কাজ তদারকি
একজন সরকারি কর্মচারী যার দায়িত্ব সরকারি করা সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তা দেখাও | কিন্তু এই দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি সমাপ্তকারী কন্ট্রাক্টর এর কাছ থেকে প্রতিদিন পাঁচশত টাকা করে দাবি করে |
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
একজন সরকারি কর্মচারী যার দায়িত্ব সরকারি করা সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তা দেখাও | কিন্তু এই দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি সমাপ্তকারী কন্ট্রাক্টর এর কাছ থেকে প্রতিদিন পাঁচশত টাকা করে দাবি করে |
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ে বর্তমানে চরম ঘুষ ও দুর্নীতির মহোৎসব চলছে। বিশেষ করে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ বা জমি জমার টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে একটি চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ চক্র গড়ে উঠেছে। এই চক্রের মূল হোতা হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন: ১. অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) — ২. সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (গোপনীয়, রেকর্ড রুম, ত্রাণ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখা ও মিডিয়া সেল) — ৩. সার্ভেয়ার — এবং তাদের সাথে যুক্ত নিম্নপর্যায়ের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। জমিজমা বা ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনের জন্য কোনো সাধারণ নাগরিক সেখানে গেলে এই চক্রটি সরাসরি ৫% থেকে ১৫% পর্যন্ত ঘুষ দাবি করে। ঘুষ দিতে অস্বীকার করলে ফাইল আটকে রাখা, বিভিন্ন অজুহাতে ।
আমি আমার বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে, তারা বলে আমারও আমার স্ত্রীর জন্ম নিবন্ধন প্রয়োজন, আমার জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে, তারা আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখে দেখে লেখার পরেও আমার নামের মধ্যে ভুল করে ফেলে। সেই নাম ঠিক করার জন্য আমার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা চায়, আমি টাকা দিতে একটু গরিমসি করলে তারা আমাকে ২/৩মাস পর্যন্ত অপেক্ষায় রাখে। শেষ পর্যন্ত টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন সংগ্রহ করি। তারপর আমি আমার বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন সম্পন্ন করি।
জেলা পরিষদ থেকে পাস হওয়া প্রকল্পের বিল ছাড়ের জন্য ১০% ঘুষ চাওয়া হয়, যা মোটামুটি ওপেন সেক্রেট।
খুলনা এলজিডি অফিসে লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি
কক্সবাজার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — চরম ঘুষখোর সে সব ঠিকাদারদের কাছ থেকে এক পারসেন্ট থেকে দুই পার্সেন্ট পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকে এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — একই পরিমাণে সব ঠিকাদারদের কাছ থেকে নিয়ে থাকে তাদের তত্ত্বাবধানে চলা সমস্ত কাজের ওয়ার্ক অর্ডার অ্যামাউন্ট যাচাই করলে জানতে পারবেন তারা ঠিক কি পরিমান ঘুষ নিয়েছে এটি অনেক বেশি পরিমাণ আপনারা হিসাব করলে পাবেন,
আমি একজন সরকারী হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক৷ নিজ পারিবারিক প্রয়োজনে বদলির আদশের জন্য চেষ্টা করছি৷ এছাড়া বর্তমান পদবী অনুযায়ী আমার মেডিক কলেজেই পদায়ন হওয়ার কথা৷ ইচ্যেছে করে ঘুষ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যেই পদায়ন স্থগিত রাখা হয়েছে৷ অথচ ঘুষের বিনময়ে অহরহ পদায়ন হচ্ছে৷ মিনিমাম ৫ লাখ টাকা থেকে ১০-১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হচ্ছে৷ এটা ওপেন সিক্রেট। এই টাকার ভাগ পলিটিক্যাল নেতা থেকে শুরু করে চিকিৎসক নেতা, ড্যাব নেতা, পিয়ন, আমলা, মন্ত্রণালয়ের এও, উপসচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বড় বড় লোকজন ভাগ পান।এত পরিমান ঘুষ লেনদেন ছাড়া বদলির অর্ডার বের করা সম্ভব হচ্ছেনা৷ এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে দশ লাখ টাকা ঘুষ চায়৷ আমি কখনো সরকারি দপ্তরে চুরি করার ইতিহাস নেই৷ সামনে করার ইচ্ছে নাই৷ এতগুলো টাকা খরচ করে কিভাবে আবার উঠাবো৷
আমি পাবনা অগ্রণী ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টারে ড্রাইভিং শেখার জন্য গিয়েছিলাম। ড্রাইভিং শেখার শেষে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগবে। এই কথার প্রেক্ষিতে সে আমাকে বলে ১৪ হাজার। এরপর আমি বি আর টি সি তে ড্রাইভিং কোর্সে ভর্তি হই। সেখানে ভর্তি হওয়ার পর পরই আমাকে জিজ্ঞেস করা হয় লাইসেন্স করবেন কিনা। বললাম হ্যাঁ করব। বলল যে আপনার কোন দালাল টালান ধরতে হবে না দালাল ছাড়া আপনার লাইসেন্স হয়ে যাবে। কত টাকা লাগবে উনি আমাকে বলল ১৪ হাজার। কিন্তু আমার জানামতে একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে লার্নার, ডোপ টেস্ট সহ মোট খরচ লাগে ৬ হাজার টাকার মত।
জম্ন নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম। নামের বানান ঠিক করতে কিন্তু আমাকে ১৫০০ টাকা দিতে বলা হয়েছে। তাহলে ১ দিনের মধ্যে সংশোধন করে দিবে। আর টাকা না দিলে ১, ২ মাস লাগবে এমন বলা হয়েছে। আমি চলে এসেছি আপাতত।
ফটিকছড়ি নির্বাচন অফিসে ফাইল দতন্ত কর্মকর্তা দুইজনের NID এর ফাইল জমা নিয়ে ৫০০০ টাকা নিয়েছে। যদিও কাজটি দ্রুত হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কারণে আমাকে এই পথ বেছে নিতে হয়েছে। অন্যথায় এনআইডি করাতে হরেক রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এবং সময় সাপেক্ষ। অথচ অর্থ খরচা করলেই একদিনে পাওয়া যায়।
আমি গারমেন্টস এক্সেসরিজ সরবরাহকারী, গত ২০২২ হইতে আমার ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহার করে আসতেছি। এই বছর ২ টা নাম এর লাইসেন্স রিনিঊ করতে গেলে ২ টা লাইসেন্স এর জন্য মোট ২৮০০০ টাকা দিতে হবে। যাহা আমি বিগত বছর গুলোতে ৫০০০ টাকা করে দিয়ে রিনিঊ করে আসতেছি ( ২০০০/ ৩০০০ টাকা সরকারি ফি, বাকি ২০০০ টাকা ঘুষ দেয়া লাগত) এখন সেইটা বেরে ১৪০০০ করে দিতে হবে না হলে রিনিঊ হবে না। অতিরিক্ত টাকা কিসের জিজ্ঞাসা করলে সোজা উত্তর বানিজ্যিক ট্যাক্স, ব্যবসা করতে হলে দিতে হবে অন্যথায় ব্যবসা করা লাগবে না। খাবে ওরা দোষ সরকারের।
স্বেচ্ছাশ্রম বাঁ ব্যাক্তি উদ্যোগে সরকারি খাল খনন এর পরিপত্র জারি করা হয়েছে গত ইংরেজি ১১/০৫/২০২৬ তারিখে আমি আবেদন দাখিল করি ১১/০৬/২০২৬ তারিখে ইউ এন ও মহোদয়ের নিকট তিনি রিসিভ করে ১৮/০৬/২০২৬ তারিখে পেরন করে এসি ল্যান্ডের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন চাইলে এসি ল্যান্ড তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠায় উপজেলায় ইং ০৩/০৮/২০২৬ তারিখে রিসিভ কপি আমার কাছে আছে ওয়ার্ক অর্ডার এর জন্য উপজেলা অফিসে গিয়ে তাদের সাথে কথা বললে আমাকে টাকার অংক বলে আমি না বললে আমার ফাইলটি উপজেলা অফিসে রেকর্ড ফাইলে নথিজাত না করে ফাইলটি অফিস থেকে লুকিয়ে কোথাও রেখে দিয়েছে পরবর্তীতে আমি একাধিক বার অফিসে গিয়ে খোঁজা খুঁজি করে ফাইলটি খুঁজে পাচ্ছি না। অথচ এসি ল্যান্ড তদন্ত প্রতিবেদন পাঠায় এর রিসিভ কপি আমার কাছে আছে।
বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন করে দিবে তার জন্য নিয়েছে। ওনাদের টাকা না দিলে ৩-৪মাসেও জন্ম নিবন্ধন এর কাগজ পাওয়া যায়না
ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তুলতে ২৫০ টাকা দিতে হয় আমাকে। একজন চৌকিদার অথবা মেম্বারকে।
আমি অন্ধকারে ছিলাম তাই মিটারের জন্য টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
টিসিবি ডিলার আমার নামে হবে। তাই
দিনাজপুর ডিবি অফিস সবাই দুর্নীতির সাথে জড়িত। তারা হুদাই জুয়া খেলার মিথ্যা অভিযোগ আনয়ন করে এবং টাকা দাবি করে না হলে মামলার ভয় দেখায়। যারা আসল অপরাধী যারা মাদক এবং জুয়ার সাথে জড়িত তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা খেয়ে তাদেরকে ধরতেছে না। তাদের সাথে প্রশাসনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক!
BABY AGE BELOW 45 DAYS, I NEED TO PAY 100 BDT FOR MAKING NEW BIRTH CERTIFICATE & 250 BDT FOR ENGLISH CORRECTION WHICH ONE THERE MISTAKE.UNION PORISOAD DIDN'T WORK PROPERLY.
সন্ত্রাসীরা আমাদের ঘরবারী পিটিয়ে ভেঙ্গে ফেলে এবং ঘর থেকে সবকিছু লুট করে নিয়ে যায়, মহিলাদেরকে নির্যাতন করে, সন্ত্রাসীরা এলাকায় প্রভাবশালী ছিল,, তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা নিতে অস্বীকার জানায়,,এবং মামলা নিতে হলে ৫০০০০ টাকা লাগবে এটা জানায়,, বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে মামলা করেছি
আমার নামে একটি মিথ্যা মামলা হয়। আমার কাছে সকল সত্য তথ্য থাকা সত্ত্বেও মিথ্যা রিপোর্ট দেয়। আমি টাকা দেয় না বলে।