নামজারি
নাম জারির ফি দেয়ার পরেও দুই লক্ষ্য টাকা ঘুষ দেয়া লেগেছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নাম জারির ফি দেয়ার পরেও দুই লক্ষ্য টাকা ঘুষ দেয়া লেগেছিল।
আমার শশুরকে তার ভাই কোদাল দিয়ে জগম করেছিল নালিতাবাড়ী সরকারি হসপিটালে ৫ দিন ভর্তি থাকার পর মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে গেলে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে।
আমি আমার স্কুলে,, আমার মাধ্যমিক পরীক্ষার পরে তিন মাস পরে রেজাল্ট প্রকাশিত হয়। এর কিছু দিন পরে আমি কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য,, স্কুল থেকে মার্কশিট আনতে যাই,, যাওয়ার পরে ওই স্কুলের একজন নিয়োজিত শিক্ষক,, যিনি এসব কাগজ পএের কাজে নিয়জিত ওনি আমি সহ সকল স্টুডেন্ট দের থেকে ১০০ জনপ্রতি দাবি করে। আমরা এই ঘুষ দিতে অস্বীকার জানাই,, কিন্তু ওই সার রীতিমতো আমাদের উপর চেচামেচি করে,, একটা সময়ে গিয়ে আমরা ওি টাকা টা দিতে বাধ্য হই।,বিদ্র:: একটা মেয়ে টাকা না দেওয়ায় তার মার্কশীট টা ওনি পায়ের নিচে পিষে ধরে রাখে।।
২০২৩ সালে আমি আমার বড় ভাইয়ের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আনতে ত্ থানায় যাই।আমি আমার ভাইয়ের ক্লিয়ারেন্সটি চাই,একজন পুলিশ সদস্য আমার কাছে আমার পরিচয় জানতে চান।পরিচয় দেওয়ার পর আমার কাছে ক্লিয়ারেন্সটি দেয়।আমি হাতে নেওয়ার পর যখন বলি সব ঠিক আছে।ধন্যবাদ দিয়ে চলে আসার সময় আমার কাছে খরচ চায়,আমি বলি কিসের খরচ? উনি আমাকে উত্তর দেয়,যাতায়াত খরচ এবং নাস্তার খরচ।আমি বললাম,কত? উনি বললেন ২ হাজার টাকা দেন।আমি এটা নিয়ে উনার সাথে কথা কাটাকাটি করেছি,এবং বলেছি ডিএসবি অফিসে গিয়ে আনলে তো টাকা লাগেনা।উনি আমাকে উত্তর দেয়,এটা আমার কাছে দেন ডিএসবি অফিস থেকে নিয়ে আসবেন।আমার কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে আরেক পুলিশ সদস্য এসে আমাকে থামিয়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সটি দিয়ে দেন।আমি চলে আসি।
আমার একটা জমির রেকট সংসদন একতরফা মামলা বরিশাল জজ কোর্টে, উজিরপুরের থানার মামলা, এখন পেস্কার ১০ হাজার টাকা চায় তাকে দিলে রায় এনে দিবে
আইডি কার্ড করতে গিয়েছিলাম, নানা সমস্যা বলে ৭ বার অফিসে নিয়েছিল তারপর বলছে টাকা লাগবে আমি জেদ টাকা দেয়নি,পরে ২বছর ঘুরে আইডি কার্ড করেছি
পেশকার মামলা তুলে নিতে দাখিলি দরখাস্ত জমা নিতে দাবী করেন
আমার পরিচিত এক বড় ভাই উনি কোনো এক কারনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাধ্যমে জেলহাজতে থাকাকালীন জামিন করাতে সক্ষম হই। তবে জামিনের কপি উঠানোর জন্য হাইকোর্টের বিভিন্ন দপ্তরে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করে জামিনের কপি বের করাতে দাপ্তরিক কর্মকর্তাদের প্রায় ২০০০০ টাকার মত দিতে হয়েছে। এমনও হয়েছে কোনো একসময় ফাইলও লুকিয়ে রাখা হয়েছে। দুঃখ করা ছাড়া টাকা পয়সা দেওয়া ছাড়া আর কোনোকিছু করার উপায় ছিল।
সেবাটি ছিল জন্ম সনদে ভুল সংশোধ অতিরিক্ত ২০০ টাকা নেওয়ার পরও ২ বছর হলো কাজ করে দেয় নি
Taka diyechi office cerani jonno 19lakh army officer niyeche gush kintu Amar letter dey nay shudhu ghuray 1year
আমি প্রাইমারি স্কুলের একজন সহকারী শিক্ষক। অনলাইন বদলির আবেদন করি নিকটতম স্কুলে কিন্তু কিছু দালাল শিক্ষক আছে যারা বদলি বানিজ্যের সাথে জড়িত।তারা ৫০০০০ টাকা ছাড়া আমার পছন্দের প্রতিষ্ঠানে বলি করবেনা বলে জানিয়েছে। আমি অসীকৃতি জানালে আবেদনের শুরুতেই এটিইও আবেদন টি র তথ্য সঠিক নয় মর্মে রিপোর্ট করে। যার ফলে আবেদনটি বাতিল হয়ে যায়।
বেশ কয়েক দিন পৌরসভা অফিসে ঘুরেও কোনো কূলকিনারা হলো না। থাকি যশোরে। স্থায়ী টিকানা। গোপালগঞ্জ। এই যুগে কার এতো সময় বের করার সুযোগ আছে! সে বিড়ম্বনার কথা আর কি বলবো! পৌরসভা অফিসে গেলে কোনো দামই দেয় না। পরিচিত একজন (তিনি পৌরসভা অফিসের কেউ না) ভদ্রলোক এক দালালের সন্ধান দিলেন। তিনি ৩ হাজার টাকা চাইলেন। দিলাম। কাজ হলো। মূলত এই দালাল গুলোর মাধ্যমেই তারা ৯০% কাজ করে থাকে।
সার্টিফিকেট এর সাথে মায়ের নামের বানান গরমিল ছিল। ২বার সংশোধনী আবেদন রিজেক্ট হলে ঘুষ দিয়ে কাজটি করিয়ে নিই।
মোবাইল চুরি হওয়ার পর, পুলিশকে ৩ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার পর মোবাইল এনে দিয়েছে, তার আগে জিডি হাতেও নেয় নাই।
একটি সংযোগ নির্ধারিত স্থান থেকে নিচতলায় স্থানান্তর কোথায় পুরো ভবনের সংযোগ (৪০ টি চুলা) বিচ্ছিন্ন করা হয়
আমি জন্মনিবন্ধন ডিজিটাল কারার জন্য ইউনিয়ান পরিষদে গিয়েছিলাম( বর্তমানে পৌরসভা) গিয়ে দেখি আমার জন্মতারিখ ভুল দেখাচ্ছে । আমার কাছে পূর্বের যে এনালগ হাতে লেখা জন্মনিবন্ধন আছে সেটাতে সঠিক আছে জন্ম তারিখ। তারা নিজেরাই ভুল করেছে খাতা থেকে ওয়েব সাইটে আপডেট করার সময়। জন্ম তারিখ ঠিক করার জন্য ৫০০০/- হাজার টাকা চেয়ে ছিলো কিন্তু আমি ঠিক করিনি টাকা দিয়ে। এখনও পর্যন্ত আমি আমার জন্মনিবন্ধন করতে পারিনি।
আদম ইপিজেডে একটা কোম্পানির ফায়ার লাইসেন্স রিনিউয়াল করার জন্য ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর ৩০ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হয়। এই টাকা না দিলে রিনিউয়াল করে দেন না। কোম্পানিগুলোতে নিয়মিত অডিট হয় এবং এই লাইসেন্স গুলো মেয়াদোত্তীর্ণ পেলে অডিটোর ফাইন্ডিংস দেয় এবং ফাইন্ডিংস এর কারণে কোম্পানিতে অর্ডার কমে যায় তাই এই কোম্পানি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে থাকে। এটা প্রত্যেকটা কারখানার লোকই দিতে হয়। ইনভারমেন্ট ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে গেলে সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও মিনিমাম ৫০০০০ হাজর টাকা ঘুস দিতে হয়। আর যদি সামান্য কোন প্রবলেম পায় তাহলে এটার পরিমাণ এক থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। কোম্পানিগুলো বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে রেনুয়াল করতে হয় না হলে বিভিন্ন অডিটে ফাইন্ডিংস দিবে এবং অর্ডার কমে যাব।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ২১০০ টাকা করে নেওয়ার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড করে দিয়েছিল
পুলিশের বদলী বানিজ্য
চাকুরীর যোগদান পত্রের সাথে মেডিকেল সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। এটাকে বলা যায় সিভিল সার্জন এর প্রত্যয়ন পত্র। এই প্রত্যয়ন পত্র আনতে গিয়ে সিভিল সার্জন অফিসারের সহকারীকে পাঁচশত টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।