কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের যোগ্য ব্যাক্তির সার্টিফিকেট নবায়ন
যোগ্যব্যক্তির লসিসেন্স নবায়ন করার জন্য ২ লক্ষ টাকা দাবী করেছে। বাধ্য হয়ে ১ লক্ষ টাকা দিবো বলেছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
যোগ্যব্যক্তির লসিসেন্স নবায়ন করার জন্য ২ লক্ষ টাকা দাবী করেছে। বাধ্য হয়ে ১ লক্ষ টাকা দিবো বলেছি।
২০২৩ সালে আমি পাসপোর্ট করি। ওই সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল। যখন আমার পাসপোর্ট পুলিশের কাছে আসে। তখন আমাকে ফোন দেওয়া হয় । এবং আমাকে ফোন দিয়ে ডেকে নেয়া হয় । প্রাথমিক অবস্থায় আমার কাছে কোন টাকা না চাইলেও। পরবর্তীতে যখন শুনে আমার বাবা-মা বিদেশ থাকে। তখন ৫ হাজার টাকা দাবি করে। এবং আমাকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখে টাকা না দেওয়া পর্যন্ত।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পয়েন্টস্ম্যানম্যান পদে চাকরি করতাম। এরই মধ্যে প্রাইমারিতে চাকরি হয়। যে কারণে রেলওয়ে চাকরি ছাড়তে হয়। আইবাস কাটতে আমার আনুমানিক ৫০০০ টাকা খরচ হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে চট্টগ্রাম ডিভিশনের পাহাড়তলী রেলওয়ে স্টেশনের অফিসে।
আমি আমার নিকট আত্মীয়র জন্য পোস্ট অফিসের ডাক মাধ্যমে কাপড় সামগ্রি পাটাই। তারা পেকেজিং এর নামে ৫০০ টাকা নেয় আমার কাছে। যেটার প্রমান সরুপ বিল দিতে বল্লে তারা বিল দিতে অস্বীকার করে। বলে এটা নিয়ম এবং দিতে হবে।
গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার কাজে বরাদ্দ। ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। সেখান থেকে উপজেলা প্রকৌশলীকে ৬০ হাজার টাকা নগদ দিতে হয়। আর সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় সরকারি প্রকৌশল অফিসে। এটা কে আলাদা খাত হিসেবে যুক্ত করুন। আর এখানে মূলত ঘুষ দেয় ঠিকাদার তাই বিষয়টি সাধারণের আলোচনায় নেই!! শিক্ষা প্রকৌশল, এলজিআরডি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, পাবলিক ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্ট এগুলো প্রতিষ্ঠিত দুর্নীতিগ্রস্থ। কিন্তু এখানে সাধারণ মানুষের কাজ নেই, ঠিকাদার লেনদেন করে, সেও কম কাজ করে টাকা মেরে দেয়!!
নব্বই দশকের মাঝামাঝি চট্টগ্রামের একে খানের বিদ্যুৎ অফিসে মিটার আবেদন করি সম্ভবত 5 বা 7 হাজার নিয়েছে কিন্তু পেপারে লিখেছে 500 টাকা পরে 2021 সালে প্রিপেইড মিটার আবেদন করে ছেলে তখন নেয় 15 হাজার টাকা আর 2019 সালে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গ্রামের বাড়িতে মিটার আবেদন করি নিয়েছে 5000 টাকা বলেছে এক বছর লাগবে এই টাকায় 15 হাজার বা 18 হাজার দিলে পনের দিনে বিদ্যুৎ সংযোগ ও মিটার দিয়ে দিবে ,, আমার জমি রেজিস্ট্রি ও খাজনা আদায়ের অনেক ঘুষের রেকর্ড আছে প্রতিবেশী সহ অনেকের ক্রমান্বয়ে দেব পারলে
নারায়ণগঞ্জ এর বন্দর উপজেলায় মনারবাড়ি এলাকায় "কদম রসূল কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা" নামে ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে এবং টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। অথচ দা*লাল ছাড়া টাকা কোন ভাবেই উত্তোলন করা যাচ্ছে না। এই দা*লালদের মাধ্যমে ডিসি সাহেব নিচ্ছেন ৩%, ভূমি অফিস ও ৫ আসন এর এমপি নিচ্ছে ৩%, দা*লাল নিচ্ছেন ১-২% (মোট টাকা থেকে ৭%-৮% সর্বনিম্ন তাদের দিতে হচ্ছে) আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে জমির মালিকদের বিপদে ফেলে ২০% থেকে ২৫% ও ঘুস নেয়া হচ্ছে।
ওয়ারেন্টের আসামিকে না ধরে উল্টো তাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করে মামলার তথ্য দেয় আসামিকে মামলা তথ্য দেয় এবং আসামি নিজ বাড়িতে এবং নিজ এলাকাতে অবস্থান করার পরও থাকে ধরেনি চেকের মামলা ছিল আমি ওই অবস্থাতে আর্থিকভাবে নেই যে তাকে এত টাকা দিতে পারব
পাসপোর্ট সেম সেম আইডি কার্ড সোংসোদন করচিলাম বয়োস এ সমস্যা চিলো ৫বচর ব্যবদান, বিবিন্য অপিস এ গুরাগুরি করার পর উপজেলা নির্বাচন অপিসের লোক বলে ৮০০০০ টাকা লাগবে,, আমি বাদ্য হয়ে করতে হয়
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন সরকারি ফি লিখা ছিলো ৫২৩০ টাকা। নবায়ন করতে এসেসমেন্ট অফিসার চেয়েছেন ৩৫০০০, যা আমি শেষপর্যন্ত ১৫০০০ দিয়ে করিয়েছি তাকে দিয়েই। তদ্রূপ ফায়ার লাইসেন্স সরকারি ফি আসে ৮০০০, দাবি করেছে ৪০০০০ আমি করেছি ২৮০০০ টাকা দিয়ে।
গ্যাসের লাইনে নাকি পানি জমেছে তাই গ্যাস আসছে না। পরিষ্কার করে দিলে নাকি গ্যাস আসবে। নবোদয় হাউজিং সোসাইটি, ব্লক সি, মোহাম্মদপুর। তিতাস গ্যাসের লোক পরিচয়ে ঘুষ দাবি করেছে
আমার বাসার ইলেকট্রিকাল লোড ছিলো ০২ কিলো ওয়াট, প্রয়োজন ছিলো ০৪ কিলো ওয়াট, অনলাইন এ দুবার আবেদন করি দুইবার ফি পরিশোধ করে আবেদন করেও দুইবার রিজেক্ট করে দেয়ই, ৭০০০ টাকা গুষ দিয়েও কাজটা হয় নাই, পরে পরিচিত উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন হয়
পুলিশের এসএই বলছিলো হারিয়ে যাওয়া ফোন উদ্ধার করতে টাকা লাগবে ৪০০০। টাকা দিলে ফোন খুঁজে দিবো
মিটার এর নাাম পরিবর্তন; মালিকের মৃত্যুর পর তার তার একমাত্র সন্তান/ ওয়ারিশ এর নামে করতে এ অর্থ চাওয়া হয়, এত টাকা চাওয়ার পর আর করা হয়নি। প্রায় পাঁচ /ছয় বছর আগের ঘটনা।
আমি ভোটার আইডি কার্ড বানানোর জন্য অনলাইনে আবেদন করি। আবেদন করার পর কপিগুলো নিয়ে নির্বাচন কমিশনার অফিসে যাই , জমা দেওয়ার জন্য,তারপর তারা দেখে সব ঠিক আছে তারপরও তারা বলছে প্রত্যয়ন পত্র লাগবে। তারা বলে সামনের সপ্তা প্রত্যয়ন কাগজ নিয়ে আসছে আবার আরেকদিন বলে আরেকটা কাগজ নিয়ে আসতে আবার আরেক সপ্তাহ বলে চেয়ারম্যানের সিগনেচার নিয়ে আসতে এভাবে অনেকদিন হয়রানি করার পর তারা বলে ২০০০ টাকা দেওয়ার জন্য আজকে জমা নিবে তারা
আমি কৃষি ব্যাংকের নন নিতে গিয়েছিলাম আমার কাগজ পাতি সব ঠিকঠাক আছে আমাকে বলছে লোন দেওয়া যাবে না পরে আর একজনকে নিয়ে গেলাম সেখানে তাই বলছে স্যার দেখে না কেন দেওয়া যাবে সব ঠিক আছে তবে স্যার বলছে লোন নিতে হলে ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগবে নয়তো হবেনা
অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করি পাসপোর্টে দেওয়া বর্তমান ঠিকানা রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা হতে। বর্তমানে কাজের প্রয়োজনে সাভারে থাকায় থানা থেকে ফোন দিলে চার ঘন্টা জার্নি করে কাগজ নিয়ে থানায় যাই। সেখানে আমাকে বাবার উপস্থিততে অদ্ভুত অদ্ভুত প্রশ্ন করা হয়, যেমন জমির পর্চা কই, বিদ্যুৎ বিল আমার মায়ের নামে কেন। বাবা হাবভাব দেখে তাকে এক হাজার টাকা দিতে যায়।সে ও নেওয়ার জন্য হাত বাড়ায়। এতে আমি বলি ঘুষ দিয়ে কখনো কিছু করিনি, এই কাগজ লাগবে না। এরপর ৪ঘন্টা জার্নি করে ফিরে আসি। পরদিন নাম পরিচয় গোপন করে থানা থেকে ফোন দিয়ে বলে আপনার আবেদনে ভুল ছিলো, আবার থানায় যেতে হবে। আমি বলি, ভুল হলে কাল বলতেন, কাগজ লাগবে না, থানায় যাবো না। একমাস পর অবশ্য ফোনে মেসেজ পাই, ক্লিয়ারেন্স হয়ে গেছে।
আমি প্রথমত একটা পুরাতন মামলার নকল তুলার জন্য আবরদন দেই। পরবর্তীতে সেই নথি বের করে দিবে বলে ২,০০০/= টাকা। আমি বলি ক্যান এত টাকা লাগবে? আমি তো নিয়ম মোতাবেক কোর্ট ফি প্রদান করেছি, বারতি টাকা ক্যান দিবো? পরে আমি নকল না নিয়েই চলে আসি।
আমার জন্ম নিবন্ধন কার্ড এর তথ্য ঠিক ছিল,,, কিন্তু অনলাইনে ভুল করে লিখেছে,, এখন সংশোধন করতে হলে টাকা লাগবে 3000 পরে আমি বলছি 1000 দিতে রাজি আছি,,, কিন্তু লাস্ট 2500 টাকা দিয়ে অনলাইন করতে হয়েছে,, আমাকে বলছে ঢাকা থেকে করে আনতে হবে,, তাকে দিতে হবে,, আমার টাকা নিয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব
৪ তলা বাড়ির পর ৫ম তলা বানিয়েছি। আমি নিজেই সব দেখাশোনা করছি এবং এসব বিষয়ে একদম নতুন। বিল্ডিংয়ের কাজ প্রায় শেষ হওয়ায় মিটারের জন্য অনলাইনে আবেদন করি, কিন্তু এতদিনেও কোনো খবর নেই। পরে পরিচিত এক বিদ্যুৎ মিস্ত্রিকে জানালে সে বলে এভাবে আবেদন করে বা অফিসে গিয়ে লাভ নেই, কেউ পাত্তা দেবে না এবং দালাল ধরতে হবে। ৪টি পুরোনো মিটার পরিবর্তন করে কার্ড মিটার করা আর ৫ম তলার নতুন মিটার দেওয়ার জন্য মোট ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়, যার মধ্যে ২৫,০০০ টাকা মিটার বাবদ আর বাকি ২৫,০০০ টাকা সরাসরি ঘুষ হিসেবে চায়। অন্যায্য এই ঘুষের টাকা দিতে না পারার কারণে ফ্ল্যাটের সব কাজ শেষ থাকার পরও মিটার না পেয়ে ঘর খালি ফেলে রাখতে হচ্ছে।