Customs house, Chittagong
এটি কাটমস হাউজের দৈনন্দিন ঘটনা । যেখানে পিয়ন থেকে কমিশনার পর্যন্ত বেশিরভাগ দুর্নীতিবাজ । ঘুষ দেয়া ছাড়া এখানে কেউ কাজ করতে পারে না । যার ফলপ্রসূ আমাদের দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস হতে শুরু করে সব কিছুর দাম বেশি থাকে ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এটি কাটমস হাউজের দৈনন্দিন ঘটনা । যেখানে পিয়ন থেকে কমিশনার পর্যন্ত বেশিরভাগ দুর্নীতিবাজ । ঘুষ দেয়া ছাড়া এখানে কেউ কাজ করতে পারে না । যার ফলপ্রসূ আমাদের দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস হতে শুরু করে সব কিছুর দাম বেশি থাকে ।
অর্থঋন আদালতে বিবাদীর জমা দেয়া টাকা উত্তোলন করতে গেলে আমার কাছে ২০০/- টাকা দাবী করা হয়।ঋনখেলাপীর টাকা আদায় করার সময়েও টাকা নেয়া কতটুকু রুচির দুর্ভিক্ষ এ থেকেই বোঝা যায়।
আমার বরো ভাই বিদেশে থেকে একটা স্যামস্যায়াং মোবাইল নিয়ে আসে ২মাস পর সেটা চুরি হয় থানায় জিডি করি মোবাইলেট এমআই নম্বর বের করার জন্য ২০০০ টাকা নেয় পরে এমআই নম্বর বের করে দেয় সেটা দিয়ে জিডি করি লোকেশন মিলিয়ে দেখি সেটা মেম্বারের ছেলে চুরি করে তার মামার কাছে দেয় তার মামা পুলিশে চাকরি করে সব কিছু যানার পর পুলিশ আর কোন একশন নেয়নি কারন এটা পুলিশের কাছে এলাকার মেম্বারের সালা সে মেম্বার পুলিশকে মোটা টাকা দিনে বন্ধ করে ছিল আজও সেই মোবাইল পাইনি
আমার বাবার ফ্লাইট ছিলো দুইদিন পরে এক এন এস আই সদস্য আমার বাবাকে কল করে অনেক তথ্য জেনে আমার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ও সরকারি পাসপোর্টধারী । অই এন এস আই সদস্য আমার বাবার সার্টিফিকেট ভেরিফিকেশন এর জন্য কল করে পরের দিন সকালে দেখা করতে বলে এরপর বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে বলে যে আমার বাবার নামে বাজে রিপোর্ট দিয়ে দিবে বাবা আর কখনো ফ্লাই করতে পারবে না । এরপর ভালো রিপোর্ট লেখার জন্য ৩০০০ টাকা দাবি করে ।আমি ভয় পেয়ে টাকা দিয়ে দেই ।আমার বাবার সময় খুব কম।ছিলো তাই কোন ভাবেই আমরা যাচাই করতে পারি ।তার উপর এন এস আই অফিসেই এমন কাহিনি চলছিলো। এরপর আমাদের কে দেখায় যে ভালো প্রতিবেদন দিসে । পরের দিন আমার বাবা ফ্লাইট ধরে অইদিন জানতে পারে বাবার সাথে ইউনুস এর ফ্লাইট ছিলো ওনার জন্যই সকল যাত্রীদের রুল ভেরিফিকেশ
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের একটি নতুন নিয়ম করা হয় যে পূর্বে যেই পেমেন্ট করা হয়েছে তার ব্যংক স্টেটমেন্ট লাগবে। এবং সেই রেকর্ড বের করার জন্য জনতা ব্যংক এর কর্মকর্তা আমার থেকে ১০০০০ টাকা অতিরিক্ত আদায় করে।
নাগরিক সনদ এর জন্য কাউন্সিলর অফিসে কর্মী দের গাড়ি ভাড়া বাবত ৫০০ টাকা / প্রতি আবেদনের জন্য নিয়ে থাকে, না দেয়ার কোন উপায় নাই.
ঠিকাদারি কাজের বিল তুলতে পার্সেন্ট হারে ঘুষ দিতে হয় না হলে বিলের চেক আটকে রাখা হয়|এটা ক্ষেত্রবিশেষে ৭ থেকে ১০ পার্সেন্ট পর্যন্ত দাবি করে |
আমার জন্ম নিবন্ধন ঠিক করার জন্য আমার কাছে ৫০০ টাকা চাইছে
ফাইল তার ডেস্কে যাওয়ার পর আমাকে বলে ৪৫ দিন পর আসতে অনেক পেন্ডিং ফাইল আছে আগে ওই গুলো করব তার পর আপনার সিরিয়াল আসবে। আর যদি ৩০০০ টাকা দেন তাহলে ৭ দিনের মধ্যে আপনার ফাইল রিলিজ করে দেব।এক প্রকার বাধ্য হয়ে আমাকে টাকাটা পরিশোধ করতে হয়। এই অফিসের প্রত্যেক টা লোক ঘুষখোর টাকা ছাড়া একটা কাজ ও তারা করে নাহ।
আমার আম্মা গতকাল ফ্যামিলি ক্যাট করার জন্য ইউনিয়ন কাউসার এর দায়িত্ব ইউনিয়ন কাউন্সিলের যে মেম্বার আছে করে দিতে এক সময় রাজি হয় না। কারণ সে একসময় যাও নাই এটা আমার হাতে নাই বিএনপি নেতাদের হাতে আছে বর্তমান। তো তারপর স্থানীয় এক বিএনপি নেতা যে ওয়ার্ড সভাপতি পাঁচ নাম্বার ওয়ার্ড সভাপতি সে সভাপতির কাজ গেলে সে বলে ১৫০০ টাকা দিলে ফ্যামিলি কার্ড করে দেব দেয়ার বিনিময়ে ফ্যামিলি করে দেয়। আমার এড্রেস কুষ্টিয়া জেলা ভেড়ামারা থানা
BIWTC সরকারি জাহাজে মেয়াদ ২ বছর থাকে. ২ পর বদলি হতে চায়লে ৩০০০০ টাকা করে দিতে হয়। পোষ্টিং নেওয়া জাহাজে প্রায় মাসে ২০ থেকে ৩০ লক্ষ টাকার অবৈধ তেল বিক্রি কয়া হয়। যার টাকার বড় অংশ স্থানীয় অফিস গুলো খায়। তার কিছু অংশ জাহাজের কর্মকর্তা মাষ্টার - মেস্তেরি খাই।
আমি আমার ভোটার আইডি কার্ডটি আনতে যাই আমার খুব দরকার ছিলো। তারা সেটা বুঝতে পেরে সার্ভার এর দোষ দেয় এবং ১ মাস পরে যেতে বলে কিন্তু আজকেই চাইলে ১৫০০ দিতে হবে পরে ১০০০ দিয়ে নিয়ে আসি।
আমার মামা একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন করে সৌদি আরব কাজের ভিসায় যাবে বলে। আবেদন করার দুইদিন পরে পুলিশ মামাকে কল দেয়। এবং কিছু কাগজ পত্র চায়। সেদিন বৃহস্পতিবার ছিলো তাই সিটি কর্পোরেশন থেকে সেইসব কাগজপত্র ম্যানেজ করা সম্ভব হয়নি ফলে পুলিশ ভাইকে বলা হয় শনিবার কাগজ গুলো দেয়া হবে। এর মধ্যে মামার রবিবার ঢাকাস্থ সৌদি এম্বাসি তে ফিংগার প্রিন্ট এর ডেট পরে। তাই শনিবার সকালেই উনি চলে যান। এবং আমাকে বলে যাব যেন আমি কাগজ গুলো থানায় পৌছিয়ে দেই। আমি কাগজ গুলো দিতে গেলে উনি কাগজ গুলো নেন এবং বলেন যে সম্মানী কিছু দেয় নাই? আমি বলি শুধু কাগজের কথা বলছে। সম্মানীর কথা তো বলে নাই। আমাকে তখন বলে দেখেন কি করবেন। এরপর আমি বলি আমি টাকা নিয়ে আসি নাই। বিকাশ নাম্বার দেন। উনি বলে না বিকাশে টাকা নেয়া যাবে না।
২০২৩ সালে থানায় স্ত্রী কর্তৃক মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়। পরবর্তীতে স্ত্রী তা মিথ্যা স্বীকার করে উঠিয়ে নেয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট এস.আই বললো ২০০০ টাকা খরচ আছে। কিসের খরচ জানতে চাইলে তিনি রেগে যান। বলেন কিসের খরচ বুঝেননা? থানায় আসলে দিতে হয়। আমি দিতে অস্বীকার করলে তিনি আমার অফিসে এসে বসে থাকতেন। সম্মান বাঁচাতে এবং নিরুপায় হয়ে তা পরিশোধ করেছিলাম।
নতুন ভোটার আইডি কার্ড বানাতে গিয়ে আমার কাছে ১৫০০ টাকা ঘুস দাবি করে পরে উপায় না পেয়ে পরিশোধ করতে বাধ্য হই আমি
দুটি জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজী করব সরকারি ফি বোর্ডে লেখা 50 টাকা করে প্রতিটি তবে নিয়েছেন প্রতিটি 300 করে মোট 600 টাকা যার 500 টাকা ঘুষ ।
ফিটনেস এর ক্ষেত্রে অযথা ডকুমেন্টস চাচ্ছিলো
DPDC Prepaid meter change kore dise and post paid meter niye gese boksish chaise
চাকরির জন্য ভার্সিটির পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় চা-নাস্তার টাকা চায়। পুলিশ হোয়াটসঅ্যাপে ও ফোনে যোগাযোগ করেছিল। টাকা না দিলে ঝামেলা করতে পারে বা ভুল রিপোর্ট দিতে পারে এই শঙ্কায় ১০০০ টাকা বিকাশ করেছিলাম। (চাকরির ক্ষেত্রে স্হায়ী ঠিকানা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়)
২০২৩ সালে আমার সাবেক স্ত্রী কর্তৃক থানায় হয়রানির শিকার হয়ে লিগ্যাল এইডে যাই আইনী সহায়তা পেতে। ওখানকার অফিস সহকারী দ্রুত সহায়তা পেতে ১০০০ টাকা ঘুষ চায়। নতুবা ১ মাস পর ডেট দেবে বলে জানায়। আমি তা দিতে অস্বীকৃতি জানাই এবং প্রতিকার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হই।