Pension money
After retirement my father did not get the pension money immediately, they took more than 1 year to give it. They deliberately did nkt process the Papers. For those months we had faced difficulties.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
After retirement my father did not get the pension money immediately, they took more than 1 year to give it. They deliberately did nkt process the Papers. For those months we had faced difficulties.
স্মার্ট আইডি কার্ড ধ্রুত নেওয়ার জন্য টাকা দিতে হয়েছিল।
প্রায় 2025 সালের দিকে আমি পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি, কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় পুলিশ আমার কাছে 3500 টাকা দাবি করে এবং বলে এর থেকে কম হলে তিনি দিতে পারবেন না। আমি একাধিক বার বলার চেষ্টা করি যে স্যার প্লিজ আমি একজন স্টুডেন্ট মানুষ আমাকে করে দেন। তিনি বলছেন না এর কম হবে না।
My father went to pay water bill, but the government officer took the bill and did not sibmit it to the bank, he stole the money. But my father had the bill paid receipt, so he later took it to the government office and they said they will look into it
আমার ফ্যামিলির জন্ম সনদের জন্ম সাল এস এস সি সার্টিফিকেট সাথে মিল ছিলো না , তা জন্য আমি আবেদন করেছি একে একে ৪ বার। যখন যেবাবে বলা হইছে তখন সেই ভাবে আবেদন করেছি , তাও কাজ হইনি, অন্য এক লোক দেখিয়ে দিলো সে ২০০০ টাকা নিলো , অই দিন আমার কাজটা হয়ে গেলো ।
আমার নামে কোর্টে আমার একজন প্রতিবেশী বাড়ি তৈরির সময় ভুয়া মামলা করেছিলো। সেই সময় মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা সঠিক তদন্ত পাওয়া স্বত্তেও সেই সঠিক রিপোর্ট করার জন্য আমার থেকে ২৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। আমি দিতে বাধ্য হয়েছি তার কারন ছিলো আমার অসমাপ্ত বাড়ির কাজ শেষ করতে হবে।
আমার পার্শ্ববর্তী ওয়াল ঘেঁষে ভবন নির্মাণ নকশা অনুমোদন বিহীন করলে আমি পৌরসভার প্রশাসক কে বারংবার অভিযোগ করি। আমাকে কতৃপক্ষ বলেছেন অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে আমি অর্থ না দেওয়ায় আমার বাবার সময়ের ভবন অবৈধ,। সেই ভবন নকশা বিহীন । অভিযোগের দেড় বছর পর জানলাম
দালালের মাধ্যমে জমির সীমানা সঠিক নাই বলে অবৈধ অর্থ দাবি করে
নতুন চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনে সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পরও নেগেটিভ রিপোর্টের ভয় দেখিয়ে ৩০০০ টাকা দাবি করে। চাকরি হারানোর ভয়ে ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই
during joining or leaving ship in port we need to complete immigration procedure.there we have to give 500 taka per person to immigration police.
কিশোরগঞ্জ হতে চামটা ঘাট রাস্তা প্রশস্ত করন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহনের টাকা তুলতে ৬% কমিশন তারা নিচ্ছে তাছাড়া টাকা দেয় না। কাগজ পাতি ঠিক থাকার পরও নানা কারনে আটকে রাখে। মোট কথা তারা ৬% করে টাকা নিচ্ছে।
এটা ২০২৩ সালের ঘটনা। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য যখন পুলিশ আমার বাড়িতে আসে এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করে তোমার বাবার নাম কি সবকিছু জিজ্ঞেস করার পরে, সব কিছু ঠিকঠাক থাকার পরে বলে ৮০০ টাকা দিতে হবে। আমি বললাম কেন ৮০০ টাকা দিতে হবে বলল এটা খরচ। আমি বললাম এ খরচ তো সরকার দিবে আপনাদেরকে এটা সরকারি কাজ। তারা বলল সরকার কি দেবে কি দেবে না সেটা দেখে তোমার লাভ নাই। তুমি যদি না দাও তাহলে তোমার পাসপোর্ট এর ক্লিয়ারেন্স পাওয়া না। এটা ঝুলে থাকবে।আমি ৮০০ টাকা পরিশোধ করার পরে তারপর তারা আমার পাসপোর্ট এর ক্লিয়ারেন্স জমা দিয়েছিল।
আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি ভূলবশত সরকারের নামে রেকর্ড হয়ে যায়, পরবর্তীতে মামলায় আমরা জিতে যায় এবং সরকার আপীল করার পরও হেরে যায়, অতঃপর পাবনা জজ কোর্ট এডিসি রাজস্ব কে প্রকৃত মালিকদের জমি বুঝিয়ে দিতে বলে। এরপর সাথিয়া এসি ল্যান্ড অফিস থেকে মাঠ পর্যায়ের একটা প্রতিবেদন আনতে নোটিশ দেয় এডিসি রাজস্ব। প্রতিবেদন এ আমাদের পক্ষেই তথ্য আসে, কিন্তু পাবনা ডিসি অফিস থেকে আমাদের জমি অবমুক্ত না করে শুরু হয় আমলাতান্ত্রিক হয়রানি, অফিসের কর্মচারীরা বলতে থাকে ভিপি কেস এর সম্পত্তি টাকা ছাড়া উদ্ধার করতে পারবেন না এবং ১৫ লক্ষ টাকা দাবী করা হয়। আমরা রাজি না হলে আবার প্রতিবেদন আনতে নোটিশ দেয়, আমরা আবার প্রতিবেদন নিয়ে আসি, কিন্তু কোন কাজ হয়নি। উপরন্তু তৃতীয়বারের মতো প্রতিবেদন আনতে বলে......!?
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করেছিলাম গত ১ মাস আগে, পুলিশ ফোন করে বলে থানাশ আসতে ভেরিফিকেসনের জন্য। থানায় গেলে পুলিশ ১০০০ টাকা দাবি করে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আমার ইমারজেন্সি ছিল তাই ৬০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।প্রতি থানা ঘুষের মুল কারখানা।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বানিজ্য শাখায় কারিগরি লাইসেন্স (স্বর্নকার) নবায়ন করতে অতিরিক্ত টাকা প্রধান করতে হয়।৪র্থ শ্রেনির কর্মচারি থেকে উপর পর্যন্ত ভাগ যায়।সবচেয়ে বড় দুর্নীতিটা হয় যখন আপনি নিজে কাজটা করতে যাবেন। জেলা প্রশাসক নির্ধারিত এসটিডি ফান্ডে উত্তরা ব্যাংক শাখায় জমা দিতে হয় ৫০০ কিন্তু আপনাকে বলবে ১০০০ জমা দেন। সাথে যোগ হবে লাইসেন্স পি, ট্যাক্স ও ভ্যাট। এদিকে ঘুষ দিয়ে করে সেটা ১৩০০ টাকার মধ্যে করে দিবে।প্রশ্ন হল স্বাভাবিকভাবে করতে গেলে অনেক টাকা লাগে দেখুন ঘুষ দিয়ে করলে তেরোশো টাকায় হয়ে যায়। এই শুভঙ্করের ফাঁকি সবাই কে ক্ষতি করছে। জেলা প্রশাসন সেটা অনলাইনেও করবে না আবার বাণিজ্য শাখায় এ বিষয়ে নাগরিক সনদ নাই যে কোন খাতে কত টাকা করে ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
এটি একটি সরকারি সেবা, এটাকে কি বা তা বলে আমি জানিনা , আমি গর্ভবতী ভাতা করতে গেলে ১৫০০ টাকা সরকারকে দেওয়া লাগবে
আগের ইঞ্জিনিয়ার ইচ্ছে করে সাইন করে দিয়ে যাইনি যাতে পরবর্তীতে তার কাছে আমার যেতে হয়।। একটু কাজ বাকি ছিল কাজ শেষ করার পর বিল করতে গেছি দেখি আগের ইঞ্জিনিয়ার সাইন নেই।। সাজানো দশ দিন ঘুরার পর সে তার কাছে যেতে বলে।। এটা আমার যাওয়ার কথা না অফিসেরভাবে যাওয়ার কথা।। যেতে চাওয়ার কারণ সে টাকা নেবে ঘুষ নেবে।। পনের হাজার টাকাই দফা রুপা হয়। ২ দিন পর অফিসের পিয়ন দিয়ে টাকা দিয়ে পাঠানোর কথা।। ২ দুইদিন যাওয়ার পর আজকে পিয়ন টাকা নিয়ে গেছে সাইন করানোর জন্য। এভাবে দুর্নীতি চললে মানুষ কি করবে।।
আমার যায়গা দখল করেছে বা বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হয়রানি করার বিরুদ্ধে মামলা করতে গিয়েছিলাম, মামলা নেয়নি, অভিযোগ সত্য মিথ্যা যাচাই করতে এসে অন্যায়কারীর কাছ থেকে টাকা খেয়ে ওটাকে আর আমলে নেয়নি বা মামলা নেয়নি, বা জিডিও নেয়নি, তার পরে বিভিন্ন সময়ে থানায় যাওয়ার পরে বা 2/1 বার 2 জন পুলিশ সিভিলে আসছে শুধু টাকা আমাদের কাছ থেকেও খেয়েছে আবার অন্যায়কারীর কাছ থেকেও খেয়েছে। তার পরে আর সামনের দিকে আগাইনি।
আমি দুই মাস আগে আমার বড় ভাই এর পাসপোর্ট হারিয়ে গেছিল আমি আর আমার বড় ভাই থানায় যায় একটা জিডি করতে। থানার ডিউটি অফিসার বলে বলে জিডিটা অনলাইনে করতে হবে, প্রশ্ন করলাম আপনার এখান থেকে কি করে দেওয়া যাবে না, বলল না। পরে দেখাইয়া দিল আপনি সামনের কম্পিউটার এর দোকান আছে ঐখান থেকে করে নিয়ে আসনে। গেলাম করে দিল ২০০ টাকা রাখল। পরে শোনলাম এই কাজের একটা অংশ থানা পাই। এই কাজটা করার কথা ছিল ডিউটি অফিসারের নিজের। পাগলা থানার সামনেও সেইম সিন্ডিকেট ঘড়ে উঠেছে।
বিশ্ব ব্যাংক কর্তৃক BRTC তে BRSP নামক একটি প্গ্রাম চালু আছে যেখানে ড্রাইভিং শেখানো হয় এবং ড্রাইভিং শেষে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়া হয় সরকারিভাবে। কিন্তু ড্রাইভিং এর পরীক্ষা দেওয়ার আগে বিআরটিসি অফিস কর্তৃক আমাদের ৩০০ জনের কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া বাবদ ৩০০০টাকা লাগবে এরকম দাবি করা হয়। পূর্ববতী সিসেপ প্রকল্পের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও এরকম টাকা নেয়া হয়েছে এবং আমাদের থেকেও নেওয়া হবে। বিআরএসপি প্রতি বেচে ৩০০ জন স্টুডেন্ট থাকে। এই টাকা পরিশোধ না করলে আমাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে বেগ পেতে হবে এই ধরনের কথা আমাদেরকে জানানো হয়। আর একটা বিষয় হচ্ছে আমাদের সবাইকে ড্রপ টেস্ট করতে হবে এটাই প্রকল্পের একটি অংশ। কিন্তু আমাদেরকে এটাও বলা হচ্ছে ড্রপ টেস্টের টাকা নিজেরা পরিশোধ করতে.