প্রকল্পের বিল উত্তোলন
জেলা পরিষদ থেকে পাশ হওয়া বিল চেক পেতে হলে ১০% কমিশন দিতে হয়, যা মোটামুটি ওপেন সেক্রেট।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জেলা পরিষদ থেকে পাশ হওয়া বিল চেক পেতে হলে ১০% কমিশন দিতে হয়, যা মোটামুটি ওপেন সেক্রেট।
বাসার একটা ফ্লোরের জন্য মিটার নিতে গেলে বিদ্যুৎ অফিসে বলে মাদার মিটার বসাতে হবে৷ দুই মিটারে মোট খরচ ২৫ হাজার টাকা হলেও তারা ৪০ হাজার টাকা দাবী করে বসে। এদিকে বিল অনেক আসায় মিটার আলাদা করাটা জরুরী হয়ে পড়েছিলো। বাধ্য হয়ে ৪০ হাজারই দিয়েছি। এরপর যখন মিটার ফিটিং করতে আসলো, তখন আমি বাসায় ছিলাম না। তারা আগেই এসে মিটারের সিল নিজেরা ভেঙ্গে আমাকে বলে সীল ভাঙ্গা, আপনাকে ফাইন দিতে হবে নইলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে৷ এরকম ভয় দেখিয়ে তারা ৩ জন এসেছিলো, মোট ৩০ হাজার দাবী করে বসে। অনেক হাতেপায়ে ধরে ২৫ হাজারে তাদের রাজী করে বিদায় করেছি। ৪০ হাজার টাকায় যে মিটার হয়ে যেতো, তা ফিট করতে আমার ১ লাখ খরচ হয়েছে।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ে বর্তমানে চরম ঘুষ ও দুর্নীতির মহোৎসব চলছে। বিশেষ করে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ বা জমি জমার টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে একটি চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ চক্র গড়ে উঠেছে। এই চক্রের মূল হোতা হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন: ১. অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) — ২. সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (গোপনীয়, রেকর্ড রুম, ত্রাণ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখা ও মিডিয়া সেল) — ৩. সার্ভেয়ার — এবং তাদের সাথে যুক্ত নিম্নপর্যায়ের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। জমিজমা বা ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনের জন্য কোনো সাধারণ নাগরিক সেখানে গেলে এই চক্রটি সরাসরি ৫% থেকে ১৫% পর্যন্ত ঘুষ দাবি করে। ঘুষ দিতে অস্বীকার করলে ফাইল আটকে রাখে, বিভিন্ন অজুহাতে।
আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য ২হাজার টাকা দাবি করে,আমার কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড না থাকার পরেও।আমি দিতে রাজি না হওয়াতে ৪ মাস পরে আমাকে দেয়, ডেলিভারি নেয়ার সময় ও ২০০ টাকা দেয়া লেগেছে।৩ বছর আগের কথা,এটা এসপি অফিসে বসে এরা একরকম চাদাবাজি করে
আমার ছোট ভাই সৌদি প্রবাসি। তার নামের বানান ভূল যা পূর্বে জন্ম নিবন্ধন দিয়ে করা হয়েছিল।
আমি একজন সরকারী হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক৷ নিজ পারিবারিক প্রয়োজনে বদলির আদশের জন্য চেষ্টা করছি৷ এছাড়া বর্তমান পদবী অনুযায়ী আমার মেডিক কলেজেই পদায়ন হওয়ার কথা৷ ইচ্যেছে করে ঘুষ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যেই পদায়ন স্থগিত রাখা হয়েছে৷ অথচ ঘুষের বিনময়ে অহরহ পদায়ন হচ্ছে৷ মিনিমাম ৫ লাখ টাকা থেকে ১০-১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হচ্ছে৷ এটা ওপেন সিক্রেট। এই টাকার ভাগ পলিটিক্যাল নেতা থেকে শুরু করে চিকিৎসক নেতা, ড্যাব নেতা, পিয়ন, আমলা, মন্ত্রণালয়ের এও, উপসচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বড় বড় লোকজন ভাগ পান।এত পরিমান ঘুষ লেনদেন ছাড়া বদলির অর্ডার বের করা সম্ভব হচ্ছেনা৷ এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে দশ লাখ টাকা ঘুষ চায়৷ আমি কখনো সরকারি দপ্তরে চুরি করার ইতিহাস নেই৷ সামনে করার ইচ্ছে নাই৷ এতগুলো টাকা খরচ করে কিভাবে আবার উঠাবো৷
আমাদের এলাকায় B D S জরিপ চলোমান তাই আমার জমি কেনা তিন খতিয়ানে আমি জমি দখলে আছি এক খতিয়ানে আমার মাঠ পর্চা দিয়েছিলেন একি জায়গায় পরে বলে প্রতেক খতিয়ানে জেতে হবে আমি ৩০ ধারা করার পরে আমার কাছে প্রতি সতংসে ১ হাজার করে টাকা নিছে ১একর ২৬ সতংশজমি আনতে ১২০০০০ টাকা ধাপে ধাপে দিতে হয়েছে প্রতী কেছে যে কেছে যে অফিসারকে টাকা না নিছি সে অফিসার জমি কাগজ অনুজাই পেলেয় দেয় নি তাই আমাকে টাকা দিয়ে জমি আনতে হয়েছে। সুধু আমি না মৌজার সকোল জনগনকে দিতে হয়েছে। তাই সবাই বলে যে এলাকায় হয় জরিপ সেই এলাকার লোক হয় গরিব
যে টাকা নিয়েছে তার নাম ও ডিটেইলস নাম — ঠিকানা : — মোবাইল নম্বর — পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড এ চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২৮০০০০ টাকা নিয়ে ১১-১২-২৪ তারিখ এ আমাকে লেটার দেয় যে লেটারে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের সিল ছিল ও জবের জন্য বিস্তারিত ডিটেলস ছিল। লেখা ছিল জয়নিং হবে জানুয়ারির ১ তারিখে ২০২৬ সালে কিন্তু পরবর্তীতে ডেট চেঞ্জ করে এরপরে আমার থেকে লেটারটা নেওয়া হয়েছে। এর কিছু দিন পর বলে লোক নিচ্ছে না টাকা ফেরত দিবে কিন্তু এখনও এক টাকাও দেইনি আবার ফোন রিছিভ করে না। সে পেট্রোলিয়াম গ্যাস কোম্পানিতে জব করতো তখন খুলনায়। উক্ত শাখায় ১১ই ডিসেম্বর ২০২৪ সালের লগ ইন রিপোর্ট দেখলে ওনার নাম পাওয়া যাবে।
গৃহায়ন (প্লট মালিকের নাম পরিবর্তন) এবং পুনর্নির্মাণ আবেদন, নগদ টাকা - ধাপে ধাপে (টেবিল ও প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর করুন)
আমার কাছে সরাসরি ৫০০ টাকা দাবি করেছেন
আমার একজন প্রবাসি বন্ধুর জন্মনিবন্ধন সংসোধনের জন্য দিয়েছিলাম ফটিকছড়ি, ভুজপুর ইউনিয়নে, যেখানে ২ দিনের মধ্যে কাজ হওয়ার দরকার সেখানে ৫ দিনেই কিছু হলনা, সচিবকে জিজ্ঞাস করলে বলে উপজেলা থেকে approval না হলে হবেনা, এতে ১০-১৫ ও লাগতে পারে, যদি জলদি লাগে উপজেলা গিয়া করে নিয়ে আসতে হবে, ওনার কথার ধরণ এমন ছিলো যে ওদের টাকা দিলে এখনি করে দেবে, আমার একটা বন্ধুতে বললাম যে একটা পরিচিত পটোকপির দোকানের নাম বললো সে ও একি কথা বললো উপজেলাই ১০০ টাকা দিলেই সাথে সাথে এপ্রোপ দিবে, পরে আমি ১০০ টাকা দিলে দেড় মিনিটের সেটা এপ্রোব হয়..
এমসি ও চারসীট সংক্রান্ত
আমার গাড়ির নাম্বার — আমার এই গাড়িটির সাথে একটু হোন্ডার দুর্ঘটনা ঘটে থানায় অবিবাহিত করে ওরে আমি উদ্ধার করেছি পরে তারা ওই হোন্ডার লোকদেরকে ডাকাতির মামলা কথা বলে অনেক টাকা ঘুষ নে এবং আমার আমার বিরুদ্ধে দায়ের করে আমার গাড়িটি এখন থানায় বর্তমানে জদ্য আছে আমার কাছে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে আমার গাড়িতে মাল ছিল ডালডা চার আনুমানিক বাজার মূল্য ২২০০০০ এই মাল দেওয়ার জন্য তারা ৪০ হাজার টাকা দাবি করে পরে বিশ হাজার টাকা নিয়ে মাল দিয়ে দেয় পরে যে কোন কথার কারণে আমার বলতেছে ঝাড়ু ২০ হাজার টাকা লাগবে আমাদের গাড়ি ছাড়ানোর জন্য তখন আমরা দিতে রাজি হইনি এমনকি আমি থানার ওসি স্যারের কাছে অভিযোগ করি সে ক্ষেত্রে এসআই আমাদের টাকাটা ২০ হাজার টাকা দিয়ে দেয় বা ফেরত দেয়
পাকশি ডিমই অফিসে রেলওয়ে কর্মচারীরা অফিশিয়াল কাগজপত্র নিতে বা সংশোধন করতে দিতে হয় ধাপে ধাপে ঘুষ দিতে হয়।যেমন আমি কিছুদিন আগে আমার স্যালারি একাউন্ট এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম ডিএমই নিজস্ব অফিস সহকারি কাছে সে দাবি করে ১০০০টাকা না দিলে সম্ভব নয়।।কিন্তু এই সেবা নিতে কোন টাকা বা কিছু লাগেনা। ঘুষ দাবি কি তো ব্যক্তি : —, পদবিঃ অফিস সহকারি মোবাইলঃ—
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গেলে যে অফিসার তদন্ত করে বা ভেরিফিকেশন করেন তখন টাকা দাবি করেন। নগদ টাকা দিতে হয়। আমার জানামতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স মানে হচ্ছে ব্যক্তির নামে কোন প্রকার মামলা আছে কিনা বা কোন প্রকার মামলা ছিলো কি না ? তা তদন্ত করা কিন্তু বর্তমানে এগুলো না দেখে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন করলে দেখা হয়। ব্যক্তির পদত্ত কাগজ সত্যায়িত করা আছে কি না এবং তার এবং তার পরিবারের কোন জায়গাজমি আছে কি না। আর এই বিষয় গুলো নিয়ে প্রচন্ড হয়রানির শিকার হন সাধারণ মানুষ। যারা বিদেশ গিয়ে টাকা উপর্জান করে দেশের ভাল অর্থনিতির কথা ভাবেন । তাদের বিদেশ যাত্রার শুরুতে ঘুষ দিয়ে দেশ ছাড়তে হয়।
সাধারণত জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করার পরে এটা ইউএনও অফিসে ফরওয়ার্ড হয় ফরওয়ার্ড হওয়ার পরে এটা ইউ এন ওর সরকারি আইডি থেকে এটা রিসিভ করাতে হয় যা করাতে গেলে কোন টাকার প্রয়োজন হয় না কিন্তু আমাদের ধনবাড়ি উপজেলা ইউ এন ও অফিস এটা রিসিভ করাতে গেলে ১০০ টাকা দাবি করে এবং আমি এটা দিয়েছি তাছাড়া রিসিভ করে না উনারা
এদের সার্কুলারে পুরাতন গিটার সংযোগ রয়েছে তাদের ভোটার আইডি কার্ড যথেষ্ট। এছাড়াও অনেক ধরনের কাগজ চাওয়া হয়। চাইলে এরা বাসার উপর যোগ করতে পারে। কতদিনের শেয়ার করবেন নিশ্চয়তা নেই। সংযোগের তার নিয়ে সমস্যা। কিচ্ছু জটিলতা রয়েছে। কিছু জটিলতা নিজেরা তৈরি করে রেখেছে অর্থ পাবার জন্য। মনে হয়েছে তো অর্থ বা ঘুষ ছাড়া মিটার পাওয়া সম্ভব নয়। অফিসে একটা চক্র রয়েছে, এরা অর্থ ছাড়া সাইন করে না। কারণ একজন অফিসে অস্থায়ী কর্মকর্তা দায়িত্ব দেয়ার পরও, অফিস থেকে আমাকে ফোন করা হয়েছিল। অত্যাবশ্যকিয় সেবা, তাই ঘুস দিতে বাধ্য হয়েছি।
সরকারি অফিসে প্রতি অর্থবছরে একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থের মূল্যের স্টেশনারী মালামাল বরাদ্দ দিয়ে থাকে। সেটি আঞ্চলিক সরাকরি প্রকশনা ও মূদ্রন অফিস থেকে আনতে হয়। সেখানে ফাইল রিসিভ করা থেকে শুরু করে প্রতিটা টেবিলে ৩০০/৪০০ টাকা দাবি করে। শেষপর্যায়ে ম্যানেজার ৮০০০/১০০০০ টাকা দাবি করেন না দিতে পারলে বলে মালামাল আসেনি। তাই তার সাথে নেগোসিয়েশন করে মালামাল আনতে হয়। যার ৬০০০/৭০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হতে হয়।
আমার একটি ফোন হারিয়ে যাবার পর থানায় গিয়ে জিডি করার জন্য গিয়েছিলাম। থানার ভিতরে দেখে জিডি করার অপশন নেই। ওখান থেকে কর্তব্যরত পুলিশ আমাকে জানাই বাহিরে থেকে জিডি করে নিয়ে আসতে,, বাইরে কোথাও সিটি করতে গেলে তারা তে ৭০০ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করে থাকে
উনারা ৫ হাজার টাকা দাবি করে অথচ সরকারি ফিসমাত্র ১০০০ টাকা পরবর্তীতে আমি অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে কলকারখানা লাইসেন্সটি গ্রহণ করে করি।