শ্রম ও কল কারখানা অধিদপ্তর
শ্রম ও কল কারখানা এর লাইসেন্স renew.
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
শ্রম ও কল কারখানা এর লাইসেন্স renew.
আমার সরকারি চাকরি ভেরিফিকেশনের জন্য দেখা করে ছিলাম। সবরকম ডকুমেন্টস যা দরকার ছিল সব দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে বিভিন্ন খরচের অযুহাতে আমি ১০০০ টাকা দিলে তিনি আরও ১০০০ দাবি করেন। যেহেতু চাকরির ব্যাপার। তাই ঝামেলা এরাতে ২০০০ টাকা দিয়ে দি।
পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার শুরুতেই বিভিন্ন কাগজপত্র দেওয়ার পর তিনি টাকা দাবি করে এবং এক হাজার টাকা দেওয়াতে তিনি নেন নি এবং বলে যে আবার যোগাযোগ করবে এবং বলে যে বিভিন্ন কাগজপত্র আরো লাগবে যখন টাকা দেওয়া হয় আর কোন কাগজপত্র লাগবে না বা ঠিক আছে বলে।
আমি এলপিআর এ আসবার পর আমার জিপিএফ ফান্ডের জমানো টাকা, প্রাপ্ত ছুটির নগদায়ন হিসাব যে অডিটর করেছে সে আমাকে এক লাখ টাকা ডেবিট আছে বলে ভয় দেখিয়ে ৬০০০০ টাকা দাবী করে।আমি ভয়ে তার সাথে ৫০০০০ টাকায় রফা করি। পরে যখন আমি আমার প্রকৃত হিসাব হাতে পেলাম তখন দেখি আমার ৪০০০০ টাকার মত ক্রেডিট আছে। সবচাইতে মজার ব্যাপার হলো আমার পাওনা প্রদান কারী কতৃপক্ষের নিকট অডিট রিপোর্ট ঘুষের টাকা পরিশোধ করার তিনদিন আগে জমা হয়ে গিয়েছিল যা আমাার জানা ছিলনা। কিন্তু যখন আমি প্রাপ্ত বিল সংক্রান্ত কাগজ হাতে পাই তখন বিষয়টি আমি ধরতে পারি।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়ে আসতে গিয়েছিলাম এসপি অফিস পাবনাতে আমি যখন এয়ারলাইন্স চাইলাম তখন আমাকে বলল আপনার এগেনস্টে একটি মামলা আছে সে মামলার ক্লিয়ারেন্স নথি নিয়ে আসেন আমি বলেছিলাম যেহেতু আমি ইতিপূর্বে দিয়েছি সুতরাং এটা আমি নিয়ে আসি নাই আমার কাছে পাসপোর্ট রয়েছে এরপরে আমি তার কাছ থেকে এটা নিতে চেষ্টা করি কিন্তু সে যখন দিচ্ছিল না তখন আমি তাকে ১০০০ টাকা ঘুষ প্রদানের মাধ্যম দিয়ে এটি সংগ্রহ করে
জেলা পরিষদ খাগড়াছড়ি এর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগসহ সকল নিয়োগে রমরমা বানিজ্য চলে। সেটা এক প্রকার ওপেন সিক্রেট। খাগড়াছড়ি জেলার সকল বাসিন্দা জানে।কিন্তু কোন মিডিয়ায় আজ পর্যন্ত প্রকাশিত হয় নি। কেন হয়নি সেটা এখানকার দ্বায়িত্বরত সাংবাদিকরা বলতে পারবে। পার্বত্য শান্তি চুক্তির ফলে এখানকার হস্তান্তরিত সকল বিভাগের নিয়োগ /বদলি জেলা পরিষদের কাছে ন্যাস্ত। আর সকল সার্কুলারের বিপরীতে নিয়োগকারী একমাত্র কতৃপক্ষ জেলা পরিষদ হওয়ায় প্রত্যেকটা পদের বিপরীতে ১০~২৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয় যা কারো অজানা নয়। সহিসেবে এক একটা নিয়োগ প্রক্রিয়া শতকোটি টাকার লেনদেন হয়। আর ভুক্তভোগী হয় আমাদের মত নিম্ন মধ্যবিত্ত বেকার চাকরি প্রার্থীদের যারা নিজ যোগ্যতায় চাকরির জন্য দিনরাত কষ্ট করে যাচ্ছে। কিন্তু মেধা হেরে যাচ্ছে টাকার কাছে।
সম্প্রতি আমি আমার পরিবারের এক সদস্যের বিবাহের কাবিননামা উত্তোলন করার সিদ্ধান্ত নেই। কাজি অফিসে যাওয়ার পর,কাজি আমাকে তার অফিস সহকারীর সাথে কথা বলতে বলে,সেখানে আমি তাকে বিয়ের সময় কাজিকে পরিশোধিত অর্থের রিসিট দেখিয়ে কাবিন নামা এবং ইংরেজি অনুবাদ কপি এর কথা জানতে চাই। অফিস সহকারী জানায় যে বাংলা কাবিন নামার জন্য তাকে ৫০০ টাকা এবং ইলরেজি অনুবাদের জন্য ৩,০০০ টাকা অর্থ পরিশোধ করতে হবে। একই সাথে এটাও উল্লেখ করা হয় যে যদি এই ডকুমেন্টস সমূহ অনলাইনে সার্টিফাই করিয়ে নিতে হয় সেক্ষেত্রে তাকে ৮,০০০ টাকা অর্থ পরিশোধ করতে হবে। পরবর্তীতে আমি বাংলা,ইংরেজি অনুবাদ এবং ম্যাজের সার্টিফিকেটের জন্য ২,০০০ টাকার বিনিময়ে কাজির কাছ থেকে পরিবারের অন্য সদস্যের মাধ্যমে সংগ্রহ করি।
একাটি লাইসেন্স করতে ২৫০০০ টাকা দাবি করে। অথচ সরকারি ফি ৬০০০ টাকা।অনলাইন করার পরও মোবাইল নম্বরে কল করে ঘুষ চাওয়া হয়।
যে টাকা ফী তাঁর চেয়ে ৫ গুন বেশি দাবি। না দিলে লাইসেন্স লেট হবে। প্রবলেম হবে।
জন্ম নিবন্ধন এ বয়স সংশোধন পাসপোর্ট এর মত করে এতে সংশোধনে ১৫ হাজার টাকা চায়।যাহা সরকারি ফি ৫০ টাক।
রেল একটি জনসেবা মূলক প্রতিষ্ঠান। নিয়মানুযায়ী গন্তব্যস্থান এর টিকিট নিয়ে যাএা করবে। কিন্ত অধিকাংশ জনগন টিকিট না কেটে, ট্রেনের টিটি, পুলিশ, বগির সহোযোগির সহোযোগিতা নিয়ে চলাচল করে। কিছু টাকা দিলেই যাএা নিশ্চিত। ট্রেনের ষ্টাফ যেন চাকুরী নেয়, ঘুষ খাওয়ার জন্য। দেখার কেউ নাই। যারা যাএী সেবা দিবে, তারাই অসুবিধার কারন। এতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও মালামালের ঝুকি বাড়ে। যারা টিকেট কাটে না, তারা নিশ্চয় ভালো মানুষ নয়। দিন দিন ট্রেন ব্যাবসা লসে পড়ে ভাড়া বাড়ায়, এতে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ে। অন্যায় কারীরা সুবিধা নিতেই থাকছে। আমরা মানুষ হিসাবে লজ্জিত, টাকা আমাদের কিনতে পারে। এটা কোন সৃষ্টির সুন্দর্য নয়।
শ্রম আইন সেবা। ডিরেক্টর দাবি
Registrar of Joint Stock Companies and Firms (RJSC) is updating record of various returns of the Company without violating Companies Laws and bypassing jurisdiction of the Company Court of the High Court of the Supreme Court of Bangladesh. There is a writ petition pending in the High Court to solve this problem but in vain.
“শিরোনাম: বিস্ফোরক পরিদপ্তরে লাইসেন্স প্রক্রিয়ার বিনিময়ে ঘুষ দাবির অভিযোগ। অভিযোগ: বিস্ফোরক পরিদপ্তর, ঢাকায় লাইসেন্সের জন্য আবেদনকালে উপ-প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক — লাইসেন্স করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে২০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। অভিযোগকারী এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং কোনো অর্থ প্রদান করেননি। অনুরোধ: নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখার অনুরোধ।”
সরকরি অফিসে টাকা ছারা ফাইল চলে না
আমার ফাইল গায়েব। ফাইলটি পাওয়া যায় এখনো। তিন বছর ফাইল খুজে না পেয়ে নতুন করে আবার প্রক্রিয়া করতে হয়।
“শিরোনাম: বিস্ফোরক পরিদপ্তরে লাইসেন্সের বিনিময়ে ঘুষ দাবির অভিযোগ। অভিযোগের বিবরণ: আমি বিস্ফোরক পরিদপ্তর, ঢাকায় একটি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে যাই। আমার অভিযোগ হলো উপ-প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক — আমার লাইসেন্সের কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার বিনিময়ে বিশ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি এই দাবি গ্রহণ করিনি এবং কোনো অর্থ প্রদান করিনি। অনুগ্রহ করে বিষয়টির নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করে আমার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ জানাচ্ছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিরাপত্তার কারণে আমি আমার পরিচয় গোপন রাখতে চাই। অনুরোধ করছি, তদন্তের একান্ত প্রয়োজন না হলে আমার পরিচয় প্রকাশ করা হবে না।”
আমার নিজেন জন্য একটা অর্ডার করা
কালিহাতী থানা, টাংগাইল আমার থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স অনুমোদনের জন্য থানার ভিতরে টাকা দাবি করে, আমি প্রথমে ৫০০ টাকা দিলে নিতে অস্বীকার করে এবং বলে এ টাকা জেলা পর্যায় পর্যন্ত দিতে হয় এবং জেলাতে কোন ভাবেই কম টাকা নেয় না! অগ্যতা আমকে ১০০০ টাকাই দিতে হয়। শেষে সেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে আমার ১ মাসের বেশি সময় লাগে!
আমাদের গ্রীন প্রজেক্ট থাকা সত্তেও গত প্রায় ৮-৯ মাস আমাদের ঘুরানো হইছে বিভিন্ন অযুহাতে।বিভিন্ন ভাবে বুঝানোর চেষ্টা করা হইছে আমাদের যে এই লাইসেন্স করতে ২ লক্ষ টাকা লাগে, ১.৫ লক্ষ টাকা লাগে এমন।অথছ,আমাদের প্রজেক্টটি গ্রীন।এখানে ছাড়পত্র দিতে কোন বাধা থাকার কারন নেই।তারপরো ৪০০০০ নিয়েছে