প্রতিবন্ধী ভাতা
সেবাটি ছিল প্রতিবন্ধীদের সহযোগিতা করা | কাগজপত্র সবকিছু ঠিক করে নিয়ে গিয়েছি কিন্তু তারা এখানে কুয়া য়া দিয়ে ঘুষ কালেকশন করে | কোন কিছু দরকার হলে বুয়ার কাছে যেতে হয় আর ওখান থেকে বউয়ের সাথে কথা বলে তার মানে ওদের সিস্টেম
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সেবাটি ছিল প্রতিবন্ধীদের সহযোগিতা করা | কাগজপত্র সবকিছু ঠিক করে নিয়ে গিয়েছি কিন্তু তারা এখানে কুয়া য়া দিয়ে ঘুষ কালেকশন করে | কোন কিছু দরকার হলে বুয়ার কাছে যেতে হয় আর ওখান থেকে বউয়ের সাথে কথা বলে তার মানে ওদের সিস্টেম
Today at Rampura Banasree Block C, I called and asked WASA for emergency water supply service as the main wasa pump of this area broke down. The wasa water truck came (6000L) and supplied the water and the cost was 600tk (written in the truck), but they wanted more, they said they get 1000tk for this, I paid 800tk
জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটি তে একাউন্ট ডিপার্টমেন্ট এ পিয়ন পদে চাকরি দিবে। টাকা দাবি করেছিল ১৬ লক্ষ টাকা। আমার ফ্যামিলির সামর্থ নাই তাই চাকরিটা ও হয় নাই। চাকরিটা অন্য একজন পেয়েছে।
আমার বাবা বেশ কয়েকবছর দেশের বাইরে ছিলেন তো উনি দেশে আসার পর ভোটার আইডি কার্ড বানানোর জন্য এপ্লাই করি পরিচিত এক ভাইয়ের সাহায্যে তো উনি আমাকে বললেন ভাই আপনি যদি আর্জেন্ট নিতে চান তাহলে ৫০০০ টাকা দিতে হবে উপজেলার এই কর্মকর্তা কে আর যদি টাকা না দেন তাহলে ২/৩ মাস সময় লাগতে পারে সাধারণ প্রসেসে হবে আমি অনেক কিছু বলার পরও হলো না দিতেই হবে আমিও না পেরেই টাকা দিয়ে দেই কারণ আমার আব্বুর আইডি কার্ডের খুব প্রয়োজন ছিলো উনার পাসপোর্ট বানানোর জন্য। এর কয়েকদিন পর আমার বোনের আইডি কার্ডের নামের একটি অংশ সংশোধনের জন্য এপ্লাই করি যা ২০০ টাকায় হওয়ার কথা কিন্তু তারা ৫০০ টাকা দাবী করে বসে রইলো না দিলে সংশোধন হবে না অপারগ হয়ে দিতে হলো। এই হলো আমার সোনার দেশের সোনার ছেলেদের অবস্থা প্রতি সেক্টরেই ঘুষ বানিজ্য।
৬ লক্ষ টাকা দিলে চাকরিটা তোকে দিবো
আমি আদালতে জমি সংক্রান্ত মামলা করেছি। ঘুষ না দিলে বিবাদীর নামে নোটিশ জারি হবে না।
ঘুষ নিয়ে আদালতের সংরক্ষিত রেকর্ড রুম থেকে ফাইল গায়েব করে দেওয়া হয় চট্টগ্রাম হাইকোর্টে
একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিলো থানায়। দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের তদন্ত করার ও প্রয়োজন পড়েনি। সেই অভিযোগটি প্রত্যাহার করার আবেদন করলে তিনি জানান সেটা প্রত্যাহার করতে হলে তাকে ১০০০ টাকা দিতে হবে। অনেক রিকোয়েস্ট করে ৫০০ টাকায় রাজি করে সেটা প্রত্যাহার করেছিলাম।
আউটসোর্সিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেছিলাম। প্রায় ২ মাস হয়ে গেলো কোন আপডেট না পাওয়ায় অফিসে যোগাযোগ করলে ৩ লক্ষ টাকা দাবী করা হয়। যুগ্ম-মহাপরিদর্শক ও আইজি কে দিতে হবে না হলে নবায়ন হবেনা। পরে ১ লক্ষ টাকা দিলে আমার ফাইলের কাজ শুরু হয়। যদিও এখনো লাইসেন্স পাইনি। বলতেছে প্রক্রিয়াধীন।
যোগ্যব্যক্তির লসিসেন্স নবায়ন করার জন্য ২ লক্ষ টাকা দাবী করেছে। বাধ্য হয়ে ১ লক্ষ টাকা দিবো বলেছি।
২০২৩ সালে আমি পাসপোর্ট করি। ওই সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল। যখন আমার পাসপোর্ট পুলিশের কাছে আসে। তখন আমাকে ফোন দেওয়া হয় । এবং আমাকে ফোন দিয়ে ডেকে নেয়া হয় । প্রাথমিক অবস্থায় আমার কাছে কোন টাকা না চাইলেও। পরবর্তীতে যখন শুনে আমার বাবা-মা বিদেশ থাকে। তখন ৫ হাজার টাকা দাবি করে। এবং আমাকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখে টাকা না দেওয়া পর্যন্ত।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পয়েন্টস্ম্যানম্যান পদে চাকরি করতাম। এরই মধ্যে প্রাইমারিতে চাকরি হয়। যে কারণে রেলওয়ে চাকরি ছাড়তে হয়। আইবাস কাটতে আমার আনুমানিক ৫০০০ টাকা খরচ হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে চট্টগ্রাম ডিভিশনের পাহাড়তলী রেলওয়ে স্টেশনের অফিসে।
আমি আমার নিকট আত্মীয়র জন্য পোস্ট অফিসের ডাক মাধ্যমে কাপড় সামগ্রি পাটাই। তারা পেকেজিং এর নামে ৫০০ টাকা নেয় আমার কাছে। যেটার প্রমান সরুপ বিল দিতে বল্লে তারা বিল দিতে অস্বীকার করে। বলে এটা নিয়ম এবং দিতে হবে।
গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার কাজে বরাদ্দ। ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। সেখান থেকে উপজেলা প্রকৌশলীকে ৬০ হাজার টাকা নগদ দিতে হয়। আর সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় সরকারি প্রকৌশল অফিসে। এটা কে আলাদা খাত হিসেবে যুক্ত করুন। আর এখানে মূলত ঘুষ দেয় ঠিকাদার তাই বিষয়টি সাধারণের আলোচনায় নেই!! শিক্ষা প্রকৌশল, এলজিআরডি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, পাবলিক ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্ট এগুলো প্রতিষ্ঠিত দুর্নীতিগ্রস্থ। কিন্তু এখানে সাধারণ মানুষের কাজ নেই, ঠিকাদার লেনদেন করে, সেও কম কাজ করে টাকা মেরে দেয়!!
নব্বই দশকের মাঝামাঝি চট্টগ্রামের একে খানের বিদ্যুৎ অফিসে মিটার আবেদন করি সম্ভবত 5 বা 7 হাজার নিয়েছে কিন্তু পেপারে লিখেছে 500 টাকা পরে 2021 সালে প্রিপেইড মিটার আবেদন করে ছেলে তখন নেয় 15 হাজার টাকা আর 2019 সালে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গ্রামের বাড়িতে মিটার আবেদন করি নিয়েছে 5000 টাকা বলেছে এক বছর লাগবে এই টাকায় 15 হাজার বা 18 হাজার দিলে পনের দিনে বিদ্যুৎ সংযোগ ও মিটার দিয়ে দিবে ,, আমার জমি রেজিস্ট্রি ও খাজনা আদায়ের অনেক ঘুষের রেকর্ড আছে প্রতিবেশী সহ অনেকের ক্রমান্বয়ে দেব পারলে
নারায়ণগঞ্জ এর বন্দর উপজেলায় মনারবাড়ি এলাকায় "কদম রসূল কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা" নামে ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে এবং টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। অথচ দা*লাল ছাড়া টাকা কোন ভাবেই উত্তোলন করা যাচ্ছে না। এই দা*লালদের মাধ্যমে ডিসি সাহেব নিচ্ছেন ৩%, ভূমি অফিস ও ৫ আসন এর এমপি নিচ্ছে ৩%, দা*লাল নিচ্ছেন ১-২% (মোট টাকা থেকে ৭%-৮% সর্বনিম্ন তাদের দিতে হচ্ছে) আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে জমির মালিকদের বিপদে ফেলে ২০% থেকে ২৫% ও ঘুস নেয়া হচ্ছে।
ওয়ারেন্টের আসামিকে না ধরে উল্টো তাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করে মামলার তথ্য দেয় আসামিকে মামলা তথ্য দেয় এবং আসামি নিজ বাড়িতে এবং নিজ এলাকাতে অবস্থান করার পরও থাকে ধরেনি চেকের মামলা ছিল আমি ওই অবস্থাতে আর্থিকভাবে নেই যে তাকে এত টাকা দিতে পারব
মিটার এর নাাম পরিবর্তন; মালিকের মৃত্যুর পর তার তার একমাত্র সন্তান/ ওয়ারিশ এর নামে করতে এ অর্থ চাওয়া হয়, এত টাকা চাওয়ার পর আর করা হয়নি। প্রায় পাঁচ /ছয় বছর আগের ঘটনা।
পুলিশের এসএই বলছিলো হারিয়ে যাওয়া ফোন উদ্ধার করতে টাকা লাগবে ৪০০০। টাকা দিলে ফোন খুঁজে দিবো
পাসপোর্ট সেম সেম আইডি কার্ড সোংসোদন করচিলাম বয়োস এ সমস্যা চিলো ৫বচর ব্যবদান, বিবিন্য অপিস এ গুরাগুরি করার পর উপজেলা নির্বাচন অপিসের লোক বলে ৮০০০০ টাকা লাগবে,, আমি বাদ্য হয়ে করতে হয়