পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন
বিদেশি কাজের ভিসার আবেদনের জন্য তিনবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করেছি। তিনবারই থানায় কর্মরত অফিসারকে ২০০০ টাকা ফি (চা-নাস্তার খরচ) দিতে হয়েছে। অথচ সরকারি ফি এক্ষেত্রে মাত্র ৫০০ টাকা ছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিদেশি কাজের ভিসার আবেদনের জন্য তিনবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করেছি। তিনবারই থানায় কর্মরত অফিসারকে ২০০০ টাকা ফি (চা-নাস্তার খরচ) দিতে হয়েছে। অথচ সরকারি ফি এক্ষেত্রে মাত্র ৫০০ টাকা ছিল।
NID সার্ভারে আমি আমার আইডি লগ ইন করতে পারছিলাম না, বারবার চেষ্টার পর আমি সূত্রাপুর নির্বাচন অফিসে যাই। তখন কাজটি আমার খুবই জরুরী ছিলো যেহেতু আমার NID সংশোধন প্রয়োজন ছিলো। তারা আমার আইডি ঠিক করার কথা বলে আমাকে ৩/৪ দিন ঘুরায়। তারপর ৫ম দিনে আমার আইডি ঠিক করার কথা বলে বিকাশে ৩০০ টাকা চায়। টাকা দেয়ার পরেও তারা কাজটি করে দেয় নাই।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে এরা সবার কাছ থেকেই ৭০০-৮০০ টাকা নেই। সটকারি ফি ২৪৫-৩৪৫ টাকা মাত্র।
শেয়ার হস্তান্তরকারীর রিসেগনেচার দেওয়ার পরও ফাইল অনলাইনে রেকর্ড করার জন্য টাকা চায়, এছাড়া বছরের পর বছর ফাইল পড়ে থাকে। অনলাইন রেকর্ড হয়না। এটার সাথে পুরো rjsc এর সকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা জড়িত। নতুন কোম্পানি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ও তারা ঘুষ দাবী করে, আর দাবীকৃত ঘুষের পরিমাণ সর্বনিম্ন ২০০০ থেকে শুরু হয়। আর এসব ঘুষ সংক্রান্ত জটিলতার কারনে ব্যবসায়ীরা ব্যবসার প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছে।
সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি মাসে একটি ভাতা দিয়ে দিয়ে থাকে। আমার বাবা বহু বছর পর তার মুক্তিযুদ্ধের সময় লাল সার্টিফিকেট খুঁজে পায়। এরপর জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)তে যাওয়া হলে নিবন্ধনের বিষয়ে জানতে চাইলে জানান হয় যে আগে মন্ত্রী থেকে সুপারিশ লাগবে। মন্ত্রীর থেকে সুপারিশ নিয়ে এসে কাগজ জমা দেওয়া হয় জামুকাতে। পরে সেখানের এক কর্মচারী ২ লক্ষ টাকা লাগবে বলে জানায় মুক্তিযুদ্ধ গেজেটে নাম প্রকাশের জন্য।
আমার আম্মু ফ্যামিলি প্ল্যানিং এ জব করতেন। তিনি রিটায়ারমেন্ট এর পর টাকা তুলতে গেলে ৪০০০০০ টাকা দাবী করে। পরে সেটা ১০০০০০ টাকা দিয়ে। ফয়সালা করা হয়।
প্রথমে কর্মকর্তা খুব ভালো ব্যবহার করেন এবং সুন্দর পরামর্শ দেন। কাজটি ভালোভাবে সম্পন্ন করার পর তিনি 1000 টাকা দাবি করেন। প্রথমে দিতে না চাইলেও পরবর্তীতে উনার চাপাচাপিতে আচ্ছা বাধ্য হই।
I had to pay 1500 taka as a bribe to get my NID in June 2022. It was Mirsharai Election Office, Chittagong.
কোর্টে জমির মামলায় প্রসেস সার্ভারের রিপোর্ট এসেছে কিনা এটা জানতে গেলে নানাভাবে হয়রানী করে ঘুরায়। এরপর মুহুরী ও কোর্টের যার কাছে এই রিপোর্ট জমা থাকে সেই কেরানি গোছের লোক ১৫০০ টাকা নিয়ে ৫মিনিটে বের করে দেয়।
সিকিউরিটি কোম্পানিতে ভালো বেতনের পোস্ট পেতে এরিয়া ম্যানেজার কে ১০ হাজার টাকা ঘুস দিতে হয়। বেতন পাওয়ার পর কাচ্চি বিরিয়ানি খাওয়াতে হয় প্রতিমাসে। স্কুল কলেজে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র তুলতে, পৌরসভায় প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র তুলতেও ঘুস দিতে হয়।
আমার ঘড়ের টেক্স ইউনিয়ন পরিষদের হিসাবে ১৬০ টাকা, কিন্ত ইউনিয়ন পরিষদের চাকরিরত লোক বাসায় এসে ৮০০ টাকা নিয়ে যা প্রতিবছর,আমি আমার বউয়ের এন আইডি করতে গেলে টেক্সের রিসিট চায় উপজেলার নির্বাচন অফিস তখন ইউনিয়ন পরিষদে গেলে দেখা যায় ২ বছর জমা দেয়নি, অথচ আমি প্রতিবছর টাকা দিয়েছি,এখন যখন টেক্সের রিসিট আনতে গিয়েছি দেখি আমার ঘড়ের টেক্স ১৬০ টাকা, তখন দুই বছরের টাকা পরিশোধ করি ৩২০ টাকা, অতচ তারা এসে নেয় ৮০০ টাকা প্রতিবছর , এবছর একি তারা ৮০০ টাকা দাবি করে এবং আমার মা তা দিয়ে দেয় না বুঝে, সাতে আমি চাইলে আর ফেরত দেয়নি।
মূলত রেলস্টেশন আমার পকেট থেকে ফোনটি চুরি হয়ে যায়। আমি সাথে সাথে এরপর দিন সেখানকার এক থানায় জিডি করি। যদিও জিডির ভিতরে যার নাম্বার দেওয়া হয়েছে তার সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল আমি তার সাথে যোগাযোগ করার পরও কোন সন্ধান পায়নি। তারপর যখন আবার সেই থানায় যাই। সেখানকার কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে চা পান খাওয়ার জন্য দুই হাজার টাকা চায়। দিলে নাকি তাহলে নাকি খুব তাড়াতাড়ি ফোন পেয়ে যাব। তবে দেইনি এরপর আমি আর ফোন পাইনি। ফোনটির দাম ছিল ২৫ হাজার টাকা।
বাবা বেসরকারি স্কুল থেকে পদত্যাগ করলে আমি কল্যাণ ট্রাস্ট এর টাকার জন্য আবেদন করি কিন্তু সেখানে খুবই ছোট্ট একটা ভুল থেকে যায় যার কারণে সেখানকার অফিস সহকারি সেটা ঠিক করার জন্য ২০০০ টাকা দাবি করে। আমি দিতে পারবোনা জানালে সে ১৫০০ টাকা চায়, এবং পরে বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিতে হয় কাজটি করানোর জন্য। এবং টাকা দেওয়ার এক মিনিটের মাথায় কাজটি হয়ে যায় এবং অনলাইনেও আপডেট হয়ে যায়।
আমার মা এর জাতীয় পরিচয় পত্র জন্মসন ভুল ছিল প্রথম থেকেই। যেই সকল প্রমাণ চেয়েছে সকল দাপ্তরিক কাগজ (জন্ম সনদ, স্কুল সার্টিফিকেট, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট সহ আরো অনেক গুলো ডকুমেন্ট) দেয়ার পরও আমাদের এপ্লিকেশন সমাধান না করেই এপ্লিকেশন বন্ধ করে দেয়া হয়। পরবর্তী আমরা নির্বাচন কমিশনে যোগাযোগ করলে বলা হয় পর্যাপ্ত কাগজ জমা দেয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশন অফিসে গেলে আন-অফিসিয়ালি জানানো হয় প্রতি বছর বয়স বাড়ানোর জন্যে ১০০০০/- টাকা করে মোট ৮০০০০/- যেহেতু আমার মায়ের বয়স ৮ বছর বাড়াতে হবে। পরিচয় পত্র যেহেতু সংশোধন করতে পারছিনা সেহেতু পাসপোর্ট ও বানাতে পারছিনা এবং আমার মায়ের হজ্জ করার স্বপ্ন মনে হয় স্বপ্ন থেকে যাবে।
টাকা না দিলে সার্ভার সমস্যা, ৩ মাসেও কাজ না হওয়া, টাকা দিলে ১০ মিনিটে কাজ হওয়া। একজনকে ২ টা জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়া তারিখ, মাস পরিবর্তন করে ২ টা অন্যদিকে পাবলিককে ৩ মাসেও কাজ না দেওয়া। কাজ করায়ে গেলে সার্ভার অফ বলে ফেরত পাঠানো
আমার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার জন্য ভাতা পাওয়ার আবেদন করার কথা বলে [অভিযুক্তের নাম] আমার কাছ থেকে ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা ঘুষ নেন। টাকা নেওয়ার পর তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে আমি উকিল নোটিশ পাঠালে তিনি টাকা ফেরত দেওয়ার লিখিত অঙ্গীকার করলেও এখন পর্যন্ত তা দেননি। এই প্রতারক ও ঘুষ গ্রহণকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আমার টাকা উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।
আমি নতুন ভোটারের জন্য আবেদন করেছি, আমার ফাইল টা অনেক দিন থেকে পেন্ডিং ছিলো পরে যোগাযোগ করলে ইনড্রেক্টলি আমার কাছে টাকা দাবী করে, পরে আমি দিতে বাধ্য হই ।
ও এম এসের প্রতিটি ডিও ৩ টন চাল ৩ টন আটা এ আরওকে ৪০০০/দিতে হয়। আর তদারকি কর্মকর্তা কে ২০০০/ দিতে হয়। যদি না দেয়া হয় তবে তদারকির সময় মিথ্যা অজুহাতে সমস্যা তৈরি করবে।
বদলি LPC নিতে ২০০০ টাকা দাবি করে ক্যাশ সরকার। জুনে বেতন করানো জন্য ২৫০০ টাকা নিয়েছে। এখন আবার ২০০০ টাকা চাই
ফায়র সার্ভিস এর লাইসেন্স নতুন করার জন্য এবং আগের লাইসেন্স নবায়নের জন্য ঘুষ নিয়েছে।