এলজিইডি লাইসেন্স করোন
আমি লাইসেন্স টাকা মারতে গেলে বেশি টাকা দাবি ও যারা টাকা দেয় তাদের লাইসেন্স দ্রুত প্রদান করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি লাইসেন্স টাকা মারতে গেলে বেশি টাকা দাবি ও যারা টাকা দেয় তাদের লাইসেন্স দ্রুত প্রদান করে
নাশতা না খেলে স্বাক্ষর হয় না রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজে সনদ নিতে এসে — শুনল, “নাশতার ব্যবস্থা করেছেন?” সে অবাক সরকারি কাগজে স্বাক্ষরের জন্য আবার নাশতা কেন? পাশের একজন ফিসফিস করে বলল, “এখানে এটাই নিয়ম টাকা দিলে কাজ হয়।” — দেখল, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কখনো নাশতা, কখনো মিষ্টি, কখনো চা-খরচের নামে টাকা নেওয়া হচ্ছে। আরও ভয়ংকর, কেউ কেউ চাকরিতে পদোন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় ডিগ্রির কাগজ টাকা দিয়ে কিনছে পড়াশোনা ছাড়াই। — ভাবল, ডিগ্রি যদি জ্ঞানের স্বীকৃতি না হয়ে টাকার বিনিময়ে কেনাবেচার পণ্য হয়, তবে ক্ষতি শুধু প্রতিষ্ঠানের নয় ধ্বংস হয় শিক্ষার মর্যাদা ও একটি প্রজন্মের বিশ্বাস।
শিক্ষার আড়ালে আরেকটি বাজার রাজশাহী কলেজের সার্টিফিকেট উত্তোলন করতে দাঁড়ালে মনে হয়, শিক্ষা শেষ হলেও পরীক্ষা শেষ হয় না। সার্টিফিকেট, মার্কশিট, প্রশংসাপত্র কিংবা অন্য কোনো কাগজ প্রতিটি কাজের সঙ্গে যেন যুক্ত থাকে অদৃশ্য এক মূল্যতালিকা। কেউ টাকা দেয়, কেউ “নাশতা” করায়, কেউ “চা-খরচ” বলে মেনে নেয়। প্রশ্ন হলো, পুরো সেকশনের এই সংস্কৃতি কি সত্যিই ব্যক্তিগত অনিয়ম, নাকি দীর্ঘদিনে গড়ে ওঠা একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা? আরও বড় প্রশ্ন, প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এভাবে টাকা নেওয়া হলে বছরে মোট অঙ্কটা কত? সংশ্লিষ্ট এত মানুষজনই বা এই টাকার কত ভাগ করে নেন? হিসাব করলে কি অঙ্কটি কয়েক লাখ, কয়েক কোটি নাকি তারও বেশি? যদি সবই নিয়মসঙ্গত হয়, তবে প্রকাশ্য তালিকা ও হিসাব দিতে আপত্তি কোথায়?
গতবার যখন লাইসেন্সটা করেছিলাম তখন ৮০০০ বর্গফুটের লাইসেন্সের জন্য জমা ছিল ১০০০ টাকার সামান্য কিছু বেশি। কিন্তু আমাদেরকে ঘুষ সহ বাধ্য হয়ে আট হাজার টাকা প্রদান করতে হয়েছিল। এবার লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে বলে যে নতুন নিয়ম হয়েছে সব লাইসেন্সের ডিজিটাল করতে হবে । সেজন্য পুরাতন লাইসেন্স প্রথমে নবায়ন করতে হবে নবায়ন সেটা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়ে আবার ডিজিটাল লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। সব মিলিয়ে খরচ হবে ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে শুধু নতুন লাইসেন্সের জন্যই নাকি জমা দিতে হবে ১২০০০ টাকা। যদিও আমি এটা আপাতত মুলতুবি রেখেছি, কিন্তু ফ্যাক্টরি চালাতে হলে আমাকে লাইসেন্স নবায়ন করতেই হবে। এছাড়া ব্যাংকের ওডি কন্টিনিউ করতে হলে ফায়ার লাইসেন্স অবশ্যই নবায়ন করতে হবে। এখন কি করব বুঝতে পারছি না!
এটা আমার পাশের বাসার ঘটনা। এটি ডিপিডিসির অধীনে একটি এলাকা। রাতে বৈদ্যুতিক পিলার হতে বাসায় যে তার দিয়ে কানেকশন দেয়া হয়, সেটা চুরি হয়। এই তার লাগায় দেয়ার জন্য ডিপিডিসি লোকজন ৩০০০০টাকা দাবী করে। আবার আমি অন্য মিস্ত্রি যদি কানেকশন দিতে যাই, তারা মামলা করার কথাও বলে।
এমপিও ও বিল করে দেওয়ার বিনিময়ে টাকা চেয়েছে প্রধান শিক্ষক, টাকা দিবো বলে কাজ করিয়ে নিয়েছি। এখন টাকা চাচ্ছে; কিন্তু আমি দিবো না এক টাকা ও। যদিও আমার অনেক কাগজ তার কাছে আটকে আছে। এরা অনেক জঘন্য ও নিলজ্জ।
বিল করে দেওয়ার পর টাকাটা সে গিফট হিসেবে চাচ্ছিলো এবং বারবার বিরক্ত করছিলো। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে দিয়েছি বিরক্ত হয়ে।
প্রধান শিক্ষক উচ্চতর গ্রেড এর আবেদন এ স্বাক্ষর করবেন, তাই চা-পানির টাকা নেয়েছেন।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ডিজিটাল ভাবে নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদ, চারিত্রিক সনদ, ট্রেড লাইসেনস পত্র আবেদন করলে সরকারি ভাবে অর্থ নিয়ে থাকে তা ছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক অতিরিক্ত টাকা বা অর্থ নিয়ে থাকে ইউনিয়ন পরিষদ। যাহা নাগরিকগন দিতে বাধ্য থাকে কারণ তার ۱۰۰-۱۰۰۰ টাকা নিলেও তার জন্য সনদটি কাজে লাগবে। অনেকবারে আমরা এই অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে নিষেধ করেছি কিন্তু কে শোনে কার কথা। দিনে শত শত জনগনের নিকট হতে আনুমানিক প্রায় ۲۰ থেকে ۳۰ হাজার টাকা অবৈধ উপার্জন করছে ইউনিয়ন পরিষধ দেখার কেউ নেই।
নাগরিক সনদের রশিদ সহ ۳۰ টাকা নেয়ার পর আবেদন পত্র জমা দানের সময় আরো ۵۰ টাকা দাবি করে নেয় এই টাকার রশিদ চাইলে তারা রসিদ দেয় না, এবং নাগরিক সনদ উঠানোর সময়ও ۵۰ টাকা দাবি করে।
I live in Australia. I had to do police clearance for my visa. I did it online first. They call me in my watsapp. They told me it cant be done. He asked 30000bdt first. At the end we agree 10k and he did it within 3 days. Next i had to do for my wife as well. He knows i had to do it, cause i dont have option. He charge me 16000 for the wifes one. I dont want to publish any name. But its from dampara police station.
আমার ফার্মেসীর জন্য ড্রাগ লাইসেন্স করেছিলাম, সরকারি ফি: ۱۷۰۰ টাকার মতো ছিলো। কিন্তু তাড়াতাড়ি হওয়ার জন্য ওই অফিসার পিয়ন মারফতে ۱۵۰۰۰ টাকায় কন্টাক্ট করে। পরে ۱ মাসে হয়ে যায়,যেখানে অন্যরা ۸-۱۰ মাসে পেয়েছিলো
ভিসা সংক্রান্ত কাজে ১০ দিনের মধ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন ছিলো। সকল নিয়ম মেনে পলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন করে সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরেও ১মাস আমার ক্লিয়ারেন্সের আবেদন পেন্ডিং থাকে এবং সেখানে যোগাযোগ করলে তারা আবেদন্টি ডিক্লাইন করে এবং আবার আবেদন করতে বলে। যথারীতি দোকানীর ফি দিয়ে আমি আবার আবেদন করি এবং দায়িত্বরতদের হাবভাব দেখে থানায় ৫০০টাকা অতিরিক্ত প্রদান করলে আমার ভেরিফিকেশন স্টেজ কম্পলিট হয়। ফলে আমি মোট ৪০ দিনেরও বেশি সময় পরে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাই। এতে আমার ভিসার কাজটি পিছিয়ে যায় ফলে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হই।।
নাবিক হইতে গেলে 10 লক্ষ টাকা দিলে নাবিক হওয়া যায়। 10 লক্ষ টাকা না দিলে কিছুই হওয়া যায় না। এখানে সবার মুখে নাবিক হইতে 10 লাখ। প্রকাশ্যে এমন ঘুষ বাণিজ্য সত্যিই হতাশা জনক। হাজার হাজার যুবকদের স্বপ্ন এভাবে চোখের সামনে শেষ হয়ে যাচ্ছে।
বিদেশে পড়াশোনা করতে যাবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেবার জন্য সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন ছিলো। আমার এনআইডি কার্ডের বর্তমান ঠিকানাতে ওয়ার্ড ভুল থাকার জন্য, এবং ঠিক করার সময় না থাকার প্রেক্ষিতে তারা আমার কাছে ৬০০০ টাকা দাবি করে। স্টুডেন্ট শোনার পর ৪হাজার টাকা ছাড়া ক্লিয়ার করবে না। সময় না থাকার জন্য তাদের টাকা পরিশোধ করে দিয়ে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট গ্রহণ করি
ভেরিফিকেশনের জন্য ১৫০০টাকা দাবি করেছিল, পরে ১০০০ টাকায় রাজি হয়।
আমি অনলাইনে আবেদন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নির্বাচন অফিসে যায়। সেখান থেকে জানানো হয় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। তখন আমি চেয়ারম্যানের কাছে ঘুরে আসি। চেয়ারম্যান এরকম কোন তথ্য দিতে রাজি হয়নি। আমাকে শেষ পর্যন্ত জানানো হয় নির্বাচন অফিস থেকে এরকম তথ্য দিতে নিষেধ করা হয়েছে তাকে। তারপর আমি আবার নির্বাচন অফিসে যায়। সেখানে এক দালাল আমার কাছ থেকে তিন হাজার টাকা নিলো এবং চেয়ারম্যানের আইডি কার্ডের ফটোকপি ছাড়াই কাজটি সম্পন্ন করেছিল। যদিও আবেদনপত্রের কোথাও লেখা ছিল না চেয়ারম্যানের আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। তাদেরকে এ কথা জানানোর পরও তারা বলেছে এই সংযুক্তি ছাড়া আপনার কাজ হবে না।
জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে গিয়ে পড়তে হয়েছিল এক বিভ্রান্তিকর ঘটনায়। ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করতে গেলে সরকার নির্ধারিত ফি-এর কয়েকগুণ বেশি টাকা দাবি করে বসেন কম্পিউটার অপারেটর। তার নির্ধারণ করা টাকা না দিলে আবেদন করে দিবে না বলে সরাসরি জানিয়ে দেন। পরে আমার নিজের আবেদন নিজেই করি। পরেরদিন সনদের জন্য গেলে আবারও আগের মতোই কয়েকগুণ টাকা ঘুষ চায় কম্পিউটার অপারেটর ও তার এক সহযোগী। কম্পিউটার অপারেটর জানান পরিষদের সচিব কিছু ভাগ পায়, পরবর্তীতে সচিবের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি আসল ঘটনা শেয়ার করেন, যা আমাদের ধারণার সাথে সম্পূর্ণ মিল পাওয়া যায়। কম্পিউটার অপারেটর একজন ঘুষখোর, চাঁদাবাজ।
আমার স্বামীর জন্ম নিবন্ধনে (পাসপোর্ট ও এনআইডির সাথের মিল রেখে) বয়স সংশোধন, দশ হাজার টাকা দিলে করে দেওয়া যাবে। আমি অন্য উপায়ে নতুনভাবে জন্ম নিবদ্ধন করিয়েছি।
অর্পিত সম্পত্তির "ক" তফসিল মামলার রায়ে (ডিগ্রী/রায়ের সার্টিফাইড কপি) অসংখ্য বানানে ভূল (কর্ণিক ভূল ) তাই সংশোধন করতে ৩০ হাজার টাকা দাবি করসে আমি দেই নাই। কিছু কম বেশী করতে বলে সংশোধন করতে বলেছিলাম রাজি হয় নাই। এইসব কি ইচ্ছাকৃত ভূল কারণ মামলার দলিল ও অনান্য কাগজপত্র, ঠিকানা সহ মামলার আমমোক্তারনামাতে কোন প্রকার ভূল নাই। কিছু বলার ভাষা নাই।