Passport renewal
They called me for police verification at Vatara police station, and I went there. Then, after verifying my identity, the verification officer asked me for money. This was totally wrong and unethical work. I do not support this.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
They called me for police verification at Vatara police station, and I went there. Then, after verifying my identity, the verification officer asked me for money. This was totally wrong and unethical work. I do not support this.
আসসালামু আলাইকুম আমি আমার পরিচয় গোপন রাখতে হবে, না হয় আমাকে মেরে ফেলা হবে, আমাদের সিলেট ৩ আসনে এমপি মহোদয় সাথে ৪ জন লোক থাকে হয়তো এমপি ও জানেনা, অরা প্রতিটি কাজে ঘুষ নিচ্ছে মোটা অংকের এদের নাম এক নাম্বারে —, —, —, —, সরকারি যেকোনো কাজ পাস করাতে হলে তাদের কে টাকা দেওয়া লাগবে গভীর নলকূপ প্রায় ২২০ এসেছে প্রতিটি নলকূপের জন্য ৫০০০০ করে নিচ্ছে এরা আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন ওই নলকূপ গুলো কোথায় দেওয়া হচ্ছে কার কার বাড়িতে দেওয়া হচ্ছে সব টাকাওয়ালা মানুষের বাড়িতে দেওয়া হচ্ছে ১০০% শুধু তাই নয় টিয়ার কাবিটা পজেটে প্রতিটি রাস্তায় এরা ঘুষ নিয়ে কাজ করে, দয়া করে দ্রুত পদক্ষেপ নেন এদের কারণে বিএনপি'র ত্যাগি কর্মরা দূরে সরে গেছে।
খুলনা সিটি মেডিকেলে নার্স, ক্লিনার এবং দারোয়ানদেরও আলাদাভাবে টাকা দিতে হয়। নার্স: ১,০০০ টাকার নিচে দিলে অনেক সময় খুশি হয় না। ক্লিনার: সকাল ও বিকেলের শিফটের ক্লিনার আলাদা। তাই এক শিফটে টাকা দেওয়ার পর আরেক শিফটে আবার টাকা দিতে হয়। একজনকে দিলে আরেকজনকে না দিলে তারা বলে, “আমি তো পাইনি।” দারোয়ানের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা। টাকা দিলে রোগীর সঙ্গে লোকজনের যাওয়া আসায় তেমন বাধা দেয় না। কিন্তু টাকা না দিলে বিভিন্ন নিয়ম দেখিয়ে আটকে দেয়। যেমন, একজনের বেশি ঢুকতে দেওয়া যাবে না। অথচ অন্যদের ২/৩ জন করে ঢুকতে দিলেও কোনো সমস্যা হয় না। এমনকি একজন মুরব্বি সরাসরি বলেই বসেছেন, “আপনারা না দেখলে আমরা কই যাব?” অর্থাৎ, টাকা না দিলে নিয়মকানুন দেখিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয় ।
ক্যাসিনো আমার মোবাইল এ লগইন নাই কিন্তু ইউটিউব এর এড লিংক এ ঢুকে ব্রাউজার এ ঢুকার ইতিহাস ছিল তা দেখে বিভিন্ন অযুহাতে চেকিং পোস্ট এ আমার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয় পুলিশ
নোয়াখালী LGED লাইসেন্স নবায়ন বাবদ ২৩০০ টাকা। কিন্তু হিসাবরক্ষন — ৩০০০ টাকার নিছে নেয় না। ২৫০০ টাকা দিলে বিভিন্ন রকম জটিলতা দেখায়
একটি অবিবাহিত সনদ সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত চার্জ ট্রেজারির মাধ্যমে পরিশোধ করে সুষ্ঠুভাবে আবেদন সম্পূর্ণ করি। তারপর পুলিশ ভ্যারিফেকিশনের নামে ৫,০০০৳ এবং ডিসি অফিস অনুদানের নামে ১০,০০০৳ চাওয়া হয়। আমি বাড়তি টাকা পরিশোধ না করে প্রায় ২মাস ডিসি অফিসে চক্কর কাটিয়ে ক্লানত হয়। পরবর্তীতে কোনো উপায়ন্তর না দেখে দাবীকৃত টাকা বিনা রশিদে পরিশোধ করি। — নামে একজন পুলিশ সদস্যকে ৫,০০০৳ এবং — নামে ডিসি অফিসে কর্মরত একজনকে ১০,০০০৳ টাকা পরিশোধ করার পর ২য় দিনেই আমি সনদ সংগ্রহ করি। — মোবাইল নাম্বার — — মোবাইল নাম্বার —
নোয়াখালী LGED লাইসেন্স নবায়ন বাবদ ২৩০০ টাকা। কিন্তু হিসাবরক্ষন ৩০০০ টাকার নিছে নেয় না। ২৫০০ টাকা দিলে বিভিন্ন রকম জটিলতা দেখায়। LGED তবে মোট ১৭০০ লাইসেন্স রয়েছে।
হারানো ফোন উদ্ধারের জন্য জিডি করে। পুলিশ ফোন পায় এবং ফোন নিতে গেলে উক্ত টাকা দাবি করে।
After correceting/reissuing my wife's birth certificate, they sent it for approval to the Jamalpur Sadar DC office. They demanded 1500 Tk. But finally I sent it via my political friend. But still now this correction has not been done yet.
উপায় নাই।।লাইসেন্স রিনিউ করতে হলে টাকা লাগবে, যতই আপনি কম্পলাইন থাকেন না কেন?? ফায়ার সাভিস একটা করাপ্টেড প্রতিষ্ঠান।।
ট্রেনের টিকিট স্ট্যান্ডিং, ১৭৫ টাকা। বেনাপোল এক্সপ্রেস। ঢাকা - ফরিদপুর। ট্রেন ছাড়ার আগে আমি প্ল্যাটফর্ম থেকে টিটি এর কাছে বললাম ভাই আমার ১ তে স্ট্যান্ডিং টিকিট দিন। উনি ভাড়া দ্বিগুণ চাইলো। বললাম ভাড়া তো এত না। বলল এটাই ভাড়া। আমাকে কোনো কারণ ছাড়াই জরিমানা টিকিট দিয়ে দিলো। যেখানে আমি তখনও ট্রেনে উঠি নাই। আমার কাছে এটা খুবই বিব্রতকর লাগলো।
ঢাকা থেকে চিটাগং যাবো। স্টেশনে যায় বলে টিকিট শেষ। পরে আনসার ইশারা করে বল্লেন টিটিক হবে ১০০০ টাকা লাগবে। দফা রফা করে ৮০০তে রাজি হলো। কিছু করার ছিলো না আমাকে ইমার্জেন্সি যেতেই হতো তাই যেতে বাদ্য হলাম।
নির্বাহী প্রকৌশলী, এর দপ্তর এল,জি,ই,ডি ফরিদপুর, এর ল্যাব এর দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী জনার — আমার একটি রাস্তার কাজের রিপোর্ট আটকিয়ে রেখেছেন এবং ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছেন। ঘুষের টাকা না দিলে আমার ফাইল ছাড়বেনা। আমার ফাইল ১ মাস ধরে আটকে রেখেছেন। এছাড়াও তিনি বেপরোয়া হয়ে বিভিন্ন ঠিকারের কাছ থেকে নিয়মিত ফাইল আটকিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। গোপনে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি
২০২৩ এর শেষ ভাগ পর্যন্ত বাসার পানির বিল আসতো ১৩০০+ টাকা। খুব বেশি ব্যবহার হলে ১৮০০ টাকা। হঠাৎ ২৩ এর শেষে বিল আসলো ১০ হাজার। তারপরের মাসে ১২ হাজার। ওয়াসা অফিসে গেলে তারা মিটার পরিবর্তন এর বুদ্ধি দেয়। তাও করা হলো। মাস খানেক বিল ৩ হাজার টাকা আসল। কিন্তু কিছুদিন পর আবার ৭/৮/৯ হাজার বিল আসা শুরু হলো। তারা সব শুনে, কমপ্লেইন লিখলো আর মিটার টেস্ট করে এবং সেটা তারা ঠিক করে লাগিয়ে দিয়ে গেলো। তার পরের ৩ মাস বিল আসলো ৪-৫ হাজার টাকার মতো। ওরাও বলল এমনি হবে। মেনে নিলাম। এর পর আবার শুরু হলো ৯-১০ হাজার টাকা বিল আসা। আবার তাদের ফোন দেওয়া হলে তারা বললো, তারদের ২ হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে বিল রাখবে ৪ হাজার এর মধ্যে। পরে সেটা মাসিক ১৫০০ টাকা চুক্তি তে রফা দফা হয়। গত ৫/৬ মাস ধরে বিল ৪০০০ টাকার আসে পাশে।
টাকা ছাড়া ফাইলের কাজ বন্ধ ছিল।টাকা দেওয়ার পর কাজ শুরু করে।
সময়ের কারনে স্টেশন থেকে টিকিট ক্রয় করতে না পারায় বিনা টিকিটে ঢাকা-রাজশাহী ট্রেনে ভ্রমন কালীন টিটির সাথে থাকা সহকারী আমাদের ৪ জন থেকে ১০০০ টাক্ ঘুষ দাবি করে এবং বলে আমাদেরকে ১০০০ টাকা দিলে স্টেশন পার করিয়ে দিব কিন্তু আমরা বলি আমাদেরকে ১০০০ টাকার রশিদ দিতে হবে। তখন টিটি সহ তারা বলে রশিদ নিতে হলে জরিমানা সহ ১৬০০ টাকা দিতে হবে এবং আমাদের থেকে ১৬০০ টাকা নিয়ে টিকিট দেন। তবে আমাদের আশেপাশে থাকা বিনা টিকিটের সকল যাত্রী থেকে তারা রশিদ ছাড়া টাকা নিয়েছে।
আইনের আশ্রয় নিতে গিয়ে যদি টাকার দাবি শুনতে হয়—তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? ছোট ছেলে বাবাকে মারধর করার অভিযোগ নিয়ে থানায় গেলে, ওসি নাকি বলেন—“২০ হাজার টাকা দেন, কোর্টে চালান করে দেই।” অভিযোগটি সত্য হলে এটি অত্যন্ত গুরুতর ও উদ্বেগজনক বিষয়। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। কোনো অভিযোগের ব্যবস্থা নিতে হলে তা আইন অনুযায়ী হবে—টাকার বিনিময়ে নয়। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা দাবি করছি।
২৩ আগস্ট আমি নিজের জন্য ও আমার ভাইয়ের জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করি। ২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৭ টার সময় এই — নাম্বার থেকে কল আসে, পরিচয়ে নাম বলে —। প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে আমাদের "মুকসুদপুর থানা, গোপালগঞ্জ" এ যেতে বলে। আমি এলাকায় না থাকায় আমার বাবাকে পাঠাই। তিনি আমার বাবার কাছে সরাসরি টাকা দাবি করে, বলেন "এই কাজ করতে খরচ আছে, খরচ দিতে হবে। আব্বু জিগ্যেস করে কতো টাকা,?" সে সরাসরি কোনো এমাউন্ট বলে না, বলেন " দশটা আবেদন না হলে আমরা জেলা এসবি অফিসে রিপোর্ট পাঠাই না, পাচটা আবেদন হয়েছে তাই পাঠাতে সময় লাগবে।" মানে সে ইনিয়েবিনিয়ে বোঝাতে চেয়েছে খরচ দিলে আমাদের রিপোর্ট দূর পাঠিয়ে দিবে। আব্বু তাকে সরাসরি কোনো তাকে টাকা দেওয়া প্রতিশ্রুতি দেয়নি। বলেছে কাজ করেন দেখবানে।
স্থানীয় সরকার প্রকোশল অধিদপ্তর এলজিইডি টাংগাইল এখানে ঠিকাদারী বিল নিতে গেলে অফিস পিসি ২% এবং ল্যাব টেষ্ট করতে টাকা নেওয়া হয় প্রতিসেট ১০০০০ টাকা। এই অফিস ঘুষের অভয়আরন্ম্য প্রকাশে ঘুষ চলে না দিলে হয়রানী
প্রতিবন্ধী ভাতা তিন মাসের ৯০০০ টাকা ছিল। কিন্তু সমাজ সেবা ঘুষ হয়৬০০০ টাকা হয়