জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়ে স্বীকার হয়েছি
আমি টাকা না দেওয়ায় আমাকে ৪মাস ঘুরতে হয়েছে জানুয়ারি ২৬ জমা দিয়েছিলাম পেয়েছি মে ২৬ সালে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি টাকা না দেওয়ায় আমাকে ৪মাস ঘুরতে হয়েছে জানুয়ারি ২৬ জমা দিয়েছিলাম পেয়েছি মে ২৬ সালে
এনআইডি সংশোধন করতে গেছিলাম,,কিন্তু যত টাকা প্রয়োজন তার থেকে টাকা বেশি নিছে ওরা,, _পরবর্তীতে এনআইডি ঠিক করতে ও ভুল করছে,, যেটা দেওয়া উচিত ছিল,, সেটাও ভুল করছে,,,ফলে আবার আমাকে ঠিক করতে হবে। উপজেলা : বীরগঞ্জ জেলা: দিনাজপুর বিভাগ: রংপুর
পাসপোর্ট এর জন্য পুলিশি ভেরিফিকেশনে টাকার জন্য আটকে রেখেছিল কর্তব্যরত থানার অফিসার পরবর্তীতে 1200 টাকার বিনিময়ে রাজি হয়ে যায় তারপরে আমার ভেরিফিকেশনটি সাকসেসফুল হয়।
Return joma dite giye ghusher kotha othe Office theke Office sohayok dabi.koren khorchopati dite hobe sir der ke 2000 taka.,na hole tader list er othbena return joma er list Ekporjay na pere 1000 taka diye aste hoyese.😈
দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে পেট্রোবাংলা অফিসের আমার কারখানায় গ্যাস লাইনের জন্য আবেদন করে আসছে।আমি অনেক চেষ্টা করেও কোনভাবে গ্যাস লাইন নিতে পারেনি।২০২৩ সালের দিকে একটা পত্রিকার নিউজ আসলো যে লটারির মাধ্যমে ৫০টিক শিল্প কারখানায় ৫০ থেকে ১০০টি শিল্প কারখানায় গ্যাস লাইন প্রদান করা হবে সেই সিস্টেমে আমি এপ্লাই করি।প্লাই করার পরে প্রায় 15-20 দিন পরে আমার সাথে যোগাযোগ করা হলো বলা হলো আমার ডিমান্ড আমার লোকেশন আমার কাগজপত্র সবকিছু নিয়ে পেট্রো বাংলা কাওরানবাজার অফিসে দেখা করতে।আমার সব ডকুমেন্ট নেয়ার পরে পেট্রো বাংলার অফিসার আমাকে বলল আপনাকে আপডেট দেয়া হবে।রাত্রে pentro বাংলা থেকে টেলিফোন করে আমার কাছে ৫ কোটি টাকা দাবি করা হয় গ্যাস লাইন দেওয়ার জন্য।পরবর্তীতে আমার অফিসিয়াল টাকার বাইরে উনাকে তিন কোটি টাকা
আমার বাসার জন্য নতুন মিটার আবেদনের সময় অফিস থেকে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত লোক গত মে মাসে ৩ টি মিটারের জন্য ১৫,০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগবে বলেছিল, টাকা না দিলে মিটার দিবে না। আমি ঘুষের টাকা দিব না বলেছি। আমি টাকা না দিয়ে নিজেই আবেদন করেছি। মে/২৬ মাস থেকে আগস্ট /২৬ পর্যন্ত আবেদনের প্রায় ৪ মাস হলো এখনও মিটার পাই নাই। অফিসে অনেকবার গিয়েছি কিন্তু ঘুষ দেই নাই বলে মিটার দিচ্ছে না। আমি সরকারি ফি বাবদ অনলাইন এর মাধ্যমে ৩ টি মিটারের জন্য ৩,৩০০ টাকা পরিশোধ করে রেখেছি।
প্রতি মাসে আমাদের অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন, অর্থাৎ মূসক-৯.১, দাখিল করতে হয়। আইন অনুযায়ী এই রিটার্ন অনলাইনে দাখিল করাই যথেষ্ট; সার্কেল অফিসে এর কোনো হার্ড কপি ম্যানুয়ালি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু সার্কেল অফিসের RO এবং ARO আমাদেরকে জোরপূর্বক হার্ড কপি জমা দিতে বলেন এবং এর জন্য অনৈতিকভাবে অর্থ দাবি করেন। অর্থ প্রদান না করলে তারা প্রতিবারই আমাদেরকে হুমকি দেন যে, চিঠি ইস্যু করবেন এবং তদন্ত/ইনকোয়ারি খুলবেন—এই মর্মে যে আমরা নাকি সঠিকভাবে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করছি না।
আমাদের স্কুলের ক্লাস টেনের ক্লাস টিচার আর এক ছাত্রের পরিবার তার ফোর্থ সাবজেক্ট চেঞ্জ করবে তাই বোর্ডে গেলো।তাদের নিজেদের খরচা বাদ দিলাম।তো ওরা বোর্ডে গিয়ে বললো ব্যাপারটা আর অফিসার শুনেই টালবাহানা দিতে থাকে যেমন "এখন/আর হবেনা" এবং "পরে আসেন!" প্রভৃতি।আর যেই কিনা ১০০০০ টাকা দিলেন ২ ঘন্টার মধ্যেই ফোর্থ সাবজেক্ট চেঞ্জ হয়ে গেছিলো আর তা অনলাইনে বোর্ডের ওয়েবসাইটেও রিফ্লেক্ট হয়েছিলো!
এটি হলো সরকারি শিপিং অফিস, আগ্রাবাদ চট্টগ্রাম। এখানে আমরা নাবিকেরা যখন কোনো কাজের জন্য যাই, যেমন : সাইন অন, সাইন অফ, রোস্টার বাতিল। এ সকল কাজের জন্য আমাদের কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিলে কাজ তারা তারিই হয়ে যায় কিন্তু না দিলে ২, ৩ দিন এমনকি সপ্তাহ ঘুরেও কাজ শেষ হয় না৷ তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েই কাজ করতে হয়৷
আমি এখনো কিছু বলিনি ,অপেক্ষা করছি।
বিদেশ যাওয়ার জন্য অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করে সরকারি সব ফি জমা দিয়ে থানায় গেলাম পুরা ফাইল টা জমা দিতে যেনো তারা তাড়াতাড়ি রিপোর্ট দিয়ে দেয় তার জন্য, একজন কম্পিউটার অপারেটর কে ফাইল দিলাম এর পর উনি কোন দেশে যাচ্ছি তা নিয়ে কিছু কথা বলার পর বলতেছে এখানে তো কিছু খরছ আছে জানেন, আমি বললাম কিসের খরছ আমি সব টাকা পরিশোধ করে আসছি এরপর উনি বলতেছে ৩০০ টাকা দিলেই হবে বেশি লাগবেনা, পরে আমি বলি আমি একটাকাও দিতে পারবোনা কারন আমার কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড নাই তাই আমি আপনার সাথে কোনো প্রকার সেটেলমেন্ট করতে পারবোনা, এরপর উনি বলেন আচ্ছা ঠিক আছে চলে যান, পরে আমি চলে আসি
**ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হোম ইকোনমিক্স কলেজগুলোতে** ভর্তি বাতিল করতে গেলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রায় ৩৮,০০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। টাকা পরিশোধ না করলে কলেজ কর্তৃপক্ষ মার্কশিট প্রদান করছে না। এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা জানায়, ভর্তি বাতিল করতে হলে পুরো এক বছরের বেতন ও অন্যান্য ফি পরিশোধ করে তারপর ভর্তি বাতিল করতে হবে। এর পাশাপাশি, ভর্তি বাতিলের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে স্বাক্ষর (সাইন) করিয়ে আনতে হয়। সেই স্বাক্ষর নেওয়ার জন্যও অতিরিক্ত ২,০০০ টাকা জমা দিতে হচ্ছে। ফলে ভর্তি বাতিল করতে ইচ্ছুক একজন শিক্ষার্থীকে অপ্রত্যাশিতভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত ভোগান্তিকর ও আর্থিকভাবে চাপ সৃষ্টি করছে।
একজন ইউপি চেয়ারম্যান একটা মেয়েকে খুঁজে বের করা দেয়ার জন্য এক লক্ষ টাকা দাবি করে
ব্যাংকের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গিয়ে ৫০০০ টাকা দাবি করে, ৪০০০ টাকা নাকি গাড়ি ভাড়া ও অন্যন্য খরচ বাবদ লেগেছে। পরে ১০০০/- পরিশোধ করি।
They want me to pay them for Increasing the metres Kilowatt capacity
সরকারী চাকুরীর প্রয়োজনে হেলথ রিপোর্ট নেওয়ার জন্য সিভিল সার্জন অফিস থেকে সেবা নিতে গিয়ে রিপোর্ট স্বাক্ষর করতে গিয়ে ২০০টাকা ঘুষ দিতে হয়। প্রথমে ভাবলাম দিবো না। পরে সাথের আরেক কলিগ বললো না দিলে সমস্যা করবে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়।
আমি আমার মেয়ের জন্মনিবন্ধন করাতে গিয়ে ৫০০ টাকস লাগে নাকি সব মিলে কিন্তু বল্লো আমাকে ২০০০ টাকা দিবেন আমি সব কিছুই করে দিবো..
আমাদের শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের লাইসেন্স নবায়নের জন্য, বিশ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সরাসরি জড়িত। কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও, ঘুষ দিয়ে ছাড়পত্র নিতে হয়। কি বলব দেশের সব জায়গায় একই অবস্থা।
আমাদের কেরানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিশোধে বর্তমানে নাগরিক সনদ আনতে গেলে অনলাইনের চার্জ এর কথা বলে ১০০,২০০,৩০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হচ্ছে। আবার হোল্ডিং ট্যাক্স এর সময় আগের অনলাইন কপিতে যা উল্রেখ থাকে তার থেকে ১০০ টাকা বেশি নিচ্ছে। এটা আগে ছিল না। এখন এই পর্যয়ে সমস্ত এলাকার লোকদের থেকে সচিবগন টাকা নিতেছে । যা আগে ছিল না। এটা স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর উচিত তদন্ত করা।
আমার আইডি কার্ড কোনো ভাবেই করে দিচ্ছিলো না পরে ৬ হাজার টাকার বদলে আইডি কার্ড হাতে পাই।