ব্যাংক একাউন্ট খোলা
ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে গেলে অতিরিক্ত এই টাকা চাওয়া হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে গেলে অতিরিক্ত এই টাকা চাওয়া হয়
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নেয়ার জন্য আবেদন করি ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমার কাছে টাকা চান এটা ভেরিফাই করার জন্য
100 takar ticket 300 taka na Dile আসন দেয় না।
সাফায়াত আমার কাছে একটি ফেসবুক আইডি বিক্রয়ের জন্য ৭০ টাকা দাবি করেছে। উক্ত ফেসবুক আইডিটি ব্যক্তিগত কোনো উদ্দেশ্যে নয়; বরং অফিসের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে চাওয়া হয়েছিল।
দিনাজপুর থেকে রাজশাহী যাওয়ার BRTC বাসে আসন পূর্ণ হওয়ার পরও অতিরিক্ত যাত্রী তোলা হয়। অতিরিক্ত যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া হয়েছে বলে আমি দেখেছি, কিন্তু তাদের টিকিট দেওয়া হয় না । ঘটনাটি প্রতিদিন ঘটে। অতিরিক্ত নেওয়া অর্থের পরিমাণ আনুমানিক ৩০০০০ টাকা। অর্থটি ব্যক্তিগতভাবে কেউ/কারা আত্মসাৎ করেছে—সে বিষয়টিও আমার কাছে পরিষ্কার নয়।
oboshor bhata tulte giye taka ceyece
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসে চাকরির জন্য হেলথ সার্টিফিকেট নিতে গেলে বলে সিভিল সার্জন অফিসার টাকা লাগে।
Sedin amra taka uttolon er somoy ekta januar je ander taka role dibe se cha khawer tska babod 500 tka dabi korle anr ammu taka die dei
when we visited Electrical License Board (ELB) office in Chittagong during Substation approval renewal application, The chief directly ask for money 70000 BDT for renewal application approval. After a lot of negotiations and approach, we have given 35000 BDT although all legal updated documents are there.
ঢাকা পল্লিবিদুত সমিতি -১ নতুন মিটার আবেদনের ক্ষেত্রে আমার কাছে মিটার প্রতি ৪০০০ টাকা এবএনজি মোট ২০০০০ টাকা চেয়েছে।
শুধু আমি নই আমার মতো ভূক্তভুগি বহু মানুষ আছেন। মানুষকে বিভিন্ন উপায়ে জোড়পূর্বক, জিম্মী করে বাধ্য করা হচ্ছে। মানুষ নিরুপায়/বাধ্য হয়ে জটিলতাসময় অপচয় এড়াতে অর্থ দিয়ে কাজ করাতে। এই সকল মামলা গুলো বেশীরভাগ জমি/বাসা-বাড়ী সম্পত্তি বিষয়ক। জজ কোর্টের প্রতিটা সরকারী সকল কর্মচারীগন থেকে শুরু করে জজ এবং উকিল পর্যন্ত ঘুষ নেন। আপনাকে বিভিন্ন ভাবে বাধ্য করা হবে, বিভিন্ন মামলার সময় তৈরী, সহজ বিষয়কে জটিলতা তৈরী করে বা জিতে (রায়/ডিগ্রী) যাওয়া মামলায় অহেতুক ভাবে কার্নিকাল ভূল দেখিয়ে রায়ের শব্দের বানান ভূল করে প্রচুর অর্থ দাবি করা হয়। যার মূল্য নিম্ন ২০ থেকে ৫০+ হাজার টাকা। একজন সহকারী পেশকারের প্রতিদিনের উপরি ইনকাম নিম্ন ৩০ হাজার থেকে ১ (+/-) লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। AC/DC Land office গুলো তো আরও খারাপ।
আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে গেছিলাম, বললো উপজেলা থেকে কাজ আছে, আপনার কষ্ট হবে, এক হাজার টাকা লাগবে আমি করে দিচ্ছি, না দিলে হবে না। টাকার ভাগ উপরে যাবে ইত্যাদি, টাকা দেওয়ায় পরে দেখা গেলো জায়গায় বসে কিছু সময়ের মধ্যে জন্ম সনদ হাতে দরাই দিছে। এই হল আমাদের সোনার বাংলাদেশ।
লাইসেন্স ওয়েভার সার্টিফিকেটের জন্য ২০,০০০/- দাবী এবং ক্যাপটিভ পাওয়ার প্লান্টের লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০,০০০/- টাকা দাবী করা পহয় প্রায় প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের কাছে।
আমি কক্সবাজর জেলার বাইরে থেকে আসি এখানে চাকরী করার জন্য। যেহেতু কক্সবাজার থাকি তাই এখানকার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি। যে পুলিশ অফিসার আমার তথ্য ভেরিফিকেশনে এসেছিলেন উনি ওনার খরচবাবদ ১৫০০ টাকা দাবি করেন। যেহেতু আমি কক্সবাজারের বাইরের মানুষ তাই পাসপোর্ট পাওয়ার কথা বিবেচনা করে এবং ঝামেলা এড়ানোর জন্য ১৫০০ টাকা দিয়েছিলাম। ২০১৯ সালের কথা।
২০২৩-২৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী —। ছাত্র দের কে সরকারি ভাবে ট্যাব বিতরন করেছিলো। আমি ধনুয়া আহমদিয়া দাখিল মাদরাসা থেকে দাখিল পরিক্ষা দিয়েছি। তখন আমিও একটা পেয়েছিলাম। কিন্তু পরিক্ষার আগে রেজিস্ট্রেশন কার্ড আর প্রবেশ পত্র আটকে দিয়ে ট্যাব নিয়ে নিয়েছে ঐ দাখিল মাদরাসার সুপার (—)। আমার কথা হলো সরকার ছাত্রদের কে দিয়েছে উপহার হিসেবে। কিন্তু তারা কেন নিয়ে নিজেরা ব্যবহার করবে । আমি কয়েকবার চেয়েছি। কিন্তু দেয় নি। এর বিনিময়ে ৫০০০ হাজার টাকাও চেয়েছিলো । ৫০০০ টাকা দিলে ট্যাব আমাকে দিবে কিন্তু আমি দেই নাই।
ঘটনাটি ২০১৮/১৯ সালের। আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স ভেরিফিকেশনের জন্য কাগজ জমা দিলে এস আই — আমাকে ফন করে ৫০০০ টাকা দাবী করে।
বিষয়: জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এর আওতাধীন সরকারি ক্রীড়া কার্ডের ভাতা থেকে ৭০% অর্থ প্রদানের অনৈতিক দাবির প্রতিবাদ করায় হয়রানি, মানহানি, ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান এবং প্রশিক্ষণ ও বাংলাদেশ কিকবক্সিং জাতীয় দলীয় কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ
করোনাকালীন সময়ে দারিদ্র্য বিমোচন ও অতিদরিদ্রদের মাঝে বণ্টনের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত পিকেএসএফ (PKSF) প্রায় ৫,০০০ কোটি টাকা অনুদান পায়। অভিযোগ রয়েছে, সংস্থাটি সেই পুরো টাকা দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন না করে বিভিন্ন ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে সরিয়ে রেখে ধীরগতি নীতি অবলম্বন করে। পরবর্তীতে এই টাকা তারা নিজেরা বিনাসুদে ঋণ হিসেবে গ্রহণ করে এবং অফিসের কর্মকর্তাদের বেতন-বোনাস হিসেবে বণ্টন করে। এমনকি করোনার বহু পরে নারীদের প্রশিক্ষণের নামে এই অর্থ নিজেদের সিন্ডিকেটের সদস্যদের মাঝে বিতরণ করা হয়। এমনকি অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সংস্থাটির একজন পিয়ন পর্যন্ত অবসরকালীন প্রভিডেন্ট ফান্ড, আনুতোষিক (গ্র্যাচুইটি) ও অন্যান্য সুবিধা মিলিয়ে প্রায় ৭০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করেছেন।
বিদেশি ডিগ্রি সার্টিফিকেট গুলো দিয়ে দেশে সরকারি চাকরিতে আবেদন করা যায়না আবার অনেক প্রাইভেট সেক্টরেও। এই সার্টিফিকেট ছাড়া দেশেও কোনো ইউনিভার্সিটিতে সেটা সরকারি হোক বা বেসরকারি হোক কোনোটাতেই আবেদন করা যায়না। তার জন্যে দেশে UGC থেকে Equivalent certificate নিতে হয়। এখানে পদে পদে টাকার খেলা। একেকজন একেক টাকা দাবি করে। আগে এমনটা ছিলনা। এখন অনলাইনে সব করতে হয় সেই সুবাধে একজন — নামে অফিসার সবার ফাইল আটকাই রাখে। বিশেষ করে আমেরিকা কানাডা অস্ট্রেলিয়া থেকে পিএইচডি করা স্টুডেন্ট কেউ ১-২ বছর করে ঘুরায় এই — নামে লোকটা। একজন শিক্ষার্থী কেনইবা দেশে আসবে যদি তার ক্যারিয়ার গ্যাপ ইচ্ছাকৃত করা হলে?
Police clearance certificate tolar jonno extra 1500 taka dite hoise. Prothome dite chaini,pore police bole j taka na dile clearance o paben na. Police Clearance Certificate ta amar onek dorkar silo jonno ak porjayee baddho hoyei taka ta diyesi