New Voter Registration
নতুন ভোটার নিবন্ধন এর জন্য সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পর ও জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে দুইটা হওয়ার বলে একটা ডিলিট করা র জন্য পরে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে কাজটা হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন ভোটার নিবন্ধন এর জন্য সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পর ও জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে দুইটা হওয়ার বলে একটা ডিলিট করা র জন্য পরে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে কাজটা হয়।
আমার কাছে কিছু ডকুমেন্ট চেয়েছে যা অনেক আগের এবং বর্তমানে সব দুকুমেন্ট আমার আপ টু ডেট আছে। উনি ইচ্ছে করে আমাকে হেঁসেল এ ফেলে টাকা দিতে বাধ্য করেছেন। ২০১৪ সাল থেকে সকল কাগজ পত্র চেয়ে হয়রানি করে টাকা নিয়ে গেছেন।
আমি নতুন ভোটার হওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিস মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ কার্যালয়ে গিয়েছিলাম, অফিসের স্টাফ বললো এখন ভোটার করা যাবে না। আমি অফিসারের কাছে গেলাম, অফিসার আবার আমাকে পিউন এর কাছে পাঠালো, তখন পিউন আমার কাছে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা চাইলো। বললো স্যার বলছে আপনি টাকা দিলে ভোটার হতে পারবেন। এর মধ্যে অন্য একজন লোক আসলো ভোটার স্থানান্তর করার জন্য, তখন পিউন তার কাছে ৩৫০ (তিনশত পঞ্চাশ) টাকা দাবি করলো। লোকটি টাকা নাই বলে অনুরোধ করতে চাইলো কিন্তু পিউন এবং অফিস স্টাফ ধমক দিয়ে লোক থেকে সরিয়ে দিলো। আমাকেও অসহায়ের মতো চলে আসতে হলো।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য সরকারের নিয়ম অনুযায়ী সফল কাগজপত্র দিয়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সটি উপজেলা থানায় জমা দিয়েছি। কিন্তু দশ দিন অতিক্রম করার পরও আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স তিন নাম্বার স্টেপের তদন্ত দিন আছে, কিন্তু আমার নামে কোন প্রকার মামলা বা অপরাধ নেই। এ আগে যখন আমি একবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে দিয়েছি তখন আমার থেকে এক হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে এবং আমি তা না দিয়ে উনার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। যার প্রেক্ষিতে আমার মনে হচ্ছে আমি যখন এক বছর পর আবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য গিয়েচি তাই আমার কাজে বিলম্ব করা হচ্ছে।
GD ekti free sheba. GD korar por amr kase tk dabi kore and ami ta prottakkhan kori
দিনাজপুর জেলা নবাবগঞ্জ থানার নির্বাচন অফিসে আমি নতুন ভোটার হওয়ার জন্য যাই আমার একটা কাগজে অল্প একটু সমস্যা থাকার কারণে উনারা আমার থেকে ৩ হাজার টাকা দাবি করে আমার কথা হয়েছে টাকা দিয়ে যদি সমাধান হয় তাহলে তো এমনি ও সমাধান হয়তো!
আমি বনানিতে মেডিকেল করছিলালাম genarel ট্রাভেলস এর মাধ্যমে, বনানিতে মেডিকেল করে গেট দাওয়ানের ৪২০০০ টাকা দেইলাম মেডিকেল ফিট করতে দেওয়ার জন্য কিন্তূ আমার মেডিকেল ফিট করেনি ও টাকাও দেয়নি ২০১৭ সালের কথা এটা প্রবাসীদের মেডিকেল মিথ্যা করে ও টাকা খেয়ে ফিট করে এখানে লাখ লাখ টাকা ঘুস হয় এর পর অন্য ট্রাভেলস এর মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকা দিয়ে মেডিকেল ফিট করাই!
Digital NID কার্ড বিতরনের সময় আমি চাকুরির সুবাদে উপস্থিত হতে পারিনি। পরবর্তী সময়ে গ্রহণ করতে নির্বাচন অফিসে গেলে আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি দিতে অপরাগতা প্রাকাশ করায় আমাকে এন আই ডি কার্ড দেয়া হয়নি। অন্য যারা টাকা দিয়েছে তাদের এন আই ডি কার্ড পেয়েছে। পরে আর সংগ্রহ করার চেস্টা করিনি এবং পরবর্তী নির্বাচনে ভোট প্রদান থেকে বিরত ছিলাম।
মামলার নামে বাতিল করার জন্য টাকা চাওয়া হয়ে ছিল।
২০২২ সালের জুন মাসে রেলওয়ে সিআরবি অফিসে সাপ্লাইয়ার বিল নিয়ে সহকারি এফএএন্ডসিএও এর কাছে ১০লক্ষ টাকার বিল দিলে ওনি বলেন বিলে সমস্যা আছে দপ্তরে নিয়ে গিয়ে ঠিক করে আনতে হবে। এর মধ্যে আমি যখন ওনার এসিসটেন্ট এর সাথে কথা বলে ওনাকে টাকা দেয়ার জন্য রাজি হই তখনই ওনি সব বিলে সাইন দিয়ে ছেড়ে দেন।
আমার দখলীয় জমি তে ভূমি দশ্যূদের উৎপাতের কারনে ইউনিয়ন পরিষদে মামলা করি। মামলার শুনানি তে পেকুয়া প্যানেল চেয়ারম্যান — (বর্তমান বিএনপি নেতা) আমার থেকে টাকা নিয়েছে। তাছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার সহ প্রায় সবাই আমার থেকে টাকা নিয়েছে।
সেবাটি ছিল জন্ম নিবন্ধন, সরকারি ফ্রী ৬০ টাকা হলেও আমার কাছ থেকে ৩৬০ টাকা আদায় করে টাকা দিতে অসম্মতি জানাইলে একমাসের বেশি সেবাটি আটকে ছিল।পরে টাকা পরিশোধে একসপ্তাহের মাঝে নিবন্ধন টি হাতে পাই।তাদের ভাষ্য মতে অতিরিক্ত ৩০০ টাকা যিনি কাছটি কারছে ইনি ১০০ টাকা ইনি হল একজন গ্রাম পুলিশে বলতে গেলে দালান। দালাল ছাড়া গেলে কোন সেবা মিলেনা।আর ১০০ টাকা ইউনিয়নের কম্পিউটার অপারেটর বাকী ১০০ টাকা উপজেলায় যিনি অনুমোদন করে তার জন্য বরাদ্দ। এই হল প্রান্তিক পর্যায়ে ঘুষের অবস্থা।
ওয়ারিশন সনদপত্র নিতে গেলে পরিষদ সচিব 1000 টাকা দাবি করেন, টাকা দিতে রাজী না হওয়ায় সেবাটি দিতে অস্বীকৃত জানায়। এখন ঐ অবস্থায় আছে টাকা দিলে সনদ পাব, টাকা না দিলে সনদ পাব না। দেখার কেউ নেই।
নাম প্রকাশে প্রত্যয়ন পত্র করার জন্য সরকারি কোন ফি লাগেনা , তা সত্ত্বেও আমার ইউনিয়ন পরিষদে ফর্ম পূরণের জন্য ১০০ টাকা চায় ভিতরে কর্মরত কম্পিউটারে লেখালেখি করা ব্যক্তি, এর পর প্রত্যয়ন পত্র সিগনেচার করার জন্য আমার কাছে সব প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ২০০ টাকা সরাসরি চায়, চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা প্রশাসক এর সিগনেচার নিজে গিয়ে করে নিব বললে উনি মানা করেন , এবং বাধ্য হয়ে আমি টাকা দেই ।
—র জন্ম নিবন্ধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গেলে সেখানকার কম্পিউটার অপারেটর আমাকে বলে ৪০০/- টাকা লাগবে কিন্তু সরকারি নির্দেশ মোতাবেক শিশুদের জন্ম নিবন্ধন ফ্রী করে দেওয়া হয়। ওখানকার কম্পিউটার অপারেটর বলে টাকা না দিলে ওনি কোনো কাজ করে দিতে পারবে না আবার জন্ম নিবন্ধন না হলে —র টিকা দেয় না, তাই বাধ্য হয়ে ৩৫০/- টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন করেছি।
ধনুয়া থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস লাইন প্রকল্পের জন্য অধিগ্ৰহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ চার লক্ষ টাকা উত্তোলন এর জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। আমরা এত টাকা দিতে পারবোনা মর্মে জানালে আমাদের ফাইল রেখে দেয় এবং পরবর্তীতে আমাদের ফোন করা হবে এই বলে বিদায় করে দেয়, কিন্তু কবে নাগাদ আমাদের টাকা উত্তোলন করতে পারব তা জানানো হয় নাই। তারপর দেড় মাস পার হয়ে গেলেও আমাদের ফোন দেয়া হয়নি। ডিসি অফিসের এল,এ শাখায় জানতে গেলে কার্যক্রম চলছে বলে বারবার বিদায় করে দেয়।
পরিবেশগত অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জ অফিস থেকে লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না পেলে ফাইল পরে থাকবে। এবং এমন সব শর্ত আরোপ করে যে টা আমার কারখানার জন্য প্রযোজ্য নয়।
প্রায় দেড় থেকে দুই বছর আগের ঘটনা যখন আমি আমার পাসপোর্ট বানানোর জন্য নরসিংদী পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। তখন পাসপোর্ট এর সবকিছু ছবি কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরে আমার কাছে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ফোন করে বলে তুমি নরসিংদী পৌরসভার সামনে একটি পুলিশ ফারি আছে ওই জায়গায় তুমি এসে পড়ো আমি তখন ওই জায়গায় গেলাম যাওয়ার পর — নামের একজন পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে বলে যে তোমার যদি কিছু পেতে হয় তখন আমাকে কিছু দিতে হবে আমি বুঝতে পারছি যে উনি ঘুষ চাচ্ছি কিন্তু আমি উনাকে ঘুষ দিইনি তারপর উনি বলে যে তুমি চলে যাও তোমার কাজ হবে না তারপর উনি যাওয়ার আগে বলে যে তোমার অভিবাবকে নিয়ে আসবা তখন আমার বয়স ছিল ২০ নাকি ২১ ২০/২১ বছরের মাথায় কেন আমাকে আমার অভিভাবক আনতে হবে তারপর আমি আমার আব্বুকে নিয়ে আসলাম তখন আব্বু ঘুষ দিলো।
প্রতি জন্ম নিবন্ধন করতে ২০০ লাগে আর সংশোধন করতে ৪০০
আমার সহকর্মীকে ডিএসবি সিলেটে পদায়নের জন্য সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্স রিজার্ভ অফিসার এসআই —কে ২০,০০০/- দিতে হয়েছে। দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত অফিসে কর্মরত থেকে সে বদলী বানিজ্য করে কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়েছে।