কেইসের তদন্ত রিপোর্ট
একটি তদন্ত রিপোর্টে দারা বাদ দয়ে সঠিক রিপোর্ট দিতে বলায় টাকার দাবি, না দিলে কেইস জটিল করে দেয়, তাই বাধ্য হয়, সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য তদন্তে এসএই রা এইসব টাকা খায়, আরো বলে যে, ওসিকে ভাগ দিতে হয় তাই কাটা বেশি লাগে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একটি তদন্ত রিপোর্টে দারা বাদ দয়ে সঠিক রিপোর্ট দিতে বলায় টাকার দাবি, না দিলে কেইস জটিল করে দেয়, তাই বাধ্য হয়, সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য তদন্তে এসএই রা এইসব টাকা খায়, আরো বলে যে, ওসিকে ভাগ দিতে হয় তাই কাটা বেশি লাগে
ঢাকা দোহার উপজেলায় কিডনি,কেন্সার সহ কয়েকটা রোগের জন্য সরকার থেকে ১ লক্ষ টাকা অর্থায়ন করা হয়। সেখানে রোগিদের আবেদন করার জন্য অফিসের কর্মচারিরা জন প্রতি ১০,০০০ টাকা কন্টাক দাবি করে। কর্মচারিরা দাবি করে সরকারি অনুদান ১ লক্ষ টাকা পেতে হলে তাদের ১০,০০০ টাকা দিতে হবে। এভাবেই প্রত্যেক রোগির কাছে তারা ১০,০০০ টাকা দাবি করেন।
সোনালী ব্যাংকে নতুন একাউন্ট খোলার জন্যে প্রতি অ্যাকাউন্টে ২০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়। এই টাকাটা বাধ্য হয়ে দিতে হয়
ঝালকাঠী জেলার নলছিটি থানাধীন ২নং মগড় ইউনিয়ন সরকারিভাবে স্থানীয় মসজিদ মাদ্রাসার জন্য ২০০০০০ টাকার অনুদান পেতে স্থানীয় বিএনপি নেতাগণ অত্র ইউনিয়নের সকল মসজিদ মাদ্রাসার সভাপতি, সুপারিটেনডেন্ট এর কাছ থেকে 200000 টাকা পাইয়ে দেয়ার জন্য 100000 টাকা দাবি করে এবং তা নিয়েও নেয়।
গত ০১/০৯/২৬ ইং তাং বায়জিদ বোস্তামী পোস্ট অফিসে স্পিড পোস্টের মাধ্যমে পার্সেল পাঠাতে গিয়েছিলাম। তারা আর আমাকে সব ধরনের অসহযোগিতা করে, এবং পার্সোনাল ডাক টিকেটে গুলো আমাকে দিয়ে লাগায়। পরে জিজ্ঞেস করলাম যে, সকল কিছু আমি করে দিলাম আপনারা কিছুই করলেন না এটা কেমন ধরনের সার্ভিস হলো। তখন পোস্ট অফিসের ভেতর জিনিস সরকারি সিল মারেন তিনি আমাকে বললেন আপনি ১০০/১৫০ টাকা বকশিস দিলে আমরাই করে দিতাম সব। তারমানে উনাদেরকে যদি আমি ১০০/১৫০ টাকা দিয়ে দিতাম তাহলে উনারা আমাকে সকল ধরনের হয়রানী গুলো করত না।
আদালতে একটি মামলা চলমান ২০২০ সাল থেকে, কিন্তু এখন যেই স্তরে আছে, সেই স্তর থেকে সামনের স্তরে নিতে, ৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়, (মুরি) পেশকারের কাছে গেলে তিনি বলেন মহুরির সাথে কথা বলতে, তবে উকিল সাহেব এর এই খানে অপরাধ নেই, কিন্তু তিনি কিছু বলতে পারছেন না,
ল্যান্ড সার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনাল, ময়মনসিংহ এর বিচারক ৫ (পাচঁ) লক্ষ টাকা ঘুষ না দেওয়ার আমার জমি বিবাদীরপক্ষে আদেশ দেয় আদালত। আমি গরিব মানুষ এত টাকা নাই, থাকলে দিয়ে ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে হলেও বিপদ থেকে মুক্ত হতাম।
আমার জন্ম নিবন্ধন আর স্কুল সার্টিফিকেট এক ছিল না তাই ঠিক করার জন্য নতুন জন্ম নিবন্ধন তৈরি করতে গেছিলাম,, গিয়ে কথা বললাম তো বলল এই সমস্যা সেই সমস্যা পরে বলল ৩০০০ টাকা দিলে আজকেই হয়ে যাবে,, উপায় ছিল না খুব জরুরি লাগত তাই ২৫০০ টাকা দিয়ে করে নিছি 😔😔
ami bank loan apply kori krisi bank amake bola holo 1 lac e amake 5000tk dite hobe ami 4000tk paid koro
যে কোনো প্রয়োজনে থানায় গিয়েছি প্রতারণার বিষয়ক একটি সেবা নেওয়ার জন্য। ওরা তো আমাকে সাত-পাঁচ বুঝালো। যাক, অবশেষে আমার একটা জিডি নেওয়ার জন্য সম্মত হলো। জিডি লিখাও হলো। এখন জিডি লিখে ১,০০০ টাকা দাবি করে বসলো, যা আসলে বিনা পয়সায় করা উচিৎ ছিল। লজ্জায়ও পড়ে গেলাম, আবার একটু আশ্চর্যও হলাম। এখনো কি এইসব চলে থানায়? আমার কাছে ১,০০০ টাকা না থাকার কারণে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হলাম। এখন এই ৫০০ টাকা কম দেওয়ার কারণে হয়ত আমার জিডি নিয়ে এরা আর মাথা ঘামাচ্ছে না। আল্লাহ এদের বিচার করুন।
আমার জমির গাছ বিক্রি করার পর ক্রেতার নিকট স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী ৫০০০০টাকা চাঁদা দাবি করলে আইনের আশ্রয় নিতে গেলে অভিযোগ পত্র জমা দেওয়ার পরের দিন আমার নিকট হতে তদন্ত করত ডিবি পুলিশ ১০০০০ টাকা দাবি করলে তা পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়। অন্যথায় চাঁদাদাবির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন ।
চাকরি এর জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল, বাসায় এসে বলে শহর থেকে আসতে তাদের অনেক খরচ হয়েছে, এটা তারা তাদের নিজেদের পকেট থেকে খরচ করেছে, এখন যদি তাদের দাবীকৃত অর্থ না দেওয়া হয় তাহলে রিপোর্ট পাঠাবে না।
আমি গত কয়েকমাস আগে বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ একাডেমিতে ভর্তির জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে physical fitness certificate নিতে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত অফিসার আমাকে বলে সিভিল সার্জন নেই, আমি ভারপ্রাপ্ত অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তারা ১০০০টাকা চায়, পরে আমার পকেটে ৭৫০ টাকা দেখে তারা ৬০০টাকা নেয়, তারপর হঠাৎ করে তারা আসল সিভিল সার্জনের সিল ও স্বাক্ষর আনে, মানে তারা আমার সাথে ঘুষ নিতে প্রতারণা করে। এ অভিজ্ঞতা ছিল খুবই কষ্টদায়ক ও অনেক অসহায় লাগছিল।ঐ অফিসারদের বেতন অনেক বেশি তবু তারা আমার মতো এক বেকার ছাত্রের পকেট চেক করে টাকা নিয়েছিল।আগে ভাবতাম নিজের দেশবাসীর জন্য কিছু করব এখন ভাবি যাদের জন্য করব তাদের কাছে যদি ঐ লোকেদের কারণে সেবা না পৌছে??
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সারটিফিকে এর জন্য গিয়েছিলাম।থানার মুনসি বলছে তিন হাজার টাকা লাগবে,আমি বললাম এক হাজার টাকা সরকারী ফি, তিন হাজার লাগবে কেন। বলছে এক হাজার আমাদের, একহাজার এস,পি সাহেবের,আর এক হাজার সরকারী ফি।দিলে হবে না দিলে হবে না। আনেক জরুরী ছিল,অনুরোধের পর ২৭০০ টাকায় দিতে রাজী হয়।টাকা দেয়ার পর বললাম রিসিট দেন,বলে পুলিশের রিসিট লাগে না কি?এক সপ্তাহের কথা বলে দুই সপ্তাহ পরে দিছে।
কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর গাজীপুরের অফিস প্রধান গত ৩ মাস আগে আমাদের শ্রীপুরের কারখানায় পরিদর্শনে নতুন পরিদর্শকসহ এসে ৩০,০০০ টাকা দাবি করে। তখন দিতে অপারগ হলে তিনি অফিসে দেখা করতে বলেন। অফিসে গেলে তিনি বলেন টাকা দিতে হবে তা না হলে তিনি পরবর্তী নবায়ন দিবেন না এবং তাকে তিন মাস পরপর ৪০,০০০ করে দিতে হবে। উপায় না দেখে আমার কারখানার স্বার্থে তাকে আমি তখন ৩০,০০০ হাজার দেই এবং ৩ মাস পর পর ২০,০০০ করে দিতে রাজি হই বাধ্য হয়ে। গতকয়েকদিন আগে তিনি পুনরায় ৩ মাস পার হওয়ায় টাকা চাইলে আমার কারখানার অবস্তা খারাপ বলি। তিনি কিছু শুনতে চান না। তার টাকা দিয়ে যেতে বলেন।
একটি কারখানার লে-আউট প্ল্যান অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে আবেদন করা হলে অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিনিময়ে আনুমানিক ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা অনানুষ্ঠানিকভাবে দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দাবিকৃত অর্থটি সরকারি নির্ধারিত ফি বা চালানের অংশ হিসেবে জানানো হয়নি। অর্থ প্রদান না করলে লে-আউট প্ল্যানের অনুমোদন প্রক্রিয়া বিলম্বিত বা জটিল হতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সরকারি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, ঘটনাটি গোপনীয়ভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অভিযোগকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে।
নতুন বৈদ্যুতিক মিটার নামিয়েছি গত ২ বছর আগে, তখন জানতাম না কত টাকা লাগে, আমাদের থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়েছে + খাম্বা থেকে আমার বাড়ি পর্যন্ত সার্ভিস তার আমাদের টাকা দিয়ে কেনাইছে। আমাদের মিটারে লোড ১ কিলোওয়াট ও লাগেনা কিন্তু ওনারা ইচ্ছা করে ৪ কিলোওয়াট দিয়ে দিছে আমাদের না জানিয়ে। প্রতি মাসে এর জন্য বারতি ১২৬ টাকা করে কেটে নিচ্ছে কোনো প্রয়োজন ছাড়া। যখন তাদের সাথে যোগাযোগ করলাম কিলোওয়াট কমানোর জন্য আমার কাছে ৭০০ টাকা ঘুষ চাইলো। মানে এমন একটা কারনে ঘুষ চাইলো যাতে আমার কোনো দ্বায় ই নেই। তখন বুঝতে পারলাম ওরা ঘুষ খাওয়ার জন্যেই ইচ্ছাকৃত ভাবে সবার মিটারে কিলোওয়াট বাড়িয়ে দেয়। খুলনা পাওয়ার হাউস মোরে অবস্থিত ওয়েস্ট জোন পাওয়ার
আমাকে একটি মিথ্যা মামলায় আসামিপক্ষ রাজনৈতিক ক্ষোভে মামলার প্রথম আসামি আমার নাম লিস্টে দিয়েছে। মামলার তদন্ত অফিসার যানে যে, আমি নির্দোষ এবং এই মামলার সাথে আমি সংযুক্ত নই, তারপরও বিভিন্ন ভাবে আমাকে ভয় ভীতি দেখাতে থাকে, এমনকি আমার বাসায় রাত ২:০০ টার দিকে এসেও আমার পরিবার এর লোকের সাথে সাক্ষাৎ করে বাবাকে থানায় যোগাযোগ করতে বলে। এভাবে একদিন, দুইদিন, তিনদিন যোগাযোগ করতেই থাকে এবং শেষ পর্যন্ত ৫০০০ টাকা তাকে দিয়ে খুশি করে। আসল মজার ব্যাপার হলো এই টাকায় সে খুশি হয়নি, তাই চার্টশিটে আমার নাম দিবে বলে বাবাকে জানিয়ে দেয়। তার হয়তো আরো টাকা দরকার কিন্তু আমিতো নির্দোষ তাহলে কেন আমি তাকে টাকা দিব?
**চার বছর ধরে বিচারপ্রত্যাশী, কিন্তু বিচার কোথায়?** চার বছর আগে দুর্বৃত্তদের হামলায় আমার বাবা, আমি ও পরিবারের কয়েকজন গুরুতর আহত হই। বাবা দীর্ঘদিন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়ে আল্লাহর রহমতে সুস্থ হন। ন্যায়বিচারের আশায় মামলা করেছি। কিন্তু চার বছরেও বিচার পাইনি। **প্রতি মাসে হাজিরার জন্য উকিলকে ২ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে—টাকা না দিলে হাজিরায় সই করেন না।** এভাবে বছরের পর বছর উকিলের পেছনে টাকা দিতে দিতে, মামলা ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় **১০ লাখ টাকা** শেষ হয়ে গেছে। **বিচার পাওয়ার জন্য যদি গরিব মানুষের শেষ সম্বলটুকুও উকিলের পেছনে শেষ হয়ে যায়, তাহলে সে বিচার পাবে কীভাবে?** আমরা প্রতিশোধ চাই না—**শুধু ন্যায়বিচার চাই।**
আমার জমিটা আমার নিজের কিন্তু আমার সাথে ঝামেলা করার জন্য আমার নিজের ভাতিজা মামলা করেন। পরে সেটা আদালতে অভিযোগ উঠে। আইনজীবী আমাকে বলেন আমাকে ২০০০০০ টাকা দিলে মামলা নিষ্পত্তি করে দিবেন বলেন। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার মামলাটা আজ ১২ বছর ঝুলিয়ে রাখছেন।