মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ
ময়মনসিংহ সিভিল সার্জনের অফিসে বিভিন্ন চাকরিপ্রার্থী, বিদেশগামী মানুষ সহ অনেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট এর জন্য যান । তাদের প্রত্যেকের কাছে 100 টাকা নেয়া হয় । না দিলে মেডিকেল সার্টিফিকেট দিতে হয়রানি করা হয় ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ময়মনসিংহ সিভিল সার্জনের অফিসে বিভিন্ন চাকরিপ্রার্থী, বিদেশগামী মানুষ সহ অনেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট এর জন্য যান । তাদের প্রত্যেকের কাছে 100 টাকা নেয়া হয় । না দিলে মেডিকেল সার্টিফিকেট দিতে হয়রানি করা হয় ।
আমি একজন বেসরকারী স্কুলের ২০ হাজার টাকা বেতনের শিক্ষক,শেরপুর নালিতাবাড়ী থানার আওতাধীন ভুমি আদালতে আমাদের একটা মামলা চলমান। আগে এই জমিটা অন্যরা দখল করে খেত,বর্তমানে আমাদের দখলে আছে। দুইটা মামলা চলমান ওই জমির উপর। মামলা দুটোতে মাসে আমার পরিবারের অর্থাৎ আমার দুই হাজার টাকা করে খরচ করতে হয়। পিয়ন,পেশকার সবগুলোকেই কমবেশি টাকা দিতে হয়,এ টাকা দীর্ঘ ৮ বছর ধরে দিয়ে আসছি,শুধু আমরা না মামলার প্রতিপক্ষরাও একইভাবে টাকা দিয়ে আসছে। বিচারকও ঘুষ খেয়ে কদিন আগে একটা মামলার রায় ওদের পক্ষে রায় দিছে। আমার বাবা খুবই নরম স্বভাবের মানুষ, ওই মহিলা বিচারক মামলার নথিতে লিখেছেন আমার বাবা নাকি উনার সাথে রাগ করে চড়া মেজাজ দেখিয়ে কথা বলেছেন। এমন আচরণ আমার পরিবারের কারোরই কথা না। উকিলকেও প্রতি মাসে বেশকিছু টাকা দিতে হয়।
নামজারী খতিয়ানের জন্য 1150 টাকা ফি ধার্য থাকলেও AC land office 5500 টাকার নিচে কোন নামজারী করে না
একটি প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠান এ বদলি হওয়ার জন্য একটা রেজুলেসন দরকার ছিলো কুমুটি র কাছ থেকে, কিন্তু তা দেওয়ার জন্য তারা ৫০০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু শেষ এ ১০০০০ টাকায় করে দেয়, কারণ প্রথম এ আমরা প্রথ্যাখান করেছিলাম,
বানিজ্য লাইসেন্স নবায়ন, টাকা না দিলে অনুমোদন দেয়না
আমার ভাগিনার জন্ম নিবন্ধনে ইংরেজী বানান ভুল আসে যেটা তারা ইচ্ছা করেই করেছে বলে মনে হয়,পরে সংশোধন করার জন্য ৩০০ টাকা দেয়া হয়
আদালতে সুনানি তারিখ সমায় মত পেতে।
আমার একজন প্রবাসি বন্ধুর জন্মনিবন্ধন সংসোধনের জন্য দিয়েছিলাম ফটিকছড়ি, ভুজপুর ইউনিয়নে, যেখানে ২ দিনের মধ্যে কাজ হওয়ার দরকার সেখানে ৫ দিনেই কিছু হলনা, সচিবকে জিজ্ঞাস করলে বলে উপজেলা থেকে approval না হলে হবেনা, এতে ১০-১৫ ও লাগতে পারে, যদি জলদি লাগে উপজেলা গিয়া করে নিয়ে আসতে হবে, ওনার কথার ধরণ এমন ছিলো যে ওদের টাকা দিলে এখনি করে দেবে, আমার একটা বন্ধুতে বললাম যে একটা পরিচিত পটোকপির দোকানের নাম বললো সে ও একি কথা বললো উপজেলাই ১০০ টাকা দিলেই সাথে সাথে এপ্রোপ দিবে, পরে আমি ১০০ টাকা দিলে দেড় মিনিটের সেটা এপ্রোব হয়..
জমির পর্চা বা খতিয়ান সংগ্রহ কালে যার যত জমি অতিরিক্ত টাকা না দিলে পর্চা প্রদান করে না
এটি মূলত আমি যে কোম্পানি চাকরি করি সেই কোম্পানির কাজে গিয়েছিলাম উনারা সরকারি ফিস বাদে অতিরিক্ত বিশ হাজার টাকা দাবি করে। আমি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে ১৫০০০ টাকা ঘুস প্রদান করি।
ময়মনসিংহ সঞ্ছয়পত্র অফিসে সঞ্চয়পত্রের মোবাইল নম্বার পরিবর্তনের জন্য যাবার পর তারা বললো যে ঢাকা থেকে করাতে হবে।তারা ময়মনসিংহ থেকে নম্বার পরিবর্তন করতে পারবেনা, সেইজন্য কিছু খরচ দিতে হবে। আমি ৩০০ টাকা দিতে চাইলে তারা বলে ১০০০ দিতে হবে এইটা নাকি তাদের রেইট করা।
উনারা ৫ হাজার টাকা দাবি করে অথচ সরকারি ফিসমাত্র ১০০০ টাকা পরবর্তীতে আমি অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে কলকারখানা লাইসেন্সটি গ্রহণ করে করি।
আমার একটি ফোন হারিয়ে যাবার পর থানায় গিয়ে জিডি করার জন্য গিয়েছিলাম। থানার ভিতরে দেখে জিডি করার অপশন নেই। ওখান থেকে কর্তব্যরত পুলিশ আমাকে জানাই বাহিরে থেকে জিডি করে নিয়ে আসতে,, বাইরে কোথাও সিটি করতে গেলে তারা তে ৭০০ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করে থাকে
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গেলে যে অফিসার তদন্ত করে বা ভেরিফিকেশন করেন তখন টাকা দাবি করেন। নগদ টাকা দিতে হয়। আমার জানামতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স মানে হচ্ছে ব্যক্তির নামে কোন প্রকার মামলা আছে কিনা বা কোন প্রকার মামলা ছিলো কি না ? তা তদন্ত করা কিন্তু বর্তমানে এগুলো না দেখে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন করলে দেখা হয়। ব্যক্তির পদত্ত কাগজ সত্যায়িত করা আছে কি না এবং তার এবং তার পরিবারের কোন জায়গাজমি আছে কি না। আর এই বিষয় গুলো নিয়ে প্রচন্ড হয়রানির শিকার হন সাধারণ মানুষ। যারা বিদেশ গিয়ে টাকা উপর্জান করে দেশের ভাল অর্থনিতির কথা ভাবেন । তাদের বিদেশ যাত্রার শুরুতে ঘুষ দিয়ে দেশ ছাড়তে হয়।
Amr choto bon er mobile basa theke churi hoye jay, er por Dhaka Rupnagar thana te complaint kori, then ASI amr theke 4000 taka dabi kore , ata naki fee phone rescue korar, tai baddo hoye dite hoyece, jodio se pore phone Rescue kore diyece.
টিলাগাও বাজার থেকে বাগৃহাল ,ডরিতাজপুর, মিয়ার পাড়া, নামার হাজিপুর, লং লা খাস, লংলা বাগান পর্যন্ত এই পাঁচটা গ্রাম এবং তিনটা ওয়ার্ড মিলে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের এবং দৈনন্দের কাজের জন্য শহরে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা বন্যার পানিতে এবং ১৭ বছর ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে রাস্তাটির করুন অবস্থা স্বচক্ষে না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবেন না। এ রাস্তার সংস্কারের জন্য অনুমোদন হলেও সব টাকাটা আমলারা নিয়ে গেছে কিন্তু কোন কাজ হয়নি। দয়া করে আমার পোষ্টটি হাইলাইট করবেন সরকারের চোখে আসলে এই পঞ্চাশ হাজার মানুষের খুবই উপকার হবে প্লিজ
সাধারণত জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করার পরে এটা ইউএনও অফিসে ফরওয়ার্ড হয় ফরওয়ার্ড হওয়ার পরে এটা ইউ এন ওর সরকারি আইডি থেকে এটা রিসিভ করাতে হয় যা করাতে গেলে কোন টাকার প্রয়োজন হয় না কিন্তু আমাদের ধনবাড়ি উপজেলা ইউ এন ও অফিস এটা রিসিভ করাতে গেলে ১০০ টাকা দাবি করে এবং আমি এটা দিয়েছি তাছাড়া রিসিভ করে না উনারা
আমার গাড়ির নাম্বার — আমার এই গাড়িটির সাথে একটু হোন্ডার দুর্ঘটনা ঘটে থানায় অবিবাহিত করে ওরে আমি উদ্ধার করেছি পরে তারা ওই হোন্ডার লোকদেরকে ডাকাতির মামলা কথা বলে অনেক টাকা ঘুষ নে এবং আমার আমার বিরুদ্ধে দায়ের করে আমার গাড়িটি এখন থানায় বর্তমানে জদ্য আছে আমার কাছে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে আমার গাড়িতে মাল ছিল ডালডা চার আনুমানিক বাজার মূল্য ২২০০০০ এই মাল দেওয়ার জন্য তারা ৪০ হাজার টাকা দাবি করে পরে বিশ হাজার টাকা নিয়ে মাল দিয়ে দেয় পরে যে কোন কথার কারণে আমার বলতেছে ঝাড়ু ২০ হাজার টাকা লাগবে আমাদের গাড়ি ছাড়ানোর জন্য তখন আমরা দিতে রাজি হইনি এমনকি আমি থানার ওসি স্যারের কাছে অভিযোগ করি সে ক্ষেত্রে এসআই আমাদের টাকাটা ২০ হাজার টাকা দিয়ে দেয় বা ফেরত দেয়
রাজবাড়ী সদর, ১২নং সুলতানপুর এ ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর ***,সরকারি যেকোনো আবেদন জন্য ২০০-৫০০টাকা দাবি করে অথবা তাকে ইয়াবা সেবন করাতে হয় এছাড়াও তিনি চেয়ারম্যান(বর্তমান বিসিএস ক্যাডার ভারপ্রাপ্ত) তার সাক্ষাৎ নকল করে দিলে আরো ৫০০টাকা দাবি করে এবং সাধারণত কোনো সেবা নিতে গেলেও সময় লাগে ৫-৭দিন ১২নং সুলতানপুর ইউনিয়ন বাসী অনেক ভোগান্ত মধ্যে আছে
আমার নামে এক ব্যক্তি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন তখন মামলা টি তদন্তের জন্য থানায় আসে থানার ওসি মহোদয় একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করেন তখন তিনি আমাকে মামলা হতে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য একদম বিনা কারণে 60000 টাকা নেয়