RJSC Service
রেজিস্টার অফ জয়েন্ট স্টক কোম্পানী এন্ড ফার্মস, এহ দপ্তরে প্রতিদিন বিপুল পরিমান ঘুস লেনদেন হয়, এক কাজের জন্য 3-4 দফা ঘুস নেয় তার পরেও অবহেলা, তারা ঘুস ছাড়া এক টেবিল হতে পরের টেবিলে ফাইল যায় না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রেজিস্টার অফ জয়েন্ট স্টক কোম্পানী এন্ড ফার্মস, এহ দপ্তরে প্রতিদিন বিপুল পরিমান ঘুস লেনদেন হয়, এক কাজের জন্য 3-4 দফা ঘুস নেয় তার পরেও অবহেলা, তারা ঘুস ছাড়া এক টেবিল হতে পরের টেবিলে ফাইল যায় না
বগুড়া টিটিসিতে বিদেশগামী যাত্রীদের তাকামুল পরীক্ষায় টাকা নিয়ে পাশ করে দিচ্ছে। টাকা না দিয়ে নরমালভাবে পরীক্ষা দিলে ডাইরেক্ট ফেল করে দিচ্ছে ফলে গরীব মানুষেরা অসহায় হয়ে পরছে সৌদি যেতে পারছে না।
আমি একটি স্বেচ্ছাসেবক মূলক সংগঠন পরিচালনা করি, আমার কাছে সমাজসেবার কর্তৃপক্ষ ২০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে শুধু নিবন্ধনের জন্য, আমি দেইনি। এটি বরিশাল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়।
আমি উপজেলা নির্বাচন অফিসে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য গেলে অফিসের ভিতরে থাকা এক লোক আমাকে বলে নতুন ভোটার হতে গেলে কিছু খরচ করতে হবে। তাহলে তারাতারি আইডি কাড করা যাবে। পরে আমি বললাম কত টাকা দিতে হবে সে বললো 5000 টাকা লাগবে।
জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য সংশোধন করতে গিয়ে ফেনী দাগনভূইয়া উপজেলা অফিসে ৩৫০০০ টাকা দাবী করেন ঠিক করে দেয়ার জন্য। টাকার বিনিময়ে হলে ২ দিনে হয়ে যাবে কিন্তু নরমাল প্রসেসিং এ তারা কাজ আগাচ্ছিলোই না, ইভেন আমার সেই কাজ এখনো হয় নি।
আমার বাবা মৃত্যুবরণ করেছেন। আমার বাবার সঞ্চয়পত্র আমার মায়ের নামে হস্তান্তরের (নাম পরিবর্তনের) জন্য আবেদন করার সময় বিভিন্ন বিভাগ থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়েছিল, এবং আমি মোট ৫০,০০০ টাকা পরিশোধ করেছি।
আমি একজন ভুক্তভোগী ঘুষ ছাড়া সহ জুগিথা পাওয়া জাই না এই থানায় আমি একটা চাঁদাবাজির মামলা করছি কিন্তু দারোগা — আমার কাছ তেকে করচ নিয়েছে কিন্তু চাঁদাবাজ দের থেকে আমার থেকেও বেশী টাকা খেয়ে হাত মিলিয়েছে চাঁদাবাজদের সাথে একন তদন্ত রিপোর্ট পাঠাই না সত্যি ঘটনা মিথ্যা বলে চালিয়ে দেয় আমি নির ওপাই আমি কি বিচার পাবনা এই জেলায় বা এই থানায় গটানা জায়গা কিশোরগঞ্জ অষ্টগ্রাম থানা ৩ উপজেলা, আমি নিজেই বাদী পুলিশের ওপর বিশ্বাস ওটে গেছে আমরা সাধারণ জনগণের সরকার সদু সদু বেতন তাদের কে ঘুষ চারা কোনো ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যায় না অষ্টগ্রাম থানায় অষ্টগ্রাম থানায় ঘুষ বাণিজ্য চলতেছে এটার বিচার কে করবে বিবাগী বিচার নেওয়া দরকার আমরা সাধারন জনগণ অসহায় তাদের কাছে সহায়তার জন্য গেলে ঘুষ ছাড়া কোনকাজহইনা
জমির নাম খারিজ করার জন্য এসি ল্যান্ড অফিসে জমা দিয়া কাগজপত্র তশীল অফিসে পাঠানো হয়েছিল সেখানে উক্ত তথ্য ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে সেটা আবার এসি ল্যান্ড অফিসে পাঠানোর কথা। সেই কাগজ তারা নিজ ইচ্ছায় এসি ল্যান্ড অফিসে পাঠায় না আমাদের সেখানে যে তদবির করে উক্ত কাগজ এসি ল্যান্ড অফিসে পাঠাতে হয়। আর এই কাজের জন্য তারা বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন রকমের ঘুষ দাবি করে। কারো কাছে ৫০০ কারো কাছে ১০০০ কারো কাছে ১৫০০। আমার কাছে এক হাজার টাকা চেয়েছিল আমি বলেছিলাম আমার কাছে টাকা নেই শুধুমাত্র ৫০০ টাকা আছে ওই অফিসের একজন কর্মচারী বলল যে ৫০০ টাকা আপাতত দেন আর ৫০০ টাকা পরে আবার দিয়ে যাবেন মনে করে। এভাবে আমাদের দের-কাঠা জমির নাম খারিজ করেছিলাম। তবে একটি ভালো বিষয় কুষ্টিয়ার এসি ল্যান্ড অফিসে ঘুষ কার্যক্রম নেই।
দেশের জ্বালানি খাতের বিপর্যয়ের মূল কারণ — ভয়াবহ দুর্নীতি কয়লা বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের (Coal Power Generation Company) ব্যবস্থাপনা কমিটি সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত। C&F (Clearing & Forwarding) সার্ভিস নিয়ে C&F-এর বিল থেকে ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ খাওয়া হয়। C&F এজেন্টরা ঘুষ দিতে না চাইলে তাদের এনলিস্টমেন্ট (enlistment) থেকে বাদ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী বিল দেওয়ার কথা ০.২৫%, কিন্তু C&F-কে বিল দেওয়ার সময় দেওয়া হয় ০.১৭%। বাকি অংশ তারা ঘুষ হিসেবে কেটে রাখে, যার পরিমাণ প্রায় প্রতি বিলে ৮ লক্ষ টাকা। প্রতি বছর তারা প্রায় ২ কোটি টাকার মতো ঘুষ নেয়। জড়িতরা হলেন — — (নির্বাহী প্রকৌশলী / Executive Engineer) — — —
মামলার রায়ের কপি উত্তোলনের জন্য এসটানোর সাথে যোগাযোগ করি। উনি ৪০০০ টাকা দাবি করে আমি ২৫০০ টাকা উনাকে দেই। পরবর্তীতে কাগজ সংগ্রহের জন্য উনার কাছে গেলে উনি বাড়তি আরো ১৫০০ টাকা দাবি করে। পনেরশো টাকা না দিলে উনি আমাকে কাগজে দেয় নি পূর্বের ২৫০০ টাকা ফেরত দেয়নি।
লিগ্যাল এইড অফিসে নোটিশ জারির জন্য টাকা না দ্য়োয় ৩ ডেট ঘুরায়। পরে ৫০০/ টাকা ঘুষ নিয়ে একটা ডেট দেয় এরং বলে সে ডেটে জারি দেখিয়ে রিপোর্ট দিয়ে দিবে।
ফ্যামিলি কার্ড সুমারি ও কার্ড বিতরণের জন্য স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনানুষ্ঠানিক অর্থ (ঘুষ) দাবি এবং আদায় করা হচ্ছে। সরকারি সেবার আওতায় এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়ার কথা থাকলেও সাধারণ মানুষের থেকে অন্যায়ভাবে অর্থ নেওয়া হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।— ১ নং ইউসুফপুর কারিগর পাড়া,চারঘাট, রাজশাহী এবং ইউসুফপুর ইউনিয়নের বিএনপি'র সভাপতি সে।
লাউকাঠি ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত আছে এবং লাউকাঠি বাজারে তার দোকান আছে, সেখানে তিনি এসব কাজকর্ম করেন, তার কাছে ঘুষ দাবি করা বা গ্রহণ করা যেন মামুলি বিষয়
Police asked for bribe to send report to court for a fraud case of which arrest warrent had been issued
Dife licenses renewal purpose
ফ্যামিলি কার্ড সুমারি ও কার্ড বিতরণের জন্য স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনানুষ্ঠানিক অর্থ (ঘুষ) দাবি এবং আদায় করা হচ্ছে। সরকারি সেবার আওতায় এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়ার কথা থাকলেও সাধারণ মানুষের থেকে অন্যায়ভাবে অর্থ নেওয়া হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
জন্ম সনদ সংশোধন নতুন ইত্যাদি ২০০ টাকা, চেয়ারমেন সনদ ১৫০ টাকা, ওয়ারিশ সনদ ২৫০০ টাকা।
স্বাস্থ্য সেবা খাতের কিছু পন্য ফ্রি পাওয়া যায়না যদিও এ খাতের সকল পন্য ফ্রিতে পাওয়ার কথা।
রপ্তানি উন্নয়ন বুরুতে পণ্য বিভাগে যেকোনো সময় যেকোনো সার্টিফিকেটের জন্য যাবেন প্রতি সার্টিফিকেটে একটা রেট বা দাম এরা ফিক্স করে দেয় এর কম দিলে বিভিন্ন ছলছাত্রীতে সার্টিফিকেট আটকে রাখে।
ভোটার তালিকাভুক্ত করার সময় মূলত একটা স্লিপ দেয় সেই স্লিকে আমি হারিয়ে ফেলি কিন্তু আমার কাছে বক্স আইডি এবং বাকি ডকুমেন্ট সবকিছু আছে তারপরও নাকি আমাকে ২৩০ টাকা দিতে হবে, নাহলে নাকি তারা আমাকে এটা দিবে না, আর এটা কি সরকারি অফিস না অন্য কিছু এটা আমার বুঝে আসেনা কারণ অফিসে বাকি কেউ নেই । বাইরে যিনি বসে থাকি ওনার কাছে তথ্য নিলাম যে উনারা নাকি কেউ আসেনি আজকে । পুরাই লউরা