বাংলাদেশ রেলওয়ে বদলি
বাংলাদেশ রেলওয়ে তে বতলি হতে গিয়ে অফিস সহকারী দের দিতে হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে তে বতলি হতে গিয়ে অফিস সহকারী দের দিতে হয়েছে
আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সদস্য থানায় গিয়ে আমার পরিচয় দিয়েছি পরিচয় দেওয়ার পরেও তারা আমার কাছ থেকে টাকা চেয়েছে এবং টাকা নিয়েছে আবার বিবাদীর কাছ থেকেও টাকা নিয়েছে আমার সকল কাগজপত্র বৈধ থাকার পরেও বিবাদীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমাকে লাস্টে বলেছে এটা থানা কাজ না থানায় হয় এই এসব দেখা হয় না। আপনার যা করার কোর্টে গিয়ে মামলা করেন।
আমি BRTC BRSP প্রকল্পের একজন শিক্ষার্থী . আমাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য সিভিল সার্জন এর সাক্ষর প্রয়োজন হয় . কিন্তু আমাদের নারায়ণগঞ্জ এর সিভিল সার্জন প্রতি শিক্ষার্থী থেকে 100 টাকা ঘুষ দাবি করে যা সবাই দিতে বাধ্য হই .
নদীতে যেমন পানি বহমান, ঠিক তেমনি বাংলাদেশের BIWTA বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দূর্নীতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠান। পানিতেই টাকা। নদীতে বার্জ ইজারা দেওয়ার জন্য BIWTA র কর্মকর্তারা ২৫ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহন করেন।
আপানদের উদ্যেগ খুবই ভাল। দয়া করে এখানে ভিডি্র, ছবি এবং ভয়েস রের্কড আপলোড দেয়ার সিস্টেম রাখুন।
আমার বড় ভাইয়ের জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে গেলে ভোলা জেলার আফিসে প্রধান কর্মকর্তা আমার সাথে কোন কথা বলি নাই, পরে কম্পিউটার কর্মকর্তা বলেন স্যার ৪০০০০ টাকার কমে কাজ করবে না,তারপর বাধ্য হয়ে সংশোধন করলাম।
আমি বাংলাদেশ, ঢাকা,রাজশাহী বিভাব,সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ,উপজেলার চান্দাইকোনা,ইউনিয়ন বাসিন্দা। রায়গঞ্জ উপজেলার কার্যক্রম বা কর্মকান্ড- বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার প্রতিশ্রুতি। কাজের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারফ্যাইজার নিয়োগে আমাদের নয় টি ইউনিয়নে। প্রতি ইউনিয়নে বিশ জন করে নিয়োগ করা হয়। উক্ত নিয়োগে জন প্রতি ১০০০০/- দশ হাজার করে টাকার ম্যাধমে নিয়োগ সংকান্ত সুপারিশ করে। যাহা উপজেলা নির্বাহীকর্মক্তা মহাদয়কে উক্ত সুপারিশ কৃত নাম গুলো প্রকাশ করতে ব্যাধ করে। দৃরর্নীতি মৃল কারিগর রায়গঞ্ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি — ( সাবেক চেয়ারম্যান) তাহার সাথে বিএনপি, এমপির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। টাকার বিনিময়ে ১০০ দৃরর্নীতি সম্পন্ন হয়। দৃরর্নিতী টাকার পরিমান 1800000/ থেকে 2000000/ টাকা---
আমাদের বিল্ডিং এর অনুমোদনের জন্যে এই টাকা পে করতে হয়েছে।
পিরুজালী ইউনিয়ন পরিষদ সচিব নতুন ট্রেডলাইসেন্স আবেদন করলে আবেদনের সাথে বারতি ১০০০০.০০টাকা দাবি করেন। যাহার সরকারি ফি মাত্র ২০০০.০০টাকা এবং No Observation Certificate(NOC) জন্য ৫০০০০.০০ টাকা দাবি করেন। অথচ যার সরকারি ফি মাত্র ৫০০০.০০টাকা।
যেকোনো কাজ করতে গেলেই তাদের কাছে টাকা প্রয়োজন তাদের কথা মত টাকা না দিলে তারা কাজটা পেন্ডিং রাখে বা কাজটা করতে চায় না
সম্মানী একটা পাবে শুনার পর যখন আবেদন করতে গেছে তখন যারা এই আবেদন করে তারা বলতেছে আমাদের টাকা দিতে হবে নাহলে আবেদন করে দিবে না
যেখানে একটা নিবন্ধন খরচ ৫০ টাকা সরকারী নির্ধারিত ফি সেখানে বাবা মায়ের নাম ভুল বলে তারা ঠিক করে দিবে টাকা চাচ্ছে ৩ হাজার আর আমি দিতে সম্মতি হয় তবে দেইনি পরে দিবে বলছি
২০০০০ টাকা দাবি করেছিল, আমি সর্বশেষ ৫ হাজার টাকা দিয়ে কাজ৷ করালাম।
একজন কেনারি দাবি করে আর এটা সবাই জনে যারা পৌরসভায় বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদন করান। নাহলে ফাইল আগায় না। মাসের পর মাস যায় কোন অগ্রগতি ছাড়া। বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয় ঘুষ
আমি টিভি নিয়ে সদর ঘাটে যেতে সেখানে এক লোক বলে, ৫০০/ টাকা লাগবে, লেবার খরচ হিসাবে। কিন্ত আমি কোন লেবার নেইনি। তারা বলে কোন লেবার না নিলেও ৫০০/ দিতে হবে। পরে ২০০/ টাকা দিয়ে আমার নিতে হয়। এটা টার্মিনাল এর বিতর হয়েছে। আর এখনো হয় আমার জানা মতে
some dishonest court staff in District and Sessions Judge court, Madaripur have approached us demanding a bribe in exchange for proceeding with the case properly.My mother went to the court with her illness situation for knowing the condition of the case. The stuffs told her not to come today and come tomorrow. She was going to the court for 6 times. They show many excuses and told her come tomorrow again and again. In this way, my sicked mother is suffering a lot by their activities. And lastly on Wednesday (19.02.2025), they wanted 10000( ten thousand ) taka as bribe otherwise the files will be kept in Almirah and the order of Honorable high court will never be proceeded to the forward.
BMET FATHER NAME CORRECTION BMET JE KNO CORROCTION KORTE TK DABI KORE NA DILE CORROCTION KORE DAY NA OTHOSO EI BMET FREE SERVICE DIBE ORA PROBASHIDER 2500 TK O NAY ORA
আমি আমার বাচ্চা মেয়ের জন্য নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করে আবেদন কপি উক্ত ইউনিয়ন পরিষদ এ আইটি সেকশনে জমা দিলে আমাকে ৫০৳ এর একটা রিসিপ্ট ধরিয়ে দেয় কিন্তু বলে ১৫০৳টাকা দিতে। দেওয়ার পর একই ব্যাক্তি তার পাশের ডেস্কের ব্যক্তিকে দিয়ে দেয় এবং এটা কোথাও নথিভুক্ত হয়নি। আমাকে দেওয়া রশিধের বাইরের ১০০ টাকাই নগদে মেরে দেয় আমার সামনে। এমনভাবে বলে এবং এতো কাজের ব্যস্ততা দেখায় যেন তাদের কাছে আমাদের এসবের কোনোই মূল্য নেই। অনেকেই দেখছি এসব মূল্যবান কাগজ নিতে এসে এরকম রশিদের বাইরে দাবী করা টাকা কিছু না বলেই নিজ প্রয়োজনের কথা ভেবে দিয়ে দেয়। কিন্তু এটা তো সম্পূর্ণই ইলিগ্যাল।
আদালদের আদেশ লিখা সেরেস্তাদারে কাজ। কিন্তু চট্টগ্রামের ৩য় সিনিয়র সিভিল জজের সেরেস্তাদার আদেশ লিখার জন্য ৫০০ টাকা দাবী করে, আমি টাকা না দিলে উনি আদেশ না লিখে ফেলে রাখে। পরবর্তীতে আমি বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা ঘুষ প্রদান করি।
বাবার আয় সনদ ছিলো যাহার জন্য চেয়েছিলো