স্থানীয় নির্বাচন কমিশন অফিস
আমার জাতীয় পরিচয় খুঁজে বক্স থেকে বের করে দিতে ৫০০ টাকা দাবী করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জাতীয় পরিচয় খুঁজে বক্স থেকে বের করে দিতে ৫০০ টাকা দাবী করে
ভোটার আইডি কার্ডে নামের একটা অক্ষর ভুল ছিলো,সংশোধনের জন্য ৪ মাস আগে আবেদন করার পর ও সংশোধন হয়নি,,,পরে নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করলে তারা এই টাকা দাবি করে
He said police will do that for free but for special service we need to contact one of the employees and pay 500-1000 taka. And they'll search for my friend's lost friend seriously if we do that🤣
for police verification certificate Mirzapur thana demanded 1000 taka. later on i paid 500 taka.
আমার পিতার নাম হওয়ায় সংশোধন এর আবেদন করা হয়। দুইবারের দুইবারই রিজেক্ট হয়। পরে রাজশাহী নির্বাচন অফিসের এক ব্যাক্তি সম্পূর্ন প্রসেস করে সংশোধন করার বিনিময়ে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। অগত্যা না করেই ফিরে আসতে হয়।
আমার মায়ের বিধবা ভাতার জন্য আমাদের ইউপি মেম্বার, আমার কাছ থেকে ৭৫০০ টাকা নিয়েছে। এবং আমার জানা মতে সে বিগত ৫ বছর যত সরকারি অনুদান পাওয়ার জন্য প্রতিটি মানুষের নিকট থেকে ২০০০থেকে শুরু করে ৮০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়েছে। এই ৫ বছরে সে মিনিমাম ১২-১৫ লক্ষ টাকা ঘুশ নিয়েছে
আমার একটি সিম আছে, যেটি এক বছর বন্ধ থাকার কারণে ব্লক করে দেয়, সেটি পুনরায় চালুর জন্য BTRC তে আবেদন করেছি, আমাকে দীর্ঘ সাত মাস অপেক্ষা করানোর পরেও সিমটি ফেরত দেয়নি। পরবর্তীতে আমার কাছে টাকা দাবি করে, আমি দিতে অস্বীকার করলে তারা আমাকে সিম দেবে না জানিয়ে দেয়। আমার নাম্বারটি হল রবি নাম্বার এবং লাস্টে —.
কলকারখানা অধিদপ্তরের অনুমতি নিতে ১৫০০ টাক সরকারী চালান জমা দিতে হয়। এটি যদিও অলাইন মাধ্যম দেওয়া আছে কিন্তু আপনি কোন প্রকার অনলাইন আবেদন বা চালান দিতে পারবেন না। এটি পুরাপল্টন আজাদ প্রডাক্টস এর গলিতে, ঢাকা অফিস এসে তাদের নিদ্রিষ্ট অফিসারের মাধমে অনলাইন করে তার সাথে কন্ট্রাক্ট করতে হয় ১৫০০ টাকা চালানের কাজটি তারা আপনার কাছ থেকে ৫০,০০০- থেকে ৬০০০০ টাকা চাইবে আপনার এর মধ্যে কাজটি করতে হবে। এর কোন প্রতিকার নাই-
I would like to correct my wife's NID. Before the application, they wanted 25,000 BTD, but I applied formally. After applying, they demanded 35,000 for the correction.
যেকোন লাইসেন্স নবায়নের জন্য জমা দেওয়ার পর পরই নানানভাবে ঘুষের টাকা প্রদানের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়। ঘুষের টাকা পরিশোধ না করলে তখন কাজের দীর্ঘসূত্রিতা শুরু করে এবং নানারকম হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। এক পর্যায়ে সরকারি অফিসের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মচারী, কর্মকর্তাদের কাঙ্খিত ঘুষের টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত কাজ উদ্ধার করা যায় না।
ট্রেনে বাড়তি জরিমানার ভয় দেখিয়ে টিটি (TT) ও তার সঙ্গে থাকা লোকজন (অ্যাটেনডেন্স ও পুলিশ) যাত্রীদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়—এটা যেন এখন সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। একদিকে অনলাইনে টিকিট পাওয়া যায় না, অন্যদিকে টিটি টিকিট বিক্রি না করে বাড়তি জরিমানার ভয় দেখিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে। সাধারণ যাত্রীদের হয়রানি করে এভাবে ঘুষ নেওয়া বন্ধ হওয়া জরুরি। ট্রেনের টিকিট ব্যবস্থা স্বচ্ছ করা এবং যাত্রী হয়রানি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
নতুন মিটার এর আবেদন করতে গেলে বলা হয়, নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করায় এখন মিটার পাবেন না। একটা পোল কিনে নিতে হবে। পোল কিনতে রাজি হয়ে বের হয়ে আসার পরে, একজন কর্মচারী আমার কাছে একটা এসে জানান যে, পোল কিনতে হবেনা। ১৫০০০ টাকা দিলে একটা পোলের ব্যাবস্থা করে দিতে পারবেন। পরে জানানোর কথা বলে মোবাইল নাম্বার নিয়ে চলে এসেছি।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে ইজিপিতে ১৪ লাখ টাকার ২টা ফার্নিচারের কাজ পাই। অফিসের সাবেসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আমার লাইসেন্সে কাজ পাইয়ে দিছে বলে ৭০০০০ টাকা চায়। এইটা নাকি অফিস খরচ আর এই টাকা না দিলে আমার লাইসেন্স থেকে কাজ বাতিল করে দিবে। তাকে ৫০০০০ হাজার টাকা দিয়ে ওয়ার্ক অর্ডার নিতে বাধ্য হইছি। পরে জানতে পারি অফিসের ভয় দেখিয়ে সে আমার থেকে টাকা নিছে।
অফিসের নামঃ Fish Inspection and Quality Control (FIQC) The main objectives of QC Lab, DoF, Chattogram are: * To support export/ import certification issued by Fish Inspection and Quality Control (FIQC) through providing credible test results and to ensure the quality of fish and fishery product for promoting exports and public health. * To ensure the quality of fish and fishery product for promoting exports and public health. কিন্তু এখানে যে কোনো কাজে গেলেই টাকাতো দেয়া লাগে উলটা মারাত্মক হয়রানি হতে হয়। পুরো ফিস এক্সপোর্ট কম্পানিগুলো এদের কাছে একপ্রকার জিম্মি। যেকোনো সার্টিফিকেট তুলতে গেলে টাকা তো দিতে হয় সাথে মনে মনে মাছ ও দিতে হয়। রিসেন্টলি উনারা আবার ঘুষের রেট ও বাড়াইসেন।
নতুন বিল্ডিং এর অনুমোদন নেয়ার জন্য গিয়েছিলাম সেখানে তারা সরাসরি বিল্ডিং অনুমোদন করিয়ে দেবে এই শর্তে ১৭ হাজার টাকা দাবি করে এছাড়া আর কোন রাস্তা নেই, সরকারি যে প্রসেসে বিল্ডিং অনুমোদন হয় ওই প্রসেসে আমাদের ইউনিয়ন পর্যায়ে কোন বিল্ডিং এর অনুমোদন দেওয়ার নিয়ম নাই তাই আমি বাধ্য হয়ে ১৭ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি।
DPHE এর সাব এসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার —। সে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলায় কর্মরত। সে প্রত্যেক ঠিকাদারের কাছ থেকে বিলের ২% টাকা আদায় করে নেয়। কোন ঠিকাদার দিতে না চাইলে তার সাথে খারাপ আচরণ করে। মিস্ত্রীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। কাজ বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি DPHE এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে একাধিক ঠিকাদার বারবার অভিযোগ করেছেন। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য শক্তির কারণে নির্বাহী প্রকৌশলী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। —ের এই অসদাচরণের কারণে অনেক ঠিকাদার কাজ না করে কাজ ফেলে রেখে চলে গেছে।
পাসপোর্ট সহ সমস্ত কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও প্রতিদিন যারা ভারতে যারা যায় তাদের প্রত্যেকেই বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য ৩০০ টাকা এবং ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য বাংলাদেশি অথবা ভারতীয় ৩০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়।
বিচারক কে দেবে বলে আইনজীবী আমার কাছে 20 হাজার টাকা দাবি করেছিল।
রেলওয়েতে জার্নির সময় মহানগর প্রভাতী ট্রেনের এটেনডেন্ট যারা কর্তব্যরত আছে তারা বিভিন্ন উপায়ে টিকেটবিহীন যাত্রীদের এসি স্নিগ্ধা এবং এসি কেবিন এসবে যাত্রী তুলতেছে এবং তারা প্রতিদিন এসব করি যাচ্ছে যার কারণে আমিও টেন্ডিং টিকেট কেটেও তাদেরকে টাকা দিয়ে এসি কেবিনে উঠি
নাম-— পদবি-পরিকল্পনা কর্মকর্তা অফিস-খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ NOC জন্য সরকারি ফি ৫৭০০ কিন্তু উনি রো বেশি ১০,০০০ টাকা চেয়েছে ।KDAতে নাকি ১৫,০০০ টাকার নিচে NOC পাওয়া যায় না । ওনার নিজের ২টা অফিস আছে ওখানে কাজ কন্টাক দিলে ফাইলে কোন সমস্যা হয় না । ওনার মামাকে দিয়েও একটি অফিস করিয়েছেন নিউমাকেট ।