জন্ম নিবন্ধন
আমি আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম, সেখানে এক অনির্বাচিত সদস্য দারা 2000 টাকা চাওয়া হয়.আমি এই টাকা পরিশোধ করব না বললে, আমকে হুমকি দেওয়া হয় বাচ্চার নিবন্ধন কীভাবে করি উনি দেখে নিবেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম, সেখানে এক অনির্বাচিত সদস্য দারা 2000 টাকা চাওয়া হয়.আমি এই টাকা পরিশোধ করব না বললে, আমকে হুমকি দেওয়া হয় বাচ্চার নিবন্ধন কীভাবে করি উনি দেখে নিবেন।
prattayan patra issue
আপনারা ডিসক্লেইম করছেন যে কারো নাম বা ব্যক্তিগত কোনো কিছু প্রকাশ হবে না। অথচ দেখা যাচ্ছে সরাসরি কিছু মানুষের নামে অভিযোগ দেখা যাচ্ছে। এখন যদি সেই ব্যক্তি আইনি প্রতিকার চায় বা মানহানি মামলা করে তাহলে আপনারা কিভাবে এর দায় এড়াবেন?
বাবা মারা যায় ২০২১ সালে, চাচা, ফুফু ও তাদের ছেলে মেয়ে নিয়ে আমাদের বাসা থেকে উচ্ছেদ করো নানা পরিকল্পনায় থানা কাছ থেকে সাহায্য নেয়ার সময় জিডির মধ্যেমে এক এক আয়ু আমাূের ও তাূের কাছ থেলে টাকা খেয়ে বেইমানি করে মিথ্যা মামলায় আমাূের ফাসিয়ে বাড়ি ধখল করে দেয় তাদের।
শেরপুর পারিবারিক আদালতে বাচ্চার বক্রী টাকা জমা দিতে গেলে, ঘুষ ছাড়া টাকা জমা নেই না, কোর্টে যে কোনো কাজ করতে বা কোনো ফাইল দেখতে টাকা দেওয়া কাজ হয় না,ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না।
আমি নতুন ভোটার হতে গেয়েছিলাম। আমার কাজ টা দ্রুত করার নাম করে ৫০০ টাকা নিয়েছে।আমি পাসপোর্ট করবো এর জন্য দিতে বাধো হয়েছি
আমার আপুর ট্রান্সফার হয়েছে বাট একটা কাগজের প্রয়োজন এর জন্য তারা বারবার হয়রানি করতো আজ না কাল পরশু আছে তারপর গোপন কক্ষে নিয়ে যেয়ে বলে টাকা লাগবে তাহলে তার কাজ তাড়াতাড়ি হবে টাকা দেওয়ার পর এক ঘন্টা পরে কাজ হয়ে যায়
Amader Basar Mother Meter Nosto 2 mash so electric bill dey laser a hishab koreh ami 1 month age gasilam meter change korar jonno application korci then application haraiya felsa then abar application korci then 1 din por meter dekhar jonno lok ashca then amk boleh building er paper tax aro onek paper lagbe and meter 3 tar poriborta 1 ta main meter lagabe age 3 ta meter chilo and 3 ta bill ashto akn naki 1 ta meter lagabe full build er jonno and bill oo 1 ta ashbe so ami bolci kno meter 3 ta ase 3 ta thakbe tkn amr kase bolsa shob hobe taholeh 18k lagbe
বিদ্যুৎ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলাম, টাকা চেয়েছে, ২০০০০০ না হলে নাকি লাইন ওভারলোড দেখিয়ে আবেদন বাতিল করা হবে।। আমি এখনো টাকা দেই নাই। কি করবো ভাবছি।
তাকামুল সাটিফিকেট ঘুষ ছাড়া পরীক্ষায় পাশ করায় না,সরকার এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে বলুন।ঘুষ দিলে পরীক্ষা ছাড়া পাশ দিয়া দে।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল সার্টিফিকেট আবেদনের সময় সরকারি নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করার পরও একজন অফিস সহকারী প্রত্যেক জন থেকে ৫০০-১০০০টাকা করে অতিরিক্ত টাকা দাবী করে। তিনি সিভিল সার্জন স্যারের নামে মূলত আবেদনকারী থেকে টাকা গ্রহণ করে।
আমি সরকারি BTCL এর ইন্টারনেট নরসিংদী সদর থেকে দিতে চাচ্ছিলাম । তারপর অনলাইনে ঘাটাঘাঁটি করে দেখলাম অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হয় বা সরাসরি অফিসে ছবি নিয়ে গেলেও হয়। প্রথম দিন গেলাম, লোক পাইনি, পরের দিন গেলাম তারা বলল কম্পিউটার দোকানে যেতে । অথচ তাদের এখানে করা যায় । তারপর একটু খোঁজাখুঁজি করলাম । BTCL এর একজন লাইন লাইনম্যান ৩০০ টাকা নিল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য (যেটা একদম ফ্রি) । পরে সে একই লোক, আমার বাসায় ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে যায় এবং ১০০০ টাকা চা পান খেতে দাবি করে (লজ্জা শরমে দিয়ে দিয়েছি, কারণ পরবর্তীতে লাইন খারাপ হলে তাদেরকে বললে সাথে সাথে আসবে)। এখনো কোনো কারণে যদি তাদেরকে ডাকি তারা দুই তিন দিন পরে আসে এবং চা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা নিয়ে যায়(অথচ তাদের অফিস থেকে যাতায়াত খরচ দেয়)
"বগুরা টু পঞ্চগড় গ্যাস পাইপলাইন এর জন্য ভুমি অধিগ্রহণ " ২০২১ সালে আমার আব্বার জমিতে গ্যাস পাইপ লাইন বসানোর জন্য অধিগ্রহণের নোটিশ আসে। যথাযথ প্রকৃয়ার ডিসি অফিসের "LO "শাখায় আমি আবেদন করি। কিন্তু পড়ে জানতে পারি অধিগ্রহণের অর্থ নিতে হলে ১০% হারে ঘুস দিতে হবে। আর এই অর্থ ওঠানো হতো ভুমি অফিস কর্তৃক নির্ধারিত দালাল দিয়ে। অবার অনেক সময় কানুন গো, সার্ভেয়াররা নিজেই হাতে টাকা নিতো। আমার বাবার জমির টাকা উঠানোর জন্য বাধ্য হয়ে ৫ লক্ষ টাকা ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার কর্তৃক নির্ধারিত দালালের হাতে দিতে হয়। অর্থ প্রদানের ১ মাস পড় আমি অধিগ্রহণকৃত জমির চেক পাই। এই ঘুসের টাকা ডিসি থেকে শুরু করে LO শাখার ম্যাজিস্ট্রেট ও সকল কর্মচারীর পকেটে যায়।
মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের বদলি-বাণিজ্য ও অর্থ আদায়ের বিষয়ে আমার প্রত্যক্ষ বক্তব্য আমি একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও আমার কাছে থাকা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জানাচ্ছি যে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও টেকনিশিয়ানদের বদলি-পদায়নকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অর্থ আদায় ও হয়রানি চলছে। দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের কর্মরতদের কাছ থেকে প্রায় ২ লাখ টাকা করে অর্থ দাবি করা হচ্ছে। নির্ধারিত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে দূরবর্তী স্থানে বদলি বা হয়রানিমূলক পদায়নের চাপ দেওয়া হচ্ছে। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ M-TAB এই কাজ করতেছে এবং তাদেরকে সাহায্য করতেছে বাংলাদেশ ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (DAB) I
টাকা দিলে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়া যায় ১০ দিনে , না হয় ১৫/১৮ দিন বা এর থেকে বেশি ও লাগে
ভুমি অধিগ্রহন ছিল প্রতি লাখে ১০ % হারে ঘুষ চাওয়া হয় পরবর্তীতে দিতে বাধয় হই।।।
NID Application batil kore dey, Chauddagram e shob neta eta mile kore . shob neta and netar chamcha diye vora office. seal dey special , eita dekhle pass hoye jay , nahole shob documents thakar por o ghuray. J application grant kore she jorito.
দূর বিত্ত আমার জায়গা দখল করেছে । আমি থানায় অভিযোগ করছি টাকা ঘুষ চাইছেন। এবং পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে আপনি কোন দল করেন আওয়ামী লীগ না কি বিএনপি। আওয়ামী লীগ করলে অবশ্যই হেল্প করার ইচ্ছা পোষণ করে। আওয়ামী লীগ শাসনামলে ঘটনা
একটি সি আর মামলার তদন্তের জন্য বাবাকে ভয় দেখিয়ে হাতিয়া উপজেলা জাহাজমারা থানার তদন্ত — আমাদের থেকে ২০০০০(বিশ হাজার টাকা) ঘুষ আদায় করে।পরবর্তীতে প্রতিবেদনে মামলা টি মিথ্যা এবং কেউ অভিযুক্ত নই বলে,দেখতে পাই কোর্টে।
সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের চূড়ান্ত বিল দ্রুত অনুমোদন করানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের 4% হারে প্রায় 73 লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে