এমপির কাছে টেন্ডার
জামাতে আমির — রোডের একটা কাজের ব্যাপারে গিয়েছিলাম।ওনাি ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জামাতে আমির — রোডের একটা কাজের ব্যাপারে গিয়েছিলাম।ওনাি ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়
পুলিশ ক্লিয়ারেনস করতে গিয়ে কোনো সমস্যা নেই তার পরেও আবেদন করার পরেও ৩ ৪ দিন সময় পার হওয়ার পরে থানায় যোগাযোগ করি কিন্তু তারা বলে আমার কাগজে নাকি সমস্যা আছে পরে আমার কাছ থেকে 4000 টাকা দাবি করে পরে আমি 1000 টাকা দিতে চেয়েছি কিন্তু তাতে হবে না পরে 2000 টাকা দিয়ে কাজ করেছি লোকেশন:- গাজীপুর কালিয়াকৈর থানা
আমি একজনের কাছে টাকা পাই। কিন্তু ঐ ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবত আমার পাওনা টাকা দিচ্ছেনা।তখন আমি সোনাগাজী মডেল থানার সরামপন্ন হই। তখন আমি একটি অভিযোগ দায়ের করি সোনাগাজী মডেল থানা ইনচার্জ বরাবর। থানার ওসি সাহেব আমার অভিযোগ তদন্তের জন্য — নামের একজন থানার ডিউটি অফিসারকে দায়িত্ব দেন। ঐ — আমার পাওনা টাকা উদ্ধার করে দিবে এই মর্মে তার সাথে ২০০০০ টাকা চুক্তিতে যাওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়। —ের প্রস্তাবে আমি রাজি হইনি। এবং আমি কিছুদিন পর বলছি আমি আমার অভিযোগ তুলে পেলতে চাই মর্মে —কে জানালে উনি আমাকে চাপ জানিয়ে দিয়েছেন উনাকে যাতে আমি খরচপাতি দিতে হবে না হয় এ অভিযোগ প্রত্যাহার হবেনা। এখন আমার করনীয় কি?
আমার মোটার সাইকেলের কাগজ হারিয়ে যাই, সেটা BRTA থেকে উঠানোর জন্য, BRTA কতৃপক্ষ জিটি কপি চাই। সে জন্য হারানোর জিটি করতে গেলে দায়িত্বরত অফিসার আমার থেকে ৪০০ টাকা দাবি করে বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকা দিয়ে আসতে হই। এটা আমার নিজের সাথে ঘটেছে এছারা আমার সামনে বিভিন্ন ঘটনার সরাসরি আমি বড় এমাউন্টের ঘৃষ নিতে দেখেছি।
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ বলদিপুকুর সাব জোনাল অফিস এটি বৈরীগঞ্জ উত্তরবঙ্গের টোল প্লাজার পাশে অফিস বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১- এর বলদী পুকুর সাব জানার অফিসে মিটারের আবেদন দিলে প্রতিটি মিটার পরিদর্শন করে মিটার পাস করার জন্য ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয় টাকা না দিলে আবেদন যেকোনো কারণ দেখিয়ে বাতিল করে দেয় উনার নাম হচ্ছে — উনি প্রায় বেতন এর চেয়ে ডাবল টাকা প্রতি মাসে ঘুষ নেয় আর হয়রানি করায় রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ এর যে মহোদয়কে জানানো হলে উনি এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেননি এবং উক্ত বন্দি পুকুর সাব জোনাল অফিসের এজিএম মহোদয় বিষয়টি জানেন যেওনার অফিসের কর্মচারী ঘুষ নেন কিন্তু উনি কোন পদক্ষেপ নেন না প্রতিমাসে ২০০ থেকে ৪০০ মিটারের আবেদন জমা হয় দেড় ২ লাখ ঘুষ নেয়
কক্সবাজার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — চরম ঘুষখোর সে সব ঠিকাদারদের কাছ থেকে এক পারসেন্ট থেকে দুই পার্সেন্ট পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকে এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — একই পরিমাণে সব ঠিকাদারদের কাছ থেকে নিয়ে থাকে তাদের তত্ত্বাবধানে চলা সমস্ত কাজের ওয়ার্ক অর্ডার অ্যামাউন্ট যাচাই করলে জানতে পারবেন তারা ঠিক কি পরিমান ঘুষ নিয়েছে এটি অনেক বেশি পরিমাণ আপনারা হিসাব করলে পাবেন,
আমার জরুরি প্রয়োজনে জন্ম নিবন্ধনে থাকা বয়স সংশোধন করা অত্যন্ত প্রয়োজন হয়ে পড়ে। বয়স সংশোধনের জন্য আমার স্কুল সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় সকল বৈধ কাগজপত্র ও প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের আবেদন প্রক্রিয়ায় আমাকে নানা ধরনের হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। আমার আবেদনটি কয়েকবার কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কর্তৃক রিজেক্ট করা হয়। পরবর্তীতে জন্ম নিবন্ধনের বয়স সংশোধনের আবেদন অনুমোদন করানোর জন্য আমাকে ৮,০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। টাকা দেওয়ার পর আমার আবেদনটি অনুমোদন করা হয় এবং সংশোধিত জন্ম নিবন্ধন তৈরি করা হয়। আমার কাছে স্কুল সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও যদি অতিরিক্ত টাকা প্রদান না করলে একটি বৈধ আবেদন বারবার প্রত্যাখ্যান করা হয়,
সমাজ সেবা অধিদপ্তর এর বয়স্ক ভাতা এর আবেদন করার পর ও ২ বছর এ যখন কোনো অগ্রগতি নেই তখন একজন এসে বললো ৬০০০ টাকা দিলে হয়ে যাবে। এভাবেই সবার বয়স্ক ভাতা পাশ হয়।
আমি গিয়েছিলাম আমার আম্মুর এনআইডি কার্ড উত্তোলনের জন্য (স্মার্ট কার্ড) আমাকে বলেছে থানা থেকে জিডি করে আসতে যেহেতু আমার আম্মুর পুরানো আইডি কার্ড টা হারিয়ে গিয়েছিল । আমি চাইছিলাম না জিডি করতে এরপর আমাকে ইশারায় ২০০ টাকা দেখিয়ে দিল ২০০ টাকা দিলাম এরপরে আমাকে পুরানো এনআইডি কার্ডের নাম্বারটা বলে দিল খুঁজে জুতা দিয়ে আমি অনলাইন থেকে আবার আইডি কার্ড বানিয়ে নিয়েছিলাম আমার আম্মার জন্য
আমি একজন সরকারী হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক৷ নিজ পারিবারিক প্রয়োজনে বদলির আদশের জন্য চেষ্টা করছি৷ এছাড়া বর্তমান পদবী অনুযায়ী আমার মেডিক কলেজেই পদায়ন হওয়ার কথা৷ ইচ্যেছে করে ঘুষ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যেই পদায়ন স্থগিত রাখা হয়েছে৷ অথচ ঘুষের বিনময়ে অহরহ পদায়ন হচ্ছে৷ মিনিমাম ৫ লাখ টাকা থেকে ১০-১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হচ্ছে৷ এটা ওপেন সিক্রেট। এই টাকার ভাগ পলিটিক্যাল নেতা থেকে শুরু করে চিকিৎসক নেতা, ড্যাব নেতা, পিয়ন, আমলা, মন্ত্রণালয়ের এও, উপসচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বড় বড় লোকজন ভাগ পান।এত পরিমান ঘুষ লেনদেন ছাড়া বদলির অর্ডার বের করা সম্ভব হচ্ছেনা৷ এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে দশ লাখ টাকা ঘুষ চায়৷ আমি কখনো সরকারি দপ্তরে চুরি করার ইতিহাস নেই৷ সামনে করার ইচ্ছে নাই৷ এতগুলো টাকা খরচ করে কিভাবে আবার উঠাবো৷
আমার ছোট ভাই সৌদি প্রবাসি। তার নামের বানান ভূল যা পূর্বে জন্ম নিবন্ধন দিয়ে করা হয়েছিল।
আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য ২হাজার টাকা দাবি করে,আমার কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড না থাকার পরেও।আমি দিতে রাজি না হওয়াতে ৪ মাস পরে আমাকে দেয়, ডেলিভারি নেয়ার সময় ও ২০০ টাকা দেয়া লেগেছে।৩ বছর আগের কথা,এটা এসপি অফিসে বসে এরা একরকম চাদাবাজি করে
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ে বর্তমানে চরম ঘুষ ও দুর্নীতির মহোৎসব চলছে। বিশেষ করে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ বা জমি জমার টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে একটি চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ চক্র গড়ে উঠেছে। এই চক্রের মূল হোতা হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন: ১. অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) — ২. সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (গোপনীয়, রেকর্ড রুম, ত্রাণ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখা ও মিডিয়া সেল) — ৩. সার্ভেয়ার — এবং তাদের সাথে যুক্ত নিম্নপর্যায়ের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। জমিজমা বা ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনের জন্য কোনো সাধারণ নাগরিক সেখানে গেলে এই চক্রটি সরাসরি ৫% থেকে ১৫% পর্যন্ত ঘুষ দাবি করে। ঘুষ দিতে অস্বীকার করলে ফাইল আটকে রাখে, বিভিন্ন অজুহাতে।
বাসার একটা ফ্লোরের জন্য মিটার নিতে গেলে বিদ্যুৎ অফিসে বলে মাদার মিটার বসাতে হবে৷ দুই মিটারে মোট খরচ ২৫ হাজার টাকা হলেও তারা ৪০ হাজার টাকা দাবী করে বসে। এদিকে বিল অনেক আসায় মিটার আলাদা করাটা জরুরী হয়ে পড়েছিলো। বাধ্য হয়ে ৪০ হাজারই দিয়েছি। এরপর যখন মিটার ফিটিং করতে আসলো, তখন আমি বাসায় ছিলাম না। তারা আগেই এসে মিটারের সিল নিজেরা ভেঙ্গে আমাকে বলে সীল ভাঙ্গা, আপনাকে ফাইন দিতে হবে নইলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে৷ এরকম ভয় দেখিয়ে তারা ৩ জন এসেছিলো, মোট ৩০ হাজার দাবী করে বসে। অনেক হাতেপায়ে ধরে ২৫ হাজারে তাদের রাজী করে বিদায় করেছি। ৪০ হাজার টাকায় যে মিটার হয়ে যেতো, তা ফিট করতে আমার ১ লাখ খরচ হয়েছে।
জেলা পরিষদ থেকে পাশ হওয়া বিল চেক পেতে হলে ১০% কমিশন দিতে হয়, যা মোটামুটি ওপেন সেক্রেট।
সন্ত্রাসীরা আমাদের ঘরবারী পিটিয়ে ভেঙ্গে ফেলে এবং ঘর থেকে সবকিছু লুট করে নিয়ে যায়, মহিলাদেরকে নির্যাতন করে, সন্ত্রাসীরা এলাকায় প্রভাবশালী ছিল,, তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা নিতে অস্বীকার জানায়,,এবং মামলা নিতে হলে ৫০০০০ টাকা লাগবে এটা জানায়,, বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে মামলা করেছি
জেলা পরিষদ থেকে পাস হওয়া প্রকল্পের বিল ছাড়ের জন্য ১০% ঘুষ চাওয়া হয়, যা মোটামুটি ওপেন সেক্রেট।
খুলনা এলজিডি অফিসে লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি
আমার বৌয়ের NID Card করার জন্য আবেদন করেছি। মেসেজ এসেছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফেস দেওয়ার তারিখ এ উপস্থিত হতে পারিনি। কারণ ঢাকায় থাকি। পরে গেছি কিন্তু হবে না, এটা বলছে । আবার মেসেজ এ জন্য অপেক্ষা করতে হবে। মেসেজ লাগবে না, তারাতাড়ি করে দিবে, কিন্তু টাকা লাগবে ২০০০হাজার। এটা ইউনিয়ন এ যে কম্পিউটার চালায় সে বলছে। ২হাজার টাকা দিছি , তাৎক্ষনিক করে দিছে। যেহেতু ঢাকায় চাকরি করি, তাই ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি। কারণ অফিস খুলা। ডিউটিতে যোগ দিতে হবে।
জম্ন নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম। নামের বানান ঠিক করতে কিন্তু আমাকে ১৫০০ টাকা দিতে বলা হয়েছে। তাহলে ১ দিনের মধ্যে সংশোধন করে দিবে। আর টাকা না দিলে ১, ২ মাস লাগবে এমন বলা হয়েছে। আমি চলে এসেছি আপাতত।