিচ্ছিল না পুলিশ। ১৫০০ টাকা তাকে বিকাশ করার পর ভেরিফিকেশন দিয়েছিল।
দুবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে হয়েছে আমাকে। প্রথমবার ১৫০০ টাকা এবং দ্বিতীয়বার ৮,৫০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে।
একজনের কাছে ১৬ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল।বহু দরবার করেও টাকা না পেয়ে মামলা করি।৪ বছর মামলা চালিয়ে সর্বশেষ টাকা দেয়ার আদেশ দিল আদালত।তা না দিয়ে জেলার বিএনপি চেয়ারম্যানে নিকট যায়।উনি ডেকে একপ্রকার হুমকি দিয়ে মামলা তুলতে নির্দেশ দেয়।আমাকে মাত্র ৩ লাখ দিবে বাকী ওরা ৫ লাখ নিবে।৮ লাখে সব শেষ। ওদের ৮ লাখ মাপ।
আমি একজন প্রবাসী আমার আইডি কার্ড এবং পাসপোর্ট ডে আমার নাম বাবার নাম এবং মার নাম সংশোধন চেয়েছিলাম সেখানে অনলাইনে আবেদন করে কোন সারা না পেয়ে প্রধান নির্বাচন অফিসে গিয়েছিলাম আমার বাড়ি কুমিল্লা কুমিল্লা থেকে আমি প্রায় ১০ থেকে ১৫ বার অফিসে গিয়ে পর্যাপ্ত ডকুমেন্ট দিয়েও কোন ধরনের সাড়া পাইনি পরবর্তীতে এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে কাজটি করতে হয়
আমি মিটারের আবেদন করি অফিসিয়াল সব খরচ নিজে করি। কিন্তু ওয়্যারিং রিপোর্ট টাকা ছাড়া সাবমিট করতে লেট করে বিধায় ৫০০ টাকা পরিশোধ করি। এরপর তার নাই মিটার নাই বলে মিটার অর্ডার করেনা আবার ৫০০ দিলে মিটার অর্ডার হয়। তাও সকল প্রসেসিং শেষ হতে ৬মাস পার হয়। এরপর বলে তার নাই আর অপেক্ষা করার পর এজিএম স্যার বলেন তার কিনে দিলে লাগিয়ে দিবে অন্যথায় অপেক্ষা করার জন্য পরবর্তীতে একজনকে ৫০০ টাকা দিলে ৮ মাসের সময় মিটার সংযোগ পায় এমন অভিযোগ নতুন মিটারের ক্ষেত্রে চকরিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে প্রায় ৮০%+ গ্রাহক যথেষ্ট ভোগান্তিতে থাকে....কোনো বিচার নাই
বেআইনী কাজ করেন ওরা মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্ব নেই
I have apply as new voter at NID site. they verification process want the money
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এনআইডি সংশোধন করতে আমার কাছ থেকে ১০০০০ টাকা দাবি করেছে। ইউনিয়ন পরিষদেও কিছু পেপার ঠিক করতে গিয়েছিলাম। সেখানেও চলছে এই রমরমা ব্যবসা। আসলেই আমরা জিম্মি। ধিক্কার জানাই এই ব্যবস্থাকে।থু
আমার ছোট ভাই ২০২৪ সালে এসএসসি পাশ করে একটি কিন্টারগাডের্ন স্কুুল থেকে , সেখানে সার্টিফিকেট উত্তলনের জন্য গেলে প্রতিষ্ঠান কৃপক্ষ ৩০০০ টাকা দাবি করে তাছাড়া সাটিফিকেট দিচ্ছেনা । কিন্তু সার্টিফিকেট তো সরকার থেকে ফ্রি দেওয়ার কথা । প্রত্যাগ স্টুডেন্টকেই ৩ হাজার টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে আমার ভাই এর টা এখনো তুলতে পারিনি অতিরুক্ত টাকার জন্য ।
নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করার পর বলে এখন হওয়া যাবে না পরে ৮০০০ টাকা দেওয়াতে করে দিয়েছে