সাধারণ চারিত্রিক সনদপত্র
যতদূর জানি, এ সেবা সম্পূর্ণ ফ্রি। তবুও UDC আগে ৩০ টাকার বিনিময়ে কাজটা করে দিতো। এখন ২০০ টাকা ছাড়া দেয় না। আপনারা হয়তো বলবেন, টাকার পরিমাণ কম। তবে ঘুষের যাত্রা শুরু হয় ইউনিয়ন পরিষদের থেকেই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
যতদূর জানি, এ সেবা সম্পূর্ণ ফ্রি। তবুও UDC আগে ৩০ টাকার বিনিময়ে কাজটা করে দিতো। এখন ২০০ টাকা ছাড়া দেয় না। আপনারা হয়তো বলবেন, টাকার পরিমাণ কম। তবে ঘুষের যাত্রা শুরু হয় ইউনিয়ন পরিষদের থেকেই
Kichudin age amr ekti mobile churi hoyeche, curi hoye mobile er GD koreche. Police curi kora mobile paoyar por amr theke 8000tk ceyeche mobile khuje deyar binimoye. Tar mote ei mobile ekhon Dhaka e, Dhaka theke ei curi kora mobile ante tar upor kichu taka khorch kora lagbe amr. Kintu amr kotha mobile curir ekdin er mathai divabe Dhaka e cole jai and Back o cole ashe tar kache. Amr theke 8000tk caoyar age jiggas koreche je amr porichito keo ache kina ei thana e, ami haa bole tar sathe kotha bolie deyar por se raji hoyeche mobile khuje deyar and mobile khuje por se anmr theke 8000tk ceyeche, ses mesh ami onek kosto kore 5000tk manage kore diye amr mobile back peyechi.
আমার বাবার মুক্তিযোদ্ধা ভাতা আওয়ামী লীগ বন্ধ করে দেয়,এরপর আদালত থেকে রায় পাই ভাতা চালু করতে বর্তমান সময়ে, তাও ঘুষ চায় ভাতা ছাড়ানোর জন্য ৪০ হাজার মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয়ের এক কর্মকর্তা
ডেসকোতে বানিজ্যিক মিটার ছিলো মার্কেটে ৪ টা কিন্তু দোকান মোট ৫৮ টি সব মিটার আলাদা করতে চেয়েছিলাম। ডেসকো থেকে ম্যানেজ করতে ৭,০০,০০০/-(সাত লক্ষ) টাকা দাবি করছে।
আমি রুপগঞ্জ থানা থেকে ৪ বার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করেছি। ৪ বারই বিভিন্ন ভাবে আমার কাছে টাকা চাওয়া হইছে। বলে চা পানি দিলে নাকি রিপোর্ট ভাল আশে না দিলে নাকি ঝামেলা হয়।
ট্রেড ইউনিয়ন রিটার্ন দাখিলের জন্য বা অন্য যে কোন কাজের জন্য শ্রম পরিচালক এর অফিস ঘুষ ছাড়া নড়েও না
আমি একজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। গত ২০/০৮/২০২৬ খ্রি: তারিখে আমি একটি আবেদন ও প্রয়োজীয় কাগজপত্র সহ ঢাকা ডিসি অফিসে যাই।আমার এক জন ক্লাইন্টের পক্ষে রীট পিটিশন দায়েরের জন্য ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে একটি ভোকালত নামায় স্বাক্ষরের প্রয়োজন যা ডিসি অফিসের মাধ্যমে কারাগারে পাঠাতে হয় আর আমার বিষয়টাও ছিলো জরুরি। এমতাবস্থায় আমি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ রিসিপশন শাখায় জমা দেই এবং জানতে পারি তদ্বির না করলে সেটা নাকি আমি ১৫ দিনেও ফেরত পাবো না, ১ মাসও লাগতে পারে!আমি নিরুপায় হবে তদ্বির শুরু করি।এটা একক ভাবে একজনের নিকটে তদ্বিরের বিষয় নয় তাই টেবিলে টেবিলে তদ্বির শুরু হয় ২৫ তারিখ পর্যন্ত ৬ টেবিল পর্যন্ত তদ্বির করে মোট ২৭০০ টাকা খরচ করে জারী শাখায় নিয়ে এলে সেখানে চিঠিটি জেলগেটে পৌঁছে দিতে আরও ৫হাজার দাবী
সাউথ আফ্রিকা থেকে বেড়াতে বাংলাদেশ যাওয়ায় আসার সময় ভিসা আর প্লেনের টিকিট থাকার পরেও প্লেনে উঠতে দেননি প্লেন চলে গেছে ঘুশ দিয়ে পরবর্তী প্লেনে উঠতে হবে
মিডল ইস্টে জন্ম নেয়া ব্যক্তির জন্ম সনদে ভুল ক্রমে জন্মস্থান বাংলাদেশ তথা ফেনী করা হয়। পরে তা সংশোধন আবেদন করার পর সেটি অনুমোদনের জন্য অফিসে যাওয়ার পর মূল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি অনুমোদন করতে অপারগতা দেখায়। বিভিন্ন নিয়মের অজুহাত দেখায়। হবেনা বলে তালবাহানা দেখায় এবং নতুন করে আবেদন করার জন্য বলে। পরে অন্য লোকের মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে, তা ৫ হাজার টাকা দিয়ে অনুমোদন করা হয়।
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশ লাইন্সের রিজার্ভ অফিসার এসআই — ও তাহার সঙ্গী কনস্টেবল — দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত অফিসে কর্মরত থেকে পোস্টিং বানিজ্য করে আসছে। আমি বদলী সূত্রে অন্য জেলা থেকে আসলে আমাকে সদর থানায় পোস্টিং করে দিবে বলে জিম্মি করে ৪০ হাজার টাকা ঘুস নেয়।
খামার বাড়ি প্লান্ট প্রটেকশন উইং, এখানে ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না। ক্লার্ক থেকে শুরু করে উপর পর্যন্ত সবক্ষেত্রে ঘুষ। মি — উইং টাকে রাম রাজত্বে পরিণত করেছে।
আমাদের ভার্সিটির এক ক্লোজ ভাই বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকরী করে। উনাদের নাকি লোন দেয়। লোনের কিস্তি তুলতে সেখানকার ইঞ্জিনিয়ারদের সাইন লাগে। ইঞ্জিনিয়ার সেকশন নাকি লোনের টাকার ১-২% ঘুষ না দিলে সাইন দেয় না। সবাইকেই এটা দিতে হয়। সেই ভাইকেও তিন কিস্তিতে মোট ১ লাখ টাকার বেশি দিতে হয়েছিলো। এটা সেখানকার বড় অফিসারেরাও জানে। কিন্তু কেউ ব্যবস্থা নেয় না। নিজেদের কলিগের কাছ থেকে ঘুষ খায় এমন প্রতিষ্ঠান নাকি দেশে একটাই আর সেটা বাংলাদেশ ব্যাংক। আমি প্রথমে বিশ্বাস করতে চাইনি। পরে পরিচিত আরেক ভাইকে ফোন দিয়ে জানলাম যে ঘটনা সত্য। যারা ওখানে রাজনীতি করে তাদের লাগে না, সাধারণ সবার ঘুষ দেয়া লাগে। বিশ্বাস না হলে পরিচিত কাউকে ফোন দিয়ে ভেরিফাই করতে পারেন।
আমি বিগত ১০ ধরে ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স টি নবায়ন করে আসছি প্রতিবছর প্রতি বছর লাইসেন্স ফি নবায়ন বাবদ আমাকে দিতে হতো মাত্র ৯০০ টাকা এবং কে ঘুষ দিতে হতো আরো ১৫০০ টাকা এবছর সরকার ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্সটি সম্পূর্ণ নতুনভাবে নথিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং একটি কিউআর কোড সম্বলিত প্রদান করবে এইজন্য কর্মকর্তা আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা বাবদ ১২০০০ টাকা দাবি করে যে সরকার এখন লাইসেন্স ফি এবং অন্যান্য খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে তাই এই অতিরিক্ত টাকাটি প্রদান না করলে এই লাইসেন্সটি আপনার করা আর হবে না তাই আমি অনেকটা বাধ্য হয়েই লাইসেন্সটি করি পরে মূলা মলি করে দাম কষাকষি করে 12000 টাকার বদলে 6500 টাকা দিয়ে সেটি দিয়াসি করতে যাহা এখনো পর্যন্ত আমি হাতে পাইনি।
দিনাজপুর জেলায় একজন বিখ্যাত সেক্রেটারি আছে যার প্রভাবে দিনাজপুরে এখন চলাই দেয় চাঁদাবাজি ঘুষ নেশা এমনকি টোকাই দিও সে বাণিজ্য করতেছে আমার বাবাকে জোর করে উঠিয়ে 30 লক্ষ টাকা চাঁদা নিয়েছে। সে একবার স্থগিত হয়েছিল কিন্তু পুনরায় সে পথ ফিরে পায়।
একটি প্রেম ঘটিত বিস্য় নিয়ে এলাকার মেম্বার —, — ২ লাখ টাকা খাইছে পাশাপাশি বিএনপির —, —, —, — আরো ২ লাখ টাকা খাইছে
শুক্রবার দোকান খুলতে হলে ওনাকে প্রত্যেক ইয়ারলি ১২০০০ টাকা করে দিতে হবে। টাকা দেইনাই বিদায় উনি আমাকে মামলা করে দিছে, যারা টাকা দিছে তাদেরকে কিছু বলে নাই।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের সার্টিফিকেট নিতে কল করে আমাকে যেতে বলে। এরপর বিভিন্ন ডকুমেন্ট চায় যেগুলো আমি সব দিয়েছি । এরপরেও আমার কাছে খরছ দাবী করে এবং কাওকে জানাতে মানা করে । ১০০০/১৫০০ টাকা চাইলেও ৭০০ টাকা দিয়ে এসে যাই
বেতন চালু করার জন্য সকল ডকুমেন্ট যখন দিয়ে আসি হিসাব শাখার ওই লোক সকল কার্যক্রম শেষ করে আমাকে ফোন দেয় যে আপনার তো নতুন বেতন হয়েছে আমাকে আপনার এই মাসের বেতন করে দেওয়ার জন্য ট্রেজারি শাখায় ১২০০ টাকা দিয়ে সবাইকে মিটাতে হইছে এখন আপনি দেখেন কত দিবেন আমাকে। পরে বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা দিয়েছি।কারণ সকল বিল ওই লোকের মাধ্যমে পাস হয়। এখন যদি ওনাকে আমি এই টাকাটা না দিতাম তাহলে উনি আমার পরবর্তীতে সকল বিলগুলো আটকে রাখতো।
আমার ডিপিএস-এর মূল কাগজটি হারিয়ে গেছে। তাই আমি জিডি করে টাকা উত্তোলনের আবেদন করার জন্য থানায় যাই। সেখানে ডিউটি অফিসারকে বিষয়টি জানালে তিনি ভিতরে গিয়ে জিজ্ঞেস করতে বলেন; তিনি বেশ আন্তরিক ছিলেন। পরে কম্পিউটার অপারেটর অনলাইনে সব কাজ সম্পন্ন করে দেন। কাজ শেষে তিনি টাকা চাইলে আমার সহকারী তাকে কত টাকা দিতে হবে জিজ্ঞেস করলে তিনি ৫০০ টাকা দাবি করেন। থানার ভিতরে অন-ডিউটিতে জিডি করার জন্য টাকা চাইতে পারে—এমন ধারণা আমি আগে করতে পারিনি। পরে আমার সহকারী তাকে ৩০০ টাকা দিয়ে দিলে আমরা জিডির কাগজটি হাতে পাই।
Sonali Bank er Kaj sehse bill submit kora hoile 5000 tk kore na dile bill processing kore na, mas er por mas ghuriye bill dey na