পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
দাবি করা টাকা না দিলে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওকে করবে,তাই ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দাবি করা টাকা না দিলে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওকে করবে,তাই ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
খুব সম্ভবত ২০১৫ সালে, একটা প্রজেক্টের জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (BMRC) থেকে মাত্র পাঁচ লাখ টাকা অনুমোদন পায় আমার প্রফেসর। আমি ছিলাম তার ছাত্র গবেষণা সহকারী। ওই পাঁচ লাখ টাকার চেক হস্তান্তরের আগে ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে যা আমি নিজের হাতে দিয়েছি। আমার প্রফেসর বলেছিলেন, "না দিয়ে উপায় নেই – নাহয় এই পাঁচ লাখ টাকাও পাবো না। রিসার্চ কী নিজের পকেটের পয়সা দিয়ে করতে পারবো?"
সরকারী নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতালের জন্য নারকোটিক লাইসেন্স নিতে হয়। আমি ২০১৮ সালে নারকোটিক লেইসেন্সের জন্য কাজ করি। এটি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের একটি সেবা। সে সময়ে নারকোটিক লেইসেন্সের সরকারী ফি ছিল ১২০০ টাকা। কিন্তু উক্ত লাইসেন্স পাওয়ার সরকারী সকল রিকয়ারমেন্ট পূর্ণ করার পরও লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছিল না। উল্লেখ্য নারকোটিক লাইসেন্স এর আবেদনের ফাইলটি আনমানিক ৮/১০ টি টেবিলে যায়। প্রত্যেকটি টেবিলেই বিভিন্ন পরিমান ঘুস দিয়ে ফাইলটি ছাড়াতে হয়। আমি লেইসেন্সের জন্য এক বছরের অধিক সময় দৌড়াদৌড়ি করেছি এবং বিভিন্ন টেবিলে প্রায় দুই লক্ষ টাকা খরচ করে অবশেষে লাইসেন্স পেয়েছিলাম। এর মধ্যে সরকার পেয়েছে ১২০০ টাকা। আমার মতে ‘মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর‘ দেশের অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্ত একটি দপ্তর।
কলকারখানা অধিপ্তর বগুড়া অফিস হতে লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য ৬০০০ টাকা চাওয়া হয়, যদিও সকল কাগজপত্র সঠিক ছিল। ৬০০০ টাকা চাওয়া হলে ৫০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর লাইসেন্স নবায়ন করে দিয়েছেন।
বয়স সংশোধন এর জন্য ৭০ হাজার টাকা চেয়েছে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অডিট অধিদপ্তর (PEAD) সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে (এমন অভিযোগে যা আপত্তিযোগ্য নয় এবং এমন কারিগরি বিষয়ে যা অধিদপ্তরের লোকজন বুঝতে পারে না) রাষ্ট্রমালিকানাধীন সিরাজগঞ্জ পাওয়ার প্লান্টে অডিট আপত্তি দেয় এবং তা নিষ্পত্তির শর্তে ২০২৫ সালের শেষদিকে ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ টাকা) ঘুস নেয়। তারা বলে "আপনাদের সবই ঠিক আছে তবে কোথায় যেন একটু গ্যাপ রয়ে গেছে"। ইনিয়েবিনিয়ে তারা ঘুস দাবি করে। এরপর নানারকমহয়রানির ভয় দেখিয়ে ঘুসের টাকা নেয়।
৯৯৯ এ নাকি আমি কল করেছি,কিন্তু আমরা কেউ কল দেই নি। তারপর সদর ফারি থেকে টহল পুলিশ এসে বলে তাহলে টাকা দেন আমদের গারি নিয়া আসসি খরচ হয়েসে।১০০০০ টাকা নিয়েসে
হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রশংসাপত্র(Testimonial) গ্রহণ করতে গিয়েছিলাম। সরকারি নিয়মানুযায়ী কোনো প্রকার অর্থ দেওয়ার কথা না। কিন্তু প্রশংসাপত্র নিতে সকলকে ৳১০০ করে পরিশোধ করতে হয়েছে।
লাইসেন্স নবায়নের জন্য গিয়েছিলাম। নবায়ন কৃত চালানোর বাহিরে আরো ৪০০০০ টাকা দাবি করে। পরে ৩৬০০০ টাকা দেওয়ার বিনিময়ে লাইসেন্স নবায়ন করে দেয়।
চট্রগ্রাম অফিসের প্রতিটা ইন্সপেক্টর ফ্যাক্টরিতে গিয়ে বয়লার ইন্সপেকশন পাশ করানোর জন্য টাকা নেয়। এদের ঘুষ নেওয়ার সিস্টেম আলাদা। এরা সরাসরি না নিয়ে এদের আন্ডারে কন্ট্রাক্টর আছে তাদেরকে বয়লার মেইন্টেনেন্সের কাজ, হাইড্রোলিক টেস্টের কাজ, কেমিকেল ডি-স্কেলিং এর কাজ করাতে বলে। আর কন্ট্রাক্টর অতিরিক্ত বিল নেয় নিয়ে ইন্সপেক্টর কে সেখান থেকে ভাগ দেয়। কেমিকেল এর ব্যাবসায়িদের মাধ্যমেও এরা ঘুষ নেয়। একটা বয়লারের জন্য এক্সট্রা ১ লাখ থেকে ৩ লাখ পর্যন্ত এরা ঘুষ নেয়।
Even though ,my Dad is a renowned Police Officer,He had to pay 10,000 BDT onwards in order to cancel his transfer certificate from khulshi Police station to another police station in Chittagong on 19th of June,1994 due date,attenuated to the stance that there's a huge syndicate in Government's transfer protocol all over the country!
আমি বিদেশে গমনের উদ্দেশ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করি। তারপর আমি থানায় কাগজ জমা দিতে গেলে পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে বলে যদি টাকা দেন তাহলে কাজ দ্রুত হবে না দিলে দুই মাস বা তার বেশিও লাগতে পারে। তিনি আমাকে প্রমাণস্বরূপ অন্যান্য ফাইল ও দেখিয়েছেন যারা টাকা না দেওয়ার ফলে ছয় মাস পূর্বের আবেদন এখনো থানায়। সুতরাং তিনি স্পষ্টই বলেন ঘুরেই টাকা দিবেন শেষে অযথা সময় নষ্ট না করে এখনই করে ফেলেন সবচেয়ে ভালো। তাই আমি আট হাজার টাকা দেই কিন্তু উনি ১০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন শেষ পর্যন্ত আমি সাত হাজার টাকা দিয়ে সমাধান করেছি। অথচ পুলিশ রাফি আমি অনলাইনে পেমেন্ট করেছিলাম। আমি প্রবাসীদের বিদেশে যাওয়ার ব্যাপারে সরকারের প্রতি এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি স্বচ্ছতা দাবি করছি। এবং আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে
Pani unnayan board (BWDB-Lalmonirhat )theke paoa ekti kaj er work order nebar agae sekhanker XEN tk dabi kore boshen and unake tk diyei kaj korte hoy r hosche.Ekhn uni local mp er shelter e obadhe corruption kore jaschen.Unar job Lalmonirhat branch e 2 years exceed korleo uni local mp er support niye sekhanei rajotto kortechen.
চাঁদপুর পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর নামে এলাকায় অনেক অনিয়মের অভিযোগ শোনা যায়। সরকারি মাটি কাটার প্রকল্পের মাটি বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ আছে, প্রায় লাখ টাকার হিসাব নিয়েও অভিযোগ আছে। গরিব মানুষের জন্য আসা রিলিফ নিয়েও অনিয়ম/চুরির অভিযোগ আছে। বিভিন্ন সরকারি রিলিফের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া গরিব মানুষের জন্য আসা কার্ড করে দেওয়ার সময় ৫০০ টাকা করে নেওয়া এবং সরকারি দুগ্ধভাতার সুবিধা নিজের সন্তানদের নামে করিয়ে নেওয়ার অভিযোগও শোনা যায়।
পেশকারকে বিচার কাজে স্বাক্ষীর নাম প্রদানে ঘুষ দিতে হয়েছে।
I applied for my retirement benefits, including gratuity and the Contributory Provident Fund (CPF), from the Bangladesh Agricultural Development Corporation (BADC). During the process, a BADC employee requested payment in exchange for providing the service. I paid the requested amount so that my retirement benefits could be processed and released.
আমি গত জুন জুলাই মাস থেকে ট্রেড লাইসেন্স করার জন্যে এপলাই করে আবেদনটি নিয়ে ইউনিউন পরিষদে যোগাযোগ করি। নিজস্ব যায়গায় ব্যবসায়ের স্থান হওয়ায় ব্যবসা স্থানের চুক্তিপত্র ছিলনা। এর পরিবর্তে যেকোন ধরনের ডকুমেন্ট নেওয়ার জন্যে বলি। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব বললো হবে না। পরবর্তীতে ২৭/০৮/২০২৬ তারিখে মেম্বারের মাধ্যমে যোগাযোগ করি। উনি জানালো ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ১৫০০০ টাকা ,প্যানেল চেয়ারম্যান ১০০০ টাকা, মেম্বার ১০০০ টাকা আর ট্রেড লাইসেন্স এর জন্যে ৫০০টাকা(মুল ফি ৩০০ টাকা) দিলেই পাওয়া যাবে। আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে আসি
৪ টি প্রোজেকটের ই সি সি (পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন) বাবদ ৫ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয় এবং ১ টি তে ৪ দিনের জন্য আরেকটিতে ২ মাসের জন্য নবায়ন মিলে। সরকারী কোষাগারে নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের পরেও আমাকে আমার দায়িত্ব পালনের জন্য দীর্ঘ আট (০৮) মাস ঐ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের পেছনে ঘুরতে হয়। অবশেষে কোম্পানি টাকা দিয়ে আমার মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা করে।
আমি একজন ভুক্তভোগী প্রবাসে যাওয়ার জন্য টাকা জমা দিয়েছিলাম সব ধরনের ব্যাংক স্টেটমেন্ট আছে ও দুইটি চেক আছে এবং স্ট্যাম্পিং লেখা আছে তা সবকিছু ডকুমেন্ট দিয়ে হবিগঞ্জ কোর্টে মামলা দায়ের করেছিলাম সেই ক্ষেত্রে শায়েস্তাগঞ্জ থানা এই মামলার দায়িত্ব পায় সেই সুযোগে সে আমার কাছ থেকে তদন্ত প্রতিবেদন কোর্টের মধ্যে জমা দেওয়ার নামে বারবার টাকা চায় আমি দ্বিতীয়বার টাকা না দিতে আগ্রহী হই এমনি অবস্থায় বর্তমানে পর্যন্ত আমার মামলা তদন্ত প্রতিবেদন ১০ মাস পার হয়ে গেলেও সে-ই তদন্ত প্রতিবেদন আজ পর্যন্ত হবিগঞ্জ কোর্টে জমা হয় নাই এই হচ্ছে সোনার বাংলার পুলিশ।
আমি অনলাইন প্রতারণার শিকার হই ২৫/০৮/২৬।ওইদিন বিকালেই অনলাইন অ্যাপ ব্যবহার করে ডিজি করি। তারপর আমার কাছে ম্যাসেজ আসে থানায় গিয়ে দেখা করতে হবে। আমি থানায় যায় ২৭/০৭/২৬ সকাল ১১ টার দিকে। দায়িত্বরত ডিউটি অফিসার জিডি গ্রহণ করার জন্য খরচ হিসেবে ৩০০০ টাকা দাবি করে। আমার অভিযোগ ই ছিল ১০,৮০০ টাকার। পরে আমি টাকা দিতে অসীকৃতি জানায়। সে বলে তাহলে সে জিডি গ্রহণ করবেনা।