Birth Certificate
Amar Birth Certificate kore dewar binimoye amar kase tk niase
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Amar Birth Certificate kore dewar binimoye amar kase tk niase
চারিত্রিক সনদ ১০০, নাগরিকত্ব সনদ ১০০, একাধিক নামের সনদ ১০০, ফিস, না দিলে সেবা নাই। সব মিলিয়ে দিতে হয়েছে। কিন্তু আগে লাগতো না সেবা ফ্রিতে পাওয়া যেত। কারন চকিদারী ট্যাক্স দিতাম সেবা নিতাম। এখন ট্যাক্স ও দেই সেবার ধরন অনুযায়ী টাকাও দেই।
নাগরিক সনদ সরকারীভাবে প্রত্যেকটি নাগরিককে ফ্রী দেয়া হয়,কিন্তু আমাদের ২০২০ থেকে ২০২৭ অর্থ বছরের সকল চৌকিদারি ট্যাক্স দেয়া হয়ে গেছে ইউপি পরিষদে। এমতাবস্থায়ও ফ্রী নাগরিক সনদের পরিবর্তে ৪০০ টাকার বিনিময়ে আমাদেরকে নাগরিক সনদ দেয়,টাকা/ঘুষ না দিলে এই নাগরিক সনদ মিলেনা। এটার থেকে আমরা সুরাহা চাই। অতীতেও জন্ম নিবন্ধন কার্ড করতেও প্রায় ১৫ টাকা লেগেছে,যেখানে সরকারিভাবে ফি হলো ২৫ টাকা বা তার বেশী,শিশুদের জন্য ৪৫ দিনের পূর্বে সম্পূর্ণ ফ্রী কিন্তু এই ইউয়নিয়ন পরিষদে একেকটি জন্ম সনদের জন্য ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০০/২০০০ টাকাও ঘুষ নেয়া হয়। টাকা দিলে সবকিছু মিলে টাকা না দিলে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়।
আমার ফ্যাক্টরির জন্য অবস্থানগত সার্টিফিকেট না নিয়ে পরিবেশগত সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছিলাম। আমাকে যতনগত সার্টিফিকেট এ বিষয়ে আমার কোন ধারণা ছিল না। আমি ফ্যাক্টরি নির্মাণ অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজন করি, তারা আমাকে এই ভুলটা উল্লেখ করে ও শৃঙ্খলা হবে এই হুমকি দিয়ে অবস্থানগত সার্টিফিকেটের জন্য ৫০হাজার টাকা দাবি করে তারপর পরিবেশ গত সার্টিফিকেট জন্য আবেদন করতে বলে এবং সেটার সরকারি খরচ ২৫ হাজার টাকা। এবং তার জন্য তার আরো ২৫ হাজার টাকা দাবি করে যেন আমি পরিবেশগত সার্টিফিকেট দ্রুত পাই। সর্বমোট তার ২৫ হাজার এর ৭৫ হাজার টাকা প্রস্তাব রাখে। অর্থাৎ আমার এক লাখ টাকা তার খরচ হবে। যেখানে আমার সরকারি খরচ এ সর্ব ২৫ হাজার টাকা হয়ে যাওয়ার কথা ছিল।
আমি আমার বাবা-মায়ের জন্ম নিবেদন সংশোধন করতে গিয়েছি। প্রতিটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য সরকারি ফি ১০০ টাকা কিন্তু সে প্রতিটি জন্ম নিবেদন সংশোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা রেখেছে। তাহলে দুটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আমাকে ৪০০ টাকা দিতে হয়েছে যার মধ্যে ২০০ টাকা হলো সরকারি ফি আর ২০০ টাকা হল বাড়তি আদায়কৃত টাকা। আমার খুব ইমার্জেন্সি ছিল তাই আমাকে ৪০০ টাকা দিয়ে সেটি করিয়ে নিতে হয়েছে।
প্রতিবেশির সাথে জায়গা নিয়ে বিরোধ হলে পুলিশ ১৪০০০ টাকা আমাদের কে ভয় দেখিয়ে খায়। বলে নইলে আদালতে কাগজ যাবে। আপনাদের জেলে থাকতে হবে। সবই মিথ্যা।
ভাতার রেজিষ্ট্রেশন করতে যেয়ে তাদের কাজ না করে দেয়ার মনোভাব দেখেছি৷ এক রকম বাধ্য করা হয়েছে না হয় ভাতা পাওয়ার সম্ভাবনা ০% ছিল।
আমার এনআইডি কার্ডের ইংরেজি নাম ভুল ছিল। যখন আমি ২০২৫ এ ড. মুহাম্নুদ ইউনুসের আমলে পাসপোর্ট করবো ভাবলাম,তখন ভাবলাম এনআইডি কার্ডও ঠিক করি, তাই এনআইডি সংশোধনের জন্য আবেদনও করি। ৭ দিনের মধ্যে সংশোধন ও হয় এবং ম্যাসেজে উল্লেখ করেছিল সংশোধন কপির সাথে একটি যাকে স্ক্যান কপি বলে তা যেন সংগ্রহ করি( এটা নির্বাচন এলাকা পরিবর্তনের সময় ও পাসপোর্ট অফিসে প্রয়োজন) কিন্ত তারা সেটি দেয় নি। এবং পরবর্তীতে যখন পাসপোর্ট অফিস আামার এনআইডি কার্ডের স্ক্যান কপি চায় তখন দিতে না পারায় আমাকে নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করতে বলে। নির্বাচন অফিসে গিয়ে তাদের ম্যাসেজ দেখালে তারা বলে তারা বাধ্য নয়। পরবর্তীতে আামাকে এক কোনায় নিয়ে ৫০০ টাকা চায় কিন্তু আমি ৩০০ টাকা দিবো বলায় তারা সাথে সাথে সেটি নিয়ে এসে একটা লোকবুকে সাইন নেয়।
মানি এক্সচেঞ্জ অনুমোদন নাই পরবর্তীতে সিকিউরিটি গার্ডে ওই মানি এক্সচেঞ্জ করে দুবাই ১০০ দেরহাম বাংলাদেশের রেট ৩৪.৫কিন্তু সে 32 টাকা করে দিছে।তাহলে অনুমোদন যদি নাই থাকে তাহলে সিকিউরিটি গার্ডে ওই ব্যাংকে কিভাবে একচেঞ্জ করে।
আমাদের চট্টগ্রাম কোর্ট হিল ট্রেজারিতে যখন স্টাম্পের চালান করি আমাদের চালানের পরিমাণ থাকে ৪৯৫০০=/ টাকা চালান।মোট ৫০০০০=/টাকা তারা নেয়।এখন সরকার আমাদেরকে যে ৫০০ টাকা কমিশন দেয় তা তারা জোর করে নিয়ে নেয়।যদি ৫০০ টাকা তাদের না দেওয়া হয় তারা ট্রেজারিতে মালের সংকট দেখায়।আর তারা পরবর্তীতে সে লাইসেন্সকৃত ভেন্ডারদের সাথে খারাপ আচরণ করে। আমরা সপ্তাহে এইরকম ৪৯৫০০× ২০=৯,৯০,০০০ টাকা বান্ডেল স্টাম্পের চালান করি। বাকি ৫০০×২০= ১০,০০০টাকা সপ্তাহে।অথাৎ আমাদের সহরে যত ভেন্ডার আছে সবার থেকে তারা এই ভাবে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।এই অনিয়ম এর বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়াচ্ছে না। দ্রুত এই অনিয়ম বন্ধের দাবি জানাচ্ছি সরকারের কাছে।
আমি আমার ট্রেড লাইসেন্স এর ইংরেজী ভার্সন এর প্রিন্ট কপির জন্যে অফিসে গেলে তারা বলে আগের মত সম্পূর্ণ ফিস পরিশোধ করতে, বাস্তবে ইংরেজী ভার্সন এর ডুপ্লিকেট ওঠাতে এত টাকা লাগার কথা না. তারপরও তারা আমাকে বলে সম্পূর্ণ টাকা প্রদান করতে আমি না করে দিয়েছি
চাকরিতে যোগদান করার পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বাসায় পুলিশ আসে, চা-নাস্তা করানোর পর তারা ৩৫০০ টাকা দাবি করে এবং এটা বলে যে, ভেরিফিকেশন রিপোর্ট ভালো দিবে কোনো সমস্যা পাবে না কেউ । অথচ, আমার নামে কোনো খারাপ রিপোর্ট নাই, না আছে পুলিশের খাতায় কোনো নাম, এলাকার কোনো মানুষও খারাপ বলতে পারবে না । তবুও বাধ্য হয়ে ৩৫০০ টাকা দিতে হয়েছে
আমাদের মসজিদে এমপি,র কোটায় সংস্কারের জন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলে ১ম কিস্তির ১ লক্ষ টাকা পেতে ৬০০০/ টাকা বিভিন্ন টেবিলে দিতে হবে বলে জেলাপরিষদ সার্ভেয়ার ৬০০০/ টাকা নেন। কিন্তু পরবর্তী কিস্তির টাকা গত ৬ মাস যাবৎ বিভিন্ন অযুহাতে ঘোরাচ্ছে, এখন চেক রেডি করার জন্য একাউন্স সেকশনের নারী কর্মী আটকে রেখেছে। আমরা ব্যক্তিগতভাবে ২ লক্ষ খরচ করে যথাযথ প্রমানাদি দাখিল করি। আমি নিজেও একজন সরকারি ১ম শ্রেনীর কর্মকর্তা। মসজিদের কাজে আর ঘুষ দিতে চাইনা, বার বার ফোন করছি, কিন্তু তারা তাদেরমত ঢিমে তালে আগাচ্ছে, প্রায়ই ফোন ধরে না।
সরাসরি টাকা দাবি করে
গাইবান্ধা জেলা পলাশবাড়ী উপজেলা মনোহরপুর ইউনিয়ন এর দুনীতির চিত্র। জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ১২০ টাকা নাগরিকত্ব সনদ প্রতিটি কপির জন্য জন্য ৪০ টাকা , নতুন ভোটার প্রত্যায়ন এর জন্য ৮০ টাকা দাবি করে। আমি মনে করি ইউনিয়ন পরিষধ থেকে আমার কাছে বেশি টাকা দাবি করে হয়। যা অন্য ইউনিয়ন থেকে অনেক বেশি করে নেয়া হয়।
Told me the whole chagres of the facility wrong,the realammount to be paid was 710 tk,they asked for 1900 tk.
My mother payed money to গৃহায়ন অধিদপ্তর from 1984 to 2009 as monthly instalment and had all the documents with her . Still the treasury office at sadarghat , Dhaka claimed 150000 taka for clearance letter to me.
একটি দেওয়ানি মামলা চিটি পৌঁছানোর খরচ বাবদ ২৫০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানা দেওয়ানি আদালত।
নতুন আইডি কার্ডের ছবি তুলা, েটাকা না দিলে মোবাইলে মেসে দিবে না, তাই মেসে দেওয়ার জন্য 6000 টাকা দুটি আিইডি কার্ডের জন্য পরিশোধ করেছি। টাকা না দিলে মোবাইলে মেসে দিবে না, মোবাইলে মেসেস না গেলে ছবি তুলেতে পারে না। আমাদের হাওড়েরর যাতায়াত করা খুবই কঠিন, একদিনে যাতায়াত করা 500 টাকা লাগে। যেখানে বলে যে, আপনার ফাইল জমা দিয়ে যান, মেসে গেলে আসবেন, যা আমাদের হাওড় এলাকার জন্য খুবই কষ্টকর। তাই ঘুস দিলে আর মেসেসে জন্য অপেক্ষা করতে হেব না।
আমার আব্বু নৌবাহিনীতে চাকরি করতেন। আব্বুর রেশনের টাকা বৃদ্ধির আবেদনের সময় এই ঘটনাটি ঘটে। সবার রেশনের টাকা বাড়ে কিন্তু আব্বুর বাড়ি নি। তারপর যখন যোগাযোগ করা হয়,তখন বলা হয় ৫০০০ টাকা ঘুষ না দিলে উনারা আবেদনপত্র গ্রহণ করবে না। আমরা খুবই মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ, বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা জোগাড় করে এবং যিনি ঘুষ দাবি করেন তিনি একজন মহিলা। সেই টাকা তাকে বিকাশে পাঠাতে হয়েছিল।