এল জি ডি লাইসেন্স নবায়ন
একটি ঠিকাদারি লাইসেন্স আছে এটি নবায়ন করতে প্রতি বছর ঘুষ দিতে হয়
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
একটি ঠিকাদারি লাইসেন্স আছে এটি নবায়ন করতে প্রতি বছর ঘুষ দিতে হয়
চা পানের টাকা বলে ১৫০০ টাকা নেয় না দিলে ফাইল চাইটে পালাই রাখবে বলছে
সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ সেবার জন্যে ঢাকা নির্বাচন সচিবালয় এর পাশে আইসিটি অফিসে গেলে তারা বিভিন্ন কথা বলে পরবর্তীতে যোগাযোগ করে যাওয়া হয় তার মাধ্যমে চা খাওয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দিতে হবে এবং সরকার কম্পিউটার প্রশিক্ষনার্থীদের ভাতা হিসেবে যে টাকা প্রদান করবে তা থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুমোদনের পর মোট টাকা হতে কেটে নেওয়া হবে।
সরকারি চাকরির জন্য, স্হানীয় এক পাতি নেতায়, এসে বলতেছে, (উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ) বড় ভাইয়ের নামে একটি সিট আছে, অন্য জনকে দিয়ে দিছিল, ওরা টাকা দিতে পারবে না,তোমরা দেও,চাকরির সিট টা তোমাদেরকে দিয়ে দেই।চাকরির সিট নাকি ভাগাভাগি হয়ে গেছিল🤣 আমার বাবা বলেছিল, আমি হজ করে আসছি, আমার ও যাবে আর সন্তানকে ঘুষ দিয়ে চাকরি করালে,ওর সারাজীবনের কামাই বে-হালাল হয়ে যাবে।এটি বলে সাথে সাথে না করে দিই!
আমার নিজের আসলে জমি আমি আরেকজনের নিকট বন্ধক দিয়েছিলাম উক্ত জমি আমার টাকায় আবার ফেরত নিয়ে এসেছি কিন্তু তৃতীয় এক ব্যক্তি আমাকে বাধা প্রদান করাই আমি থানাই একটি অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগ তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আমার নিকট ২০ হাজার টাকা দাবি করে সে তদন্ত করতে গিয়ে । আমি এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে তাকে 6000 টাকায় ম্যানেজ করেছি। কিন্তু এখনো আমার ফসলের জমিতে ফসল করার অধিকার ফিরে পাই নাই। শুনেছি এই তদন্ত কর্মকর্তা আবার তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকেও টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ।
গত ২৮/৮/২০২৬ তারিখে জজ কোটে আমার জমির বিচারের রায়ের সাটিফাই কপি তুলতে গেলে আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১৯০০ টাকা দিতে বলে।কিন্তু যা কাজের সরকারি ফি ২০ টাকা
আমার বয়স ১৮ থেকে বেশি হওয়ার কারণে আমাকে ২০২৭ ব্যাচে পরিক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিবে তবে তাদেরকে এই কারণে ২৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছে যা তারা দাবি করেছে না দিলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ দিবে না 💔
সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগের কারণে যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে।
বি এম ডিসি রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য , হাইকোর্টের রায় থাকা সত্বেও জনপ্রতি পাঁচ লাখ টাকা করে দাবী করেছিলেন।
আমি সৌদি আরবে থাকি। আমি আমার সহধর্মীকে এ দেশে আনার জন্য। নিকাহনামা সত্যায়িত করার জন্য। যে কাজী বিয়ে পড়িয়েছেন তার সত্যায়নের প্রয়োজন ছিল। ডিসি অফিস থেকে সত্যায়নের জন্য তার কাছে মেসেজ করা হয়।কিন্তু তিনি কোন জবাব দিচ্ছেন না, তাই ৫ দিন যাবত অপেক্ষা করার পর, আমি ডিসি অফিসে আমার ভাইকে পাঠাই। এবং তাদেরকে বলার পর তারা বলে যে। কাজী সাহেব সত্যায়ন করতেই হবে। আমি ভাবলাম হয়তো টাকার জন্য করতেছে না। আমি ডিসি অফিসে টাকা দিতে চেয়েছি। কিন্তু তারা কোন টাকা নেয়নি। পরে আমি কাজির সাথে যোগাযোগ করি। কাজী আমার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা দাবি করে। যেখানে কোনো খরচ নাই। তারপর আমি নিষেধ করি আমি দেবো না। আরো দু-তিন দিন অপেক্ষা করি। পরে কিছু না করতে না পেরে। অনেক রিকুয়েস্ট করার পর তাকে ৪ হাজার টাকা দেই। এখানে শুধ
আমার বিবাহের পরে আমার স্ত্রীর ভোট নিজ এলাকায় স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ নিয়ে নির্বাচন কমিশন অফিস যাই। অত:পর অফিসের নিচ তলায় বসে থাকা অফিস সহকারীর কাছে কাগজটি দেখালে উনি আমার কাছে ৪০০ টাকা দাবি করে। তারপর জোড়াজুড়ি করে উনি ৩০০ টাকা আদায় করে নেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন অফিসারের কাছে গেলে উনি জানায় এখানে কোনো টাকা লাগেনা।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য সরকারি ফিস ১৫০০ টাকা পরিশোধ করার পর ও, এটা ভেরিফাই করার জন্য এস আই ১০০০ টাকা দাবি করলে, ৮০০ টাকায় সুরাহা হয়।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আনার জন্য গিয়েছি,আমাকে আনুষ্ঠানিক খরচের কথা বলা হয়েছে ১৯০০ টাকা দিতে হবে আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে এসেছি।
আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দরকার ছিলো।থানাতে গেলে আমাকে পুলিশ কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেই।সেখানে ডিএসবি ওরা বলে বিদেশে গিয়ে তো অনেক মাল কামাবা আমাদের কিছু দিলে সমস্যা কি?আমাকে বলে স্যারের সাইন করার জন্য ৫ হাজার লাগবে।তার পর আমার বাধ্য হয়ে দেওয়া লাগে।
পল্লী বিদ্যুৎ এর কাম্বার জন্য বিশ হাজার টাকা দিয়েছিলাম গত চার বছর উপরে হয়ে গেছে কিন্তু আমাদের কারেন্টের কাম্বাও দেয় নাই কিন্তু কালি তারিখ আর তারিখ করছে এখন পর্যন্ত আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি আমরা থানায় অভিযোগ করিনি কিন্তূ কোন বিচার পায়নি
আমাদের জমি কেড়ে নিয়েছিল নিয়ে আবার জমি ফেরত দেওয়ার জন্য টাকা ঘুষ নিয়েছে। গাইবান্ধা জেলার শাখাটা থানায় চন্দন পাট গ্রামের রেলগেটের 9একর জমি রেলের জমি খাস করে পরবর্তীতে সেটাকে আবার এক নম্বর খাস বানিয়ে নিয়েছে , বিচারপতির মাধ্যমে মামা বিচারপতি ছিল। একই ব্যক্তি গাইবান্ধা কোর্টের পেশকার ,জজ কোর্টে বিভিন্ন প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ খায় প্রত্যেকটা সেবা গ্রহনকারী নিকট হতে,থেকে।
আমাকে পুলিশ অফিসার ফোন দিয়ে বললেন সব ডকুমেন্ট নিয়ে থানায় আসেন আমি সমস্ত প্রমাণাদি নিয়ে থানায় গেলাম। আমার বর্তমান ঠিকানা যে থানায় আমরা সেখানে ভাড়া থাকি ১৭ বছর যাবত। একই থানায় আমাদের স্থায়ী ঠিকানা। উনি বলতেছেন দুইটাই একই হইতে হইবে নইলে হবে না। আমার পূর্বের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বর্তমান ঠিকানাতে ইস্যু করা। পরবর্তীতে উনি একটা রিপোর্টে লিখে বলে এখন ভাই ব্রাদার হিসেবে যা করবেন করেন। পুরাটা আমার রিস্ক এ দিচ্ছি। পরে ৫০০ টাকা দিতে হইছে। এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বর্তমান ঠিকানা তেই ইস্যু হইছে।
এলাকায় বিএনপি নেতা, আমার পরিবারের লোকজন কে অন্যায় ভাবে অনেক মারে। তারপরে অনেক হুমকি দেয়। তারপর আমারা থানায় মামলা নিতে গেলে, তদন্তে যায়। গিয়ে শাক্ষি সহ প্রমান পায়। পরে আমাদের কাছে টাকা নিয়ে পুলিশ চলে আসে। বলে থানায় আইসেন। পরে থানায় গেলে। বলে কোন মামলা নেওয়া হবে না।চলে যান। তখন আমরা বলি যে আমরা মামলা করবোই। তখন বলে টাকা লাগবে বিশ হাজার। কিন্তু সেটা সম্ভব ছিলোনা। পরে মুখ বুজে চলে আসতে হয়েছে। পরে এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান নাম মাএ শলিস ডেকে মিলিয়ে দেয়। কিছুদিন পরে আবার সেই নেতার পরিবার হুমকি দেয়।আগের মাইরের কথা মনে রাতে বলে। দরকার পরলে আবার মারবে। কিন্তু পুলিশ যদি চাইতো এটাকে একটা সহজ সমাধান করেনদিতে পারতো।
আরজেএসসিতে ফাউন্ডেশন/সোসাইটি নিবন্ধনে হয়রানি বন্ধে ১০ দফা দাবি আরজেএসসিতে একটি ফাউন্ডেশন বা সোসাইটি নিবন্ধনের সরকারি ফি মাত্র ২১,৭০০ টাকা। অথচ অনেক আবেদনকারীর কাছ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এখন NSI রিপোর্টও বাধ্যতামূলক নয়, তবুও দালাল ও ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই অনিয়ম বন্ধে জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। আমাদের দাবি শতভাগ অনলাইন নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সরকারি ফি ও সব চার্জ ওয়েবসাইটে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে। প্রতিটি আবেদনের জন্য অনলাইন ট্র্যাকিং নম্বর দিতে হবে। ফাইল কোন কর্মকর্তার কাছে এবং কতদিন আছে—তা অনলাইনে দেখা যাবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করতে হবে। সব সরকারি ফি ডিজিটাল পেমেন্টে গ্রহণ করে ই-রসিদ দিতে হ
প্রথমে বলি দিয়ে জায়গা দখল করে যারা উদ্ধারের জন্য ৫০০০০ টাকা দাবি করে না দিলে ক্ষতি করবে তার কারণে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে