Fire Service
ডায়াগনন্স্টিক সেন্টার চালু করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স করতে হয়। লাইসেন্স করতে সরকারি টাকা দিতে হয় ১২ হাজার টাকা কিন্তু আমাকে পরিশোধ করতেছে ৩০ হাজার টাকা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ডায়াগনন্স্টিক সেন্টার চালু করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স করতে হয়। লাইসেন্স করতে সরকারি টাকা দিতে হয় ১২ হাজার টাকা কিন্তু আমাকে পরিশোধ করতেছে ৩০ হাজার টাকা
সে আমার কাছে কাজ দ্রুত করার জন্য টাকা দাবি করে।টাকা না দিলে কাজ হবে না কাজ ঘুরবে।তখন আমি বুঝলাম টাকা ছাড়া আমার কাজ হবেনা।তখন আমি তাকে টাকা দেই
সেনাবাহিনীতে চাকরি হবে বলে টাকা দিতে হবে কোনো জায়গায় সমস্যা হবে না গেলেই এর আগে থেকে টাকা দিলেই চাকরি কন্ফার্ম।
আমার বাবার পেনশন ফাইল অনুমোদন সহ আনুতোষিক সব কিছু করে দিবে এজন্য।
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসেবে একটি এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনা করছি, সরকার নিবন্ধনের জন্য সমাজসেবা ও এনএসআইকে রেখেছে। টাকা না পেলে জড়াতে থাকে সঠিক পেপার , সঠিক কার্যক্রম পেলে ও । টাকা না দিলে সমাজসেবা অফিসের লোক বলে আপনাদের এসব ফালতু কাজ কে করতে বলে। টাকা না হলে সমাজসেবা কাগজ দেয় না অন্যদিকে এনএসআই ও নেগেটিভ দেয়। টাকা না দিতে পারায় অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এনএসআই নেগেটিভ রিপোর্ট দিছে, যারা প্রচন্ড ভালো কাজ করে। নিবন্ধনে সরকারি দপ্তর সমাজসেবার এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে টাকা না দিলে সাতক্ষীরাতে কাগজ ট্রান্সফার হতে বছর সময় লাগে। ভালো কাজ করে তাদের নিবন্ধন দেয় না অন্যদিকে কাজ না করে টাকা ও ক্ষমতার জন্য বেনামে ও নিবন্ধন দেয়।
জাহাজের বিভিন্ন সার্টিফিকেট নবায়ন করতে প্রায় এখানে অফিস সহকারী ও পিএস দের ঘুষ প্রদান করতে হয়। নাহলে উনারা কাজ করে দেন না। আজ সাধারণ একটি কাজ যার সরকারি মূল্য ছিলো ১১৫০ টাকা কিন্ত ঘুষ দিয়েছি ৬০০ টাকা।
সরাসরি সিএজি অডিট হতে এসে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে তারা ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে অফিস ত্যাগ করে। তেমন একটা অবজেকশনেবল অফেন্স ছিলো না যদিও কিন্তু, তারা ছোটো ছোটো জিনিসপত্র নিয়েও তোলপাড় করে টাকা আদায় করে
চাঁদপুর জেলা ও দায়রা আদালতের চাঁদপুর সদর সিনিয়র সিভিল আদালতের পেশকার এই অর্থ চেয়েছেন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গেছিলাম তার জন্য থানা থেকে ভেরিফিকেশন করতে ফোন দিছিল। তাই আমি থানায় যাওয়ায় অফিস সহকারী দাবি করে যে কিছু খরচ পাতি দিতে হবে সেই বাবদ ১ হাজার টাকা রাখে
I had to pay around 4500 taka to get my police verification certificate. The government mandated amount to be paid is 1500, but I had to pay extra so that my application could be processed.
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে নিয়োগের পর যোগদানপত্র পাওয়া নিয়ে দেরি হচ্ছিল। ভেরিফিকেশন হয়েছে মেডিক্যাল সব হয়েছে কিন্তু যোগদানপত্র পাচ্ছি না, যোগাযোগ করলে বলল 'স্পিডে পেতে স্পিড মানি লাগে'। আমার পারিবারিক আর্থিক টানাপোড়নে রাজি হয়েছি। ১০০০০ (দশ হাজার চেয়েছিল), ৫০০০ পাঁচ হাজারে মিটমাট করেছি। ১ মাস দেরি হলে ১ মাসের বেতন অপেক্ষা ৫০০০ টাকা কম মনে হয়েছে।
একটা চাকরিতে যোগদানের জন্য জেলা সিভিল সার্জনের অফিস থেকে হেলথ সার্টিফিকেট নিতে গিয়েছিলাম। সেখানে নিয়ম হচ্ছে হেলথ সার্টিফিকেট নিতে ১০০ টাকা জমা দিতে হয়। কিন্তু তারা সবার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে। ১০০ টাকা সরকারি খাতে জমা দেই আর বাকি ৪০০ তারা মিষ্টি খাওয়ার জন্য নেই। আমরা ১০০+ জন ছিলাম। প্রায় সবাইকেই ঐ অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে। সেখানে নাকি এভাবেই ১০০ এর পরিবর্তে ৫০০ টাকা দিতে হয়।
আমরা সরকার এর কাছে ধান বিক্রি করতে গেলে, খাদ্য গুদাম মহিলা করমকরতা আমাদের কাছে ৩০০০ টাকা নেন।
আসসালামু আলাইকুম আমি একজন শাক সবজি এবং ফলমূল রপ্তানি কারক। দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তাজা শাকসবজি এবং ফলমূল রপ্তানি করে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশে আমি আরোহন করছি। বাংলাদেশ বিমানের মাধ্যমে আমরা কার্গো পাঠাতে গেলে স্পেস বাড়ার জন্য পার কেজিতে 10 টাকা থেকে শুরু করে আরো বেশি পর্যন্ত তারা বিভিন্ন ধরনের টাকা দাবী করে আপনি সাপোজ ১০০০ কেজি কার্গো বুকিং এর জন্য আবেদন করেছেন আপনার কাছ থেকে তারা পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করে। এ টাকা না দিলে আপনাকে স্পেস বরাদ্দ দিবে না। এই ব্যাপারটা মোটামুটি এয়ারপোর্ট এর কার্গ সেকশনে সবাই অবগত আছে। এবং এই টাকাটা বিমানের কার্গো-ডাইরেক্টর থেকে শুরু করে নিচ পর্যন্ত সবাই ভাগাভাগি করে নিয়ে থাকে। আমরা এর দ্রুত প্রতিকার চাই।
ওইখানে যাওয়ার পর আন্সার বাহিনী আমাকে অপমান করেছে,, প্রত্যেকের কাছে ৩০০ করে টাকা চাইছে লাইনে দাড় করিয়ে দিবে তাই৷ যারা টাকা দেয় তাদেরকে সামনে দিয়ে দেয় আর তাদের কাজ অনেক সহজ করে দেয়,,, এভাবে ধাপে ধাপে তারা টাকা নিয়ে থাকে,, আর বিদেশ আসার আগে অনেক জায়গায় এমন টাকা নিয়ে থাকে৷ বিশেষ কিরে মেডিকেল করার আগে যে পেপার নিতে হয় এখন সম্ভবত যমুনা ফিউচার পার্কে,, সেখান থেকে বের হবার পর রিকশা ওয়ালা থেকে শুরু করে পুলিশ পর্যন্ত ঘুষের সাথে লিপ্ত,, তারা নানা ভাবে হয়রানি করে টাকা আদায় করে৷ বিশেষ করে তারা বিভিন্ন ফটোশপের দোকানে নিয়ে গিয়ে জোড় করে ছবি তুলিয়ে ৫০০-৬০০ টাকা হাতিয়ে নেয়৷ তাদের সাথে বসে থাকে পুলিশ৷ আমরা কিছু বললেই পুলিশের হুমকি খেতে হয় এতে করে টাকা না দিয়ে উপায় থাকেনা৷ তারপর আসে মেডিকেল করার পালা,,
জেলা পরিষদ সাতক্ষীরা কার্যক্রম বিহীন প্রতিষ্ঠানদের অর্থ ও ক্ষমতার বিনিময়ে কোটি কোটি টাকার বরাদ্দ প্রদান করে । যেমন: দেবহাটা উপজেলার অস্কারপুর শহীদ আসিফ বন্ধু মহল । আর যে সব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কার্যক্রম করে তাদের বরাদ্দ পেতে হয়রানি হতে হয়, চাঁদা দাবি করে। পরিবর্তন হওয়া জরুরী ।
জরুরী প্রয়োজনে সোনালী ব্যাংক পারুলিয়া শাখায় গিয়েছিলাম একাউন্ট খোলার জন্য,এখন হবেনা বলে নিষেধ করে দেয়, পরে এক সিকিউরিটি গার্ড চা,পান খাওয়ার ব্যাবস্থা করে দিলে সব ব্যাবস্থা করে দিবে বলে ,কিন্তু ব্যার্থ হয়,আবার পুনরায় পরের দিন 15 কিলো দুর থেকে অসুস্থ মা,শিশু কে নিয়ে পরের দিন গিয়ে একাউন্ট খোলা হয়
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন করার জন্য বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে। আবেদন এ সব ঠিক থাকা সত্ত্বেও অনলাইন নিবন্ধন এ নামের বানানে ভুল আছে। পরে পুনরায় আবেদন করি পুনরায় ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে সংশোধন করতে হয়েছে। তারও ভুল আছে।
When I went to the Khilgaon Councilor's office to get my citizenship certificate for Dhaka Ward No. 4, they asked me for 200 BDT. When I refused to pay, they demanded at least 100 BDT. I paid the 100 BDT out of fear that they would intentionally delay issuing my certificate otherwise. Then I got my Citizenship Certificate after 2 days.
Thanay ghush dite hoyeche police clearance certificate er jonne.