চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের, ল্যান্ড সেকশন
হস্তান্তরের অনুমতির ক্ষেত্রে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ল্যান্ড সেকশন এর কর্মচারীগন জন্য মানুষকে কি পরিমাণ হয়রানি করে, বাস্তবে যদি আপনারা তদারকি করেন বুঝতে পারবেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হস্তান্তরের অনুমতির ক্ষেত্রে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ল্যান্ড সেকশন এর কর্মচারীগন জন্য মানুষকে কি পরিমাণ হয়রানি করে, বাস্তবে যদি আপনারা তদারকি করেন বুঝতে পারবেন।
একটা প্লান জমা দেওয়ার জন্য ১ লক্ষ টাকা দাবি করে।
লটারিতে ভূমি অফিস নির্মানের কাজ পেয়েছিলাম। কাজের চুক্তি করার জন্য অফিস খরচ হিসাবে ৫০,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করেছিল ইঞ্জিনিয়ার সাহেব, না দিলে চুক্তি ডিলে করতেছিল এবং নানা জটিলতা তৈরী করছিল। পরে, পরিশোধ করে কাজের চুক্তি করেছিলাম।
গার্মেন্টস শিল্পের জন্য আমাদের প্রায়ই ঢাকা বিমানবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি করতে হয়। গত এক বছর ধরে Dhaka বিমানবন্দরের ভেতর থেকে প্রতিটি প্যাকেজ খুঁজে বের করার জন্য আমাদের ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। সিঅ্যান্ডএফ (C&F) কর্মীরা সেখানে প্রবেশ করতে পারেন না, তাই পণ্য খুঁজে বের করার বিষয়টি শ্রমিকের ওপরই নির্ভর করে।
রাঙ্গুনিয়া থানার অন্তর্গত চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিটি মৃত্যু সনদ বাবদ ৩০০ টাকা করে দুইটির জন্য ৬০০ টাকা জমা নেন, কোন প্রকার রশিদ প্রদান করেনি। সরকারি গ্যাজেট মোতালেব যার ফি প্রতিটি ৫০ টাকা।
In every government sector. bribery has become a system without which getting any work done is virtually impossible. On the other hand, there is no choice but to pay bribes, nor is there any way to protest. Therefore, in the end, may our freedom to express these thoughts through your platform remain intact.
Sobkichu thik thakar poro amake badhdho hoye ei taka ghush dite hoyechelo.
ঘটনাটি ২০২৬ সালের ১০ আগস্ট থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে সংঘটিত হয়। আমার ভাই কম্বোডিয়ায় প্রবাসী এবং বর্তমানে সেখানে কর্মহীন অবস্থায় রয়েছেন। তিনি কম্বোডিয়া থেকে অন্য একটি দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এ কারণে তার একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হয়। পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের বিষয়ে আমরা যাত্রাবাড়ী থানায় যোগাযোগ করলে একজন এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তার সঙ্গে আমাদের কথা হয়। আমরা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জিজ্ঞেস করেন, অনলাইনে আবেদন করা হয়েছে কি না। আমরা জানাই যে, এখনো অনলাইনে আবেদন করা হয়নি এবং প্রক্রিয়াটি জানার পর আবেদন করার উদ্দেশ্যেই থানায় এসেছি। তখন ওই কর্মকর্তা বলেন যে, অনলাইনে আবেদনসহ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ তিনি করে দিতে পারবেন। এর জন্য তিনি ৭,০০০ টাকা দাবি
লাইসেন্স নবায়নের জন্য ঘুষ দাবি করেন।
একজন ডিএসবি কর্মকর্তা আমাদের বাসায় এসে আমার সব একাডেমি সার্টিফিকেট এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করার পর সরাসরি আমার বাবার কাছে ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে। যদিও আমার সব ডকুমেন্টস সঠিক ছিল। তারপরও বিভিন্নভাবে রাজি করিয়ে ৩৫০০ টাকা নিয়ে যাই।
পাসপোর্ট ও চাকরির ভেরিফিকেশনে পুলিশকে ঘুষ দিতে হয়েছিলো। আমাকে বাধ্য করা হয়েছিলো টাকা দিতে।
৩ টি সাবজেক্টের ভাইবা এক্সামের জন্য ৫০০ করে মোট ১৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছিলো। বলা হয়েছিলো এক্সটার্নাল স্যারদের নাস্তার টাকা। কিন্তু কয়েকজন স্যারের নাস্তার জন্য প্রতি স্টুডেন্টের কাছ থেকে প্রতি পরীক্ষায় ৫০০ টাকা নেওয়া অনেক বেশি, যেটা আমি ঘুষ হিসাবে বিবেচনা করছি।
nid কার্ড জরুরী ভিত্তিতে করা প্রয়োজন ছিল চাকরির সুবাদে। আমার এলাকায় না করে অন্য এলাকায় করতে হয়েছিল, এইজন্য ৫০০ টাকা নাকি দিতে হবে।
২০১৯ সালে অক্টোবর মাসে আমার প্রবাসে আসার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর প্রয়োজন পড়ে তারপর আমি থানায় যাই আপনারা বলেন 500 টাকা ব্যাংক স্টপ করতে এবং ৩৫০০ টাকা তাদেরকে দিতে এই ৩৫০০ টাকা না দিলে আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন থানা থেকে ট্যানেস্ফার হবেনা
বাড়ির নকশা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের টাকা পরিশোধ করতে হয়। যার কাছ থেকে যা নিতে পারে। আমি ফরিদপুর পৌরসভায় সব মিলিয়ে প্রায় 50000 টাকা বাড়তি দিয়ে প্ল্যান পাস করিয়েছি।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করা জন্য দিয়েছিলাম পরে ১০০০ টাকা লাগবে বলেছিল server নষ্ট এর কারণে সিলেট শহর থেকে সংশোধন করে আনতে হবে।
আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও আমার ফাইল এপ্রুভ করে দেওয়ার জন্য ১০০০ টাকা দাবি করে, অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরও আমার পরে আসা অনেক লোকের ফাইল এপ্রুভ হয় আমারটা হয় না। পরে আমি ৩-৪ ঘন্টা অপেক্ষা করার পর আমি বলি ভিডিও করে হেড অফিসে কমপ্লেইন করবো, তখন ফাইল এপ্রুভ করে দেয় চাপে পড়ে।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনে আমি সরাসরি একটি কলেজে নিয়োগ পাই। কলেজের কাগজপত্র চাইলে প্রথমে আমার কাছে কলেজের একজন শিক্ষক ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজ হাতে পাই। পরবর্তীতে শারীরিক অসুস্থতার জন্য আমার ছুটি নিতে হয়। বিনিময়ে কলেজে আমার পরিবর্তে একজন ক্লাস নিবে এই মর্মে আমার ছুটির চারমাসে মোট ২৪ হাজার টাকা প্রদান করতে হয় (প্রতিমাসে ৬ হাজার)। পরে জানতে পারি উনারা ১ মাসের জন্য শিক্ষক নিয়েছিলেন, বাকি ৩মাসে এমনি টাকা নিয়েছেন। পুনরায় আমি কলেজে যাওয়া শুরু করলে কলেজ কতৃপক্ষ আমার প্রথম ৫ মাসের বেতন দাবী করেন (২২ হাজার×৫মাস)। এখনও আমার বেতন হয়নি। একে তো বেতনের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছি, তার উপর বেতনের টাকা কতৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার মানসিক চাপ আর নিতে পারছিনা।
police clearance er verification korar somoy taka dabi kore, dite na caile negative report deyar humki dey. baddho hoye dichi
পর্চারে আবেদন করেছি। পর্চা পোস্ট অফিসে আসছে। কিন্তু গিয়ে আনতে হবে। দিয়ে গেলে টাকা দিতে হবে। একটা নিতে গিয়ে 50টাকা দিতে হয়েছে।