পূর্বের অনুমোদিত অবিকল সহগ CBMS এ আপলোড করার প্রসঙ্গ
উপরোক্ত আবেদন জমা দিতে গিয়েছি, আবেদনটি দেখার পরে খরচ লাগবে এই মর্মে আমার থেকে ২০০০ টাকা দাবি করা হয় , পরে ১৫০০ টাকা দিয়ে আবেদন জমা করাই । উক্ত অফিসের " জমা ও গ্রহন " শাখার ব্যাক্তি এই কাজ করেছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
উপরোক্ত আবেদন জমা দিতে গিয়েছি, আবেদনটি দেখার পরে খরচ লাগবে এই মর্মে আমার থেকে ২০০০ টাকা দাবি করা হয় , পরে ১৫০০ টাকা দিয়ে আবেদন জমা করাই । উক্ত অফিসের " জমা ও গ্রহন " শাখার ব্যাক্তি এই কাজ করেছে
একাউন্ট খোলার জন্য উক্ত ব্যাংকের শাখার কর্মকর্তারা নানাভাবে হয়রানি করছিলো, সব ডকুমেন্টস থাকা সত্বেও আজকে হবে না বলে প্রত্যাখান করে দিচ্ছিলো। অতঃপর ব্যাংকের মুরব্বি পিওন ১০০০ টাকার বিনিময়ে ঐদিনই খুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাউন্ট টা খুলে দেন।
প্রিপেইড মিটার নিয়ে সাত মাসের ভোগান্তি—এর দায় কার? সরকার প্রিপেইড মিটার স্থাপনের দায়িত্ব দিয়েছে একটি থার্ড পার্টি প্রতিষ্ঠানকে। তারা অনেকটা জোর করেই আমাদের বাসায় প্রিপেইড মিটার স্থাপন করে। কিন্তু মিটার লাগানোর পর থেকেই শুরু হয় একের পর এক ভোগান্তি এবং বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি। মিটার লাগানোর পর প্রথমেই তারা ৩,০০০ টাকা দাবি করে। শেষ পর্যন্ত ২,০০০ টাকা দিয়ে তাদের বিদায় করি। তখন বলা হয়েছিল, ২৫ দিনের মধ্যে মিটার অ্যাকটিভ হয়ে যাবে। কিন্তু ২৫ দিন তো দূরের কথা, তিন মাস পার হয়ে গেলেও মিটার অ্যাকটিভ হয়নি। যোগাযোগ করলেই কখনো লোক পাঠানো হয়, কখনো বলা হয়—‘হয়ে যাবে’, ‘হচ্ছে’, ‘আর একটু সময় লাগবে’। এভাবেই চলতে থাকে। এরপর একদিন আবার বাসায় এসে মিটারসংক্রান্ত সব কাগজপত্র নিয়ে যায়। সেদিনও ‘কষ্ট করে এসেছে’—এই
আমার বিদেশ যাত্রার জন্য করোনা কার্ডে নাম ভুল ছিল, তাই সংশোধন করতে গিয়েছিলাম। বলেছিল আপনি যদি ফ্রি করাতে চান তাহলে অনেকদিন ঘুরতে হবে, আমার এমার্জেন্সি দরকার ছিল তাই আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে। টাকা খেয়ে পরে অবশ্যই কাজও করে দিছে।
jonmonibondhon korte gesi, koy 1000 taka den
One week ago, I traveled from Gafargaon to Dhaka Airport Railway Station. I had a valid ticket but mistakenly boarded the wrong train. At the station, security stopped me. I explained my mistake and said I was a student. They demanded Tk 1,000. After bargaining, I paid Tk 500. I asked for a receipt, but they refused and threatened to file a case unless I paid.
চট্টগ্রামে গ্যাসের সংকট বহুদিনের। কিন্তু সম্প্রতি কিছুদিনে গ্যাস সরবরাহ বরাবর উন্নতি হলেও গ্যাসের দাম আগের মত। আগ্রাবাদ টু ব্রিজ। 4 নাম্বার ওয়াচ উঠানামা গাড়ি ভাড়া দশ টাকা। দুই নাম্বার বাস ওঠানামা ১০ টাকা। টেম্পো ১০ টাকার জায়গায় ১৫ টাকা। ৫ টাকার জায়গায় দশ টাকা। এভাবে প্রত্যেকটা জায়গায় ডাবল গাড়ি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। আমাদের দেশের প্রশাসন এতই দুর্নীতিবাজ এদের সাথে বা সিন্ডিকেট দের সাথে গাড়ি মালিক সমিতি জড়িত। কিছুদিন আগে ডিজেল অকটেন কৃত্রিম তেল সংকট করে তেলের দাম বাড়ানোর পর সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। ক্রমে ক্রমে দেখা যাচ্ছে বিদ্যুৎ, তেলের দাম বাড়িয়ে এখন গ্যাসের কৃত্রিম সংকট করে দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। আগে আমার যেখানে মাসে গাড়ি ভাড়া ১২০০ যেত সেখানে প্রায় ৩০০০ খরচ হচ্ছে।
আমাদের ৮ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পলাশ পোল প্রগতি লেন এর ৩০০ ফুট রাস্তা তৈরি করা জন্য ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ঘুষ দেয়নি বলে ৫ বছর হতে যাচ্ছে এখনো কাজ শুরু হয়নি
ইউনিয়ন পরিষদ এ সরকারীভাবে পায়খানা নিতে হলে 5000 টাকা দিতে হচ্ছে। এই টাকার কোন রশিদ দেওয়া হয়না। পরিষদ এর অফিস সহকারী এই টাকা নিচ্ছেন, মেম্বার ও চেয়াম্যান এর যোগ সাজস্বে। এর থেকে কি পরিত্যাণ এর কোন উপায় নেই? সরকার কি টাকা নিয়ে গরিবদের পাকা পায়খানা দিচ্ছেন? নাকি ফ্রিতে ?
ঝালকাঠী কোর্টে একটা গার্ডিয়ানশিপের মামলার কাজে গিয়েছিলাম। ওখানে গিয়ে যা বুঝলাম, টাকা ছাড়া পেশকাররা কাজ করেনা। টাকার বিনিময়ে মামলার তারিখ আগে/পরে দেওয়া এবং আমার কাছে মনে হয়েছে এরা সবাই এই ঘুষের সাথে জরিত এবং এই ঘুষ বানিজ্য ওপেনে হচ্ছে। কেউ আটকাবার নেই! যতবার গিয়েছি টাকা দিতে হয়েছে, না হলে কাজ দেরি করে হবে। এরা সহজ মামলাও জটিল করে এরকম ঘুষ বানিজ্য করে। আমাকে কয়েকবার এভাবে করে টাকা দিতে হয়েছে এবং টাকার পরিমান ছিলো সব মিলিয়ে প্রায় ১০০০০ টাকা।
নওগাঁ জিলা স্কুলে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট উত্তোলনের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০–১০০ টাকা করে দাবি করে। সার্টিফিকেট প্রদান বা উত্তোলনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থেকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে এই অর্থ দাবি করেন। একজন শিক্ষার্থীর জন্য ৫০ বা ১০০ টাকা হয়তো বড় অঙ্ক নয়, কিন্তু প্রতিবছর অসংখ্য শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এভাবে অর্থ নেওয়া হলে তা একটি গুরুতর অনিয়মে পরিণত হয়। এভাবে নানা কৌশলে নওগাঁ কেডি সরকারি ও নওগাঁ সরকারি বালিকা বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় ঘুষ নেওয়া হয়েছে।
জিডি করতে থানার কম্টিউটার অপারেটর অনলাইন খরচ এর নামে সবার থেকে ১০০/২০০/৫০০ করে টাকা নেই। আমার থেকেও নেয়।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অফিসারদের বদলি হতে ক্ষেত্র বিষয়ে ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা ঘুস দিতে হয়।
১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড উন্নীত করনের জন্যে আবেদন করি উপজেলা অফিসে,একসাথে ৫ জন।২০০০ করে চেয়েছিল ।বলা হয় হেড অফিস থেকে নাকি চেয়েছে।সকলে দিলেও আমি সরাসরি প্রত্যাখ্যান না করে বলেছিলাম পরে দিবো(আমি দেখতে চাইছিলাম ঘটনা কোথায় দাড়ায়)।পরবর্তীতে আমার উচ্চতর গ্রেডে উন্নীত না হওয়ার কারন জিজ্ঞেস করলে বলে আমার নাম ভুল এসেছে।প্রায় ৮ মাস পর উপায় জানতে চাইলে বলেন নাম সংশোধনের আবেদন করতে জেলা অফিস বরাবর।আবেদন করতে গিয়ে দেখলাম নামসহ ইউনিট নাম্বার ভুল।আমি আবেদন করে জেলা অফিসে জমা দিয়ে রিসিভ কপি রেখেছিলাম।৬ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো সুরাহা হয় নাই।আমার আবেদন ছিলো।কারণ সেখানে চাওয়া হয়েছিলো আরো ১৫০০ টাকা।দীর্ঘ ৬ মাস পর ডিডি স্যার পরিবর্তন হয়ে আসেন।অবশেষে উনার সাথে সরাসরি সাক্ষাত করে কোনো টাকা ছাড়াই সংশোধন করি।😃
আমি যখন প্রথম পাসপোর্ট এর আবেদন করি, তখন পাসপোর্ট এর ভেরিফিকেশনের জন্যে একজন পুলিশ স্থানীয় থানা থেকে আমাকে ফোন করে দেখা করার জন্য, তো আমি দেখা করতে যাওয়ার পর আমার সম্পর্কে সব কিছু জিজ্ঞেস করার পর ওনি বলে বসেন চা-নাস্তা খাওয়ার জন্য কিছু দিতে, আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি ওনি কিসের টাকার কথা বলছেন, তারপর আমার ভায়ের কাছে ওনাকে নিয়ে যাই সেখানে যাওয়ার পর, ভাই একটু পরিচিত মুখ হওয়ার কারনে ৫০০টাকা নিয়ে ৭ দিন পর আমার ভেরিফিকেশন ক্লিয়ার করে দেয়।
১৩টি খতিয়ানের জন্য আবেদন করছিলাম প্রতিটি ১৫০ টাকা করে মোট ১৯৫০ টাকায়। কিন্তু ২ সপ্তাহ পর খতিয়ান আনতে গেলাম, দেখি এখনো হয় নাই। রেকর্ডরুমের একজনের সাথে কথা বলার পরে মহাফেজখানার একজন কর্মচারির নাম্বার দিলো যে কিনা আমার আবেদনের দায়িত্বে। ওনাকে ফোন দিলাম পর পর সরাসরি বললো কিছু খরচ লাগবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম কিসের খরচ আমি ত টাকা দিয়েই আবেদন করছি। পরে বললো নেওয়ার সময় এটা দিতে হয়। টাকা না দিলে আবেদন ঝুলে থাকে। তারপর আমি বললাম আচ্ছা কত টাকা দিতে হবে বললো খতিয়ান প্রতি ১০০ টাকা। আর বড় খতিয়ান হলে ১০০ তে হবে না তখন আরো বেশি লাগবে। কি আর করার, ওখানে অনেকজনের সাথে কথা হয়েছে সবাইই বললো টাকা না দিলে কাজ হয় না। তাই যে ৫টা খতিয়ান রেডি ছিলো, ৫০০ টাকা দিয়ে নিয়ে আসছি। বাকি ৮টা আনতে আগামী বুধ-বৃহঃস্পতিবার যেতে বলছে।
পল্লী বিদ্যুতের লাইন নেয়ার জন্য পুরো গ্রামের প্রতিটি পরিবারের কাছ থেকে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেয়া হয়েছিল ওই সময়টাতে। কিন্তু এমপি সাহেব যখন উদ্বোধন করতে আসেন তখন তিনি বলেছেন বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দিয়েছেন। ঘটনার সন-২০১৬
সরকারি চাকরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে ক্লিয়ারেন্স পেতে ৫০০০০ টাকা দাবি করা হয়।
পুলিশ ইয়াবা সহ দুজনকে এরেস্ট করেছে একজনের কাছে ইয়াবা ২২ পিস পেয়েছে আরেকজনের কাছে কিছু পায় নাই, যার কাছে পেয়েছে তার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা, যার কাছে কোন কিছু পাই নাই তার কাছ থেকে বিশ হাজার টাকা চেয়েছে ১৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয় নাই, বলছে যে আইনের নরমাল দ্বারা দেওয়া হবে যাতে দুই-একদিনের জামিন করানো যায়, এই জন্য টাকাটা নেওয়া হয়েছে।
বিল্ডিং ডেভেলপার মালিকের নাম থেকে একটি ডিপিডিসি বিদ্যুৎ মিটার ফ্ল্যাট মালিকের নামে পরিবর্তন করতে ঘুষ। সরকারি খরচ ১৩৪ টাকা। কিন্তু ঘুষ ৬০০০ টাকা।