গোপালদী পৌরসভা
বাবার আয় সনদ ছিলো যাহার জন্য চেয়েছিলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বাবার আয় সনদ ছিলো যাহার জন্য চেয়েছিলো
some dishonest court staff in District and Sessions Judge court, Madaripur have approached us demanding a bribe in exchange for proceeding with the case properly.My mother went to the court with her illness situation for knowing the condition of the case. The stuffs told her not to come today and come tomorrow. She was going to the court for 6 times. They show many excuses and told her come tomorrow again and again. In this way, my sicked mother is suffering a lot by their activities. And lastly on Wednesday (19.02.2025), they wanted 10000( ten thousand ) taka as bribe otherwise the files will be kept in Almirah and the order of Honorable high court will never be proceeded to the forward.
আমি স্বাস্থ্য ক্যাডারে কর্মরত। ২০২২ সালে উচ্চতর শিক্ষার উদ্দেশ্যে ডেপুটেশন এর জন্য আবেদন করেছিলাম যার জন্য সিভিল সার্জন এর ফরওয়ার্ডিং লাগে। কোন ঘুষ না দেওয়ায় ততকালীন নওগাঁ সিভিল সার্জন এর প্রধান সহকারী (অফিসে এদের বলে বড়বাবু) বিভিন্ন বাহানায় ১ মাস লাগিয়েছে। যেটা কয়েক মিনিটের কাজ। পরে জানতে পারি তাকে ৫০০টাকা দিতে হয়।
২০২২ সালে আমার অস্ত্রটি বাসা থেকে চুরি হয়ে যায়. মামলা করার পর চোরদের কে পাকড়াও করা হয়. কোর্ট ২০২৫ সনে চোরদের খালাস দেয়. অস্ত্র না থাকার কারণে তিন বছর লাইসেন্স নবায়ন করতে পারিনি. মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পর নবায়ন করতে আবেদন করলে, ডিসি অফিস গত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে তদন্তের জন্য পাঠান. তদন্তটি গত মার্চ মাসে শ্রীনগর থানায় যায়. থানায় যোগাযোগ করলে আজ আসেন কাল আসেন করতে করতে এই পযর্ন্ত.
ঢাকা, মিরপুর-১, শাহআলী/সাইনপুকুর এলাকায় অবস্থিত মানসী লেকভিউ কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ-এর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অত্যন্ত গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমাদের কাছে প্রাপ্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী অভিযোগ রয়েছে যে, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা একটি নির্দিষ্ট পক্ষ—আজমল গ্রুপকে সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে প্রায় ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা গ্রহণ করেছেন। আরও অভিযোগ রয়েছে যে, হাবিব গ্রুপের কাছেও সমপরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়েছে এবং অর্থ প্রদান না করলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আজমল গ্রুপকে বিজয়ী করার ব্যবস্থা করা হবে—এমন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। অভিযোগগুলো সত্য হলে এটি শুধু ঘুষ বা দুর্নীতির ঘটনা নয়; বরং একটি সমবায় সমিতির নিরপেক্ষ নির্বাচন, সদস্যদের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সমব
ঘটনাটি ছিলো ২০০৫ কি ২০০৬ সাল হবে। নতুন করে গ্যাসের লাইন সংযোগ করা জন্য, ঢাকার তিতাস গ্যাস অফিসে আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত আনুমানিক এক হাজার টাকা দিতে হয়েছিলো।
আমাদের এখানকার স্কুলে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ার সময় আমাদের টিচাররা আমাদের থেকে টাকা চার্জ করে। আমার ছোট ভাইয়ের ক্ষেত্রে আমার ৫০০০ টাকা বেশি দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করতে হয়েছে যেটার কোন ব্যয় খাত তারা দেখাতে পারেনি। আমাদের স্কুল এমপি ভুক্ত তারপরেও ছাত্রদের থেকে চান্দা উঠানো হয় ক্লাসের ফ্যান ঝুড়ি ক্রয় এবং বিভিন্ন কর্মকান্ডের জন্য যেটা স্যারেরা নিজেরা উঠায়। তার উপরে হেডমাস্টার নিচে সাজেস্ট করে যে তোমরা প্রাইভেট পড়ো আমাদের স্কুলের টিচারের কাছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বদলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসে আছে তারা, পাশের হার ফেইলের হার তাদের কোন কিছু যায় আসে না, ছাত্ররা জীবনে কি করলো না করল সেটাও তাদের কিছু যায় আসে না , দুইদিন বেতন দিতে দেরি হইলে ক্লাসে ঢুকতে দেয় না,পরীক্ষার হলে ঢুকতে দেয় না।
আমার এখনো আইডি কার্ড হয়নি,তো আমি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছি, তারপর আমি বললাম আমার আইডি কার্ড জুতো তৈরি করে দিতে পারতেন তাহলে অনেক উপকার হতো,তারপর আমার কাছে কাগজপত্র গুলি জমা নিল, তারপর বলল তোমার যদি আইডি কার্ড খুব দ্রুত প্রয়োজন পড়ে তাহলে সাত দিনের ভেতর আইডি কার্ড তৈরি করে দেওয়া যাবে, কিন্তু এর জন্য ২০০০ টাকা লাগবে, আর যদি দ্রুত প্রয়োজন না হয় তাহলে টাকা দিও না সমস্যা নাই, কিন্তু এর জন্য সময় লাগবে কমপক্ষে ৬ মাস থেকে এক বছর
আমরা টিকিট কাটে ছিলাম তিনটা এখন কাউন্টারে টিকিট না থাকার জন্য একটা টিকিট কাটতে না পারার জন্য সে আমাদের থেকে প্রচুর পরিমাণ অর্থ দাবি করে এবং আমরা তার প্রত্যাখ্যান করে মেন গেটের পুলিশের সাথে কথা বলেছিলাম এবং সে ticket checker সাথে কথা বলে আমাদেরকে ছেড়ে দিয়েছে আর পুলিশ ফাঁড়ি সামনে যে লোকটি দাঁড়িয়ে ছিল সে আমাদের থেকে অনেক অর্থ দাবি করেছে এটা শুধুমাত্র আমাদের সাথে না এটা অনেক লোকেদের সাথে তারা করে থাকে
ঢাকার একটা থানায় বদলির জন্য দেয়া হয়েছে। নেতা, সরকারের উচ্চ মর্যাদার একজন, আর পুলিশের সর্বোচ্চ পর্যায় মিলিয়ে।
দোকানে গ্যাস বিক্রি করার জন্য ফায়ার সার্টিফিকেট করতে পরিদর্শক ৪০০০ টাকা দাবি করেন। না করলে বিভিন্ন আইনি ঝামেলায় পরতে পারেন এমন ভয় দেখায়। আমি করিনি।
ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার মহেন্দ্রগাঁ গ্রামের বর্তমান মেম্বার — ও অন্য পাড়ার — হরিপুর ও রাণীশংকৈল এ ৬০০ গরিব পরিবারের নিকট থেকে ১ লক্ষ টাকা করে প্রায় ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেই। সৌদি সরকারের বাজেটে বাড়ি করে দেয়ার জন্য। এলাকায় ২-৪ টি বাড়ি করে দেয় আর কিছু বাড়ি ইট বা বালি দিয়ে মানুষকে বুজাই যে এটা সত্য বাজেট। কিন্তু কিছু বাড়ি করে ভাইরাল করে দিয়ে ৬ কোটি টাকা লুট করে উদাও। থানায় মামলা করেও লাভ হয় নি। এটা ২০২৩ সালের ঘটনা।
এক লোক আমার ৯৭ হাজার টাকা চুরি করে গায়েব হয়ে যায়। পুলিশে জানাই। যা যা করতে বলে পুলিশ করি। কিন্তু কোন লাভ হয় না। পরে আমাকে বলে যে ৩০০০০ হাজার টাকা তাদের খরচ দিলে তারা টাকা উদ্ধার করে দিবে। আমি রাজি হয় নি। এখনো আমি আমার টাকা পাই নি ।
আমার জরুরি কাজের জন্যে একটা নাগরিকত্ব সনদ দরকার, তাই আমি আমার গ্রামের বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদে সেটি নিতে যায়। সেখানে আবেদন ফরম তৈরি করার জন্যে কম্পিউটার অপারেটর চাই ৫০ টাকা আর চেয়ারম্যানের কাছে সেটা জমা দিয়ে সনদ নিতে চাইলে চাই ১০০ টাকা।
উপযুক্ত টাকা ঘুষ দিলে রিপোর্ট আমার পক্ষে দিবে
১ম: জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়ে বয়স সমস্যা হয়েছে ১ বছর পার্থক্য, বাড়াতে চেয়েছি ওনারা স্কুল সার্টিফিকেট চাইছে কিন্তু লেখা পড়া নাই সার্টিফিকেট পাব কোথায়, সে জন্য ৩০০০ টাকা চেয়েছে। সর্বশেষ ২৫০০ টাকা দিতে হবে। ২য়: স্কুল সার্টিফিকেট নাই তাই জন্ম নিবন্ধন হচ্ছে না, সেজন্য ৩৫০০ টাকা চেয়েছে। দুইটাই স্থগিত আছে। টাকা দেই নাই, জন্ম নিবন্ধন হয় নাই। সরাসরি টাকা চেয়েছে।
আমি আমেরিকা প্রবাসী। আমি জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য ৩০শে এপ্রিল নিউয়র্ক কনস্যুলেট অফিসে আবেদন করি এবং তারা উপজেলা নির্বাচনী অফিসে বাকি কাজ সম্পাদন করার জন্য বলে। উপজিলা নির্বাচনী কর্মকর্তার সাথে আমার রিলেটিভ যোগাযোগ করলে শুরুতে ১০,০০০ টাকা দাবি করে। তা পরিশোধ করলে পরবর্তীতে তালবাহানা শুরু করে এবং কাজ ঝুলিয়ে রেখে আরও ২০,০০০ টাকা দাবী করে।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য প্রতিফিস জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে এক হাজার টাকা করে নিয়েছিল তিন পিজ ৩০০০ টা নিয়েচে
থানায় ইভ টিজিং এর অভিযোগ দেয়ার পর পুলিশ তদন্ত করতে এসে টাকা চায়।
এই সমস্যাটা শুধু গাজীপুরে না। সারা বাংলাদেশের প্রতিটা আদালতেই। যে কোন মামলা/মোকদ্দমা দায়ের করতে গেলে সেরেস্তাদারদের টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা মামলা গ্রহণ করতে চায় না। প্রতিটা পদে পদে পিয়ন, পেশকারদেরকে টাকা দিয়ে কাজ করতে হয়। মামলার নকল তুলতে গেলে সরকারি ফি এর অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। না দিলে দেখা যাবে যে, কাগজ পেতে ঘুরাচ্ছে অথবা অনেক দেরিতে প্রয়োজনীয় কাগজ হাতে পাচ্ছি। দেওয়ানী আদালতের চাইতে ফৌজদারী আদালতে এর দৌরাত্ত্ব যেন আরো বেশি। প্রতিটা পদে পদে টাকা। টাকা ছাড়া কোন কথাই বলা যাবে না। অনেক আদালতের পেশকারদের ব্যবহারও অনেক জঘন্য। নূণ্যতম ১০০ টাকা থেকে শুরু করে লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয় আদালত পাড়ায়।